অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
৭১ ও ২৪-এর পরাজিত শক্তি সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: প্রতিমন্ত্রী
একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত অপশক্তি বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এই দুই পরাজিত শক্তিকে সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কুষ্টিয়ার একটি বেসরকারি সংস্থার মিলনায়তনে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তির আজও বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, ঠিক তেমনি চব্বিশের পরাজিত শক্তিরও বাংলাদেশের গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। এই দুই রাজনৈতিক শক্তির ঐক্য আমরা এদেশের রাজনীতিতে প্রায়ই দেখতে পাই। আমরা আবারও দেখতে পাচ্ছি, মাত্র সাত মাস বয়সী একটি সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। সেই ঐক্য আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাই এই দুই পরাজিত শক্তিকে সবাই মিলে মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া অঞ্চলে জাতীয়তাবাদী দল খুব খারাপ ফলাফল করেছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ার সেই হারানো সম্মান ফেরত আনতে হবে।
সাংগঠনিক এ মতবিনিময় সভায় দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতারাও তাদের বক্তব্যে দলের ভেতরের অনৈক্য ও বিভেদের কথা তুলে ধরেন।
এদিকে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে বিএনপির নেতাকর্মীদের বক্তব্য চলাকালীন সভাস্থলে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের হাতাহাতি হয়। পরে নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারসহ আরও অনেকে।
১০ দিন আগে
বিশ্ববাজার স্থিতিশীল হলে জ্বালানি তেলের দাম কমবে: প্রতিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গেলে এবং আন্তর্জাতিক বাজার স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অবিলম্বে কমানো হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির এই অনাকাঙ্ক্ষিত অভিঘাত সরকারের কোনো ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত বা অনিচ্ছার ফসল নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে গৃহীত একটি বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর চেয়ে আলাদা কিংবা বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপ নই। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকট ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে মূল্যের বড় ব্যবধানের কারণেই বাধ্য হয়ে দেশে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।’
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা দিনরাত এক করে চরম কায়িক পরিশ্রমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে দেশে পাঠান। তাদের সেই ঘামের বিনিময়ে কেনা জ্বালানি তেল যদি কম দামের সুযোগ নিয়ে সীমান্তপথে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার হয়ে যায়, তবে তা দেশের অর্থনীতির জন্য এক আত্মঘাতী বিষয়। প্রবাসীদের রক্ত পানি করা টাকায় কেনা জ্বালানির পাচার রোধ করতেই মূলত এই মূল্য সমন্বয়।’
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও দেশের বিপুল লোকসানের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম, জাহাজ ভাড়া ও বিমা ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও সরকার দেশের বাজারে দাম বাড়ায়নি। ফলে এই কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।
ভবিষ্যতে তেলের দাম পুনর্মূল্যায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকট এখন পুরো বিশ্বজুড়ে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গিয়ে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে দেশের বাজারেও তেলের দাম অবিলম্বে হ্রাস করা হবে। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে তেলের দাম আগের চেয়েও বেশি কমানোর সুযোগ তৈরি করা হবে।’
আসন্ন বোরো মৌসুমে সেচ ও কৃষি উৎপাদনে লোডশেডিংয়ের বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘কৃষকদের স্বার্থ সরকারের কাছে সর্বাগ্রে। বোরো মৌসুমে প্রান্তিক ও গ্রামীণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা নিরলস কাজ করছি।’
ভবিষ্যতে কৃষকদের সেচ খরচ সাশ্রয়ী করতে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক আধুনিক সেচব্যবস্থা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুহাম্মদ আবু বকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন প্রিন্স, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কাজী একরামুল হক, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাবেক সভাপতি আসিফ কাজলসহ স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
মতবিনিময় সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একটি ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন। এছাড়া বিকাল ৪টার দিকে তিনি জোহান ড্রিমভ্যালি পার্কে বিএনপির এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
১১ দিন আগে
২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের ঘাটতি শূন্যে নামিয়ে আনা হবে: প্রতিমন্ত্রী
দেশের জ্বালানি খাতের বড় ঘাটতি মেটাতে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নতুন এই কূপ থেকে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খনন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে আমরা বেশ কিছুদিন ধরে কষ্টের মধ্যে আছি। তবে স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। এর মধ্যে তিতাস ২৮ নম্বর কূপ থেকে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগ ২০৩০ সাল নাগাদ চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য দূর করতে সহায়তা করবে। এই কূপের গ্যাস মানুষের মাঝে স্বস্তি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আশা প্রকাশ করেন, গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে। এতে শিল্প, বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালি খাত বর্তমানে যে সংকটে পড়েছে, তার একটি স্থায়ী সমাধান হবে।
এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়ে শেষ হয় গত ২৭ মে। এরপর পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয় গত ১৯ জুন। ইতোমধ্যে কূপটি থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
২৮ নম্বর কূপের প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না জানান, কূপটির ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার তিন হাজার ৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার দুই হাজার ১০০ পিএসআই। দীর্ঘসময় কূপটি থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসির খননকৃত এই কূপের গভীরতা তিন হাজার ৬০১ মিটার। মূসক ও আয়করসহ এতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উত্তোলন করে তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক, বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামানিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ আশার কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগস্টে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে সৃষ্ট মানুষের দুর্ভোগ সম্পর্কে সরকার অবগত এবং এ পরিস্থিতির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে এ কথা বলছি। নিছক কথার আড়ালে সত্যকে লুকাতে চাই না। বর্তমানে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটের কারণে বাংলাদেশের মানুষ কষ্টে আছে।
চলমান সংকটের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের নীতিগত ভুলকে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটও যুক্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি, যা জ্বালানি সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ওপর বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে সৃষ্ট সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এসব কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস (এমএমসিএফডি) প্রয়োজন।
এই চাহিদার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ালে শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক—এই তিন খাতের মধ্যে সরকারকে ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের কয়েকটি ইউনিট বন্ধ থাকাও বিদ্যুৎ সংকটের কারণ বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬১৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। আর মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের একই ক্ষমতার আরেকটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে।
এছাড়া ভারতের আদানি গ্রুপের কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ কম বিদ্যুৎ পাচ্ছে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ওই গ্রুপের কাছ থেকে বাংলাদেশের ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমানে দিনে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যায় প্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।
একই সঙ্গে আমদানি করা এলএনজি ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলেও জানান তিনি। গত ২১ জুলাই সমস্যাটি দেখা দেয় এবং তা মেরামতে ২১ থেকে ২২ দিন সময় লাগে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনও ব্যাহত হয়। তবে তিনি দাবি করেন, সংকটের প্রায় ৮৮ শতাংশ ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, এখন সরকার পায়রা ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিটগুলো দ্রুত চালু করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে আগস্টে যে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, তা যেন অন্তত সেপ্টেম্বর মাসে আর পোহাতে না হয়, সে জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।’
আগামী গ্রীষ্মের কথা মাথায় রেখে বিদ্যুৎ সরবরাহ জোরদারে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনসহ দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সরকারের নেওয়া ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন নীতি আগামী গ্রীষ্মে চলমান সময়ের মতো বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত দুর্ভোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্যদের উদ্বেগকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সংসদ সদস্যদের সঠিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি এ খাতকে ঘিরে থাকা ভুল-বোঝাবুঝি দূর করার চেষ্টা করবে সরকার।
৩২ দিন আগে
গ্যাস সংকট: আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির উন্নতি, পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও এক সপ্তাহ
চলমান গ্যাস সংকটে জনদুর্ভোগের জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হবে। তবে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাস সংকট কাটিয়ে উঠতে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি বাসাবাড়িতে মা-বোনেরা, গৃহিনীরা সংসারের রান্নার কাজে প্রতিদিন চ্যালেঞ্জ অনুভব করছেন। শিল্পকারখানাগুলোতে তাদের উৎপাদন কমে গেছে। সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সংকটের কারণে গণপরিবহন চাপের মুখে পড়েছে। এসব কারণে আমরা জনগণের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি বলেন, বলতে কোনো দ্বিধা নেই যে এটি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো ত্রুটি নয়, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ত্রুটি; কিন্তু তারপরও তারা দেশে গ্যাসের এই সরবরাহ নিশ্চিত করে। আমরা তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছি।
৬৯ দিন আগে
চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা মোকাবিলায় সমন্বয়-তদারকির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী অমিত
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার কাজ সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার (১০ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাকে এ দায়িত্ব দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে মজুত ত্রাণসামগ্রীর অবস্থা এবং উদ্ধার কার্যক্রম মূল্যায়ন করবেন। একই সঙ্গে এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা, জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নিশ্চিত করতে পরামর্শ দেবেন।
এছাড়া বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান, ত্রাণসামগ্রীর পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ ও তদারকি এবং বন্যা পরিস্থিতি ও গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত সরকারকে জানানোর দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা দিবে।
৮৫ দিন আগে
কৃষকদের জন্য শস্য বীমা চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী
কৃষকদের জন্য শস্য বীমা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে যশোরে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ যৌথভাবে সরকারি খাদ্য গুদামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘হাতের কালি মুছার আগেই সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি মূল্যে সব ধরনের কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন। প্রয়োজনে কৃষকরা স্বল্প সুদে কৃষিঋণ নিতে পারবেন। সরকার তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘আজ কৃষি ক্ষেত্রে যে অগ্রযাত্রা, তার সূচনা করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিদেশ থেকে উন্নতমানের সার, বীজ, যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ এনে দেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। ফলে দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দেশের কৃষি খাতের এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পিতার কর্মসূচিগুলো নতুনভাবে শুরু করেছেন।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ, ডিজেল ও সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান ক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এ সময় প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের মাধ্যমে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। এ সময় স্থানীয় কৃষকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কৃষকরা। এর মাধ্যমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ১৬৬ টন। সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা।
১৪৯ দিন আগে
সব ধরনের জ্বালানির তিন মাসের মজুদ নিশ্চিত করা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
সব ধরনের জ্বালানির তিন মাসের মজুদ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি ছিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তারা অনেকেই ফোর্স মেজর (চুক্তি পালন করতে না পারলে দায়মুক্তি সংক্রান্ত ধারা) ডিক্লেয়ার করেছে। এজন্য জ্বালানি সংগ্রহে আমাদের নতুন নতুন উৎস অনুসন্ধান করতে হয়েছে। আমরা কিছু ভালো উৎস পেয়েছি। তাদের অনেকের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।
তিনি জানান, যদি এটা বাস্তবায়ন হয় আমরা প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাসের জ্বালানি সংগ্রহ করার জন্য সকল প্রস্তুতি আমরা গ্রহণ করেছি, এটা ডিজেলের ক্ষেত্রে। আর পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে আনুমানিক তিন মাসের মতো আমরা কিন্তু নিশ্চিত করতে পেরেছি, অর্থাৎ আমাদের কাছে সেটা রেডি।
তিনি আরও জানান, আগামী তিন মাসের জন্য জ্বালানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি। এপ্রিল মাসের ডিজেলের চাহিদা পূরণের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি ব্যবহার করি, তাহলে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকবে না। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, পেট্রোল পাম্পে যে লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে, তা মূলত অকটেন ও ডিজেলের জন্য। অকটেনের চাহিদা মোট চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ, পেট্রোলেরও প্রায় ৬ শতাংশ, অর্থাৎ মোট ১২ শতাংশ। বাকি ৮৮ শতাংশ চাহিদা খুবই স্বাভাবিকভাবে পূরণ হচ্ছে। সে কারণে সামগ্রিক কোনো সংকট আমরা দেখছি না।
তবে কিছু জায়গায় অসৎ উদ্দেশ্যে কিছু ঘটনা ঘটছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তার মেশিনারিজ নিয়ে কাজ করছে। আজ সকালেও আমরা দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছি। সেখানে আলোচনা হয়েছে কীভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া যায়। বিপিসি এবং পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোম্পানির পক্ষেও যদি কোনো ত্রুটি থাকে, তা সংশোধন করে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও মসৃণ করার চেষ্টা চলছে, যাতে জনদুর্ভোগ কমে এবং জনগণও দায়িত্বশীল আচরণ করে।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যুদ্ধ শেষ হলেও এর প্রভাব কিছুদিন থাকতে পারে। সে কারণেই আমরা তিন মাসের জ্বালানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছি। ডিজেলের ক্ষেত্রে একটি বড় বিষয় হচ্ছে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি। শুধু জ্বালানি আনলেই হবে না, সংরক্ষণের ব্যবস্থাও বাড়াতে হবে। আমরা সমান্তরালভাবে সেই সক্ষমতা বাড়াচ্ছি। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর যেমন বিএডিসি, রেলওয়ে, এমনকি প্রয়োজনে বেসরকারি খাতের পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোর অব্যবহৃত সংরক্ষণ ক্ষমতাও ব্যবহার করা হবে।
১৮২ দিন আগে