মা-মেয়ে
রাজবাড়ীতে মাটিতে পুতে রাখা মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় একটি পুকুরপাড়ে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে উজ্জ্বল শেখ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে খবর পেয়ে উপজেলার সীমান্তবর্তী উজানচর ইউনিয়নের কালিতলা এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন— গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর দৌলতদিয়া পরশউল্লাহ মাতুব্বরপাড়ার আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানারা আক্তার (৩২) ও তাদের ৪ বছর বয়সী মেয়ে সামিয়া আক্তার।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে উজ্জ্বল শেখকে গোয়ালন্দ থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
নিহতের স্বামী আমজাদ শেখ জানান, গত ৪ মে চর দৌলতদিয়া হাট এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে কুলখানি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর থেকে তার স্ত্রী ও মেয়ে নিখোঁজ ছিলেন। হত্যার ঘটনায় স্থানীয় উজ্জ্বল নামের এক ভাটা শ্রমিককে সন্দেহ করছেন তিনি। এর আগে তার স্ত্রীর সঙ্গে উজ্জ্বলের পরকীয়ার সম্পর্ক নিয়ে সালিশও হয়েছিল।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়ালন্দ উপজেলার শেষ সীমানা উজানচর ইউনিয়নের জ্যোতিন বোদ্যিরপাড়ার কালিতলা গ্রামের স্থানীয় হাকিম উল্লাহর পুকুরপাড় থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এ সময় মাঠে কাজ করা কয়েকজন কৃষক দুর্গন্ধ পেয়ে গ্রামের লোকজনকে খবর দেন। স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান, পুকুরপাড়ের মাটিতে পুতে রাখা মানুষের পা বাইরে বের হয়ে আছে। সেখানে কয়েকটি কুকুর ঘোরাফেরা করছে।
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের সহায়তায় মাটি খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা পুলিশকেও খবর দিয়ে আনা হয়।
উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. খবির হোসেন জানান, উজানচর ইউনিয়নের কালিতলা গ্রামের পায়ে চলার রাস্তার এক পাশে গোয়ালন্দ উপজেলার শেষ সীমানা। এর বিপরীত পাশে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের আনছারডাঙ্গী গ্রাম। পুকুরটি আনছারডাঙ্গী গ্রামের হাকিম উল্লাহর।
তিনি বলেন, ‘পুকুরের পাশে মাঠে কাজ করার সময় কৃষকরা দুর্গন্ধ পেয়ে গ্রামের লোকজনকে খবর দেয়। গ্রামের লোকজন এর উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখেন, মানুষের পা দেখা যাচ্ছে। এরপর পুলিশকে খবর দিলে তাদের উপস্থিতিতে মাটি খুঁড়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।’
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাটি খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সাড়ে ৪টার দিকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সীমান্তবর্তী হওয়ায় দুই জেলার পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং জমি মাপার আমিনদের এনে সীমানা নির্ধারণ করা হয়। ঘটনাস্থলটি ফরিদপুর জেলার মধ্যে হওয়ায় সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া তারাই সম্পন্ন করবে।
২ দিন আগে
কক্সবাজারে বন্য হাতির আক্রমণে মা-মেয়ে নিহত
কক্সবাজারের রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে রোহিঙ্গা অধিবাসী আসমা বিবি (২৭) ও তার তিন বছর বয়সী মেয়ে ছেমন আরার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার সৈয়দ কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী মো. একরাম মিয়ার স্ত্রী ও মেয়ে ছিল।
স্থানীয়রা জানান, ভোরের দিকে বন্য হাতির একটি পাল হঠাৎ লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এ সময় হাতিরা কয়েকটি বসতঘরের সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করে এবং আশপাশের গাছপালা উপড়ে ফেলে। এতে মুহূর্তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মাদরাসা শিক্ষক জুবাইরুল ইসলাম বলেন, লোকজনের হৈচৈ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন একরাম মিয়া ও তার স্ত্রী আসমা। তাদের সঙ্গে ছিল দুই শিশু সন্তান। এ সময় হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে একরাম মিয়া ছয় বছর বয়সী ছেলে রেহান উদ্দিনকে নিয়ে দ্রুত সরে যান। তবে আসমা ও তার ছোট মেয়ে ছেমন আরা হাতির আক্রমণের মুখে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদিন জানান, ওই হাতির পালে তিনটি হাতি ছিল খুবই আক্রমণাত্মক। সামনে পড়ে যাওয়ায় মা-মেয়ের পালানোর সুযোগ ছিল না। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও গাছের আম-কাঁঠাল খেয়ে পাশের পাহাড়ে চলে যায় হাতিগুলো।
তিনি আরও জানান, নিহতরা রোহিঙ্গা নাগরিক হওয়ায় বনবিভাগের জমিতে ঘর তুলে কয়েক বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন।
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তোসাদ্দেক হোসেন জানান, ঘটনার পর হাতির পালটিকে তাড়িয়ে গভীর বনে প্রবেশ করানো হয়েছে। পাশাপাশি বন্য হাতির চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।
১৭ দিন আগে
বগুড়ায় ট্রাকচাপায় মা-মেয়ে নিহত, ট্রাকে আগুন
নিহতরা হলেন— কাহালু উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ছাতুয়াপাড়া গ্রামের রোকসানা পারভীন ও তার তিন বছর বয়সি মেয়ে রাহিয়া খাতুন।
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘রোকসানা তার তিন বছর বয়সি মেয়ে রাহিয়াকে নিয়ে জিয়ানগরের জলংগি গ্রামে বেড়াতে গিয়েছিল। সেখান থেকে তারা কাহালুর বাড়ির দিকে ফেরার জন্য অটোভ্যানে রওনা হন।
পথিমধ্যে বেড়াগ্রাম এলাকায় একটি ট্রাক ( বগুড়া-ড- ১১-২০১২) পেছন থেকে ভ্যানে ধাক্কা দেয়।
আরও পড়ুন: বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় ভ্যানচালক-যাত্রী নিহত
এতে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই রাহিয়া মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রোকসানা পারভীনকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা ট্রাক আটক করে আগুন লাগিয়ে দিলেও চালক ও হেলপারকে আটক করা যায়নি।
৪৩১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে ট্রাকচাপায় মা-মেয়ে নিহত
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার যাত্রী মা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কের ঘুন্টিঘর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন- ভূরুঙ্গামারীর বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ চান্দনীয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মোমেনা বেগম ও মেয়ে মুন্নী আক্তার।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে ভুরুঙ্গামারীর দিকে যাওয়ার সময় সোনাহাট স্থলবন্দরগামী একটি ট্রাকের চাপায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় ভেতরে থাকা যাত্রীরা আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মুন্নিকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক-পিকআপ-মাইক্রোবাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩
আহতদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের রংপুর স্থানান্তর করা হলে সেখানে যাওয়ার পথে মোমেনা বেগমের মৃত্যু হয়।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুল ইসলাম বলেন, লাশগুলোর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও ট্রাকের ড্রাইভার পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫২২ দিন আগে
চাঁদপুরে ঘুমন্ত মা-মেয়ের উপর এসিড নিক্ষেপ, আটক ১
চাঁদপুরে মতলব উত্তরে দুর্বৃত্তদের ছোঁড়া এসিডে ঝলসে গেছে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মা ও মেয়ের শরীর। এদের মধ্যে মেয়ে মিলি আক্তারের অবস্থা গুরুতর। মিলি ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।
রবিবার রাত ১১টায় উপজেলার সুজাতপুর এলাকায় এ র্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর স্বজনরা তাদের দুইজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থার অবনতি দেখা দিলে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
মিলির স্বামী মোহাম্মদ সায়েম বিদেশে থাকেন।
আরও পড়ুন: নেশার টাকার না পেয়ে স্ত্রীর গায়ে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ
স্থানীয়রা জানান, এলাকার এক যুবক মিলিকে বিয়ের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। বিয়ের পর মিলি আক্তার স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করতেন। এরমধ্যে বাপের বাড়িতে বেড়াতে এলে রবিবার রাতে এসিড নিক্ষেপের শিকার হন মিলি ও তার মা।
এসিডদগ্ধদের স্বজন সাকিব হাসান জানান, রাতে মা ও মেয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় কে বা কারা জানালার ফাঁক দিয়ে বাইরে থেকে এসিড ছুঁড়ে মারে। পরে তাদের চিৎকারে বাড়ির অন্যরা ছুটে আসেন। পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল ইউএনবিকে জানান, এসিডে মেয়ে মিলি আক্তারের মুখ, বুক, পিঠ, ডান হাত এবং মা রাশেদা আক্তারের বাম হাত ও উরু ঝলসে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের দ্রুত ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ হোসেন ইউএনবিকে জানান, এসিড ছুঁড়ে মারার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত দুর্বৃত্তদের পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এরইমধ্যে রাত ১টায় সফিকুল ইসলাম মানিক নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ওসি জানান, এ যুবক মিলি আক্তারের বিয়ের আগে তাকে উত্ত্যক্ত করত। তাই সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া সোমবার দুপুরে মেয়ের বাবা আইয়ুব আলী প্রধানীয়া এ ব্যাপারে মামলা রুজু করেছেন।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে পরকীয়ার জেরে যুবককে এসিড নিক্ষেপ
মানিকগঞ্জে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপ মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
৮১১ দিন আগে
চট্টগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা-মেয়ে নিহত, বাবা আহত
চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর টোল রোড এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক নারী ও তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন নিহত নারীর স্বামী মোটরসাইকেল চালক জিল্লুর রহমান।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ২ জন হলেন- অন্তঃসত্ত্বা সুরাইয়া নাসরিন (২৮) ও মেয়ে আইরা (৩)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন জিল্লুর রহমান (৩৬)।
তারা নগরীর হিলভিউ এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় সিএনজির ২ যাত্রী নিহত
বিষয়টি নিশ্চিত করে হালিশহর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, রাতে মোটরসাইকেলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে হালিশহরের টোল রোড হয়ে পতেঙ্গার দিকে যাচ্ছিলেন জিল্লুর রহমান। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং মেয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় জিল্লুর রহমানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিল্লুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে মাদক মামলায় নারীর ৫ বছর কারাদণ্ড
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদরাসাছাত্রী নিহত
৯২৫ দিন আগে
বান্দরবানে ভূমিধসে মা-মেয়েসহ নিহত ৩
বান্দরবান জেলায় সোমবার ও মঙ্গলবার ভূমিধসে মা ও মেয়েসহ তিনজন নিহত ও আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, সকালে লামা উপজেলার কুমারীতে বাড়ির ওপর মাটির টুকরো ধসে নুরুল ইসলাম (৩৫) নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাদের মধ্যে চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে কলেজছাত্রীর মৃত্যু
এদিকে সোমবার বিকালে জেলার সদর উপজেলার গোদাপাড়ায় ভূমিধসে নুরুন্নাহার (৩৫) ও তার মেয়ে সাবেকুন্নাহার(১২) নিহত হয়েছেন।
গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে ভূমিধসের কারণে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
এছাড়া টানা বৃষ্টিতে সব সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে বান্দরবান জেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে বন্যায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি
জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন আরও বলেন, জেলা শহরের দুই-তৃতীয়াংশ অংশ প্লাবিত হওয়ায় ইতোমধ্যেই ২৬৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০০ মানুষ।
ইতোমধ্যে দুর্গতদের জন্য ৮৫ মেট্রিক টন খাদ্য ও এক লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৪৩টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিত এলাকায় কাজ করছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে বন্যা-ভূমিধস মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন
১০১৩ দিন আগে
নোয়াখালীতে বাসায় ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় বাসায় ঢুকে মা-মেয়েকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের গুপ্তাংকের বার্লিংটন মোড় সংলগ্ন একটি বাসায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন- একই এলাকার ফজলে আজিম কচি মিয়ার স্ত্রী নূর নাহার বেগম (৪৫) ও তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে ফাতেমা আজিম প্রিয়ন্তী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত মা ও মেয়েকে দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনাস্থলে নূর নাহার বেগম মারা যান এবং মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান পাঠান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। নিহতদের পরিবার থেকে হত্যার কারণ জানা যায় নি।
স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে গ্রেপ্তার
নড়াইলে গ্রামপুলিশকে কুপিয়ে হত্যা
১০৬৮ দিন আগে
ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-মেয়েসহ নিহত ৩
ফরিদপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও তার মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা উপজেলার সলিলদিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন ভাঙ্গা উপজেলার আতাদী গ্রামের জুয়েল শেখের স্ত্রী লাবনী বেগম(৩৮)। পরে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পথে মারা যায় তার কন্যাশিশু জয়নব আক্তার (২) ও একই এলাকার টিটুল শেখের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার(১৭)।
আরও পড়ুন: নাটোরের সিংড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
আহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাদের চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
শিবচর হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গার দিকে ১৬ টন চিনি নিয়ে একটি ট্রাক যাচ্ছিল। এ সময় প্রচুর কুয়াশা ছিল। কুয়াশায় রাস্তায় প্রায় কিছু দেখা যাচ্ছিল না। চিনিবাহী ট্রাকের পেছনে ভাঙ্গাগামী একটি ব্যাক্তিগত গাড়িও ছিল। ওই গাড়িতে চালকসহ ছয়জন যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে এলে পেছন থেকে ওই ব্যক্তিগত গাড়িটি ট্রাকটিকে ধাক্কা দিলে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত আহত ছয়জনই ওই ব্যক্তিগত গাড়ির যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে এ এদূর্ঘটনা ঘটে। এতে ব্যক্তিগত গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শিবচর হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহেল বাকী বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকটিকে আটক করে হাইওয়ে থানায় এনে রাখা হয়েছে। তবে চালক ও সহকারী পালিয়ে গিয়েছে।
তিনি বলেন, নিহত লাবনী বেগমের মৃতদেহ হাইওয়ে থানায় ও বাকী মারা যাওয়া দুইজনের মৃতদেহ ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত
পাবনায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
১২৩৫ দিন আগে
ফতুল্লায় গ্যাস লাইন লিকেজে মা-মেয়ে দগ্ধ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাড়িতে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লেগে মা ও তার শিশু মেয়ে দগ্ধ হয়েছে।
শনিবার রাতে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার আলামিনবাগ এলাকায় পুলিশ সদস্য সারোয়ার জাহানের বাড়ির ভাড়াটের ঘরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ মা ও মেয়েকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৪
তবে মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
দগ্ধরা হলেন, নার্গিস আক্তার (২৮) ও মেয়ে মরিয়ম আক্তার (৬)।
নার্গিসের স্বামী মনির মিয়ার বন্ধু সোলায়মান মিয়া জানান, মনির অটোরিকশা চালক। শনিবার মনিরের গাড়ি ভাড়া নিয়ে একটি মাহফিলে যান তিনি। রাতে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারেন, আগুনে মনিরের স্ত্রী ও শিশু মেয়ে দগ্ধ হয়েছে। পরে বাসা থেকে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. এসএম আইউব হোসেন জানান, নারায়ণগঞ্জের আগুনের ঘটনায় নার্গিস আক্তারের শরীরের ৭০ শতাংশ ও মেয়ে মরিয়মের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের দুজনের অবস্থা আশংকাজনক।
আরও পড়ুন: গ্যাস সংকটের কারণে না’গঞ্জে এক বছরে ২৭ জন দগ্ধ ও ৫ জনের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ২
১২৪৬ দিন আগে