চাঁদপুর লঞ্চঘাট
নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ
প্রায় ৪ বছর আগে শতকোটি টাকা ব্যয়ে চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণকাজ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত তা শেষ হয়নি। বর্তমানে এ ঘাটের পন্টুনের সঙ্গে লাগানো কাঠের সিঁড়িগুলো অনেক উঁচু। পন্টুনের সীমিত স্থানে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। বিশ্রামাগার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, ওয়াশরুম ও ব্রেস্টফিডিং কর্নারের মতো সুবিধাগুলো এখানে নেই। ঘাটে থাকা পরিবহনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা।
ঘাটে আসা যাত্রীদের অনেকে অভিযোগ করেন, সব মিলিয়ে এ ঘাটে একটি হ-য-ব-র-ল অবস্থা। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লঞ্চে আসা যাত্রীদের ঘাটে এসে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র উল্টো।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লঞ্চঘাটে থেকে সরেজমিনে দেখা গেছে যাত্রীদের দুর্ভোগের চিত্র। বিশেষ করে যাত্রীরা লঞ্চ থেকে টার্মিনালে পা রাখলে ঘাটে থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশা, অটোবাইক চালকরা যাত্রীদের মালপত্র নিয়ে টানাটানিতে একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হচ্ছে। বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণকাজ শুরু হলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রাখায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। ঈদ উপলক্ষে বিআইডাব্লিউটিএর প্রকৌশল বিভাগ যাত্রী চলাচলে কিছুটা মেরামত কাজ করলেও তাতে হাজার হাজার যাত্রীর দুর্ভোগ কমছে না।
চাঁদপুর-ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে দৈনিক প্রায় ৩০টি লঞ্চে যাতায়াত করছেন হাজার হাজার যাত্রী। এ ঘাট দিয়ে চাঁদপুর ছাড়াও পাশের জেলা লক্ষীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ ও দুরবর্তী উপজেলা হাইমচরের শত শত যাত্রী যাতায়াত করে থাকেন। দৈনিক প্রায় ২০ হাজার যাত্রী এ ঘাট ব্যবহার করছে বলে জানান লঞ্চ মালিকদের প্রতিনিধি আলী আজগর, রুহুল আমিনসহ অন্যরা।
৪ ঘণ্টা আগে