গণমাধ্যম কমিশন
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়ে তাড়াহুড়া করতে চায় না সরকার: ড. জাহেদ
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়ে সরকার তাড়াহুড়া করতে চায় না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে আগে গঠিত কমিশনের প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও সেটির সব সুপারিশের সঙ্গে সরকার শতভাগ একমত নয়।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে সরাসরি ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রতিশ্রুতি ছিল না। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, শিশু, নারী ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল।
তিনি বলেন, আগের কমিশনের প্রতিবেদনটি যোগ্য ব্যক্তিদের পরিশ্রমের ফল এবং সেখানে অংশীজনদের মতামতও নেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক সরকার হিসেবে বর্তমান সরকারের নিজস্ব কিছু ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে কিছু ঘাটতিও রয়েছে বলে সরকারের কাছে মনে হয়েছে। তাই বিভিন্ন পক্ষের মতামত এবং নতুন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ড. জাহেদ বলেন, আরও বিস্তৃত আলোচনা এবং নতুন বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে একটি কার্যকর, স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তুলতে সরকার সময় নিচ্ছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর দেশটির শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য দ্রুত উন্মুক্ত হতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা।
মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য শ্রমবাজার খুলছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই ব্যাপারটা আসলে আমার পক্ষে জবাব দেওয়া কঠিন। এটা আসলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দেবে, কারণ তারা মিটিংয়ে ছিল। কিন্তু আমরা এখান থেকে যেটা বুঝতে পারছি, এই ব্যাপারটা ভালোভাবে আলোচনা হয়েছে এবং আমি কিছু ব্যক্তিগত কথাবার্তার ক্ষেত্রে খেয়াল করেছি, আমার কাছে মনে হলো—আমি এটাও আবারও বলছি, আমি খুব নিশ্চিতভাবে বলছি না—এটা খুব দ্রুতই উন্মুক্ত হবে। আমরা এটা আশা করতে পারি, নিশ্চয়ই।
১২ দিন আগে
গণমাধ্যম কমিশন গঠনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্য অফিস অব কমিউনিকেশনসের (অফকম) অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তার কার্যালয়ে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় তিনি এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে। এক্ষেত্রে মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্য অফিস অব কমিউনিকেশনসের (অফকম) অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
হাইকমিশনার এক্ষেত্রে তথ্যমন্ত্রীকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি অফকমের কার্যক্রম সম্পর্কেও মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
এ ছাড়াও, আজ (বৃহস্পতিবার) পৃথক সময়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার একইসঙ্গে জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দিতে চায়। এজন্য তিনি সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলেও একইসঙ্গে এটি একটা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তিনি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।
৪৫ দিন আগে
গণমাধ্যম কমিশন গঠনে পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে হবে চূড়ান্ত প্রস্তাবনা: তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে এবং সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার একটি হোটেলে ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন আয়োজিত ‘পিআইএমএইচআইই প্রকল্প: নীতিগত সংস্কার থেকে নিউজরুম চর্চা—শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সরকার প্রধানের সঙ্গে মালিক সমিতি ও সম্পাদকদের বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে পূর্বে যেমন আলোচনা হয়েছে, পরামর্শক কমিটি গঠনের পর আবারও আলোচনা করা হবে, যাতে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো তৈরি করা যায়।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। রাষ্ট্রের অন্যান্য স্তম্ভকে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে গণমাধ্যম কমিশন গঠন শুধুমাত্র সরকারের একক বিষয় নয়; এটি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ।
তিনি আরও বলেন, সরকার একদিকে যেমন এ প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপকের দায়িত্বও পালন করবে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, গণমাধ্যম সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন এ উদ্যোগে সরকারের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, গণমাধ্যম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ।
৪৬ দিন আগে