ট্রলারডুবি
মেঘনায় ট্রলারডুবি: কুমিল্লায় একই পরিবারের ৩ জনের দাফন সম্পন্ন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিহত কুমিল্লার তিনজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিহত তিনজনের দেহ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে আনা হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে স্থানীয় মাঠে জানাজা শেষে চরেরগাঁও কবরস্থানে পাশাপাশি তিনজনকে দাফন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবিনসহ এলাকার লোকজন জানাজা ও দাফনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নিখোঁজের দুই দিন পর আজ (শনিবার) সকালে সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ পুলিশ।
নিহতরা হলেন সামিনা (১৭), সজিব (২৪) ও সামিন (৫)। এর আগে দুর্ঘটনার দিন রায়েশা বেগম (৫৫) নামে আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া হেলাল উদ্দিন নামের আরও একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার হোমনা থেকে আত্মীয়র বিয়েতে যাওয়ার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার মেঘনা নদীতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানার-সংলগ্ন নদীতে প্রবল স্রোতের মধ্যে ট্রলারটি উল্টে যায়। মুহূর্তেই নদীতে তলিয়ে যান যাত্রীরা।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল এবং নৌ পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে নদীর তলদেশ থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রাখেন উদ্ধারকারীরা।
৯ দিন আগে
উত্তাল সাগরে ট্রলারডুবি, উদ্ধার ৯ মাঝি-মাল্লা
বঙ্গোপসাগরে ঢেউয়ের কবলে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। তবে অন্য একটি ট্রলারের মাধ্যমে ডুবে যাওয়া ট্রলারের ৯ মাঝি-মাল্লাই উদ্ধার হয়েছেন।
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এলাকায় থেমে থেমে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে এবং গভীর সাগর উত্তাল রয়েছে। এর মাঝে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ট্রলারটি ডুবে যায়।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের যুগিরহাওলা গ্রামের জহির প্যাদার মালিকানাধীন একটি ট্রলার ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ওই ট্রলারেও ৯ জন মাঝি-মাল্লা ছিলেন। পরে পাশের একটি ট্রলার দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে তা ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ কারণে পায়রাসহ চার সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলো মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুরসহ বিভিন্ন চ্যানেলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে জেলার সোনারচর সংলগ্ন সাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে গত শনিবার থেকে আটকা পড়ে আছেন ১৮ জেলে। ট্রলারটি সোনারচর-সংলগ্ন মোহনার ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে অবস্থান করছে।
উত্তাল সাগরের কারণে আশপাশের ট্রলারগুলো তাদের উদ্ধারে যেতে পারছে না বলে জানিয়েছেন জেলেদের স্বজনরা। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশকে জানানো হয়েছে।
রাঙ্গাবালী কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। সেখানে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল ও উদ্ধার সরঞ্জামের সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশ জানায়, সাগরে থাকা অন্য জেলেদের মাধ্যমে আটকা পড়া ১৮ জেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
১১ দিন আগে
খুলনায় মাঝনদীতে ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবি
খুলনার জেলখানা ঘাটের মাঝনদীতে ফেরি ও ট্রলারের সংঘর্ষের একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলাবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলখানা ঘাটে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলখানা ঘাট থেকে ৩০-৩৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার সেনেরবাজারের দিকে রওনা হয়। বিপরীত দিক থেকে একটি ফেরি খুলনার দিকে আসতে থাকে। একপর্যায়ে মাঝ নদীতে ফেরি ও ট্রলারের সংঘর্ষ হয়। এ সময় চলন্ত ফেরি বন্ধ করে দেন চালক। তবে সংঘর্ষের ফলে ট্রলারটি ডুবে গেলেও কারও কোনো ক্ষতি হয়নি।
যাত্রীদের উদ্ধারে স্থানীয়দের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, ট্রলারে ৩০-৩৫ জন যাত্রী ছিল। মাঝনদীতে ফেরির সঙ্গে ট্রলারের ধাক্কা লাগে। এরপর যাত্রীরা নদীতে পড়ে যায়। স্থানীয় মাঝিরা বিষয়টি টের পেয়ে আরেকটি ট্রলার নিয়ে মানুষ উদ্ধারে ছুটে যান। তবে কারও কোনো ক্ষতি হয়নি।
রূপসা নৌ-ফঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়ের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। আমাদের সঙ্গে উদ্ধার কর্মকাণ্ডে যোগ দেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। স্থানীয় ডুবুরিদের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরাও যোগ দেন। সব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কোনো নেখোঁজের খবর কেউ দেয়নি। তবে ট্রলারটি উদ্ধার করা এখনও সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
৩৩ দিন আগে
কক্সবাজারে ট্রলারডুবিতে নিউজিল্যান্ডের নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের নাজিরারটেক পয়েন্টে বিদেশি পর্যটকবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নিউজিল্যান্ডের নাগরিক আলবার্ট জংয়ের মরদেহ একদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে সমিতিপাড়া সমুদ্র উপকূলে একটি মরদেহ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় পরিবারের চার সদস্যই পানিতে পড়ে যান। তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আলবার্ট জং নিখোঁজ ছিলেন। পরে আজ বুধবার বিকেলে তার মরদেহ ভেসে আসে।
উদ্ধার হওয়া এডওয়ার্ড, তার স্ত্রী বেলা এবং ১৩ বছর বয়সী ছেলে রালফ বর্তমানে কোস্টগার্ডের হেফাজতে রয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
গতকাল সকালে নাজিরারটেক-সোনাদিয়া মোহনা এলাকায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের ধাক্কায় তাদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। নিখোঁজ আলবার্টকে উদ্ধারে ওই দিন রাতে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড সমুদ্রে অভিযান চালায়। পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ শাপলা ও একটি দ্রুতগামী বোটও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়।
নিউজিল্যান্ড থেকে আসা পর্যটক পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে অবস্থান করছিল বলে জানা গেছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এক কর্মকর্তা জানান, তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় সম্প্রতি তারা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৪০ দিন আগে
সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবি: সবাইকে জীবিত উদ্ধার
রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর মিলব্যারাক পুলিশ লাইন এলাকায় এমভি সুন্দরবন-১২ যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ডুবে গেলেও শেষ পর্যন্ত ট্রলারে থাকা ১০ যাত্রীকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা।
তিনি বলেন, গাজীপুরের টঙ্গী থেকে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীপথ হয়ে ১০ জন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের মিলব্যারাক পুলিশ লাইন ঘাটের কাছে পৌঁছালে ইঞ্জিনের পাখায় ময়লা আটকে ট্রলারটি মাঝনদীতে বিকল হয়ে যায়। তখন মাঝি ইঞ্জিনের পাখা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন।
এ সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী এমভি সুন্দরবন-১২ লঞ্চটি ট্রলারর ওপর উঠে গেলে মুহূর্তেই সেটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর ট্রলারে থাকা আটজন তাৎক্ষণিকভাবে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও দুইজন নিখোঁজ হন।
পরে সদরঘাট ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ দুই যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ট্রলারে থাকা ১০ জন যাত্রীই উদ্ধার হয়েছেন এবং সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি সোহাগ রানা।
৭৮ দিন আগে
সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবি, দুইজন নিখোঁজ
রাজধানীর সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাট এলাকায় একটি লঞ্চের ধাক্কায় কুমিল্লাগামী একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে যায়। নিখোঁজ দুইজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
৭৮ দিন আগে
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির দুই দিন পরও নিখোঁজ ৬ জেলে
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলের অদূরে বঙ্গোপসাগরে প্রবল স্রোত ও উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে ১১ জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর ৬ জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) গভীর রাতে সাগর-বিধৌত উপজেলা রাঙ্গাবালীর মৌডুবী এলাকা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন— বায়েজিদ (৩০), ইমাদুল সিকদার (৪০), নাজমুল (৩০), রাকিব (২২) ও সজিব (২৫)।
এখনও নিখোঁজ রয়েছেন— পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের ইমাদুল খাঁ (৪৫), খরিদা গ্রামের হারুন (৬০), গজালিয়া ইউনিয়নের আদানী গ্রামের ফরকান (৪৫), সায়েদ (২০), আল-আমিন (৪০) ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের আক্কাস (২৫)।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের ইমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন ট্রলারটি গত শনিবার রাতে ১১ জন জেলেকে নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সাগরে রওনা হয়।
পরের দিন রবিবার গভীর রাতে সাগরে প্রবল স্রোত ও বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়। এ সময় জেলেরা ট্রলারের বিভিন্ন অংশ ও একটি বয়া ধরে সাগরের বুকে প্রায় ৬ ঘণ্টা ভেসে ছিলেন।
পরে রাত ৩টার দিকে একই এলাকার ইমাম সিকদারের একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে মৌডুবী এলাকায় নিয়ে আসে। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ট্রলারডুবির ঘটনা শুনেছি। ফিরে আসা জেলেদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়নি। বিষয়টি গলাচিপা থানার এখতিয়ারভুক্ত বলে জানান তিনি।
৯০ দিন আগে
বঙ্গোপসাগরে ১৫ জেলেসহ ট্রলারডুবি, এখনও নিখোঁজ ৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এফবি সাগরকন্যা নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সমুদ্রে ৪ দিন ভেসে থাকার পর ৯ জেলেকে উদ্ধার করেছে অপর দুটি মাছধরার ট্রলার।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বঙ্গোপসাগরের শেষ বয়ার ৭৫ কিলোমিটার গভীরে ট্রলারটি ডুবে যায়।
ওই ঘটনার পর এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আবদুর রশিদ, নজরুল ইসলাম, রফিক, ইদ্রিস, হারুন ও কালাম নামের ৬ জেলে।
উদ্ধার ৯ জেলেকে অসুস্থ অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে আবদুর রশিদ মাঝি ১৫ জেলেসহ মহিপুর থেকে ওই ট্রলারটি নিয়ে গভীর সাগরে যায়। শুক্রবার সকালে শেষ বয়ার ৭৫ কিলোমিটার গভীয় গিয়ে জাল ফেলার পর হঠাৎ একটি ঝড় ও উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে তাদের ট্রলারটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ডুবে যায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ জন হারিয়ে যান। তারা ১৪ জন বাঁশ ও ফ্লুটের সাহায্যে ভাসতে শুরু করলে দুই দুফায় আরও ৫ জন হারিয়ে যান। পরে তারা ভাসতে ভাসতে শেষ বয়া এলাকায় পৌঁছলে গতরাতে দুটি ট্রলার তাদের উদ্ধার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় গত ২৬ জুলাই ট্রলারমালিক কিশোর হাওলাদার নিখোঁজ জেলেদের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তাদের সন্ধানের চেষ্টা চালাচ্ছি।
৪৩৩ দিন আগে
হাতিয়ায় ৩৯ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবি: নিহত ১, এখনো নিখোঁজ ৮
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীতে ঝড়ো হাওয়া ও ঢেউয়ের তোড়ে যাত্রীবাহী একটি ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আটজন। আর ৩১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) বিকাল ৩টার দিকে মেঘনা নদীর করিম বাজার সংলগ্ন ডুবারচরের এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রলারটি হাতিয়ার ভাসানচর থেকে ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে একই উপজেলার আলীবাজার ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিল।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অপারেশনস) মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, রাত ৯টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভাসানচর থানায় কর্মরত জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ (২৮) এখন ও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৩১ জনকে।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক মৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলে ও পুলিশের পাশাপাশি উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে কোস্টগার্ড।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে পাহাড় ধস ও ট্রলারডুবিতে নিহত ১২, নিখোঁজ ৫ শতাধিক জেলে
ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কুতুব উদ্দিন বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, আনুমানিক ২টার দিকে হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর ঘাট থেকে ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হাতিয়ার আলীবাজার ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা করে। ট্রলারটি ছেড়ে আসার পরে প্রায় ৮ কিলোমিটার চলার পর করিমবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর ডুবারচর এলে ঝড়ো হাওয়া এবং ঢেউ এর তোড়ে পড়ে অল্প সময় এর মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়। এসময় যাত্রীরা প্রাণ রক্ষায় চিৎকার করতে থাকে এবং পানিতে লাফিয়ে পড়ে।
তিনি জানান, ট্রলারটিতে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কয়েকজন রোগীকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ পুলিশ সদস্য নিয়ে যাচ্ছিল এছাড়া ভাসানচরে কর্মরত উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) কয়েকজন কর্মী এবং আনসার সদস্য ও স্থানীয় যাত্রী ছিল।
ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী হাতিয়ার জনতা বাজার পুলিশ ফাঁড়ির এস আই শহীদ উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই ফাঁড়ি থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে স্থানীয় জেলেদের নিয়ে নিমজ্জিত ট্রলারের যাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু করে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে ১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩
৪৯২ দিন আগে
কক্সবাজারে পাহাড় ধস ও ট্রলারডুবিতে নিহত ১২, নিখোঁজ ৫ শতাধিক জেলে
কক্সবাজারে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসে এবং বৈরী আবহাওয়ায় ট্রলারডুবিতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ট্রলারসহ ৫ শতাধিক জেলে নিখোঁজ রয়েছে।
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণের ফলে কক্সবাজারে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় দুই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ট্রলারডুবিতে মৃত্যু হয়েছে ৫ জেলের। এছাড়া টেকনাফের বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে এক শিশু।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ইনানী থেকে দুইটি লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিক তাদের পরিচয় মেলেনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈকতকর্মীদের ইনচার্জ মাহবুব।
তিনি জানান, ইনানী পাটোয়ার টেক বিচের পাশাপাশি জোয়ারের পানির সঙ্গে দুইজনের লাশ ভেসে আসে। তবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এর আগে শহরের সমিতি পাড়া থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইনানী থেকে শুক্রবার বিকালে আরও একটি লাশ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: পলাশবাড়ীতে মোটরসাইকেল-ইজিবাইকের সংষর্ষে চালক নিহত ইউএনবি নিউজ গাইবান্ধা
শুক্রবার কক্সবাজার শহরের লাবণী পয়েন্টের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ২৩ জেলেসহ এফবি রশিদা নামে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে জামাল নামের এক জেলে নিহত হন। জীবিত অবস্থায় ১৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনো তিন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল গনি ওসমানী বলেন, দুই দিনে ইনানী থেকে তিনজন, কলাতলী থেকে একজন ও সমিতি পাড়া থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এই পাঁচজনের লাশ সাগর থেকে ভেসে এসেছে।
সাগরে ট্রলারডুবির কারণে এসব জেলের মৃত্যু হতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।
এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার কক্সবাজারের সদরের ঝিলংজায় পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ডিককুলের মিজানুর রহমানের স্ত্রী আখি মনি এবং তার দুই শিশু কন্যা মিহা জান্নাত নাঈমা ও লতিফা ইসলাম।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে উখিয়া ১৪ নম্বর হাকিমপাড়ায় ক্যাম্পে এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।
৭৫১ দিন আগে