পানিতে ডুবে নিহত
নরসিংদীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
নরসিংদীর রায়পুরায় পানিতে ডুবে দুই শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ভেলুয়ারচর গ্রামের নামারচর
বিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো— ভেলুয়ারচর গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে নিপা (৭) ও একই গ্রামের নূরুজ্জামানের মেয়ে জান্নাতি (৮)। তারা উভয়েই ভেলুয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ১০টার দিকে এই দুই শিক্ষার্থীসহ ৪-৫ জন মিলে বাড়ির সামনে নামারচর বিলে গোসল করতে যায়। ওই সময় তারা দুইজনেই পানিতে ডুবে যায়। তখন তাদের সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিশুরা আশপাশের লোকজনদের ডেকে আনে। তারা দুই শিশুকে পানির নিচ থেকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শীলা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভেলুয়ারচর থেকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৭ দিন আগে
রায়পুরায় পানিতে ডুবে ৩ শিশু নিহত, নিখোঁজ এক
নরসিংদীর রায়পুরায় নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে তিন শিশু নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও একটি শিশু নিখোঁজ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চান্দেরকান্দী ইউনিয়নের বড়কান্দা এলাকার কাকন নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিন শিশু হলো— বড়কান্দা গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে তাবিয়া (১৩), একই এলাকার রুবেল মিয়ার মেয়ে জান্নাত ইসলাম (৯) ও রুবেল মিয়ার মেয়ে আয়েশা (৯)। তারা সকলেই স্থানীয় গাউছিয়া নূরে মদিনা মহিলা মাদরাসার শিক্ষার্থী।
পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মাদরাসা থেকে ৬/৭ জন শিশু শিক্ষার্থী কানন নদীতে গোসলে যায়। এ সময় একজন তলিয়ে গেলে তাকে বাঁচানোর চেষ্টাকালে অন্যান্যরাও পানিতে তলিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উল্লেখিত তিনজনকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় আরও দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং একটি শিশুর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আশরাফুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে তিন শিশুকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনায় তিন শিশুর মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আরও দুই শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে শুনেছি। নিহত শিশুদের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৮ দিন আগে
চট্টগ্রামে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে আরও দুই শিশু নিহত
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে ২ শিশু নিহত হয়েছে। এ নিয়ে গত দুই দিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পানিতে ডুবে ৪ শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, আজ (শুক্রবার) বাঁশখালীর বাহারছড়া এলাকায় বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে যায় দুই শিশু মোহাম্মদ আশিক (৮) ও মো. মিরাজ (৬)।
বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ইউনুছ জানান, বাহারছড়া ইউনিয়নের মধ্যম ইলশা গ্রামের আশিককে উদ্ধার করে বাঁশখালীর গুনাগরী বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একইদিনে ওই ইউনিয়নের রত্নপুর গ্রামের মেহের আলী বাড়ির প্রবাসী কামাল উদ্দিনের ছেলে মিরাজ নিখোঁজ হয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকে পানি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিহত মিরাজ প্রবাসী কামাল উদ্দিনের ছেলে।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সহায়তা দেওয়া হবে।
এদিকে, গত দুই দিনে হাটহাজারী, আনোয়ারা ও সাতকানিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে এক যুবদলকর্মীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনিকেত দাস (২) ও মো. ইশতিয়াক (৬) নামে দুই শিশুও রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) জেলার সাতকানিয়ার সাঙ্গু নদীর পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন আবদুল আলম (৩৫) নামে এক যুবদলকর্মী। পরে শুক্রবার ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হাটহাজারী পৌরসভার মোহাম্মদপুর এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে মারা যায় শিশু অনিকেত। সে স্থানীয় বাসিন্দা আশিষ কুমার দাসের ছেলে।
একই দিন জেলার আনোয়ারা উপজেলায় বৃষ্টির জমে থাকা পানিতে ডুবে শিশু ইশতিয়াকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অনিন্দিতা। সে বরুমচড়া ইউনিয়নের নলদিয়া এলাকার মোহাম্মদ ইদ্রিসের ছেলে।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানায় , দুপুরে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে ইশতিয়াক নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অতিবৃষ্টির পানিতে তলিয়ে থাকা একটি ডোবা-সংলগ্ন জমি থেকে তাকে উদ্ধার করেন। তাকে দ্রুত আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২৪ দিন আগে
নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাই নিহত
নড়াইলে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আবু বক্কর (৫) ও ওমর ফারুক (২) নামে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ভাটিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুই শিশু ভাটিয়া গ্রামের মাজেদুল শেখের ছেলে ছিল।
এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানান, সকালে নিজ বাড়ির পাশে দুই ভাই খেলাধুলা করছিল। এ সময় পরিবারের সদস্যরা নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরপর বেশ কিছু সময় ধরে শিশুদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে দুই শিশুকে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, ‘দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
৫৪ দিন আগে