নিবন্ধন সনদ
নিবন্ধন সনদ ছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে সরকার
নিবন্ধন সনদ গ্রহণ এবং নবায়ন ছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি পরিচালনা করলে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে সরকার। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ট্রাভেল এজেন্সির মেয়াদোত্তীর্ণ নিবন্ধন সনদ নবায়নের জন্য সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন-২০২১ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী নিবন্ধন সনদ না নিলে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ নিবন্ধন সনদ নবায়ন ছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা পরিচালনা করলে তা আইনের পরিপন্থি। তাছাড়া নিবন্ধন সনদ নবায়ন না করায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ছাড়াও মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা পরিচালনাকারী সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (www.regtravelagency.gov.bd) জরুরিভিত্তিতে নিবন্ধন সনদ নবায়নের আবেদন দাখিল করার অনুরোধ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ এবং নিবন্ধন সনদ নবায়ন ছাড়া যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৬ দিন আগে
ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদে চাকরি, শাস্তির মুখে শিক্ষক
শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল করে অন্যের সনদে নিজের নাম বসিয়ে দীর্ঘ ১৪ বছর চাকরি করে আসছিলেন শিক্ষক আবুল খায়ের। অবশেষে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছে যাচাই-বাছাইতে ধরা পড়ে তার জালিয়াতির ঘটনা। এ ঘটনায় শাস্তি পেতে চলেছেন এই শিক্ষক।
আবুল খায়ের ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর মুনছুর আলী একাডেমি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান)।
২৩ অক্টোবর ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগটি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: কুমারখালীতে ২ ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা, চেম্বার বন্ধ
২৯ অক্টোবর ঝিনাইদহর শিক্ষা অফিসার আজহারুল ইসলামের নির্দেশে আবুল খায়েরের কাগজপত্র চেয়ে জেলা শিক্ষা অফিসে তলব করা হয়। পরে তিনি কাগজপত্র জেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিলে জেলা শিক্ষা অফিসার কাগজপত্র দেখার পর শিক্ষা নিবন্ধন সনদটি তার জাল বলে সন্দেহ হয়।
এরপর সনদ যাচাইয়ের জন্য এনটিআরসিএতে পাঠালে যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৯ নভেম্বর সনদটি ভুয়া ও জাল উল্লেখ করে সহকারী পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন-৩) সাইফুল ইসলাম প্রতিবেদন দেন।
এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো সাইফুল ইসলামের প্রতিবেনে বলা হয়, ২০০৮ সালের চতুর্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবুল খায়েরের দাখিল করা প্রত্যয়নপত্রটির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত ফলাফলের মিল না থাকায় প্রত্যয়নপত্রটি জাল ও ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।
জালিয়াতির করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া ওই প্রতিবেদনে।
আবুল খায়ের ২০১০ সালে প্রধান শিক্ষক আমিন উদ্দিনের সঙ্গে যোগসাজশ করে শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদ দিয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর মুনছুর আলী একাডেমি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন।
আরও পড়ুন: রামেক হাসপাতাল থেকে ‘ভুয়া চিকিৎসক’ আটক
৪৯০ দিন আগে