ইসি মাসউদ
ঋণখেলাপি-দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রমাণ পেলে ভোটের পরও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিকত্ব ও অন্য কোনো বিষয়ে তথ্য গোপন করে নির্বাচনে পার পেয়ে গেলেও প্রমাণিত হলে ভোটের পর কমিশন ব্যবস্থা নেবে বলেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনের নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
ইসি মাছউদ বলেন, ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে ইসি কোনো আপস করবে না। কোনো অযোগ্য প্রার্থী যদি কোনো কারণে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন, তবুও পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেক সময় প্রার্থীরা হলফনামা কিংবা সম্পদের বিবরণীতে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন। এ ধরনের অনিয়ম মোকাবিলায় ২০২৫ সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে নতুন একটি আইনগত বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ৯১এফ অনুচ্ছেদ সংযোজন করা হয়েছে। নতুন ওই বিধান অনুযায়ী, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও যদি কোনো প্রার্থীর হলফনামা কিংবা আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে।
এ সময় আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাছউদ। তিনি বলেন, আমরা মনে করি রাজনৈতিক দলগুলো সব দিক থেকেই আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে একটি ভালো নির্বাচন আয়োজন করতে পারব। আমরা কোনো চাপ পাইনি।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংবিধান আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালনে আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে। আমরা খুবই আশাবাদী। এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ আমরা দেখেছি, তাতে পরিস্থিতি বেশ ভালো বলে মনে হচ্ছে। আমি ভোটারদের অনুরোধ জানাই, তারা যেন স্বাধীনভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন এবং নাগরিক দায়িত্ব পালন করেন।
৪ ঘণ্টা আগে