জাকসু
শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে মধ্যরাতে জাবি শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নির্বাচনি সভায় বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে বটতলা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে শাখা শিবিরের সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনা গুম-খুন ও দমন-পীড়নের রাজনীতির মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, যার পরিণতিতে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না ফ্যাসিবাদের পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। আমরা তারেক রহমানকে বলতে চাই, দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুন। বাংলাদেশে হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। ছাত্র-জনতার শক্তি আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এই নেতা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ প্রায় দুই হাজার ভাই-বোনের রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেখানে খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের রাজনীতি থাকবে না। এসব অপকর্মে জড়িতদের জনগণ কখনো ক্ষমা করবে না।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘হাজারও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেখানে নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা আবার পুরনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দমনমূলক রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরে নির্বাচনি অনুষ্ঠানে হামলা ও পরবর্তী হত্যাকাণ্ড কোনো সংঘর্ষ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। নারী নির্যাতন, মা-বোনদের ওপর হামলা এবং মানবিক মর্যাদা লঙ্ঘন এ দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না। এসব ন্যাক্কারজনক কাজের জবাব জনগণ আগামী নির্বাচনে দেবে।’
এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশন ও অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে এক নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতকাল (বুধবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
৭ দিন আগে
জাবি ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি মোস্তাফিজুর, সেক্রেটারি মাজহারুল
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের সভাপতি নির্বাচন ও সেক্রেটারি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। পরে শাখা সেক্রেটারি হিসেবে মাজহারুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি।
জাবি ছাত্রশিবিরি সূত্রে জানা যায়, নবনির্বাচিত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের দর্শন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এছাড়া সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সাধারণ সেক্রেটারি (জিএস) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও জানা যায়, কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের কার্যালয়ে সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় শিল্প ও সংস্কৃতি সেক্রেটারি হাফেজ আবু মুসার সঞ্চালনায় আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।
সভাপতি নির্বাচন কেন্দ্রীয় সভাপতির সই করা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি ঘোষণা করেন নূরুল ইসলাম। এ সময় নবনির্বাচিত সভাপতিকে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নবনির্বাচিত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাখা সেক্রেটারি হিসেবে মাজহারুল ইসলামকে মনোনীত করেন। এরপর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সদস্য সমাবেশের কার্যক্রম শেষ হয়।
৯ দিন আগে
জাকসু নির্বাচন: ভিপি-জিএস-এজিএস হিসাবে আলোচনায় যারা
সুদীর্ঘ ৩৩ বছরের অচলাবস্থা ভেঙে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে অবশেষে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের প্যানেল গোছাতে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ত সময় পার করছে।
এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ২৫ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রার্থীরা। প্রার্থী হতে বয়সের কোনো বাধা না থাকলেও স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তরের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে।
জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯১৯ জন। জাকসু সভাপতি এবং কোষাধ্যক্ষ পদ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে থাকলেও, আগের মতো শিক্ষার্থীদের হাতে থাকছে সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো।
তবে এবার গঠনতন্ত্রে কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। সংযোজন করা হয়েছে নতুন কিছু পদ, বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত পদ। সেগুলো হলো— যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী), সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী), সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী)। এছাড়া কার্যকরী সদস্য হিসাবে থাকবেন তিনজন নারী।
আরও পড়ুন: জাকসু নির্বাচন: দ্বিতীয় দিন শেষে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন ৩২৮ প্রার্থী
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার জাকসুতে পাঁচ থেকে ছয়টি প্যানেল হতে পারে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে একটি প্যানেল আসতে পারে বলে সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী জানিয়েছেন।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিগত জুলাই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ছাত্রদল নেতা আব্দুল গাফফার জিসান এবং ২০১৮-১৯ সেশনের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ সাদি ভিপি প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন।
এছাড়া জিএস পদে ২০১৯-২০ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী হামিদুল্লাহ সালমান, ২০১৯-২০ সেশনের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রুবেল মিয়া এবং একই সেশনের নাটক ও নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান ইমন এজিএস প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে চমক দেখাতে পারে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)। সংগঠনের জাবি শাখার আহ্বায়ক ২০১৭-১৮ সেশনের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল ভিপি প্রার্থী, ২০১৯-২০ সেশনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম জিএস প্রার্থী এবং ২০২০-২১ সেশনের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী জিয়াউদ্দিন আয়ান এজিএস প্রার্থী হতে পারেন বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের দুইটি আলাদা প্যানেল হতে পারে। ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সদ্য সাবেক সভাপতি অমর্ত্য রায় বলেন, ‘আমাদের প্যানেলে অনেকেই যুক্ত হতে পারেন। আমি সভাপতি ও ভিপি প্রার্থী এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের একাংশের সভাপতি ফাইজা মেহেজাবিন জিএস প্রার্থী হতে পারেন।’
অন্যদিকে ছাত্র ইউনিয়নের অপর অংশের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন জানান, ‘আমরা বিভিন্ন মতের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ইনক্লুসিভ প্যানেল করব। আমাদের প্যানেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের অন্য অংশের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মেঘ ভিপি প্রার্থী, ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন জিএস প্রার্থী এবং সেক্রেটারি তানজিম ইসলাম এজিএস প্রার্থী হতে পারেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সংগঠক ও নাটক ও নাট্যকলা ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী সোহাগি সামিয়া এবং দর্শন বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী সজিব আহমেদ জেনিচের নেতৃত্বে আলাদা দুটি প্যানেল হতে পারে।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ইসলামী ছাত্রশিবিরও এবার প্যানেল দেবে। সংগঠনের সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্যানেলে ২০১৮-১৯ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম ফাহিম ভিপি প্রার্থী, ২০১৯-২০ সেশনের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী শাফায়াত মীর জিএস প্রার্থী এবং একই সেশনের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী ফেরদৌস আল হাসান এজিএস প্রার্থী হবেন।’
আরও পড়ুন: জাকসু নির্বাচন সামনে রেখে ১৬ আগস্টের মধ্যে অছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশ
জাবিতে সক্রিয় গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক ২০১৭-১৮ সেশনের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আব্দুর রশিদ জিতু নেতৃত্বে একটি স্বতন্ত্র প্যানেল হতে পারে।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময়সীমা ১৮ ও ১৯ আগস্ট থাকলেও শিক্ষার্থীদের দাবিতে তা দুদিন বাড়িয়ে ২১ আগস্ট দুপুর ২টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
জাকসু নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২১ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। যাচাই-বাছাই ২১ থেকে ২৪ আগস্ট, খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২৫ আগস্ট। বৈধতা-বাতিলের আপিলের শেষ তারিখ ২৬ আগস্ট, শুনানি ও রায় ২৭ আগস্ট, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৮ আগস্ট। চূড়ান্ত তালিকা ২৯ আগস্ট প্রকাশ হবে। নির্বাচনী প্রচার ২৯ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। ভোটগ্রহণ হবে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
১৬৭ দিন আগে
জাকসুর তফসিল: নিরাপত্তা জোরদারে জাবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
আসন্ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) এবং আবাসিক হল সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শনিবার (৩ মে) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শুক্রবার (২ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ইতোমধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) এবং আবাসিক হল সংসদ সমূহের নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয়। সেই আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আগামীকাল ৩ মে (শনিবার) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিরাগত চিহ্নিতকরণে সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনকে স্ব স্ব পরিচয়পত্র বহন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জুলাই হামলা: জাবিতে ২৫৯ ছাত্রলীগকর্মী ও ৯ শিক্ষক বরখাস্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাবিতে জাকসুর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন আগামী ৩১ জুলাই। কিন্তু এই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য দুষ্কৃতকারীরা ষড়যন্ত্র চালাতে পারে। তাই ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা এবং নিরাপত্তাকর্মীরাও সর্বদা প্রস্তুত আছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ ৩২ বছর পর জাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় তাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল সকল ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাকসু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
২৭৭ দিন আগে
জাকসুর তফসিল ঘোষণার আগেই অছাত্রদের হল ত্যাগের নির্দেশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই ছাত্রত্ব শেষ হওয়া শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান সই করা এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলে ছাত্রত্ব শেষ হওয়া কোনো শিক্ষার্থী অবস্থান করতে পারবেন না। জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বেই তাদের হল ছেড়ে দিতে হবে।
আরও পড়ুন: জাকসু নির্বাচন আগামী ২১ মের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে: জাবি উপাচার্য
এছাড়া এক হলের শিক্ষার্থী অন্য হলেও অবস্থান করতে পারবে না। সকল শিক্ষার্থীকে স্ব-স্ব বরাদ্দকৃত হলেই অবস্থান করতে হবে।
নির্দেশনায় হলের বিভিন্ন কক্ষে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হল প্রশাসনকে অনুরোধ করা হয়েছে।
৩৫৯ দিন আগে