শেরেবাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়
জলাবদ্ধতা ও অবকাঠামোগত সংকটে পটুয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়
একটি বিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়; এটি শিশুদের নিরাপদ বেড়ে ওঠা, শারীরিক-মানসিক বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। কিন্তু পটুয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী শেরেবাংলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা ও জরাজীর্ণ ভবনের কারণে সেই পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে শুধু ভবনের ঝুঁকিই নয়, নিয়মিত পাঠদান, খেলাধুলা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের শেখার সময় কমে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছে।
১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮৫৭ জন শিক্ষার্থী এবং ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। পাঁচটি ভবন থাকলেও এগুলোর অধিকাংশই বহু বছর আগে নির্মিত। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়। এরপর প্রায় ২৯ বছরেও নতুন কোনো ভবন নির্মিত হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের দেওয়ালে বড় বড় ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়া এবং বারান্দার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠ, চলাচলের পথ এবং শ্রেণিকক্ষের সামনের অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় কয়েকদিন ধরে পানি জমে থাকে। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীদের পানি মাড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে যেতে হয়। অনেক সময় সাপ, বিচ্ছু ও অন্যান্য বিষধর প্রাণীর আতঙ্কও তৈরি হয়।
৩ দিন আগে