অ্যাসিড নিক্ষেপ
ধর্ষককে পুলিশে দিতে সহযোগিতা, জামিনে বেরিয়ে নারীকে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক ধর্ষককে পুলিশে দিতে সহযোগিতা করায় ধর্ষকের অ্যাসিড হামলার শিকার হয়েছেন ওই ইউপি সদস্যের মা। জামিনে কারামুক্ত হয়ে প্রতিশোধপ্রবণ হয়ে ওই ব্যক্তি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত নারীর নাম হালিমা বেওয়া (৬৫)। বর্তমানে নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের ‘সন্ত্রাসী’ নজরুল স্থানীয় এক শিশুকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য চামেলি বেগম। এরপর জামিনে বের হয়ে চামেলি বেগমের ওপর প্রতিশোধ নিতে সুযোগ খুঁজতে থাকেন নজরুল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাতে সহযোগীদের নিয়ে তাদের বাড়ির পাশে অবস্থান নিয়েছিলেন নজরুল। গভীর রাতে চামেলির মা হালিমা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে তাকেই ‘চামেলি’ মনে করে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেন তারা। এ সময় ওই বৃদ্ধার চিৎকারে বাড়ির সবাই বেরিয়ে আসার আগেই তারা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার জানান, খবর পেয়ে আজ (সোমবার) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভূক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অ্যাসিড নিক্ষেপ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৩
যশোরে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় নারী-শিশুসহ এক পরিবারের তিনজনের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর অবস্থায় তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার গদখালী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
অ্যাসিড-দগ্ধরা হলেন— ওই গ্রামের জামাত হোসেনের স্ত্রী রাহেলা খাতুন (৪৮), মেয়ে মেয়ে রিপা খাতুন (২৬) ও ছেলে ইয়ানূর (৮)।
স্থানীয়রা জানান, মঠবাড়ি গ্রামের ফজলুর রহমানের গৃহপরিচারক জসিম উদ্দিন (৩৫) রিপাকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। রিপা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত সোয়া ৮টার দিকে ঘরের জানালা দিয়ে রিপাকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছুড়ে মারে। এতে রিপা, তার ভাই ইয়ানূর ও মা রাহেলা খাতুন দগ্ধ হন।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যান। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী বলেন, অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণ ও হত্যার পর মুখে অ্যাসিড: অপরাধীদের সবাই কিশোর
২২৭ দিন আগে