মন্ত্রিসভা
সরকারের ১৮০ দিনে মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তির পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হবে বলে কোনো সিদ্ধান্ত বা ইঙ্গিত সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়গুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তির পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হবে—এমন আলোচনা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘মন্ত্রিসভার রদবদল ১৮০ দিনের পর হবে, সরকারের দিক থেকে এ ধরনের কোনো কিছু বলা বা ইঙ্গিত করা হয়নি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়গুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন হতে পারে। কারও কাছে অনেক বেশি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকলে সেখানেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এসব ১৮০ দিন পূর্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
উপদেষ্টা বলেন, ‘এই ইভালুয়েশন (মূল্যায়ন) চলতে থাকবে। এটা ১৮০ দিন নয়; দ্বিতীয় বছর, তৃতীয় বছর বা যেকোনো সময় হতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক সরকার চাইবে জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে। কোথাও কোনো সমস্যা তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবেন।’
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন বলেও এ সময় জানান ডা. জাহেদ। তিনি বলেন, ‘১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিকে অ্যাড্রেস করবেন—এমন একটি সম্ভাবনা আছে এবং সেটার বেশিই আছে, সম্ভাবনা হচ্ছে সেটা করতে যাচ্ছেন। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি সবকিছু।’
এদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে ব্রিফ করেছেন। ওই ব্রিফিং থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশ বিষয়টি অত্যন্ত শক্তভাবে ভারতের কাছে উপস্থাপন করেছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের যে রিয়েল অ্যালাইনমেন্টের (সম্পর্কের পুনর্বিন্যাস) কথা বলছি, সেটার অনুকূল পরিবেশ ভারতের দিক থেকে তৈরি করতে হবে।’
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি ধারণা ও সন্দেহ রয়েছে যে, তার সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে ভারতের সঙ্গে এক ধরনের যোগাযোগ ও সহযোগিতা পেয়েছে।
ডা. জাহেদ বলেন, ‘যাকে আমরা দেশে এনে বিচার করতে চাই, তিনি সেখানে বসে সংবাদ সম্মেলন করছেন। তাকে প্রত্যর্পণের কথা ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চুক্তি আছে। একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আমরা দেশে এনে আইনের আওতায় আনতে চাই। এই বিষয়গুলো ভারতকে আন্তরিকভাবে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, দুই দেশের জনগণের সঙ্গে হওয়া উচিত।
৩ দিন আগে
নতুন ভিসা নীতিমালা চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
দেশের নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করতে ৮ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটি খসড়া চূড়ান্ত করার পর তা আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করতে মন্ত্রিসভা কমিটির গঠন করে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।
এ কমিটি ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করবে। এছাড়া প্রয়োজন হলে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে কমিটি। প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটির পরিমার্জনের পর ভিসা নীতিমালার খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করবে।
এর আগে, গত ২ জুলাই ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সেই বৈঠকে খসড়াটি পরিমার্জনের জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
৩৭ দিন আগে
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেরিয়ে মন্ত্রিসভায় কায়কোবাদ
যাবজ্জীবনের কারাদণ্ড পেরিয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছয়বারের এই সংসদ সদস্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় তার নির্বাচনি এলাকা কুমিল্লা-৩ আসনসহ (মুরাদনগর) জেলাজুড়ে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পান কায়কোবাদ। সাজাভোগ এড়াতে এক যুগেরও বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি দেশে ফেরেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।
তার ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, কায়কোবাদ মুরাদনগরে মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি মুরাদনগরবাসীর নিকট ‘দাদা ভাই’ হিসেবে পরিচিত। তাকে ধর্মমন্ত্রী করায় উপজেলায় খুশির জোয়ার বইছে। সদর থেকে গ্রাম পর্যন্ত চলছে গণহারে মিষ্টি বিতরণ।
উল্লেখ্য, কায়কোবাদ ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেন। তিনি ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এর আগে ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন কায়কোবাদ। ১৯৮৬ সালে সংসদে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবার পেলেন পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা।
১৭৮ দিন আগে
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক বিকেলে
নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ বুধবার বিকেলে। সচিবালয়ে নতুন ১ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এ বৈঠক হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বৈঠকটি শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে তথ্য জানা গেছে আজ (বুধবার) সচিবালয়ে অফিস করবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শপথ নেওয়ার পর দিন তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক এবং সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
দায়িত্ব গ্রহণের পরদিন আজ (বুধবার) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে প্রথমবারের মতো অফিস করবেন।
সচিবালয়ে গিয়ে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। দুপুরের পর বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র আরও জানিয়েছে, বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা নেই। মূলত এটি হবে পরিচিতিমূলক। এরপর বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৭৮ দিন আগে
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু। ড. মুইজ্জু মালদ্বীপের অষ্টম প্রেসিডেন্ট।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল্লাহ খলিলও থাকবেন অনুষ্ঠানে। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ (সোমবার) ঢাকা আসছেন।
এর আগে, তিনি গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অভাবনীয় বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন যে, তিনি মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং গভীর করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছেন।
পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সম্পর্ক আরও গভীর করার ব্যাপারে মালদ্বীপের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু।
১৭৯ দিন আগে
মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ থাকবেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নেপালের পক্ষ থেকে যোগ দেবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাঠমান্ডু থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সোমবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরে যাবেন।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বালা নন্দের এই সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এবং নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার বন্ধন গভীর করতে নেপালের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
সফরকালে বালা নন্দের সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও থাকবেন।
এর আগে, নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের খবর পেয়ে গত শুক্রবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্কের প্রত্যাশা করে।
শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আমাদের প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার করতে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা সুসংহত করতে আমি আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’
উল্লেখ্য, নেপাল সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতেও ৩০ ডিসেম্বর বালা নন্দ শর্মা ঢাকায় এসেছিলেন।
১৭৯ দিন আগে
মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির স্বাস্থ্য ও তথ্যমন্ত্রী ড. নালিন্দ জয়াতিসা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি কলম্বো থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের হাইকমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ (সোমবার) সকালে কলম্বোর বন্দরনায়েকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করেন। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।।
হাইকমিশন বলছে, এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) তাদের শপথ পড়ানোর কথা রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
১৭৯ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ কেন সংসদ প্রাঙ্গণে, জানালেন আসিফ নজরুল
রীতি ভেঙে বঙ্গভবনে না করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় করার কারণ জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিএনপির অভিপ্রায় অনুসারেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান উপদেষ্টা।
এর আগে তো বঙ্গভবনে শপথ হতো; এবার দক্ষিণ প্লাজায় শপথ হওয়ার কারণ কী—জানতে চাইলে আইন উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ, বিএনপি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল। আমার ধারণা যেটা সেটা হচ্ছে, যেহেতু আমাদের এই সংসদটা একটু ভিন্ন। আমরা জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, এই গণঅভ্যুত্থান, অনেক আত্মত্যাগ, কষ্ট, বেদনা ও প্রাণহানির বিনিময়ে আমরা এই সংসদটা পেয়েছি। এই সংসদটা অন্য সব সংসদের চেয়ে একটু ভিন্ন।
তিনি বলেন, তাছাড়া এই সংসদ প্রাঙ্গণে অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। জুলাই ঘোষণা এবং জুলাই সনদ—এই দুইটাকে ঘিরে যে অনুষ্ঠান সেটাও সংসদেই আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংসদের দক্ষিণ প্লাজাটা আমাদের কাছে আরও বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়। আমাদের প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা হয়েছিল এটার পাশের জায়গায়। আমাদের যে সবার প্রিয় শহিদ ওসমান হাদি, তারও জানাজা হয়েছিল।
আসিফ নজরুল বলেন, অনেক স্মৃতি জড়িত আছে এখানে। সেই সঙ্গে এটা আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিন্ন যে ডকুমেন্টেশন, সেটার প্রকাশের একটা জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সবকিছু বিবেচনা করে হয়তো উনারা (বিএনপি) অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। আমরা সেই অনুযায়ী আয়োজন করেছি।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমাদের একটা বিদায়ী বৈঠক ছিল। আমরা এখানে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেইনি। আমরা আমাদের কাজকর্ম একটু ফিরে দেখলাম। তারপর আমাদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সবাইকে জানানো হলো। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতার কথা বললাম। তেমন বড় কিছু না; এটা সবাই একসঙ্গে হয়ে শেষ বৈঠক করার মতোই।
১৮০ দিন আগে
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ প্রধান উপদেষ্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ঢাকা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি থেকে এক কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা অধ্যাপক ইউনুসের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছি। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে।’
সূত্র জানায়, চলতি মাসের ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে। ওই সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে আতিথ্য দেবে ভারত। এ কারণে মোদির ঢাকায় আসার সম্ভাবনা কম, তবে তিনি তার প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন।
‘ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বৈশ্বিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি হবে গ্লোবাল সাউথ অঞ্চলে আয়োজিত প্রথম বৈশ্বিক এআই সম্মেলন।
সূত্র আরও জানায়, ভারতীয় লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা এবং দেশটির পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় আসতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও দেওয়া হয়নি।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান এবার হতে যাচ্ছে খোলা প্রাঙ্গণে।
১৮০ দিন আগে
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ মঙ্গলবার বিকেলে, এমপিদের সকালে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বঙ্গভবনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, একইদিন (মঙ্গলবার) সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
সাধারণত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান এবার হতে যাচ্ছে খোলা প্রাঙ্গণে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন হয়। দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলবেন, আমাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে সংসদে। তখন রাষ্ট্রপতিকে তিনি সরকারপ্রধান করার অনুরোধ করবেন। রাষ্ট্রপতি দলনেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করাবেন।
রাষ্ট্রপতি প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়াবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
১৮১ দিন আগে