কারখানা
লোডশেডিংয়ে নওগাঁর কারখানাগুলোতে কমছে উৎপাদন, ব্যাহত হচ্ছে সেচ
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) আওতাধীন এলাকায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। এতে নওগাঁর কারখানাগুলোতে আগের তুলনায় কমছে উৎপাদন। এছাড়া, শহরের বাইরের এলাকায় দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে কৃষিজমিতে সেচ কার্যক্রম।
লোডশেডিংয়ের কারণে প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। এর ফলে কারাখানার উৎপাদন কমছে, কৃষিজমিতে সেচ কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। আবার ঘাটতি মোকাবিলায় অনেক প্রতিষ্ঠান ডিজেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখায় উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।
ধান-চাল উৎপাদনে প্রসিদ্ধ নওগাঁ জেলায় বর্তমানে ৭০০-এর বেশি চালকল রয়েছে। এছাড়া জেলায় খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, কৃষি যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ ছোট-বড় অসংখ্য কারখানা রয়েছে।
নেসকোর আওতাধীন নওগাঁ পৌরসভার সুলতানপুর এলাকায় অবস্থিত ঘোষ অটোমেটিক রাইস মিল। কারখানাটিতে গতকাল (বুধবার) দুপুর ১২টা থেকে আজ (বৃহষ্পতিবার) বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। ফলে ডিজেল ব্যবহার করে মেশিন চালু রাখায় বেড়ে গেছে উৎপাদন খরচ। এতে লোকসানের মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
চালকল কারখানাটির মালিক দ্বীজেন ঘোষ বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ বার লোডশেডিং হয়েছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে প্রায় ১ ঘণ্টা পর আসে।
তিনি বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ডিজেল দিয়ে মেশিন চালানোর ফলে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। বাধ্য হয়ে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ডিজেল খরচ কমানোর জন্য কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এভাবে লোডশেডিং চলতে থাকলে কারখানা চালু রাখা সম্ভব হবে না।
নওগাঁ বিসিক (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প করপোরেশন) পল্লীতে অবস্থিত নাসিম ব্রাদার্স অটোমেটিক রাইস মিল। কারখানাটির ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা লোডশেডিং থাকছে। এতে তাদের কারখানায় উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে। জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা থাকলেও ডিজেলের খরচ কমাতে সবসময় জেনারেটর চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় গরুর খামার ভাড়া নিয়ে বানানো হচ্ছিল নকল সিগারেট
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি নকল সিগারেট উৎপাদন কারখানার সন্ধান মিলেছে। গরুর খামার ভাড়া নিয়ে সেখানে নকল সিগারেট তৈরি করা হচ্ছিল। অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা মূল্যের নকল সিগারেট ও কাঁচামাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দৌলতপুর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গড়বাড়িয়া গ্রামের আহসান হাবিব মাস্টারের একটি গরুর খামার ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলা ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে অভিযানকালে কারখানার ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, জয়রামপুর গ্রামের আজিরুদ্দিন সরকারের ছেলে শাকিল আহমেদ ও বৈদ্যনাথতলা গ্রামের ইনসার আলীর ছেলে লোকমান হোসেন লিওন খামারটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে নকল সিগারেট তৈরি করে আসছিলেন।
অভিযানে মোট ২৫ লাখ ৫০ হাজার শলাকা নকল সিগারেট ও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ লাখ টাকা মূল্যের ১২ লাখ শলাকা ‘ডার্বি’, ৮৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ১১ লাখ ৫০ হাজার শলাকা ‘রয়েলস’ ও ‘রয়েল নেক্সট’, ২০ লাখ টাকা মূল্যের ২ লাখ শলাকা ‘নেভি’ এবং ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ বস্তা (২১০০ কেজি) পচা তামাক রয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের সর্বমোট আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
অভিযানের বিষয়ে প্রদীপ কুমার দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ও নিম্নমানের তামাক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা আগেই পালিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে ও জনস্বাস্থ্যের হুমকিস্বরূপ এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কারখানার মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শাকিল আহমেদ ও লোকমান হোসেন লিওনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট।
২ দিন আগে
কামরাঙ্গীরচরে মেশিনের বোর্ডের আঘাতে শ্রমিকের মৃত্যু
রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে সিটি প্লাইউডের কারখানায় কাজ করার সময় মেশিনের আঘাতে মো. মিরাজ (১৯) নামের এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মিরাজকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মিরাজ ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার আমুয়া গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়ার ছেলে। তিনি কামরাঙ্গীরচরের ওই কারখানায় থাকতেন।
মিরাজকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কারখানার সুপারভাইজার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, রাতে কারখানায় কাজ করার সময় মেশিনের বোর্ডের আঘাতে গুরুতর আহত হন মিরাজ। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, মিরাজ এই কারখানায় প্রায় সাত বছর শ্রমিকের কাজ করতেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
১০৫ দিন আগে
কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: নিহত বেড়ে ৫
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার গ্যাস লাইটার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিটে তা সম্পূর্ণরূপে নির্বাপণ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর মিডিয়া সেলের স্টেশন অফিসার তালহা বিন জসিম ইউএনবিকে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৩২ দিন আগে
কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার আমবাগিচা এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানাটিতে আগুন লাগে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, তাদের একটি ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর ২টার দিকে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী এনায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আগুন লাগার পরপরই আমরা আশপাশের অন্তত ৫০টি বাড়িতে পানি সংগ্রহের চেষ্টা করি, কিন্তু কোথাও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়নি।’
স্থানীয় বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম মামুন জানান, এর আগেও এই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তারপরও প্রশাসন কারখানাটি বন্ধ করতে পারেনি।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম।
১৩২ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতার কারখানা সিলগালা, ৩ লাখ টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শাহানগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক জামায়াত নেতার অনুমোদনহীন কারখানা সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে ওই কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হোসাইন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সূত্রে জানা যায়, ওই কারখানায় দাঁতের মাজন, ইঁদুর ও পিঁপড়া মারার ওষুধ উৎপাদনের কথা বলে সেখানে হারপিক ও কয়েল প্রস্তুত করা হতো। এছাড়া সেখানে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনবিহীন গরু ও হাঁস-মুরগির ওষুধ উৎপাদন করা হতো। তাদের তৈরি নিমের মাজনে কোনো নিমের উপাদান পাওয়া যায়নি। পণ্যগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও লেখা ছিল না।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কারখানাটি সিলগালা করা হয়। সে সময় কারখানা মালিক নজরুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় সেখানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও ক্যাবের প্রতিনিধিসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৫৭ দিন আগে
কারখানার লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জিপিএইচ ইস্পাতে রড তৈরির কারখানায় কাজ করার সময় কারখানার লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে মো. রিফাত (২৫) ও মো. মোস্তফা (২৪) নামে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের সুলতানা মন্দির এলাকায় অবস্থিত জিপিএইচ ইস্পাত কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— বাঁশবাড়িয়া সুলতানা মন্দির এলাকার রোকনুজ্জামানের ছেলে মোস্তফা এবং মিরসরাই উপজেলার করুয়া এলাকার শামসুল হকের ছেলে রিফাত।
স্থানীয়রা জানান, কাজ করার সময় লিফটের তার ছিঁড়ে নিচে পড়ে দুই শ্রমিক আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুপুরে তাদের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: গভীর মাটির কূপ সংস্কার ও পরিস্কারকালে ২ শ্রমিক নিহত
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, ‘জিপিএইচ ইস্পাত কারখানায় কাজ করার সময় লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে শ্রমিক মোস্তফা ও রিফাত গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মোস্তফাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
‘রিফাতকে হাসপাতালের নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তিনিও মারা যান।’
এই ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
৪৮৮ দিন আগে
কোনাপাড়ায় বন্ধ হলো দূষণকারী সব কারখানা
কোনাপাড়ার ময়লার ভাগাড় ও সামাদনগরে গত তিনদিন ধরে অভিযান চালিয়ে সব বায়ুদূষণকারী ব্যাটারি কারখানা সিলগালা করে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট।
রবিবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকা, মান্ডা, গ্রীন সিটির পেছন অংশ, সামাদনগর, শরীফপুর, ময়লা রাস্তা মোড় ও কোনাপাড়ায় এসব অভিযান পরিচালন করা হয়।
এ সময় এসব এলাকায় থাকা ঢালাই লোহার কারখানাগুলোও বন্ধ পাওয়া গেছে। অভিযানে গ্রীন মডেল টাউনের আশপাশের এলাকাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ সময় কোনাপাড়া এলাকার মোবাইল কোর্টের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও অভিযানে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ, টহল পুলিশ ও লাইন পুলিশও।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ
৫০১ দিন আগে
টিফিন খেয়ে গাজীপুরে এক কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ
গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি কারখানায় টিফিন খেয়ে অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে টঙ্গীর সিংবাড়ী মোড় এলাকার বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় ১ হাজার শ্রমিককে ওভারটাইমের জন্য রাখা হয় কারখানায়। রাত ৮টার দিকে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের টিফিন সরবরাহ করলে টিফিন খেয়ে অসুস্থ হতে থাকেন তারা।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যালয়ে হঠাৎ অসুস্থ ১০ শিক্ষার্থী
পরে তাদের টঙ্গীর সরকারি হাসপাতাল ও গুটিয়া এলাকার ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বলে জানান শ্রমিকরা।
বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার মানব সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, ‘শ্রমিকরা টিফিন খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর কারখানার ভেতরেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অসুস্থ শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়লে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’
টঙ্গীর ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কাজী কাশফিয়া তাবাসসুম জানান, অসুস্থ অবস্থায় আনা হলেও প্রাথমিক চিকিৎসার পরে সব রোগীই দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে মদ্যপানে ৪ জনের মৃত্যু, অসুস্থ আরও ৪
গাজীপুর শিল্প পুলিশের ইন্সপেক্টর ইসমাইল হোসেন জানান, শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
তদন্ত চলছে বলেও জানান শিল্প পুলিশের এই কর্মকর্তা।
৫৬৭ দিন আগে
বেতন-ভাতার দাবিতে গাজীপুরে ৩ কারখানার শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ
বেতন ভাতাসহ বিভিন্ন দাবিতে এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন গাজীপুরের তিনটি কারখানার শ্রমকিরা।
এ সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী সদস্যরা শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেন।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুরের সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায় গোল্ডেন রিফিট গার্মেন্টস লিমিটেড গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে হাজিরা বোনাস বৃদ্ধির দাবিসহ
১২ দফা দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের হাজিরা বোনাস, টিফিন বিল, নাইট বিলসহ ৮টি দাবি মেনে নেয়।
গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের বাঘের বাজার জোনের পরিদর্শক সুমন মিয়া জানান, শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করলে যানজটের সৃষ্টি হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে আবারও শ্রমিক বিক্ষোভ, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
এছাড়া কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকে সকালে কোকোলা ফুড প্রোডাক্টস নামে একটি খাদ্য উৎপাদন কারখানার শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নেন। কারখানার শ্রমিকদের হাজিরা বোনাস, বাৎসরিক ছুটিসহ ১২ দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কারখানা কর্তৃপক্ষ গতকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করে।
এরপর আজ সকালে শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক কিছু সময় অবরোধ করেন। একপর্যায়ে কিছু শ্রমিক বন্ধ কারখানার ভেতরে জোর করে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালান।
খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেন তারা।
অন্যদিকে, গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় টঙ্গীর খাঁ পাড়া এলাকায় সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেডের শ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন।
জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর পশ্চিম থানাধীন খাঁ পাড়া এলাকায় অবস্থিত সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা সকাল ৭টায় কারখানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে শ্রমিকরা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জুলাই ও আগস্ট মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষের যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছে শ্রমিকরা
৬৯০ দিন আগে