কেন্দ্র ভাঙচুর
প্রশ্ন কঠিন, ‘শিক্ষকদের সহযোগিতা না পেয়ে’ ভোলায় এইচএসসির কেন্দ্র ভাঙচুর
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকসহ ৫ থেকে ৭ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১টার পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষে এ ঘটনা ঘটে।
কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, পরীক্ষায় অসাধুপায় অবলম্বনের সুযোগ না দেওয়ায় একদল পরীক্ষার্থী এ হামলা চালায়। তবে বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ার প্রতিবাদেই তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
চরফ্যাশন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিন বাচ্চু সাংবাদিকদের জানান, আইসিটি পরীক্ষায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে দুপুর সোয়া ১টার দিকে প্রায় ২০০ পরীক্ষার্থী প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে।
তিনি বলেন, একপর্যায়ে তারা উত্তর-পশ্চিম পাশের দুটি গেট ভেঙে কলেজে প্রবেশ করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের পেছন দিক থেকে অফিসের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
৫ দিন আগে
গণিত পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় কেন্দ্র ভাঙচুর পরীক্ষার্থীদের
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এসএসসির গণিত বিষয় পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় পরীক্ষা শেষে পরীক্ষা কেন্দ্রের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধ করেছে পরীক্ষার্থীরা।
সোমবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ভাঙচুর ও বলাখাল-রামপুর সড়ক অবরোধের এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আজ (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কঠোর নজরদারি থাকায় অভিযোগ এনে পরীক্ষা শেষে উপজেলার রামপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এরপর পরীক্ষার্থীরা বলাখাল-রামপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে এবং রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটক ভাঙচুর শুরু করে।
এ সময় কেন্দ্র সচিবসহ শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটসহ সরকারি কর্মকর্তারা সারাক্ষণ পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিল এবং এদিন পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত গার্ড দেওয়া হয়।’
‘এতে মানসিক চাপে পড়ে পরীক্ষার্থীরা। যার ফলে তাদের গণিত পরীক্ষা খারাপ হয়।’
রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোতাহের হোসেন বলেন, ‘তারা বিদ্যালয়ের বেশ কিছু চেয়ার-টেবিল ও গ্লাসসহ (আয়না) অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি, পরবর্তীতে লিখিতভাবে অবহিত করেছি।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ডিসি হিলে বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর, বাতিল অনুষ্ঠান
এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র হাজীগঞ্জ-৬ এর কেন্দ্র সচিব ও রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবির হোসেন সরকার ইউএনবিকে বলেন, ‘রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মৈশাইদ, বোরখাল উচ্চ বিদ্যালয় ও আল-বান্না মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে পরীক্ষা দিচ্ছে। আজকে (সোমবার) নিয়মিত ও অনিয়মিতসহ ২৫৪ জন শিক্ষার্থী গণিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।’
৪৫১ দিন আগে