ত্রাণমন্ত্রী
শিগগিরই রমেক হাসপাতালে আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে: ত্রাণমন্ত্রী
আগামী এক মাসের মধ্যে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে আইসিইউ বেড সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং যে সংকট রয়েছে তা দূর হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সার্ভিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশেই জনবল কাঠামোর সংকট রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে জনবল নিয়োগ করে রমেক হাসপাতালের চাহিদাগুলো পূরণের চেষ্টা করা হবে। সেই সঙ্গে হাসপাতালে জনগণের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ তৈরি করে দিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর জুলুম ও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে শুধু স্বাস্থ্যক্ষেত্র কেন, বাংলাদেশের প্রতিটা খাতই ধ্বংসের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের বেশ কিছু বিষয়ে এর আগে গত সভায় যেগুলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলোকে ফলো আপ করার জন্য, কতটা কার্যকরী হয়েছে, কতটা কার্যকরী হচ্ছে না, কেন হচ্ছে না—সেই বিষয়টা অনুসন্ধান করার জন্য আমি এসেছি।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে আপনারা জানেন যে এই হাসপাতালে আইসিইউ বেডের একটা দাবি ছিল, আমরা অ্যানেস্থেশিয়ার অভাবে দিতে পারিনি, এরই মধ্যে পদায়ন হয়েছে। আশা করি, আগামী এক মাসের ভেতর নতুন করে আইসিইউ বেড চালু করতে পারব।
রংপুরে সম্প্রতি একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এই হত্যাকাণ্ডকে আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। যদিও এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা আছে, তদন্তে হয়তো বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ তৈরি হচ্ছে, হয়তো একটু সময় লাগছে। তবে আমরা চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারে যারা দোষী এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে যদি কেউ জড়িত থাকে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসাটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে জরুরি।
পরে রমেক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভায় যোগ দেন মন্ত্রী। এর আগে সকালে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন সচিবালয়ের রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
এ সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ ঘণ্টা আগে
রংপুরে চারজনকে হত্যাকাণ্ডে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর
রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেবে এবং অল্প সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু।
তিনি বলেছেন, অন্য সব খুনের মতই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করবে সরকার।
রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণকে সজাগ থাকতে হবে, তবেই মাদক কারবারী ও সেবনকারীদের অপরাধ কমে আসবে।
তিনি বলেন, গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক ও মর্মান্তিক। এ ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। মাদকাসক্ত হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই ওই বাড়িতে গিয়ে গণপতি চক্রবর্তীকে বিরক্ত করতেন। তাদের বাধা দিতে গিয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমান সরকার এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ঘটনায় সরকার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রামিসা হত্যার ঘটনায় দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং এর বিচারকাজও শেষ হয়েছে।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাই এ ঘটনায় আর সন্দেহের কিছু নেই।
এ সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু ও রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় ও বাধা দেওয়ায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য সদস্যদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা দুজনই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একই ঘটনায় দুজন সাক্ষীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
৬ দিন আগে
সারের সংকট যতটা বাস্তব, তার চেয়ে বেশি রটানো হচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী
দেশে সারের কোনো সংকট নেই দাবি করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী এবং সার বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সদস্য আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সারের সংকট যতটা বাস্তব, তার চেয়ে বেশি রটানো হচ্ছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) লালমনিরহাট জেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার সার উৎপাদন ও আমদানিতে প্রচুর ভর্তুকি দিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় সারের সংকটের কথা আলোচনায় এলেও দেশে মূলত সারের কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি এবং খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও আরও বাড়ানো হবে। লালমনিরহাটের তথ্য নিয়ে দেখেছি, গত বছরের চেয়ে এবার বরাদ্দ অনেক বেশি দেওয়া হয়েছে।’
সার কালোবাজারি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে দুলু বলেন, সার নিয়ে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। ‘কেউ অনিয়ম বা সার মজুত করার চেষ্টা করলে ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জেলা প্রশাসককে সারের বাজার ও বিতরণ ব্যবস্থা কঠোরভাবে মনিটরিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
কেউ অবৈধভাবে সার মজুত করলে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এমন খবর পেলেই গুদামে অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মন্ত্রী লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম দেখতে পেয়ে তা সমাধানের নির্দেশনা দেন তিনি। পরে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অংশ নেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক ও পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
সবার আগে সব নাগরিকের সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বাংলাদেশ গড়তে হলে সবার আগে সব নাগরিকের সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে ‘প্রোমোটিং পারসন উইথ ডিজেবিলিটি ফ্রেন্ডলি ইনক্লুসিভ ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলেন্স প্র্যাকটিসেস (আইসিজেআরপি)’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ গড়তে সব নাগরিকের সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের সংবিধানে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রান্তিক অংশীজন হিসেবে নয়, বরং সমান অধিকারসম্পন্ন অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তাদের প্রয়োজন ও সক্ষমতাকে সামনে রেখে আমাদের অবকাঠামো, পরিকল্পনা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সব সাইক্লোন সেন্টার ও দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্রকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করতে হবে। সেখানে হুইলচেয়ার চলাচলের উপযোগী র্যাম্প, প্রশস্ত প্রবেশপথ, প্রতিবন্ধীবান্ধব শৌচাগার, নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা, পৃথক ও নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে হবে। দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা ও শ্রবণ, দৃষ্টি ও অন্যান্য প্রতিবন্ধিতার ধরন বিবেচনায় নিয়ে সহজবোধ্য ও বহুমাধ্যমভিত্তিক করতে হবে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান, সিপিআরডি’র প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা প্রমুখ।
১৭ দিন আগে
পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনায় সরকার
বন্যায় ৫৪ জন নিহতের মধ্যে বেশিরভাগই পাহাড় ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছে। এজন্য পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে নিরাপদ সমতল এলাকায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর পিআইডি সম্মেলন কক্ষে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান ও সমন্বয় বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী বলেন, বন্যায় নিহত হয়েছে ৫৪ জন। তার মধ্যে বেশিরভাগই পাহাড় ধসের কারণে নিহত হয়েছে।
পাহাড় ধসে প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে নিরাপদ সমতল এলাকায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা সরকার বিবেচনা করছে। এতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ত্রাণ কার্য পরিচালনার জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আমরা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দিয়েছি। ৩ হাজার ২৫০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণভাণ্ডার থেকে প্রত্যেক জেলায় ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আমাদের তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে, শুকনো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে আমরা নিয়োজিত করেছি। আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট আমরা পাঠিয়েছি, তাদের উদ্ধার কাজ পরিচালনা করার জন্য।
তিনি বলেন, আজকে যে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য। যেসব রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মেরামত করবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যে সমস্ত সড়ক, তারা সেটা মেরামত করবে। যদি কাঁচা সড়ক থেকে থাকে, সেগুলোকে আমরা কাবিখা-কাবিটা দিয়ে মেরামত করাব।
খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে দুর্যোগকবলিত এলাকাগুলোতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, বন্যার ঘটনায় সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে একাধিকবার বৈঠক করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কর্মকর্তাদ এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে। তার নির্দেশনায় আমি আগামীকাল থেকে ব্যাপকভাবে ওই এলাকাগুলো সফর করব। আজকে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি।
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
৫৩ দিন আগে
মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমাদের সরকার বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে। গরিব মানুষও এখন ব্যয়বহুল চিকিৎসাসেবা স্বল্পমূল্যে বা বিনা মূল্যে পাবেন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে লালমনিরহাট ডায়াবেটিস হাসপাতালে সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার চলতি বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে। একইসঙ্গে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে উন্নত চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আধুনিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও জনগণমুখী করা হবে।
এ সময় লালমনিরহাট ডায়াবেটিক সমিতির সদস্যসচিব অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নিয়ামুল ইসলাম ফাতেমী, জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম এম মমিনুল হক, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম ও ডা. এবিএম মোবাশ্বের আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
৬৪ দিন আগে
দ্রুত সময়ের মধ্যে নন্দিনী হত্যার বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দিয়ে নন্দিনী হত্যা মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে নন্দিনীর বাড়িতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাজেট অধিবেশন থেকে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন শিশু নন্দিনীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন তা করতে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলার তিনজন সংসদ সদস্য ও জেলা শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এসেছি।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যতদূর শুনেছি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করেছে। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা রয়েছে, তা সম্পন্ন করে চার্জশিট দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হত্যা মামলার বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। যারা এতটুকু একটি ছোট শিশুকে হত্যা করতে পারে, তারা মানুষ নয়, নরপিশাচ। তাদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে তা উদাহরণ হয়ে থাকে, এমন কাজে আর কেউ যেন যুক্ত হতে সাহস না পায়।
তিনি বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। তারা আসামিকে গ্রেপ্তার করে শান্তিপূর্ণভাবে ফিরছিলেন। সেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ কার ইন্ধনে, কার উসকানিতে, কার প্ররোচনায় প্রশাসনকে আক্রমণ করা হলো—সেটিও পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়, তারা নিশ্চিন্তে বাড়িতে থাকবে। কিন্তু যারা অপরাধী, যারা প্রশাসনকে আক্রমণ করে মব সৃষ্টি করেছে, তারা অপরাধী। আমরা বলেছি, যারা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত যারা, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
গত মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেত থেকে সাত বছরের শিশু নন্দিনীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ মামলায় গ্রেপ্তার বিধান চন্দ্র দায় স্বীকার করেছেন। এ ঘটনার পর শিশু নন্দিনীর পরিবারের কাছে যান ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। মন্ত্রী শিশুটির পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন, সমবেদনা জানান এবং এ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন।
এ সময় লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।
৮০ দিন আগে
৫ বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা স্টেডিয়ামে প্রাণ-আরএফএল আয়োজিত চাকরি মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দেশে বেকারত্ব বর্তমানে একটি বড় অভিশাপ হিসেবে দেখা দিয়েছে এবং তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে নানা ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ধীরে ধীরে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এতে হতদরিদ্ররা কাজের সুযোগ পাচ্ছে।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শিগগিরই শুরু হবে।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক ও প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
চাকরি মেলায় জেলার কয়েক হাজার তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে এক হাজার কর্মসংস্থানহীন তরুণ-তরুণীকে চাকরি প্রদান করা হবে।
১১৭ দিন আগে
সুনামগঞ্জে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা প্রদান
অতিবৃষ্টিপাতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে জেলার খরচার হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে সহায়তা তুলে দিয়ে তিন মাসব্যাপী সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা দুর্নীতিমুক্ত ও নির্ভুলভাবে করে সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হাওরের এই অবস্থায় প্রথম দিন থেকেই ব্যতিব্যস্ত ছিলেন। তিনি আমাদের পাঠিয়েছেন, আমরা যেন প্রকৃত চিত্র প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে পারি।
ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। এজন্য হাওরে আর ঠিকাদার পোষা, আর এদিক-ওদিক করার প্রকল্প হবে না। হাওরকে নিরাপদ উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করা হবে।
অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকে, সেই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে যাতে এমন দুর্যোগ না হয়, সেই লক্ষ্যে কাজ করবে সরকার।
বিভাগীয় কমিশনার আপ্তাবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সুনামগঞ্জের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পালের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল, সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, বিএনপি নেতা আকবর আলী ও অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী বক্তব্য দেন।
পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে অতিথিরা উপজেলার খরচার হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাত সহায়তা তুলে দেন।
১২৩ দিন আগে
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী
হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বড় ধরনের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি জানিয়েছেন, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার।
রবিবার (৩ মে) লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহিদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘বিদ্যানন্দ আত্ম-কর্মসংস্থান প্রকল্প ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় লাখ লাখ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এই খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ।
তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের বিশেষ কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা প্রতি মাসে সহায়তা পাবেন।
আগামী ৬ মে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্য সুনামগঞ্জ সফরে যাবেন মন্ত্রী।
এদিকে, অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০১টি অসহায় পরিবারের মাঝে আয়বর্ধক উপকরণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল দোকানের মালামাল, ভ্যানগাড়ি, গরু এবং সেলাই মেশিন।
১২৫ দিন আগে