হলি আর্টিসান বেকারি হামলা
সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না: শামা ওবায়েদ
বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার শিকার ৯ জন ইতালীয় নাগরিকসহ ২৪ জনেরও বেশি নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করেছেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং এই ক্ষেত্রে দেশটির অর্জনের কথা স্মরণ করেন।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এই হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে তার বাসভবনে একটি স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সেলরির প্রধান লরা শিলা স্মারক অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের আগে সব ভুক্তভোগীর নাম পাঠ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।
১ জুলাইয়ের সন্ত্রাসী হামলাকে মানবতার ওপর এক নৃশংস আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, (সন্ত্রাস দমনে) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ঢাকার গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হোলি আর্টিসান বেকারিতে একটি নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়, যা ২৪ জনের (২০ জন জিম্মি ও ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা, এবং ৬ জন হামলাকারী) প্রাণ কেড়ে নেয়। ১২ ঘণ্টার এই অবরুদ্ধ দশা ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও নৃশংস ঘটনা।
৪ ঘণ্টা আগে