রাজশাহী
রাজশাহীতে বিএনপির দুপক্ষের বিরোধে এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বিএনপির কর্মীরা নিজ দলের এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের সিপাইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম এরশাদ আলী (৬৫)। তিনি সিপাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের অনুসারী ছিলেন।
অভিযুক্তরা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী। তিনি এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চারঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, গতকাল (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর স্থানীয়রা মসজিদে বসে একটি ইসলামি জলসা আয়োজন করার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। এ সময় একপক্ষ বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে প্রধান অতিথি করতে চান। আর অপরপক্ষ স্থানীয় এমপি আবু সাঈদ চাঁদকেই প্রধান অতিথি করতে চান। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কিতে আলোচনা ভেস্তে যায়।
ঘটনার বিবরণে তিনি আরও জানান, তর্কাতর্কির পর রাতে এরশাদ আলী তারাবির নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই সময় চায়ের দোকানে বসে ছিলেন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী সাইদুর রহমান, গাজী, সুমন আলী, সাব্বির, আশাদুল, জোয়াদসহ কয়েকজন। তারা এরশাদ আলীকে দেখতে পেয়ে লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে তাকে পেটাতে থাকেন। এ সময় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। তার বাড়ির পাশেই ঘটনাটি ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়ি নিয়ে যান।
এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা ঘটনার পরই পালিয়েছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে। আর নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
৯ দিন আগে
রাজশাহীতে ফেসবুক লাইভে এসে তরুণীর আত্মহত্যা
রাজশাহীতে ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণী। প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত মনোমালিন্যকে এ ঘটনার কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর রাজপাড়া থানার কাদের মণ্ডলের মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণীর নাম রোজিনা সরকার পাখি (২১)। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে তার পালিত মা রোজী খাতুনের (৪০) সঙ্গে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তার বাবার নাম ইদ্রিস আলী।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এক যুবকের সঙ্গে প্রেমঘটিত মনোমালিন্যের জেরে তিনি এ পথ বেছে নেন। আত্মহত্যার আগে তিনি ফেসবুকে লাইভে ছিলেন এবং নিজের আইডি থেকে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিয়ে একাধিক পোস্ট দেন।
বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর প্রায় ৫ ঘণ্টা আগে রোজিনা তার ফেসবুক আইডিতে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজকে আমার শেষ দিন। আল্লাহ মাফ করুক। জানি না জান্নাতে যাব নাকি জাহান্নামে যাব। পৃথিবীতে আমার জন্য কোনো সুখ নেই। আল্লাহ হাফেজ, প্রিয় বন্ধুরা।’
মৃত্যুর ২ ঘণ্টা আগে তিনি আরেকটি পোস্টে লেখেন, ‘বিদায় এই সুন্দর পৃথিবী।’ এছাড়া মৃত্যুর আগে কথিত প্রেমিককে উদ্দেশ করে ‘আই লাভ ইউ’ ও ‘আই মিস ইউ’ লিখেও পোস্ট দেন।
পরে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।
১১ দিন আগে
মসজিদে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তের গুলি, রাজশাহীতে মুসল্লি নিহত
রাজশাহী মহানগরীতে মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক মুসল্লি নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে নগরীর খোঁজাপুর গোরস্তানের প্রাচীরসংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. মোস্তফা (৫০)। তিনি নগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী এলাকার তইমুর উদ্দীনের ছেলে ছিলেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবুল কালাম আজাদ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, মোস্তফা মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার ডান পায়ে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎস তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, মোস্তফাকে হাসপাতলে আনা হলে তাকে আমারা মৃত অবস্থায় পাই। তিনি ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি বলেন, কী কারণে হামলা হয়েছে, সেটি এখনও জানা যায়নি। হামলাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে এখন তদন্ত করা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২২ দিন আগে
রাজশাহীর ৬টি আসনে ৪টিতে বিএনপি, দুটিতে জামায়াত বিজয়ী
রাজশাহী জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৪টিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। জেলার ৬টি আসনে পোস্টাল ভোটসহ বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মোট ১৬০টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। ১ হাজার ৮৮৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মুজিবুর রহমান।
অপরদিকে, রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মোট কেন্দ্র ১১৬টি। এর মধ্যে সবকয়টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৪৭ ভোট। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৪৬৬ ভোট।
এছাড়া, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে মোট কেন্দ্র ১৩১টি। সবয়কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬৮ ভোট। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৬৫ ভোট।
অন্যদিকে, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২২টি। এর মধ্যে ১২২টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২৪৮ ভোট। বিএনপি প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৭৫৯ ভোট। ৮ হাজার ৪৪৯ ভোটের ব্যবধানে ডা. আব্দুল বারী সরদার বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়াও, রাজশাহী ৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩২টি। সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৬১২ ভোট। এখানে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৮৭৩ ভোট।
রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৯টি। সবগুলো কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট। জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট।
২৪ দিন আগে
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে ৫ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার
কোনো ভোটকেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে ৫ মিনিটের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে উপস্থিত হয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নিজ কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার এ কথা বলেন।
ড. বজলুর রশীদ বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এমনভাবে মোতায়েন করেছি ও প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছি, তাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কা কম।
তিনি জানান, রাজশাহী বিভাগে ৩৯টি সংসদীয় আসনে ভোটার এক কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ৫ হাজার ৫০৪টি যার মধ্যে ১ হাজার ৭৬৭টি গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগজুড়ে ২১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৩৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন থাকবেন মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬ জন সদস্য যার মধ্যে রয়েছেন ১০ হাজার সেনাসদস্য, বিজিবি ৪ হাজার ১২৩ সদস্য, রেঞ্জ পুলিশের ১৩ হাজার ৭৯৬ সদস্য, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ২ হাজার ৪০৫ সদস্য, স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্সের (সাবেক র্যাব) ১ হাজার ৬ জন এবং ৭২ হাজার ৭৩৬ জন আনসার। প্রতি আসনে গড়ে ২ হাজার ৬৬৮ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ৫ হাজার ২৬৬টি কেন্দ্রে সিসি টিভি এবং ২ হাজার ৩১৮টি বডি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
২৬ দিন আগে
নেশার টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে
রাজশাহী নগরীতে নেশা করার টাকা না পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সুমন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। মরদেহ রাস্তায় ফেলে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান নেন সুমন। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে সুমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর খড়খড়ি এলাকার পুরাতন কৃষি ব্যাংক মোড়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ওই নারীর নাম সোহাগী খাতুন (৫৫)। তিনি ওই এলাকার আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। দুই ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন তিনি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাদকাসক্ত সুমন রাতে নেশার করার টাকার জন্য তার মাকে চাপ দেন। কিন্তু টাকা দিতে রাজি না হলে ধারালো হাসুয়া দিয়ে তিনি তার মায়ের বুকে ও পেটে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মা নিহত হন। পরে মায়ের মরদেহ রাস্তায় ফেলে রেখে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান নেন সুমন। বিষয়টি স্থানীয়রা জানার পর ওই ঘর থেকে তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। নিহত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
প্রতিবেশী মোজাম্মেল হক জানান, সুমন নিয়মিত নেশা করতেন। তিনি এলাকায় নিয়মিত ছোটখাট চুরিও করতেন। সুমন সব সময় হাসুয়া বা রামদা নিয়ে ঘুরতো বলেও জানান তিনি।
নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই যুবক মাদকাসক্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৩৬ দিন আগে
রাজশাহীতে স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, সাংবাদিক স্বামী আহত
রাজশাহীতে এক সাংবাদিকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সাংবাদিক নিজেও বাসায় আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
নিহত নারীর নাম রওশন আরা (৫৫)। তার স্বামীর নাম গোলাম কিবরিয়া কামাল (৬০)। তিনি কামাল মালিক নামে সাংবাদিকতা করেন। বর্তমানে স্থানীয় দৈনিক রাজশাহী সংবাদের উপসম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। নগরীর হড়গ্রাম বাজার এলাকার একটি বাসায় তিনি ভাড়া থাকেন। কামাল মালিক ডাক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বাসা থেকে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিল্লাল উদ্দিন জানান, রওশন আরাকে তারা মৃত অবস্থায় পেয়েছেন। তার গলায় একটি কাপড় পেচানো ছিল। তবে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সেটি ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত করে বলা যাবে। সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়ার হাতে ও পায়ে জখম আছে। তিনি একধরনের রাসায়নিক দ্রব্য পান করেছিলেন। তার অবস্থাও সংকটাপন্ন। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানান এই চিকিৎসক।
পুলিশ জানিয়েছে, তিনতলা বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকেন গোলাম কিবরিয়া। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে যায়। তাদের বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে দরজা ভেঙে তাদের বের করা হয়েছে। মেঝেতে রওশন আরা পড়ে ছিলেন। আর বিছানায় আহত অবস্থায় ছিলেন গোলাম কিবরিয়া। পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দৈনিক রাজশাহী সংবাদের সম্পাদক আহসান হাবীব বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরাও হাসপাতালে যাই। কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সাংবাদিক কামাল মালিকের অবস্থা সংকটাপন্ন। হাত ও পায়ে জখম আছে। সম্ভবত রগ কেটে গেছে। তাকে আইসিইউতে নেওয়া হচ্ছে।
রাজশাহী নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইমসিন বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে। তারা ঘটনাস্থল পর্যক্ষেণ করেছে। কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। ওই দম্পতির বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। যা-ই ঘটুক, তারা নিজেরাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন, এটুকু অনুমান করা যাচ্ছে।
৩৭ দিন আগে
রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারেজ পুনরুজ্জীবিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লবকে টেকসই করতে থমকে যাওয়া পদ্মা ব্যারেজ ও বরেন্দ্র প্রকল্প উন্নয়ন পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতি নিয়ে এই মেগা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত বিশাল সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে যে বিশাল সেচ প্রকল্পের নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা, গত ১৬ বছরে সেটি পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে আজ সেই প্রকল্প বন্ধপ্রায়। আমরা পদ্মা ব্যারেজের কাজে হাত দিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঐতিহাসিক প্রকল্পটিকে আবার পূর্ণ শক্তিতে সচল করা।
উত্তরবঙ্গের কৃষকদের আশ্বস্ত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই সেচব্যবস্থা শুধু রাজশাহীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই প্রকল্পের সুবিধা রাজশাহী থেকে শুরু করে সেই পঞ্চগড় পর্যন্ত কৃষকরা যেন পায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।
তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে বাংলাদেশ। আমরা চাই উত্তরের প্রতিটি প্রান্তরে সেচের পানি পৌঁছে যাক, যাতে আমাদের মায়েরা ও কৃষাণীরা সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পান।
তারেক রহমান বলেন, কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। এজন্য আমরা কৃষি কার্ড দেব। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সূদসহ মওকুফ করব।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিদের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে আম সংরক্ষণের কোনো আধুনিক ব্যবস্থা নেই। আমরা ক্ষমতায় গেলে আমের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ বা গুদাম তৈরি করব। এতে চাষিরা মৌসুমে আম পচে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তি পাবেন এবং নায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি তারেক রহমান এই অঞ্চলে যাতায়াত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, এটি হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন, যা দিয়ে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আজ কারো সমালোচনা করতে চাই না। কিন্তু একটি কথা বলতে চাই, বিএনপির বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সরকাকে বলবো, আপনারা সঠিক তদন্ত করে বের করুন।
২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের সশরীরে উপস্থিতি নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। জনসভায় তিনি উপস্থিত দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন এই উন্নয়নের বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’
সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার বিভিন্ন পর্যায় থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।
এর আগে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানে করে ঢাকা থেকে রাজশাহীতে পৌঁছান তারেক রহমান। এরপর নগরীর দরগাপাড়ায় হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন।
৩৯ দিন আগে
২২ বছর পর রাজশাহীতে তারেক রহমান, নেতা-কর্মীতে পূর্ণ নগরী
দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর পর রাজশাহী বিভাগ সফরে গেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উত্তরাঞ্চলে তিন দিনের সফরের অংশ হিসেবে আজ রাজশাহীতে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরইমধ্যে তিনি রাজশাহীতে পৌঁছেছেন।
তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। সকাল থেকেই দূর-দুরান্ত থেকে তারা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। বেলা ১১টার দিকেই কানায় কানায় পূর্ণ হতে শুরু করে মাদরাসা মাঠ। দুপুর ১২টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু হয়েছে।
তারেক রহমানের রাজশাহী সফর উপলক্ষে সকাল থেকেই মাদরাসা মাঠে ঢাক-ঢোল, পতাকা হাতে নিয়ে জড়ো হতে শুরু করেন বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ, ঢল নেমেছে সমর্থকদের। তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে দলীয় সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার বাসভবন ছাড়েন। পরে বিমানযোগে রাজশাহী পৌঁছান দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে। সেখানে তার শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজারে নামাজ জিয়ারত করার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে একটি বড় জনসমাবেশের আয়োজন করেছে। মাঠের চারপাশে টাঙানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার। স্লোগান আর মিছিলের মাধ্যমে নেতা-কর্মীরা তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
রাজশাহী বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত বলেন, রাজশাহী ছাড়াও আশপাশের জেলা ও উপজেলার নেতা-কর্মীরাও সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর কমিটি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য তিনি আসছেন, জনগণের জন্য তিনি আসছেন। তিনি আসছেন এই জন্য আমাদের যে ভোট ছিল তার চেয়ে আমাদের দ্বিগুণ ভোট বৃদ্ধি পাবে।’
সব মিলিয়ে সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহে মাদরাসা মাঠ ইতোমধ্যে পরিণত হচ্ছে এক বিশাল জনসমুদ্রে। দলের নেতারা আশা করছেন, এই সমাবেশ বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
সর্বশেষ, ২০০৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জেলা স্টেডিয়ামে বিএনপির রাজশাহী বিভাগের তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় যোগ দিতে রাজশাহী গিয়েছিলেন তারেক রহমান।
৩৯ দিন আগে
রাজশাহীতে অস্ত্রসহ দুই জন আটক
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘সিক্স স্টার গ্রুপের’ দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি সেট ও একটি রাইফেল উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার মথুরাপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন মথুরাপুর এলাকার বাসিন্দা আবদুল হালিম (২৯) ও আবু বাশার (২৭)।
পুলিশ জানায়, সেনাবাহিনীর বাগমারা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর আসিফ রায়হানের নেতৃত্বে একটি দল ভোরে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নিজ নিজ বসতবাড়ি থেকে হালিম ও বাশারকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি সেট এবং একটি রাইফেল উদ্ধার করা হয়। পরে সেনাবাহিনী আটক দুজনকে বাগমারা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তাহেরপুর এলাকায় ‘সিক্স স্টার গ্রুপের’ আত্মপ্রকাশ ঘটে। তারা ওয়াকিটকি ব্যবহার করে এলাকায় চলাচল ও প্রভাব বিস্তার করত। পুকুর খননসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, সেনাবাহিনীর অভিযানের শেষ পর্যায়ে পুলিশ সহযোগিতা করেছে। গতকাল (শুক্রবার) সকালে আটকদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও অপরাধের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় তাদের।
৪৪ দিন আগে