প্রধান উপদেষ্টা
শিক্ষা যেন কেবল নিজের উন্নতির জন্য না হয়: সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রত্যাশা প্রধান উপদেষ্টার
আগামীকাল শুক্রবার হিন্দুদের বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা। এ উপলক্ষে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীসহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আমি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হাজার বছর ধরে এদেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। এদেশ আমাদের সবারর। ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়, বাংলাদেশ সকল মানুষের জন্য এক নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, হিন্দু ধর্মমতে, দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানের প্রতীক। তিনি বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। তিনি আমাদের অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যান। সরস্বতী পূজার এই পবিত্র উৎসব উপলক্ষে আমি প্রত্যাশা করি, আমাদের শিক্ষা যেন কেবল নিজের উন্নতির জন্য না হয়, বরং সমাজের উন্নতির জন্য হয়। আমরা যেন আমাদের জ্ঞান দিয়ে অন্যকে সাহায্য করি, দুর্বলদের পাশে দাঁড়াই এবং একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
পরিশেষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
২০ মিনিট আগে
আজ থেকে পরীক্ষা শুরু, ১২ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল: প্রধান উপদেষ্টা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো। আজ থেকে শুরু, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশই এখন সবচেয়ে বড় নির্দেশ, ইসির নির্দেশনা মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা আসলে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে, এটাই আমাদের কাজ। জাতির জন্য এটা বড় এক চ্যালেঞ্জ, যা আমাদের নিতে হবে এবং এই বিশাল কাজটি শেষ করে তাকে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যেন কোনোকিছুর অভাব বোধ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগী হতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে। ২০২৬ সালের নির্বাচন যেন এমন একটি নির্বাচন হয়, যা ভবিষ্যতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে আদর্শ তৈরি করবে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমান্ডের মূল ভূমিকায় থাকবে। এখন নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, একসঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ। আমরা এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করব। সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করব, কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটরিং করা হবে।
তিনি বলেন, বডি ক্যামেরার নানা সম্ভাবনার দিক আছে। এটি যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে বিশাল মাত্রায় সাফল্য পাওয়া সম্ভব।
এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে এবং প্রয়োজন হলে আরও কম দিনের ব্যবধানে বৈঠকে বসা হবে বলে জানান তিনি।
এ সময় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ে যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, এবার নির্বাচনকে ঘিরে দেশ ও বিদেশের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক নির্বাচন কভার করবেন এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরা বিপুল আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তারা বিষয়টিকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছেন, আমাদেরও এ বিষয়ে সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে। আমাদেরই সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যে প্রস্তুতি রয়েছে, তাতে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তারা প্রত্যেকেই ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছেন। আশা করি, তারা কেউই এই মনোভাব থেকে সরে যাবেন না।
বৈঠকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে।
তিনি জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ২৬টি দেশের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রায় তিনশ’ জনের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তাদের ৫৬ জন প্রতিনিধি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাদের দুজন প্রতিনিধি মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত আপিল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন।
প্রার্থীরা আজ মধ্যরাত থেকে শুরু করে ১০ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন ইসি সচিব।
সাইবার স্পেসে তথ্য বিকৃতি এবার একটি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে আখতার আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যালট, গণভোটের ব্যালট এবং পোস্টাল ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি সময় প্রয়োজন হবে। এটিকে ঘিরে যেন কোনো অপতথ্য বা গুজব ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য গণমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই সনদে ইতালির পূর্ণ সমর্থন
ইতালির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাত্তেও পেরেগো দি ক্রেমনাগো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে বৈশ্বিক গুরুত্বের নতুন কেন্দ্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ইতালি এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চায়, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির সঙ্গে যাতে আগামীতে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করা যায়।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় ইতালির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে প্রণীত জুলাই সনদের প্রতি তার সমর্থনের কথা জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বৈঠকে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অভিবাসন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং জুলাই সনদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা হয়।
জুলাই সনদের প্রশংসা করে মাত্তেও পেরেগো বলেন, ইতালি এই সনদে বর্ণিত সংস্কারের রূপরেখাকে সমর্থন করে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে রোমের পক্ষ থেকে তিনি পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতালিতে বাংলাদেশি সম্প্রদায় বেশ ভালোভাবে একীভূত হচ্ছে। তবে ভূমধ্যসাগরীয় পথে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
১ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক হবে বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।
তারা জানিয়েছেন, বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য উপস্থিত থাকবেন। আলোচনায় নির্বাচনকালীন পরিবেশ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এটি হবে প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপি চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বিতীয় আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
এর আগে, গত বছরের ১৩ জুন লন্ডনে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের প্রথম একান্ত বৈঠক হয়। তখন তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। ডরচেস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর উভয় পক্ষ যৌথ বিবৃতি দেয়।
যুক্তরাজ্যে ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে তিনি অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।
এরপর গত ৩১ ডিসেম্বর সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় তাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হলেও দেশে ফেরার পর আজকের বৈঠকই হবে দুজনের প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যান।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে সংস্কার বিষয়ে গণভোট এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত গণভোট হওয়ার কথাও রয়েছে।
৭ দিন আগে
শিপিং করপোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনকে (বিএসসি) একটি শক্তিশালী ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএসসি যেভাবে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়িয়েছে তা ধরে রাখতে হবে। ভবিষ্যতে এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে যাতে এই প্রতিষ্ঠানের আয় দিয়ে প্রতিষ্ঠানই আরও শক্তিশালী হয়, বহরে নতুন নতুন জাহাজ যুক্ত হয়।’
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। চেক হস্তান্তরের ওই অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহণ উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ও বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিএসসির বহরে আরও জাহাজ যুক্ত হলে নাবিকদের মধ্যে উৎসাহ বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। মেরিন একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষকদের যথাযথ সম্মানী দিয়ে ধরে রাখতে হবে যাতে তারা বিশ্বমানের নাবিক তৈরি করতে পারে।
এ সময় কমডোর মাহমুদুল মালেক জানান, বিএসসির জন্য জি-টু-জি ভিত্তিতে ছয়টি জাহাজ ক্রয় শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর একটি ঋণচুক্তি হয়। এর অর্থায়নে ছিল বাংলাদেশ সরকার ও চীনের চায়না এক্সিম ব্যাংক। সেই ঋণের পরিমাণ ১১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় এক হাজার ৪৫৭ কোটি ৬৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮৫ টাকা।
ওই ঋণ পরিশোধের জন্য ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সরকারের অর্থ বিভাগ ও বিএসসির মধ্যে অপর একটি ঋণ চুক্তি করে। সেই প্রেক্ষিতে দুই হাজার ৪২৫ দশমিক দুই কোটি টাকা ১৩ বছরের মধ্যে পরিশোধ করবে বিএসসি। চুক্তি অনুযায়ী, গ্রেস পিরিয়ডকালীন মোট সুদের পরিমাণ ৪৭৫ কোটি ২৫ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৯ টাকার চেক ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, বিএসসি সর্বশেষ অর্থবছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা আয় করে, যা ৫৪ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লাভ। বিএসসির ক্রমাগত এই অগ্রগতিতে প্রকল্পের মাধ্যমে বহরে সংযুক্ত পাঁচটি জাহাজের ভূমিকা অপরিসীম।
৮ দিন আগে
কে কী বলল বিবেচ্য নয়, ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকারী যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক অ্যালবার্ট গোম্বিস ও মর্স ট্যান মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি একথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আজ (বুধবার) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
তিনি বলেন, ‘কে কী বলল, তা বিবেচ্য নয়। নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে; এর একদিন আগেও নয়, একদিন পরেও নয়।’
অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে পক্ষপাতমুক্ত প্রশাসন পরিচালনা করবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যালবার্ট গোম্বিস এবং সাবেক অ্যাম্বাসাডর-অ্যাট-লার্জ মর্স ট্যান নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ সফর করছেন।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ও সফররত কূটনীতিকরা আসন্ন নির্বাচন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও এর পরবর্তী পরিস্থিতি, তরুণ আন্দোলনকারীদের উত্থান, জুলাই সনদ ও গণভোট, নির্বাচনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো ভুয়া খবর ও অপতথ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনে’র সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। জনগণের সম্মতি পেলে জুলাই সনদ গণতান্ত্রিক শাসনের এক নতুন যুগের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যতে স্বৈরশাসনের কোনো সুযোগ রাখবে না।
তিনি বলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের সমর্থকেরা নির্বাচনকে ঘিরে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ভুয়া খবর ও অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তবে জনগণ এখন সচেতন। ক্রমেই তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও শনাক্ত করতে পারছে।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি গোম্বিস একমত পোষণ করে বলেন, ভুয়া খবর বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের ‘প্রধান শত্রুদের একটি’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং এই হুমকি মোকাবিলায় আরও জোরালো প্রচেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।
দুই কূটনীতিক গত দেড় বছরে সরকার পরিচালনায় প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য প্রশংসা করেন। তারা জানতে চান, বর্ণবৈষম্য-পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকার আদলে বাংলাদেশে ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব কি না।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলার একজন বন্ধু হিসেবে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনের’ প্রক্রিয়া ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছিলেন। তবে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসকগোষ্ঠী তাদের অপরাধ অস্বীকার করে যাওয়ায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সে ধরনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না।
তিনি বলেন, ‘সময় এখনও উপযুক্ত নয়। কোথা থেকে শুরু করবেন? ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন তখনই সম্ভব, যখন কেউ স্বীকার করে যে সে ভুল করেছে, নিজের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়, অনুশোচনা প্রকাশ করে।
‘কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের কোনো অনুশোচনা নেই, কোনো অনুতাপ নেই। বরং তারা দাবি করছে যে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত তরুণরা সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে। তাদের অপরাধের বিপুল পরিমাণে প্রমাণ রয়েছে। তারা যা করেছে তা সম্পূর্ণ বর্বরোচিত অপরাধ, তবু তারা সম্পূর্ণ অস্বীকারের অবস্থানেই রয়েছে।’
বৈঠকে এসডিজি সমন্বয়ক ও জ্যেষ্ঠ সচিব লামিয়া মোর্শেদও উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
গভীর সমুদ্র গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণে গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার
গভীর সমুদ্রের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত গবেষণা, তথ্যভিত্তিক নীতি সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার, (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গবেষণা জাহাজ আর ভি ড. ফ্রিডজফ ন্যানসেন সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ ও ইকোসিস্টেমের ওপর পরিচালিত জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে এ সংক্রান্ত কমিটি। এরপর এ সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশের স্থলভাগ যতটুকু তার সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগেও আছে। কিন্তু এই সম্পদগুলো আমরা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারিনি; এমনকি সম্পদের পরিমাণ কী, সম্ভাবনা কেমন তাও জানতে পারিনি। আমাদের এ সম্পদকে ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য পর্যাপ্ত গবেষণা, পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেসের অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এই গবেষণা করতে গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জরিপ চালানো হয়। আট দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী এ জরিপ পরিচালনা করেন, যার মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশের।
অধ্যাপক সায়েদুর রহমান আজকের বৈঠকে গবেষণা-সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন। তিনি জানান, নতুন ৬৫ প্রজাতির জলজ প্রাণির অস্তিত্ব এই গবেষণায় পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলি ফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ইমব্যালেন্সের লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।’
এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে যা গভীর উদ্বেগের বলে জানান তিনি।
২০১৮ সালের এক গবেষণার সাথে তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় বড় মাছ কমে যাচ্ছে। স্বল্প গভীরে সমুদ্রে আশঙ্কাজনকভাবে মাছ কমছে।
জানা গেছে, ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় মাছ ধরার ট্রলার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করে থাকে। এর মধ্যে ৭০টি ‘সোনার’ (শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে মাছের অবস্থান, সংখ্যা এবং পানির নিচের গঠন শনাক্ত করা) এর মাধ্যমে টার্গেটেড ফিশিং করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী একটি পদ্ধতি। এর ফলে গভীর সমুদ্রে বড় মাছ যারা ধরেন, তাদের লাভ হলেও যারা স্বল্প গভীর পানিতে মাছ ধরেন তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছ শূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করে মাছ ধরা নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’
বাংলাদেশে ডিপ সি ফিশিংয়ের টুনা মাছের আধিক্য পাওয়া গেছে এবং এর সম্ভাবনাও আছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় সুন্দরবনের নিচে একটি ফিশিং নার্সারি পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণের জন্য সরকারের পক্ষ
বৈঠকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভির একটি বহুমুখী হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভে ভেসেল এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ভেসেলটি সমুদ্রের তলদেশ, গভীরতা এবং অন্যান্য সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহ করবে, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
জাপান, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপের সাথে যৌথ গবেষণা সমন্বয় করতে গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। এ বিষয়ে যাদের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আছে তাদের সাথে গবেষণা সমন্বয় করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।’
১৬ দিন আগে
সুইজারল্যান্ডে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শোক
সুইজারল্যান্ডের ক্রঁ-মঁতানায় একটি স্কি রিসোর্টে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে বহু প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
এ বিষয়ে সুইস প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে পাঠানো এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, দুর্ঘটনায় প্রাণহানির খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। শোকাবহ এই সময়ে সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের প্রতি এবং তার মাধ্যমে নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সুইজারল্যান্ডের জনগণের প্রতি আমি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানাচ্ছি।
বার্তায় আরও বলা হয়, এই চরম শোকের সময়ে নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের তাদের পাশে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আমরা প্রার্থনাও করছি। সর্বশক্তিমান যেন নিহতদের আত্মার মাগফিরাত দান করেন এবং তাদের পরিবারবর্গকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন।
আমরা দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতাও কামনা করছি।
শোকবার্তার শেষে সুইস প্রেসিডেন্টের প্রতি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও সৌজন্য জ্ঞাপন করা হয়।
১৯ দিন আগে
ফের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সরকারী হলেন সায়েদুর রহমান
পদত্যাগ করার পর ফের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তাকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়ার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছিল তখন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. মো. সায়েদুর রহমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি গত ৩০ ডিসেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) গেছেন। অবসরোত্তর সুবিধা নিশ্চিতের জন্য তিনি বিশেষ সহকারীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। অবসরের পর তাকে আবারও একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আজ তাকে নিয়োগ দেওয়ার আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ‘রুলস অব বিজনেস-১৯৯৬’ অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর বেতন-ভাতাদি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
২১ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমানের পদত্যাগ
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান পদত্যাগ করেছেন।
রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নির্বাহী ক্ষমতা অনুশীলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন।
২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিয়োগ পান সায়েদুর রহমান। একই সঙ্গে তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া করা হয়।
২২ দিন আগে