তদন্ত কমিটি
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা খতিয়ে দেখতে খুবিতে তদন্ত কমিটি
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে গোপন তৎপরতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) কোনো শিক্ষক জড়িত কি না, তা অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১১আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক কার্যালয়ের আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
কার্যালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও নানা সূত্রের খবরে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক একটি গোপন তৎপরতায় যুক্ত হয়েছেন। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক এ ধরনের কোনো গোপন অপতৎপরতায় জড়িত আছেন কি না, তা সুষ্ঠুভাবে অনুসন্ধানের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।
গঠিত কমিটিতে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমকে সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। এছাড়া কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: শিক্ষা স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জব্বার, আইন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসান ও সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. শেখ শারাফাত হোসেন।
আদেশে কমিটিকে আগামী ১ মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৮ দিন আগে
শাবিপ্রবিতে ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত শিক্ষকদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ অনুসন্ধানে ৬ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই কমিটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে লিপ্ত শিক্ষকদেরও চিহ্নিত করবে।
রবিবার (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ সলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোনো শিক্ষকের রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রতিবেদনের আলোকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এ-সংক্রান্ত কাজে জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্তপূর্বক অনতিবিলম্বে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষ এই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
তদন্ত কমিটিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, গণিত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ উদ্দিন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল ফজল মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, কমিটিকে অবিলম্বে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকেই শাবিপ্রবির শিক্ষকদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার্যপরিধি অনুযায়ী, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে এই কমিটি।
এছাড়া বিগত সরকারের সময় শিক্ষকরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হুমকি বা নিপীড়নে লিপ্ত ছিলেন কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
৯ দিন আগে
বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, তদন্ত কমিটি গঠন
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রদল-শিবিরের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে, জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট আমির শরিফ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানজিউল ইসলাম জীবন ও রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হারুন-আল রশিদ।
অফিস আদেশে সদয় অবগতকরণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
বেরোবি রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের নির্দিষ্ট সময় বেধে না দেওয়া হলেও খুব শিগগিরই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রশাসনের অনুমতিতে সকাল থেকেই ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক এলইডি স্ক্রিনে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীসহ জুলাই ও বিগত সময়ে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ব্যানার ফেস্টুন প্রদর্শন করছিল বেরোবি শাখা ছাত্রশিবির।
তবে, একটি ফেস্টুনে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা, মতিউর রহমান নিজামী, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, মীর কাশেম আলীসহ বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ছবি ছিল।
ছাত্রদল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ওই ফেস্টুন সরানোর দাবিতে প্রোগ্রামস্থলে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চেয়ার ও ইটপাটকেল ছোঁড়া হলে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাল্টা ধাওয়া দেন শিবিরের নেতাকর্মীরা। দফায় দফায় চলে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ।
এ সময় আহত হন বেরোবি শাখা শিবিরের সাবেক সভাপতি সোহেল রানা, বর্তমান সেক্রেটারি ইমরান খান সৌরভ, শিবির সমর্থিত প্যানেলের ব্রাকসুর জিএস প্রার্থী মেহেদী হাসান, বাইতুল মাল সম্পাদক বাইজিদ শিকদার, মুরসালিন এছাড়াও ছাত্রদল নেতা আশিকসহ দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন।
১৪ দিন আগে
শিশু নন্দিনী হত্যায় আসামির দায় স্বীকার, পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় শিশু নন্দিনী হত্যার দায় স্বীকার করেছে গ্রেপ্তার বিধান চন্দ্র (২২)। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তে পৃথক দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে ভুট্টাক্ষেত থেকে নন্দিনীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে ওই এলাকার নলিনী কান্তের মেয়ে ছিল।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ঘাতক বিধানকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সেই বিধানকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে তার বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক ও বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমামসহ জেলা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তিন ঘণ্টা পর সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আসামিদের নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এ সময় স্থানীয়দের হামলায় এসপি-ওসিসহ ২০ জন আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধ জনতা ডিসি-এসপির গাড়িসহ সরকারি ৭টি গাড়ি ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার ঘটনাস্থলেই আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে প্রত্যাহার করা হয়। আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে আজ (বুধবার) সদর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুস সাকিব সজিবকে পদায়ন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নন্দিনীর বাবা নলিনী কান্ত বাদী হয়ে আসামি বিধান, তার বাবা রনজিৎ ও মা সাবিত্রীকে অভিযুক্ত করে গতকাল (মঙ্গলবার) আদিতমারী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। সে মামলায় বিধান ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিধান তার দায় স্বীকার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক। যেখানে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
অপরদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পুলিশ সুপার। তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত সোমবার বিকেলে নিখোঁজ হন শিশু নন্দিনী রায়। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে গতকাল সকালে বাড়ির পাশে একটি ভুট্টাক্ষেতের গর্ত থেকে নন্দিনীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরই মধ্যে স্থানীয়রা ঘাতক বিধান চন্দ্রকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে মব সৃষ্টি করে তার বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। বিধানকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে পুলিশের ওপর হামলা করে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন জেলা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ, বিজিবি, আনসার ব্যাটালিয়নের যৌথ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার বিধান চন্দ্র নন্দিনীকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। পারিবারিক দ্বন্দ্বের ক্ষোভে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে গ্রেপ্তার বিধান স্বীকার করেছে। তাই তাকে রিমান্ড চাওয়া হয়নি। আদালতেও দায় স্বীকার করে তিনি জবানবন্দি দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ধর্ষণ করা হয়নি বলে অভিযুক্ত দাবি করলেও আমরা মর্গের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার বলতে পারব। আপাতত তাদের বাবা-ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রত্যাহার ওসির স্থলে নতুন কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান বলেন, ঘটনা তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি সম্পদ নষ্টের অভিযোগে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথক দুইটি মামলার প্রস্তুতি রয়েছে।
৬৩ দিন আগে
লালমনিরহাটে নন্দিনী হত্যা: মরদেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন, পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে শ্বাসরোধে হত্যার শিকার সাত বছর বয়সী নন্দিনীর মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ। পরে গতকাল রাতে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে, এ ঘটনার জেরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ তিন সদস্যের পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) নিহতের বাবা নলিনী কান্ত রায় বাদী হয়ে তিনজনের নামে হত্যা মামলা করেছেন।
ঘটনায় অভিযুক্ত বিধান চন্দ্র রায় (২২) ও তার বাবা রণজিৎ কুমারকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের আজ (বুধবার) আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে আটক ওই দুজনকে থানায় নিয়ে আসার সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। এতে ওসিসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ডিসি-এসপির গাড়ীসহ সাতটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুর ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ তিন সদস্যের পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
গত সোমবার নিখোঁজ হয় নন্দিনী। এরপর গতকাল (মঙ্গলবার) সকালে বাড়ির পাশের ভুট্টাখেতে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হয়। এরপর এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। এর জেরে গতকাল দুপুরে স্থানীয়রা একপর্যায়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ অন্যদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। একপর্যায়ে গ্রামটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে পুলিশ ও বিজিবি আটক সন্দেহভাজন বিধান ও তার বাবাকে থানায় নিয়ে যায়।
৬৩ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ প্রাণহানি: তদন্তে ৩ কমিটি, ২ গেটম্যান বরখাস্ত
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে কর্তব্যে অবহেলার দায়ে সংশ্লিষ্ট রেললাইনের দুই গেটম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচের রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (চট্টগ্রাম) আনিসুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি এবং জোনাল পর্যায়ে চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) মোহাম্মদ সফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে আরও একটি ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
এছাড়া দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে গেটম্যান মেহেদী হাসান ও মো. হেলাল উদ্দিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনায় আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫ জন সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে। ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি লাইন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানান, দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে কুমিল্লা স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ট্রেন ছেড়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর শোনার পরপরই জেলা প্রশাসক, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
১৫০ দিন আগে
চাঁদপুরে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে ৮ সদস্যের কমিটি গঠন
চাঁদপুরের হরিণা এলাকায় মেঘনা নদীতে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে চার যাত্রী নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ বের করা এবং দায়ীদের শনাক্ত করতে এ কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ৮ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলামকে।
কমিটির সদস্যরা হলেন— নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ এমরান হোসেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি (পরিচালক পদমর্যাদার), বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর একজন প্রতিনিধি (পরিচালক পদমর্যাদার), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের একজন প্রতিনিধি ও নৌপুলিশের একজন প্রতিনিধি। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব এ টি এম মোর্শেদ।
তদন্ত কমিটিকে মেঘনা নদীতে সংঘটিত এমভি জাকির সম্রাট-৩ ও এডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণ অনুসন্ধান এবং এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি বা পক্ষগুলো চিহ্নিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চাঁদপুর জেলার হরিণা এলাকায় মেঘনা নদীতে এমভি জাকির সম্রাট-৩ ও এডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনায় লঞ্চটির চারজন যাত্রী নিহত এবং পাঁচজন যাত্রী আহত হন।
২৩৫ দিন আগে
সাদাপাথর লুট, প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি
সিলেটে সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে প্রতিবেদনটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ।
তবে, প্রতিবেদনে কি কি বিষয় উঠে এসেছে, তা জানাননি জেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা।
প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগেই জেলা প্র্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) শের মাহবুব মুরাদ। বুধবার বেলা ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ছাড়েন তিনি। এরপর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) নতুন জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর লুট নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত ১২ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন সিলেট জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ। এই কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল।
কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) পদ্মাসেন সিংহ। অপর দুই সদস্য হলেন- কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও আজিজুন্নাহার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আফজালুল ইসলাম।
পড়ুন: পাথর কাণ্ডে ওএসডি হওয়া ডিসি মাহবুব মুরাদ সিলেট ছেড়েছেন
এ কমিটি গঠনের পর থেকেই শুরু হয় সমালোচনা। বিশেষত কমিটিতে কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও আজিজুন্নাহারকে রাখা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। সাদাপাথর লুটপাট ঠেকাতে ব্যর্থতা ও লুটপাটকারীদের ব্যাপারে উদাসীনতার অভিযোগ রয়েছে এই ইউএনওর বিরুদ্ধে।
সমালোচনার মুখে সোমবার (১৮ আগস্ট) সিলেট জেলা প্রশাসক (ডিসি) শের মাহবুব মুরাদকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) এবং কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুন্নাহারকে বদলি করা হয়।
এর আগে, সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় ১৫শ’ থেকে ২ হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো।
৩৬৪ দিন আগে
শেখ হাসিনা সরকারের নজরদারি সরঞ্জাম ক্রয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশে নজরদারির সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয় খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটি খতিয়ে দেখবে কীভাবে, কোথা থেকে এবং কত দাম দিয়ে এসব যন্ত্র কেনা হয়েছে এবং কীভাবে এর ব্যবহার হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, নজরদারি যন্ত্রপাতি বিগত সরকারের সময়ে কেউ বলছেন প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়েছে, কেউ বলছেন ২০০ মিলিয়ন ডলারে। পুরো রিপোর্টে আমরা যা পড়েছি সেখানে স্পষ্ট—গত স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক অধিকার হরণের জন্য নজরদারির যন্ত্রপাতি ও স্পাইওয়ার ব্যবহার করেছে। এই অবৈধ নজরদারির মাধ্যমে নাগরিকদের ন্যূনতম বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সংবিধানে প্রদত্ত গোপনীয়তার অধিকারও তারা খর্ব করেছে।
পড়ুন: চাঁদাবাজিতে আমার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: আসিফ মাহমুদ
‘উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কমিটি গঠন করা হয়েছে তদন্তের জন্য। কত টাকা দিয়ে এগুলো কেনা হয়েছে, কোথা থেকে কেনা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনেক কিছু ইসরায়েল থেকে কেনা হয়েছে। এই বিষয়গুলো কমিটি খতিয়ে দেখবে,’ যোগ করেন তিনি।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনটিএমসি), পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে ১ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা মূল্যের নজরদারি সরঞ্জাম ক্রয় করেছে।
তিনি বলেন, পুলিশের জন্য কীভাবে মারণাস্ত্র কেনা হয়েছিল তা নিয়েও রিপোর্ট হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। কীভাবে এগুলো কেনা ও ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
৩৭০ দিন আগে
জবির শিক্ষক-বাগছাস নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলা তদন্তে কমিটি গঠন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দুই শিক্ষকসহ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) তিন নেতার উপর শাখা ছাত্রদলের নেতকর্মীদের হামলার ঘটনায় ৫ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এতে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ অধ্যাপক ড. মো. মোশাররাফ হোসেনকে আহ্বায়ক এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সংস্থাপন) জনাব এ. কে. এম. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: জবির সহকারী প্রক্টর, ছাত্র কল্যাণ পরিচালকসহ ৩ বাগছাস নেতার ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক।
এর আগে, আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রফিক বিন সাদেক রেসাদের ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে মারধর শুরু করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. এ কে এম রিফাত হাসান এবং সহকারী প্রক্টর শফিকুল ইসলাম রক্ষা করতে গেলে তাদেরকে গালিগালাজ ও হামলা করে ছাত্রদলের নেতকর্মীরা।
একইসঙ্গে শাখা বাগছাস সভাপতি ফয়সাল মুরাদ, মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস হাসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুককেও ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে তাদের উপরও হামলা ও মারধর শুরু করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বর্তমানে আহত অবস্থায় ফয়সাল মুরাদ ও ফেরদৌস শেখ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
৪০৪ দিন আগে