নির্বাচন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জানতে ইসির সঙ্গে বসবে সরকার
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা জানতে আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগামী সপ্তাহে হয়তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আমি হয়তো কথা বলব যে তাদের প্রস্তুতিটা কতদূর বা কী অবস্থা।’
তিনি বলেন, আসলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও পরিচালনা করবে ইসি। মাঠ থেকে নির্বাচন উঠিয়ে নিয়ে আসবে তারাই।
মন্ত্রী বলেন, তবে যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে, এখানে নির্বাচনের যে খরচ এবং অন্যন্য যে বিষয়গুলো যেমন: মেয়াদ কবে উত্তীর্ণ হচ্ছে, কী হচ্ছে—এই বিষয়গুলো আমরা সহায়তা দেব।
তফসিলের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা গেছে কি না, জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, তফসিলের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিটা আমরা এখনও জানি না। তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এ প্রশ্নের উত্তর ইসি দিতে পারবে।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রস্তাব তো আমি এর আগেও বহুবার বলেছি যে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই পাঁচটি নির্বাচন করবার জন্য যে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন, সেটা আমরা রেখেছি।’
১২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ভোট দেওয়ার সময় ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে অভিনন্দন জানান।
এদিন দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী তার আসন থেকে উঠে পাশে বসা মির্জা ফখরুলকে সঙ্গে নিয়ে ব্যালট বাক্সের দিকে যান।
দুপুর ২টা ১১ মিনিটে তারেক রহমান ব্যালট পেপার নিয়ে ভোট দেন। এ সময় বিএনপির সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন। এ সময়ও ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে স্বাগত জানান।
১৭ দিন আগে
২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে
৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ সদস্যরা উন্মুক্ত ব্যালটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে ভোট দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থত জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সংসদে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।
সর্বশেষ সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করে দেশের একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস। সেই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।
এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ৩৫ বছর পর ভোটগ্রহণ হওয়ায় এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেন।
নির্বাচন কমিশন সুন্দরভাবে নির্বাচনটি সম্পন্ন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিইসি। তিনি বলেন, ভোটের পরে আমরা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করব। গণনার পরে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে আমি যে ফল ঘোষণা করব, সেটাই আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, ভোট গণনা শেষে সেখানেই (সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে) ফল ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন ভবনে ফিরে ওই দিনই গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
এদিকে, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বঙ্গভবন।
ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে সিইসি জানিয়েছিলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—কাউন্টারফয়েল ও ব্যালট অংশ। কাউন্টারফয়েলে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রদত্ত বিভক্তি নম্বর (নির্বাচনি এলাকার নম্বর) এবং একটি খালি জায়গা থাকবে।
ব্যালট পেপার নেওয়ার আগে সংসদ সদস্যকে নির্ধারিত স্থানে তার পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করতে হবে।
ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলায় বর্ণানুক্রমে মুদ্রিত থাকবে। প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।
এরপর নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট জমা দেবেন সংসদ সদস্যরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। এরপর ভোট গণনা শুরু হবে।
চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৩৪৯ জন।
ভোটারদের মধ্যে বিএনপির ২৪৭ জন, জামায়াতের ৭৭ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, স্বতন্ত্র আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন ক্ষমতাসীন বিএনপির জোটসঙ্গী। সরকারদলীয় জোটের মোট ২৫০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষেই ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে জামায়াত, এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ১১ দলীয় বিরোধী দলীয় জোটের অংশ। সংসদে বিরোধী দলীয় জোটে ৯০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা অলি আহমদের পক্ষে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে পদটি শূন্য হলে তা পূরণের জন্য ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
১৭ দিন আগে
৩৫ বছর পর আজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হতে চলেছে আজ বৃহস্পতিবার। উন্মুক্ত ব্যালটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেওয়ার জন্য যোগ্য বরে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থত জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সংসদে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।
সর্বশেষ সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করে দেশের একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস। সেই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।
এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল (বুধবার) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত প্রাক-নির্বাচনী সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ১৯৯১ সালের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ৩৫ বছর পর ভোটগ্রহণ হওয়ায় এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেন।
নির্বাচন কমিশন সুন্দরভাবে নির্বাচনটি সম্পন্ন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিইসি। তিনি বলেন, ভোটের পরে আমরা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করব। গণনার পরে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে আমি যে ফল ঘোষণা করব, সেটাই আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, ভোট গণনা শেষে সেখানেই (সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে) ফল ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন ভবনে ফিরে ওই দিনই গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
এদিকে, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বঙ্গভবন।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে সিইসি ভোটার তথা সংসদ সদস্যদের ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে ব্রিফ করবেন।
এ বিষয়ে এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—কাউন্টারফয়েল ও ব্যালট অংশ। কাউন্টারফয়েলে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রদত্ত বিভক্তি নম্বর (নির্বাচনি এলাকার নম্বর) এবং একটি খালি জায়গা থাকবে।
ব্যালট পেপার নেওয়ার আগে সংসদ সদস্যকে নির্ধারিত স্থানে তার পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করতে হবে।
ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলায় বর্ণানুক্রমে মুদ্রিত থাকবে। প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।
এরপর নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট জমা দেবেন সংসদ সদস্যরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। এরপর ভোট গণনা শুরু হবে।
চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৩৪৯ জন।
ভোটারদের মধ্যে বিএনপির ২৪৭ জন, জামায়াতের ৭৭ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, স্বতন্ত্র আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন ক্ষমতাসীন বিএনপির জোটসঙ্গী। সরকারদলীয় জোটের মোট ২৫০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষেই ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে জামায়াত, এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ১১ দলীয় বিরোধী দলীয় জোটের অংশ। সংসদে বিরোধী দলীয় জোটে ৯০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা অলি আহমদের পক্ষে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে পদটি শূন্য হলে তা পূরণের জন্য ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
১৭ দিন আগে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ ইসির
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক এবং ঋণখেলাপিদের অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের দ্বাদশ সভায় এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি পারবেন না, এই বিষয়ে কমিশন মনে করে, না; এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হন।
তিনি বলেন, ঋণখেলাপির যে বিষয়টি আছে, এখানে দুটি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং অন্যটি জামিনদার। যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা, তিনি তো আছেনই; কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন, তাদেরও ঋণখেলাপি হিসেবে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার একটি প্রস্তাবে আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। পাশাপাশি বিল খেলাপি, যেমন ধরুন আপনার বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর, ওয়াসার বিল; এ ধরনের সেবা প্রদানকারী সংস্থার কোনো বিল খেলাপি থাকলে, সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন, আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার, কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানই বিল খেলাপি করেছে। সেক্ষেত্রে এটি অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদেরও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে, তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। আপনারা জানেন, সংবিধানে এ বিষয়ে একটি সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।
৪৭ দিন আগে
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর পুশইন ঠেকাতে বিজিবিকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়ের পর বাংলাদেশে পুশইন ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ অধিবেশন হয়।
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ কাউকে বাংলাদেশি সন্দেহ করে সরাসরি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা ‘পুশইন’ নামে পরিচিত।
দেশটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি—বিজেপির বিজয়ের পর বাংলাদেশে মুসলমানদের পুশইন বাড়বে কিনা, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে আমাদের বর্ডার গার্ড (বিজিবি) যেন একটু অ্যালার্ট (সতর্ক) থাকে, সে ব্যাপারে আমরা গতকাল তাদের নির্দেশ দিয়েছি। (পুশইনের) সেই রকমের সম্ভাবনা দেখি না, তারপরও যদি হয়, তা যেন মোকাবিলা করতে পারে, সেজন্য আমরা আগে থেকে বিজিবিকে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছি। তবে আমার মনে হয় না, সেরকম কোনো ঘটনা ঘটবে।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা তাদের প্রধানতম দায়িত্ব। সেজন্য পুলিশ, জেলা প্রশাসন সবাই সমন্বয় করেই কাজটা করে থাকে এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিচার বিভাগের সঙ্গেও তারা সুসমন্বয় করে। এটা কোনো নির্দেশনার বিষয় নয়, এটা তাদের কাজের আওতা পরিধির মধ্যে পড়ে।
মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স এজন্যই ঘোষণা করেছি যে মাদক, বিশেষ করে অনলাইন জুয়া—এগুলো বন্ধ না করতে পারলে সমাজের ভারসাম্য নষ্ট হবে।
‘অনলাইন জুয়ার অ্যাপ তো প্রকাশ্যে চলছে’ উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, এগুলো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, সিআইডি সবাই এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা যতই এগিয়ে যাচ্ছি, ইন্টারনেটভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এ দুনিয়ায় অপরাধের ধরনটাও বিভিন্নভাবে রূপ পাল্টাচ্ছে। এগুলোকে মোকাবিলা করার জন্য আমরা একটা আইন প্রণয়নের ব্যবস্থাও গ্রহণ করব।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে একটা কমিটি করে দিয়েছি। এর আগ পর্যন্ত আমরা যেভাবে পারি, ওইসব ওয়েবসাইটগুলো ব্লক করার চেষ্টা করছি। আর এই সমস্ত অপরাধগুলো তো আগে এত বিস্তৃত ছিল না, সেজন্য হয়তো আগের সরকারগুলো সেভাবে বিষয়টি আমলে নেয়নি। তবে এখন এটা আমাদের অগ্রাধিকার। জুয়া, অনলাইন জুয়া, মাদক—এগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে বন্ধ করতেই হবে।
১২৩ দিন আগে
শেরপুর ও বগুড়া নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ
শেরপুর-৩ আসনে জাতীয় নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির অভিযোগে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা মহানগর জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপির আমলের প্রথম নির্বাচনে নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা আওয়ামী লীগকেও হার মানিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শেরপুর ও বগুড়ার উপনির্বাচনে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করে জাতির সঙ্গে তামাশা করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি এ নির্বাচনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের ফলাফল বাতিলের দাবি জানান।
গণভোট প্রসঙ্গে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি বলেছে, গণভোট জয়যুক্ত হলে তারা অক্ষরে অক্ষরে মানবে। কিন্তু সরকার গঠন করে তারা গণভোটের আদেশ বাতিল করছে। বিএনপির এই দ্বিচারিতা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা এবং শহিদদের রক্তের সঙ্গেও চরম বেইমানি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা যদি গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় মেনে নিতে না পারেন, তবে তাদের সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হবে, তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়নি। তারা যদি গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে থাকেন, তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে যেভাবে শপথ নিয়েছেন, একইভাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করতেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে বিএনপি যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল, ৫ কোটি জনগণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করে বিএনপির সেই নোট অব ডিসেন্ট বাতিল করে দিয়েছে। এজন্য বিএনপি ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। বিএনপি জুলাই সনদের বিপক্ষে গিয়ে হাসিনার তৈরি কালো আইন বহাল রাখতে কাজ করছে।
বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না। ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে বিএনপিকেই চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধান করতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিমের পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামছুর রহমান, মহানগরী দক্ষিণের অফিস সেক্রেটারি কামরুল আহসান হাসান, মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন, সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, সহকারী অফিস সেক্রেটারি মুজিবুর রহমানসহ মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা।
সমাবেশ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পল্টন মোড়-বিজয়নগর গোলচত্বর গিয়ে শেষ হয়। এ সময় হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ভোট ডাকাতি ও প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনের ফলাফল বাতিলের দাবি জানান।
১৪৯ দিন আগে
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ জামায়াতের
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে ভোট কারচুপি, জালভোট প্রদান, ফলাফলের শিটে আগাম সই নেওয়া এবং পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) হস্তক্ষেপও কামনা করেছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব অভিযোগ করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এ উপনির্বাচনে গুরুতর অনিয়ম হচ্ছে। ভোট কারচুপি, জালভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং সকালেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নেওয়ার মতো আপত্তিকর ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
পরওয়ার বলেন, শেরপুরের শ্রীবরদীতে তাদের প্রার্থী ইন্তেকাল করেছেন। নির্বাচনের আগে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়, যা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করে।
শেরপুরে তাদের প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বগুড়ায় প্রার্থী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া শহরের আমির আবিদুর রহমান সোহেল।
তিনি বলেন, ৪, ৫ ও ৬ এপ্রিল আমরা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তিন দিন নির্বাচনি এলাকা সফর করেছি। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন, নেতা-কর্মীদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা এবং হুমকির আলামত পেয়েছি।
বগুড়ায় অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েকটি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা সকালেই পোলিং এজেন্টদের দিয়ে ফলাফলের শিটে জোরপূর্বক সই করিয়েছেন যা নির্বাচন বিধির পরিপন্থী। উদাহরণ হিসেবে তিনি মালতিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই কেন্দ্রে সকালে এজেন্টদের দিয়ে সই নেওয়ার পর জালভোট দেওয়া হয়েছে এবং পরে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত শেরপুরে অন্তত ১৩টি কেন্দ্রে জোর করে এজেন্টদের বের করে দিয়ে জাল ভোট দেওয়া হয়েছে। শ্রীবরদী পৌরসভার ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে জাল ভোট প্রতিরোধ করতে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তাদের এজেন্টদের বের করে দেন এবং জামায়াতের এক যুবনেতাকে মারধর করেন।
তার অভিযোগ, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে বারবার অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের ‘পেটুয়া বাহিনী’ ভোটারদের, বিশেষ করে নারীদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছে এবং তাদের হয়রানি করছে।
উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনের পর ক্ষমতায় আসা একটি বড় রাজনৈতিক দলের অধীনে প্রথম উপনির্বাচনেই যদি এমন চিত্র দেখা যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, যেসব কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে, সেসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে পুনরায় ভোটের ব্যবস্থা এবং দায়ী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে জনগণ এমন একতরফা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রায় ৩০০ কেন্দ্রের মধ্যে যেসব কেন্দ্রে জালভোট ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর বিষয়ে দুপুর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য উদ্বেগজনক। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভোটার ও এজেন্টদের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে, ফলে অনেক ভোটার ভোটকেন্দ্রে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। এ পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লা এবং প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকার উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এই দুই আসনের তফসিল ঘোষণা করে।
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনে নির্বাচিত হন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসন রাখেন।
অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর পর গত ৪ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন।
১৫০ দিন আগে
শেরপুর-৩, বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে
শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এর আগে, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইসি এই দুটি নির্বাচনি এলাকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ২ মার্চ, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ছিল ৫ মার্চ এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ১৪ মার্চ।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই জয় লাভ করেন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে গত ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছিল।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসন বাদে দেশের ৩০০টি নির্বাচনি এলাকার মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-২ এবং ৪ আসনের নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত রেখে ১২ ফেব্রুয়ারি ইসি ২৯৭ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করেছিল।
১৫০ দিন আগে
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন কাল
প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামীকাল (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে তৎপর রয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের জন্য ইতোমধ্যে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর থেকে উপজেলা সদর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রহরায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট পেপার, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালিসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুর-৩ আসনটি শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী—এই দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৩ জন ভোটার রয়েছেন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন—বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের কাঁচি প্রতীকের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১২৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং গারো পাহাড়ি এলাকার ৩২টি কেন্দ্রকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ আসনে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৬ প্লাটুন বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ এবং ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকছে ১ হাজার ১৫০ জন পুলিশ, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিমে ১৩৫ জন সদস্য এবং ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শেরপুর-৩ আসনটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় সেনাবাহিনী আইন অনুযায়ী সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের ভেতরে সরাসরি দায়িত্ব পালন করতে পারে না। এ কারণে এখানে বিজিবির উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ভোটের দিন প্রতি ভোটকেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচনি নিরাপত্তা জোরদারে র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করছে এবং আরও ৪টি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষক থাকছেন। পাশাপাশি দুই উপজেলায় ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন। সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিমও দায়িত্বে থাকবে।
নির্বাচনি মাঠ ঘুরে সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। দীর্ঘদিন পর আসনটি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি। অন্যদিকে, এ আসনটি নিজেদের দখলে নিতে চায় জামায়াতে ইসলামী।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগমুহুর্তে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যান। পরদিন ওই আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন নতুন করে শেরপুর-৩ আসনের তফসিল ঘোষণা করে। নতুন তফসিল অনুসারে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মৃত নুরুজ্জামান বাদলের ভাই।
১৫১ দিন আগে