অধ্যপক ইউনুস
সাকাইকে ‘স্মার্ট সিটি ৩.০’ হিসেবে গড়ে তুলতে ড. ইউনূসের সহায়তা চাইলেন মেয়র
জাপানের টোকিও শহরের নিকটবর্তী উদ্ভাবননির্ভর শহর সাকাই (ইবারাকি প্রিফেকচার) পরিদর্শন করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) শহরটিতে পৌঁছালে মেয়র মাসাহিরো হাশিমোতো তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
মেয়র হাশিমোতো জানান, অধ্যাপক ইউনূসের ‘তিন শূন্য’ ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সাকাই শহরকে একটি মডেল ‘স্মার্ট সিটি ৩.০’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন তারা।
সাকাই শহর স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং প্রযুক্তি এবং ‘হোমটাউন ট্যাক্স’ ব্যবস্থার মতো উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পরিচিত। এই কর ব্যবস্থার মাধ্যমে টোকিওর মতো বড় শহরের বাসিন্দারা তাদের করের একটি অংশ নিজ নিজ এলাকায় স্থানীয় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করতে পারেন।
পরিদর্শনকালে অধ্যাপক ইউনূস একটি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটান। সেখানে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে একটি আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রবৃদ্ধি ও নবায়নের প্রতীক হিসেবে তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি চেরি গাছ রোপণ করেন।
সাকাইয়ের রূপান্তর প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে অধ্যাপক ইউনূস ও তার দলের দিকনির্দেশনা কামনা করেন মেয়র হাশিমোতো। আলোচনায় সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব তৈরির লক্ষ্যে ‘তিন শূন্য ক্লাব’ বা ‘থ্রি জিরো ক্লাব’ চালুর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরবর্তীতে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ চেইন ‘বান্দো তারো কোম্পানি লিমিটেড’ পরিদর্শন করেন। শতাধিক শাখাসম্পন্ন এই রেস্তোরাঁ চেইনটি পরিবারবান্ধব ব্যবসা মডেলের জন্য পরিচিত। এই মডেলে প্রতিটি রেস্তোরাঁর সঙ্গে একটি করে নার্সারি সংযুক্ত থাকে, যাতে কর্মীরা কাজের সময় তাদের সন্তানদের কাছাকাছি রাখতে পারেন। সেখানে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক হিসেবে ড. ইউনূস একটি পিচ গাছ রোপণ করেন।
২ দিন আগে