বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া সম্পর্ক
বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ জনশক্তি নিতে লিথুয়ানিয়ার প্রতি আহ্বান
বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ঢাকায় ভিসা সেন্টার স্থাপনের জন্য লিথুয়ানিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিসিয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, দক্ষ মানবসম্পদ বিনিময় এবং ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার স্থাপনসহ পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বিদ্যমান ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে লিথুয়ানিয়াকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার একটি ভিসা সেন্টার স্থাপনের অনুরোধ জানান তিনি।
লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে শিক্ষাখাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া বাণিজ্য সম্প্রসারণে আইসিটি ও ফিনটেক খাতে নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক খাতে যৌথ সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত দিয়ানা মিকেভিচিয়েনের এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, বিনিয়োগ সহযোগিতা এবং প্রযুক্তি খাতে অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে সীমিত হলেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান আইসিটি খাত, দক্ষ তরুণ জনশক্তি ও ফ্রিল্যান্সারদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। দেশে বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার (রিপ্যাট্রিয়েশন) ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত দিয়ানা মিকেভিচিয়েন বলেন, লিথুয়ানিয়া বিশ্বমানের লেজার প্রযুক্তি, গভটেক (GovTech) এবং ফিনটেক সেবায় অন্যতম অগ্রগামী দেশ। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে লিথুয়ানিয়া অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিনিময়ে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে উঠলে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
২ দিন আগে