ওসি
গালাগালকাণ্ডে হবিগঞ্জের সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ওসির মামলা, আদালতে সোপর্দ
হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী তুষারকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৮৯/ ৫০৪ ও টেলিকমিউনিকেশন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর ৬৯ ধারায় বাহুবল থানায় মামলা করেছেন। আদালত পরিদর্শক সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, বাহুবল থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে গতকাল (রবিবার) দুপুর ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।
১৪ দিন আগে
ওসিকে গালাগাল করার অভিযোগে হবিগঞ্জে বিএনপি নেতা আটক
হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করেছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি শামীম ইকবাল।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তুষার চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি গত দুই মাসের মধ্যে কোনোদিন ওসিকে ফোনও দেইনি। আমি আমার ম্যানেজারকে গালাগাল করেছি, সেটাকে এডিট করে কেউ ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে।
সর্বশেষ, তুষারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কি না জানতে বাহুবল থানার ওসি, সহকারী পুলিশ সুপার বাহুবল সার্কেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) ও হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে কেউ কল ধরেননি।
১৫ দিন আগে
ফকিরাপুলের ঘটনায় পুলিশের সাহসিকতার প্রশংসা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
রাজধানীর ফকিরাপুলে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর গুলির ঘটনায় আহত সদস্যদের দেখতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম। আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ জীবন বাজি রেখে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘পুলিশ খুব সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। গুলি চালানোর পরেও তারা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে; মাদক এবং গাড়ি জব্দ করেছে। এটাই প্রমাণ করে যে তারা কতটা সাহসিকতা দেখিয়েছে।’
ঘটনার বিষয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গতকাল আমাদের কাছে তথ্য ছিল— চট্টগ্রাম থেকে একটি গাড়ি আসছে, যেটার ভেতরে মাদক আছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির লালবাগ বিভাগের একটি দল ফকিরাপুল এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়।’
‘এই সময় একটি গাড়িকে থামার সিগন্যাল দিলেও সেটি সামনে এগিয়ে যায়। প্রায় ৬০০ গজ সামনে যাওয়ার পর গাড়িটিকে থামানো হয়। এরপর গাড়ি থেকে একজন গুলি করলে আমাদের তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।’
আহতদের মধ্যে অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি), একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং একজন কনস্টেবল রয়েছেন বলে জানান তিনি।
আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এএসআইয়ের পেটে গুলি লেগেছে, তবে তা কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে না লাগায় তিনি আশঙ্কামুক্ত। তাকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে, এরপর অস্ত্রোপচার করে গুলিটি বের করা হবে।’
‘কনস্টেবলের পায়ে গুলি লেগেছে, তাকে আজই রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হবে।’
তিনি আরও জানান, অভিযানে তিনজন সন্দেহভাজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জব্দ করা হয়েছে একটি প্রাইভেটকার এবং ৯ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে।
আরও পড়ুন: পল্টনে মাদক কারবারিদের গুলিতে ২ পুলিশ সদস্য আহত
মাদক কারবারিদের চ্যালেঞ্জ করার পরও পুলিশের ওপর গুলি চালানোর বিষয়টি কীভাবে দেখছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এটাই তো সাহসিকতা। গুলি করার পরেও তারা তিনজনকে আটক করেছে; মাদক ও গাড়ি জব্দ করেছে। জীবন বাজি রেখে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে।’
অস্ত্র ব্যবহারে পুলিশের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় ভারী অস্ত্র ব্যবহৃত হয়নি, শুধু পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশের হাতে প্রয়োজনীয় অস্ত্র আছে এবং তাদের যে ধরনের অস্ত্র দরকার, সেটি ব্যবহার করেই অভিযান চালাবে।’
অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা বেশি সুযোগ নিতে পারছে না। কারণ পুলিশ সাহসিকতার সঙ্গে গুলির পরেও তাদের আটক করেছে।’
এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী, মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম এবং রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
২৬৩ দিন আগে
নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী-ওসিসহ ৯ জন
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন থানার হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানসহ ও যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেনসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৫ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
অন্যরা হলেন— সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিম, সাংবাদিক দম্পতি ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদ।
আরও পড়ুন: মানি লন্ডারিং মামলায় সাদিক এগ্রোর চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
তাদের মধ্যে আনিসুল হক, শাজাহান খান, আতিকুল ইসলামকে যাত্রাবাড়ী থানার একটি করে হত্যা মামলায়, ফারজানা রুপা ও শাকিল আহমেদকে দুইটি হত্যা মামলায়, মো. তাজুল ইসলামকে খিলগাঁও থানার হত্যাচেষ্টা ও পল্টন থানার হত্যা মামলায়, কামাল আহমেদ মজুমদারকে মিরপুর থানার হত্যা মামলায় এবং সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিমকে লালবাগ থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক দুই হত্যা মামলা ও এক হত্যাচেষ্টা মামলায় সংশ্লিষ্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
৩৬৯ দিন আগে
গাজীপুরে হামলার ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার, ক্ষমা চাইলেন পুলিশ কমিশনার
গাজীপুরের ভাওয়াল রাজবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান। একই সঙ্গে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাজবাড়ী সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়ে ক্ষমা চান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) রাতে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাচ্ছি, একই সঙ্গে ব্যর্থতা স্বীকার করছি।’
‘হামলাকারী কাউকে ছাড়া হবে না, প্রতিটি হামলার জবাব দেওয়া হবে। এছাড়া যেসব পুলিশ সদস্য রেসপন্স করতে দেরি করেছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি শুনেছি, আমার ওসি দুই ঘণ্টা পর আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। আমি এখানে দাঁড়িয়ে বললাম, তাকে সাসপেন্ড (বরখাস্ত) করব। আমি বলতে চাই, যারা এই ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আঁতাত করেছে, তাদের পুলিশে চাকরি করতে দেওয়া যাবে না।’
পুলিশ কমিশনার বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে যারা অত্যাচার করেছে, দেশের ওপর জুলুম করেছে, তারা আবার মাথাচাড়া দিচ্ছে। কিন্তু তাদের কোনো মাথাচাড়া বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রাতে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফ্যাসিবাদ দমনে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনা করা হবে।”
আরও পড়ুন: আজ থেকে গাজীপুরসহ সারা দেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু
৩৯৪ দিন আগে
নিজ বাসভবন থেকে ওসির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
নিজ বাসভবন থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল-আমিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) তাকে জানালার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার সহকর্মীরা। পরে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
আল-আমিন মুলাদি থানার কাচির চর এলাকার বাসিন্দা। স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে ছিল তার সংসার। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর জাজিরা থানায় যোগদান করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন আল-আমিন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে তার বাসভবনে জানালার সঙ্গে তার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান সহকর্মীরা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ সুপারসহ অন্যান্যরা। পরে সিআইডির টিম গিয়ে তার পরিবার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে লাশটি উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনার আসল কারণ ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ৩ দিনের রিমান্ডে
শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ শরীফুজ্জামান বলেন, ‘ওসি আল-আমিন দীর্ঘদিন ধরে ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আমরা অফিস করার সময় হঠাৎ জাজিরা থেকে ফোন আসে ওসির লাশ ঝুলে আছে। এরপর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনওসহ আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে যাই।’
৪২৩ দিন আগে
চট্টগ্রামে জনরোষে ওসি নিজামুদ্দিন
চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসের সামনে জনতার রোষানলে পড়েছেন চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজামুদ্দিন।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসের সামনে তাকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করে জনতা।
পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসেবে চিহ্নিত চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি ছিলেন নিজামুদ্দিন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে পাসপোর্ট অফিসের সামনে ওসি নিজামুদ্দিনকে জামার কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে পরনের শার্ট ছিঁড়ে ফেলে জনতারা।
পরে খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এ সময় তার বিচারের দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতারা পাঁচলাইশ থানার সামনে বিক্ষোভ করেন। এছাড়া ওসি থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে নির্যাতনের নানা অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জনতারা।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘নিজামুদ্দিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরও পড়ুন: গাংনীতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার
জানা গেছে ওসি নিজামুদ্দিন কোতোয়ালি, বাকলিয়া, সদরঘাট ও সবশেষ পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন
বর্তমানে তিনি সিআইডি কুমিল্লাতে দায়িত্ব পালন করছেন।
৪২৭ দিন আগে
মামলা নিতে না চাইলে ওসিদের এক মিনিটে বরখাস্ত করা হবে: ডিএমপি কমিশনার
কোনো ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে না চাইলে তাকে এক মিনিটের মধ্যে বরখাস্ত করা হবে বলে সতর্ক করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী।
সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে অটোরিকশা, অটোভ্যান ও ইজিবাইক চালকদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন নবনিযুক্ত কমিশনার।
গত রবিবার এবং এর আগে একদিন কামরাঙ্গীরচর এলাকায় কয়েকজন এক রিকশাচালককে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেন ওই চালক। এরই পরিপেক্ষিতে ডিএমপি কমিশনার এ অভিযোগ করেন।
কমিশনার সাজ্জাদ আলী তাকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা মামলা করেননি কেন?’
আরও পড়ুন: ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সাজ্জাত আলী
আইনি আশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, 'বিষয়টি মামলা দায়েরের মতো হলে ওসিদের অবশ্যই তা নথিভুক্ত করতে হবে। এটি করতে ব্যর্থ হলে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হবে।’
রিকশাচালকদের মতো অসহায় গোষ্ঠীকে টার্গেট করে চাঁদাবাজির বিষয়টি নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দেন কমিশনার।
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উপার্জন রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন সাজ্জাদ আলী।
চাঁদাবাজি বন্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে রিকশাচালক ও ওসিদের সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন কমিশনার।
আরও পড়ুন: নতুন আইজিপি বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ আলী
৪৬৯ দিন আগে
চট্টগ্রাম জেলার ১২ থানার ওসি একযোগে প্রত্যাহার
চট্টগ্রাম জেলার ১৬ থানার মধ্যে ১২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) একযোগে প্রত্যাহার করে তাদেরকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের নবাগত জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রায়হান উদ্দিন খানের সই করা এক আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।
এতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম জেলা ১২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশের লাইন ও আর এ সংযুক্ত করা হলো।
প্রত্যাহার হওয়া ১২ ওসি হলেন- ফটিকছড়ি থানার মীর মো. নুরুল হুদা, হাটহাজারীর মো. মনিরুজ্জামান, রাউজানের জাহিদ হোসেন, আনোয়ারার মোল্লা জাকির হোসেন, পটিয়া থানার জসীম উদ্দিন, চন্দনাইশ থানার ওবায়দুল ইসলাম, সাতকানিয়া থানার মিজানুর রহমান, ভূজপুর থানার মো. কামরুজ্জামান, বোয়ালখালী থানার মো. আহছাব উদ্দিন, বাঁশখালী থানার তোফায়েল আহমেদ, মিরসরাই থানার মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম ও সন্দ্বীপ থানার ওসি মো. কবির হোসেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘের তদন্ত দলের প্রস্তাব অনুযায়ী পুলিশে সংস্কার আনা হবে: উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘পুলিশ সুপার ১২ ওসিকে থানা থেকে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছেন। এসব থানায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ওসি পদায়ন করা হবে বলে।’
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ভ্যানে লাশের স্তূপ, পরিচয় মিলেছে জড়িতদের: পুলিশ
৫৫৩ দিন আগে
নাটোরে পৃথক স্থান থেকে ২ জনের লাশ উদ্ধার
নাটোরে পৃথক স্থান থেকে ২ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে জেলার আব্দুলপুর রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও বড়াইগ্রাম উপজেলার বড়াল নদীর ব্রিজের নিচ থেকে লাশ দুইটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুজ্জামান রুমেল জানান, অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্টেশন কর্তৃপক্ষ তাদের খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে যমুনার তীর থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
মৃত এই ব্যক্তির বয়স ৫০ বছরের আশেপাশে হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
এদিকে সকালে বড়াইগ্রাম উপজেলার পার বাগোডোব এলাকায় বড়াল নদীর ব্রিজের নিচ থেকে মকরোব আলী (৭০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মকরোব আলী মানসিক প্রতিবন্ধী বলে জানান বড়াইগ্রাম থানার ওসি শফিউল আজম খান।
আরও পড়ুন: মনপুরায় মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর লাশ উদ্ধার
৭৮৬ দিন আগে