বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক
বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দিল বেইজিং
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক সংযোগপথ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে চীন। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর উন্নয়ন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ব্রিকস সদস্যপদের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে চীনের গ্রেট হলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন এ কথা জাানান।
তিনি বলেন, ‘আজকে আঞ্চলিক সংযোগ নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে প্রস্তাব এসেছে, কীভাবে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি অর্থনৈতিক করিডোর তৈরি করা যায়। এই অর্থনৈতিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির আরও সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক লেনদেন বৃদ্ধি এবং বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিবহনব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা।’
চট্টগ্রাম বন্দর আরও আধুনিকায়নে চীন কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে মাহাদী আমিন বলেন, এই বন্দরকে আধুনিকায়ন করে এটিকে আমরা আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই বন্দর শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, অন্যান্য দেশের জন্যও সেবা দেবে, সেটি নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। একইসঙ্গে মোংলা বন্দরকে উন্নত করার জন্য এবং এটিকে আরও গতিশীল ও সেবামুখী করার জন্য চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা সেগুলো নিয়েও আলোচনা করেছি।
মাহাদী আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যকার বহুমাত্রিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে আমরা দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি, সামগ্রিকভাবে জ্ঞান স্থানান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে আমরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও বাড়াতে চাই। সেখানে ঐতিহ্য, তথ্য ও প্রযুক্তির বিষয় রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা চাই দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি হোক এবং এগুলো নিয়ে দুই দেশের নেতৃত্ব আলোচনা করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থায় ইতোমধ্যে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই দুই ক্ষেত্রেই চীন তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায়। চীনা ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষক এবং অবকাঠামোগত সহায়তা তারা প্রদান করবে।’
২০ ঘণ্টা আগে
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক শুক্রবার
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আগামীকাল শুক্রবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বহুল আলোচিত এ বৈঠককে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বৈঠক দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, সফরের শেষ দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন।
মাহদী আমিন বলেন, আশা করছি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।
প্রধানমন্ত্রীর অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—সকালে গ্রেট হলে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ন্যাশনাল স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং চীনের জাদুঘর পরিদর্শন।
এরপর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।
সরকারপ্রধানের ২৪ জন সফরসঙ্গীর মধ্যে রয়েছেন—পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, এ কে এম শামসুল ইসলাম, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহ্দী আমিন প্রমুখ।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান। ওই সফরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে সোমবার তিনি পৌঁছান চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দালিয়ানে।
সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বুধবার বিকেলে তারেক রহমানের বেইজিংয়ে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব গ্রহণের পর তার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
দুই নেতার বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
১ দিন আগে
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, একাধিক সমঝোতা স্মারক সই
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এই বৈঠক শুরু হয়। এরপর সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় বৈঠকটি শেষ হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে বলে জানিয়েছেন রুমন।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১ দিন আগে
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এই বৈঠক শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১ দিন আগে
তিস্তা প্রকল্পসহ নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীন ঐকমত্য
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গুওইংয়ের বৈঠকে তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারে ঐকমত্য হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাইয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশে চলমান নদী খনন কর্মসূচির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের কারিগরি সহায়তা প্রত্যাশা করেন। জবাবে চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গুওইং ইতিবাচক সাড়া দিয়ে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) কথা উল্লেখ করে বলেন, গত বছর চীনের পানি বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ সফর করেছেন। পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক, গবেষণানির্ভর এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক।
তারেক রহমান বাংলাদেশের নদীভাঙন প্রতিরোধ, সেচ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং নৌ-নেভিগেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তিনি বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ ও এ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
১ দিন আগে
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চীনের দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে চড়ে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে চীনে তার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হলো।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ের চাওইয়াং রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।
তিনি আরও জানান, স্টেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের আবাসস্থল—দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে, আজ (বুধবার) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমান তার স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দালিয়ান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার তিন দিনের আনুষ্ঠানিক চীন সফরের সূচনা করবেন। সফরকালে তিনি আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানাবেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সেখানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ডব্লিউইএফ-এর ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন আতিকুর রহমান রুমন।
উদ্ভাবন কীভাবে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে পারে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে, তার ওপর জোর দিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ (ব্যাপক পরিসরে উদ্ভাবন) থিম নিয়ে সম্মেলনটি শুরু হয়। তার আগে, তিনি সকাল ৯টায় শুরু হওয়া সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনেও যোগ দেন।
২ দিন আগে
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘সামার দাভোস’ নামে পরিচিত দুই দিনব্যাপী ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
চীনের রাজধানীতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করতে উচ্চগতির ট্রেনে করে স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১ টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমান তার স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দালিয়ান ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার তিন দিনের আনুষ্ঠানিক চীন সফরের সূচনা করবেন। সফরকালে তিনি আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানাবেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সেখানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ডব্লিউইএফ-এর ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন আতিকুর রহমান রুমন।
উদ্ভাবন কীভাবে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে পারে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে, তার ওপর জোর দিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ (ব্যাপক পরিসরে উদ্ভাবন) থিম নিয়ে সম্মেলনটি শুরু হয়। তার আগে তিনি সকাল ৯টায় শুরু হওয়া সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনেও যোগ দেন।
ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালোইস জুইঙ্গি উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।
তারেক রহমান ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ন্যাম-ওসর উছরাল, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদৌ ওউরি বাহ, মন্টেনেগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিক এবং কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ এই অধিবেশনে যোগ দেন।
অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই আলোচনাগুলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করে।
অধিবেশনের বিরতির সময় অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতারা একটি আনুষ্ঠানিক ফটো সেশনে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সরকার, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমের নেতাসহ ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।
‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যের এবারের ইভেন্টটি বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উদীয়মান প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ, চীনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, যুব কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ প্রধান বৈশ্বিক বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং এর ব্যাপক অর্থনৈতিক সুবিধার মধ্যকার ব্যবধান দূর করা এই সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে কৃষি ও শিক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৈঠকে কৃষি, বনজ সম্পদ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর আলোকপাত করে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, পরিবেশ রক্ষায় বনায়ন এবং শিক্ষা খাতে দক্ষতা উন্নয়নে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে।
নজরুল ইসলাম খান এসব ক্ষেত্রে চীনের আরও সক্রিয় সমর্থন কামনা করেন। অন্যদিকে, চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সিলর লি শাওপেং এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৬৬ দিন আগে
ঢাকায় আসছেন চীনা উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইডং আগামী ২–৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সফর করবেন। সফরকালে তিনি চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে চতুর্দশ বাংলাদেশ–চীন কূটনৈতিক পরামর্শ বৈঠকে অংশ নেবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সফরকালে সান ওয়েইডং উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতকালে চীনা রাষ্ট্রদূত আসন্ন সফর সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইডংয়ের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি তুলে ধরেন।
এই পরামর্শ বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনা করা হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনা খোঁজা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহায়তা ও অবদানের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রহমান আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার গঠনের পর এই সফর বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
১০৬ দিন আগে
স্বাস্থ্যখাতে চীনের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যখাতে চীনের চলমান সহযোগিতার প্রশংসা করে তা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কীট ও সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ও গবেষকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে সহযোগিতা চান।
আশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশে ১ হাজার বেডের হাসপাতালে নির্মাণে চীন তার সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্য সচিব (রুটিন দায়িত্ব) খোরশেদ আলম ও ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং উপস্থিত ছিলেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রস্তাবিত এক হাজার বেডের হাসপাতাল নির্মাণে সহযোগিতা করতে তারা পিছুপা হবেন না, তা সাধারণ হাসপাতাল হোক বা বিশেষায়িত হাসপাতাল।
তিনি বলেন, মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে চীন থেকে চিকিৎসক দল এসেছে। রোবোটিক পুনর্বাসনকেন্দ্রে ৮২টি যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশি মেডিকেল কর্মীদের চীনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় উচ্চ শিক্ষায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও গবেষকদের জন্য আবাসনের বিষয়ে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, চীনের সহযোগিতায় প্রস্তাবিত এক হাজার বেডের হাসপাতাল উত্তরবঙ্গে হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত, যেহতু উত্তরবঙ্গ অনুন্নত ও অবহেলিত।
১১৬ দিন আগে