দাখিল পরীক্ষা
এসএসসি পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সরকারের তিন মাসের কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের এসএসসির রেজাল্ট ২০ জুলাই আউট করবে, সেই নির্দেশনা আমরা দিয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাব্যবস্থার চলমান সংস্কার কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি জানান, শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) পরিমার্জনের জন্য ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। আগামী বছর চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল। গত ২০ মে এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়েছে। দাখিল এবং এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৪ মে।
এ বছর মাধ্যমিক স্তর উত্তীর্ণ হওয়ার এ পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছেলে এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন মেয়ে। দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় তারা।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন ছেলে এবং ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন মেয়ে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন ছেলে এবং ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন মেয়ে। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ৭৪২টি কেন্দ্রে।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন ছেলে এবং ৩৩ হাজার ১৫১ জন মেয়ে। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ৬৫৩টি কেন্দ্রে।
৬ দিন আগে
ফরিদগঞ্জে দাখিল পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, মাদরাসা সুপারসহ আটক ৩
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে চলমান দাখিল পরীক্ষার হাদিস বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে এক মাদরাসা সুপারসহ তিন জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা রাজিয়া।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া এমএ কামিল মাদরাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।
আটকরা হলেন, ফরিদগঞ্জের চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের এখলাশপুর মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা ইকরাম হোসাইন হামিদ (৪৬), ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া এমএ কামিল মাদরাসার নৈশ প্রহরী ইসমাইল হোসেন (৩২) ও মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী তারেকুল ইসলাম (৩০)।
পুলিশ জানায়, ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদরাসার দুই চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইসমাইল হোসেন (৩২) ও তারেকুল ইসলাম (৩০) হাদিস বিষয়ের প্রশ্নের ছবি তুলে চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের এখলাশপুর মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা ইকরাম হোসাইন হামিদের হোয়াটসঅ্যাপে ডকুমেন্ট আকারে পাঠায়। বিষয়টি জানাজানি হলে, ইউএনও ঘটনাস্থলে আসেন।
আরও পড়ুন: শিবির সন্দেহে আটক, তিন বছর পর অব্যাহতি জবির ১১ শিক্ষার্থীর
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা রাজিয়া ইউএনবিকে বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশনা দিয়ে পুলিশি হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ আলম ইউএনবিকে বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এক মাদরাসা সুপারসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৪১৭ দিন আগে
পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহযোগিতা, কেন্দ্র সচিবসহ ২১ শিক্ষককে অব্যাহতি
চলমান দাখিল পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহযোগিতার অভিযোগে গাইবান্ধায় একটি পরীক্ষাকেন্দ্রের সচিব ও ২১ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ আল হাসান সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা চলছিল। কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ১৪টি কক্ষে একই সেট কোডে পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসিয়ে এমসিকিউ (বহু নির্বাচনি) পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রসচিব শরীফ মো. আবু ইউসুফসহ পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ২১ জন শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরপত্র যাচাই করে ৪৭ জন পরীক্ষার্থীর বহু নির্বাচনি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনরায় তাদের নির্ধারিত সেট কোডে পূরণ করানো হয়েছে।’এ বিষয়ে কেন্দ্রসচিব শরীফ মো. আবু ইউসুফ বলেন, ‘কেন্দ্রসচিব হিসেবে সব কক্ষে খবর রাখা সম্ভব হয় না। শিক্ষকদের গাফিলাতির কারণে এমনটি হয়েছে। তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।’
৪২২ দিন আগে
প্রবেশপত্রের ছবিতে ভুল: কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হলো দাখিল পরীক্ষার্থীকে
প্রবেশপত্রের ছবিতে ভুল থাকায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মো. বিল্লাল হোসেন নামের এক দাখিল (এসএসসি) পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।
২৩০৩ দিন আগে