আয়াত হত্যা
শিশু আয়াত হত্যা মামলা: আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড
চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনার মামলার আসামি আবীর আলীকে (৪২) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
গত শনিবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাসের আদালতে এ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এ মামলায় ৩৩ জন সাক্ষ্য দেন।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় ঘরের পাশে মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল শিশু আয়াত। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে মুক্তিপণের জন্য শিশু আয়াতকে অপহরণ করেন প্রতিবেশী আবীর। কিন্তু কোথাও রাখার জায়গা না পেয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেন তিনি। সে বছরের ৩০ নভেম্বর নগরীর হালিশহর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাট-সংলগ্ন সুইচ গেইটের এক গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা এবং পরদিন খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে আবীর আলীকে একমাত্র আসামি করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জালাল উদ্দিন বলেন, আয়াত হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর, নৃশংস, নির্মম এবং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
৪ ঘণ্টা আগে