জাতিসংঘ সফর
জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে চার দিনের সফর শেষে আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন।
এরপর দুপুরের দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদির সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, বিকেল ৪টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরে আলোচিত বিষয়গুলোও মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে।
১৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ: মাহ্দী আমিন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে তিনি বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে এক উচ্চতর জায়গায় নিয়ে গেছেন।’
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেশে ফিরে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও সম্ভাবনাকে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত কোনো প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রতিটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান অত্যন্ত সাদরে ও উষ্ণতার সঙ্গে তাকে গ্রহণ করেছেন বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি এবং যতটা সম্ভব কম সফরসঙ্গী নিয়ে তারেক রহমান চার দিনের সফল সফর সম্পন্ন করেছেন। সংক্ষিপ্ত এই সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকসহ মোট ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের আটটি প্রধান অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং এর মধ্যে সাতটিতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। এসবের মধ্যে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ‘ঐতিহাসিক’ ভাষণও ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত কর্মসূচির কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের কথা তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বাংলাদেশ দুটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আরও দুটি বৈশ্বিক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক জাতিসংঘের ভাষণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমান শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি তরুণ ও নারীদেরসহ সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতি ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এসব পরিকল্পনা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
মাহ্দী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেননি, তিনি বিশ্বশান্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।’
ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, জাতিসংঘে তারেক রহমানের বক্তব্যের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দিতে উঠলে বাংলাদেশ সেখান থেকে ওয়াকআউট করে। ‘বিশ্বশান্তির পক্ষে এটি বাংলাদেশের একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে,’ বলেন তিনি।
দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারের উদ্যোগ দেশে ও বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোতেও এগুলো অব্যাহত থাকবে।
বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে করা হয়েছে এবং এটি দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল।
মাহ্দী বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের সময় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। তবে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সফরকালে দুই দেশের সরকারের মধ্যে কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ছাড়াই আলাদা একটি পার্শ্ব বৈঠকে ওই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা জাতিসংঘকেন্দ্রিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ ছিল না।
তিনি বলেন, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোট ১১টি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও আলোচনা করেন। প্রতিটি আলোচনায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইতিবাচক আশ্বাস
আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহ্দী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় জ্বালানি নিরাপত্তা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, সমন্বিত প্রচেষ্টা ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান সংকট কীভাবে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আসিয়ানভুক্ত দেশ এবং মানবাধিকার ও বাস্তুচ্যুত মানুষ নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। সংকট সমাধানে প্রতিটি দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদারতা ও মানবিকতার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যাপক প্রশংসা করেছে।
তিনি আরও বলেন, সফরকালে অনুষ্ঠিত প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশ্বনেতারা একসঙ্গে কাজ করার এবং বাংলাদেশের পাশে থাকার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হকও উপস্থিত ছিলেন।
১৮ দিন আগে
জাতিসংঘ সফরে ৭ রাষ্ট্র-সরকারপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে (ইউএনজিএ) অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তানসহ সাত দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই সাত নেতা হলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আমে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল।
ইউএনজিএতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এসব নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বৈঠকগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার, বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময় হয়েছে।
তারেক রহমান মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ আল সৌদ এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনারগার্ডের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।
এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেইদ রাদ আল হুসেইন ও গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজম্যানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
১৯ দিন আগে
জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পাঁচ দিনের সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই সফরকালে তিনি ইউএনজিএতে তার প্রথম ভাষণ দেন এবং বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক দ্বিপক্ষীয় ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটসের একটি ফ্লাইট জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে যাত্রা করে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, ফ্লাইটটি শনিবার রাত ৮টায় দুবাইতে পৌঁছাবে এবং রবিবার রাত ২টায় তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। একই দিন সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জেএফকে বিমানবন্দরে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে বিদায় জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এবং জাতিসংঘ মিশন ও দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে টার্মিনালের বাইরে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ঢল নামে।
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে তারেক রহমান গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান। তিনি ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন, যার মধ্যে ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর ও শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং আইরিন খান।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন এবং বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।
১৯ দিন আগে
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্যে বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের মনের কথা প্রতিফলিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, তারেক রহমানের বক্তব্যকে আমি অভিনন্দন জানাই, আমি ধন্যবাদ জানাই। তিনি সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের অন্তরের কথা প্রতিধ্বনি করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংস্থা জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সেশনে।
তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের তিন প্রজন্মের যে ধারাবাহিকতা, সেটার তারেক রহমান প্রতিনিধি, তিন নম্বর প্রতিনিধি। তার বাবা ১৯৮০ সালে বক্তৃতা করেছেন, তার মা ১৯৯২ সালে বক্তৃতা করেছেন। আজকে তাদেরই জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান সেখানে বক্তব্য রেখেছেন।’
রিজভী বলেন, ‘বক্তব্য কী? বক্তব্য অন্য কিছু নয়, বলেছেন—অস্ত্রের বদলে, মারণাস্ত্রের বদলে, পরিবর্তনের হাতিয়ার হোক যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা আর মানবতা।
‘অসাধারণ বক্তব্য সেখানে দিয়েছেন। বলেছেন, প্রত্যেকটি দেশের সাথে প্রত্যেকটি দেশের সমমর্যাদার... সমমর্যাদার সাথে শ্রদ্ধাশীল সম্পর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবার পুনর্ব্যক্ত করেছেন, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা। এটা সারা বিশ্বের দাবি।
রিজভী আরও বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশের মুসলিম... রোহিঙ্গা, যারা এখানে আজকে রিফিউজি হিসেবে আছেন, তাদের মর্যাদার ভিত্তিতে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও আরও অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নানাবিধ বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন তারেক রহমান।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘সারা বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়, যুদ্ধ চায় না। যুদ্ধ হলে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে, খাদ্য পণ্যের দাম বাড়ে, জ্বালানির দাম বাড়ে, গ্যাসের দাম বাড়ে। বিদ্যুৎ থাকে না, মিল-কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়, মানুষ বেকার হয়।’
তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা আমার, কোনো ভয় পাবেন না, ঝড় আসুক, বাতাস আসুক। আমরা আজকে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে, আজকে যারা আগুন দিয়ে, গাড়ি পুড়িয়ে বাংলাদেশের যে এখানে এই গণতন্ত্রের যে ধারাকে যারা বন্ধ করতে চাচ্ছে, বন্ধুরা আমার, তার বিরুদ্ধেই জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সেলিম রেজা, আবুল হোসেনের নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ সমাবেশ এবং মিছিলের আয়োজন করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে কোনো পাতানো নির্বাচন নয়, কোনো মিডনাইট নির্বাচন নয়, আমড়া কাঠের নির্বাচন নয়; অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বহুদিনের প্রত্যাশিত জনগণের ভোটে তারেক রহমানের সরকার, বিএনপির জোট সরকার ক্ষমতায়।’
রিজভী বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য, সামাজিক সুরক্ষার জন্য বিএনপির সরকার কাজ করছে। বন্ধুরা আমার, জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সেই সরকারেরই একটি অংশ।
‘কাজেই বন্ধুরা আমার, এই দেশে দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির, তাদের কোনো অবস্থান নাই।’
তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশ করতে চায়, যারা বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্র করতে চায়, জাতীয়তাবাদী ওলামা দল এবং বিএনপি এর বিরুদ্ধে রাস্তায় রাস্তায়, মোড়ে মোড়ে, পথের প্রান্তরে কঠিন ব্যারিকেড গড়ে তুলবে।’
২০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএর প্রথম দিন ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন: মাহ্দী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্ধারিত ১০টি কর্মসূচিতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক, আঞ্চলিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ গুরুত্ব পেয়েছে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
তিনি বলেন, দিনের কর্মসূচিতে বহুপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়, রোহিঙ্গা সংকট ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দিনের কর্মসূচি শুরু করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া প্রাতঃরাশে অংশ নিয়ে। রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে আয়োজিত ওই প্রাতঃরাশের পর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক পর্বের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেন।
আঞ্চলিক পর্যায়ে তারেক রহমান ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া তিনি হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ও অংশীদারত্ব জোরদারসহ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে এসব বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক ও বহুপক্ষীয় ফোরামে সহযোগিতাসহ দুই দেশের সামগ্রিক অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রীও দুই দেশের বিশেষ সম্পর্ক এবং এ অংশীদারত্ব আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মাহ্দী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধিদের ও মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং বৈশ্বিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তেল, গ্যাস ও সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট বৈদেশিক অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা এবং তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে সহায়তা বাড়াতে বিশ্বব্যাংক সম্মত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা ছিল বলেও জানান মাহ্দী।
অন্যদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থাকতে না পারায় তার মনোনীত একটি উচ্চপর্যায়ের দল মেটার সঙ্গে বৈঠক করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মেটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক হওয়ায় আলোচনায় কোম্পানিটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং দেশের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো উঠে আসে।
প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর ১২টি কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে ইউরোপীয় কাউন্সিল ও মেটার সঙ্গে বৈঠক—এ দুটি কর্মসূচিতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অংশ নিতে পারেননি বলে মাহ্দী জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ ও দেশের মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার সরকারের প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে।
সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের ডেপুটি পার্মানেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিউর রহমান রুমন, উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ও সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক খান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্ব সংস্থাটিতে এটিই হবে তার প্রথম ভাষণ।
২২ দিন আগে
ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে আসা বিশ্বনেতাদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কের বিলাসবহুল লোটে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে এ নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।
জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের জীবনসঙ্গীরা এ নৈশভোজে অংশ নেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া প্রাতঃরাশেও অংশ নেন। রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে ওই আয়োজন করা হয়।
ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
২২ দিন আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক (জেনারেল ডিবেট) পর্বে যোগ দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে এ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব মো. নাজমুল হক খান জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া প্রতিনিধিদলের প্রধান ও তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে আয়োজিত স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নেওয়ার পর সকাল ৯টার দিকে তারেক রহমান সাধারণ বিতর্ক পর্বে যোগ দেন।
প্রাতঃরাশে তারেক রহমান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে অন্যান্য বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গী এবং গুতেরেস ও তার স্ত্রীর সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব ও তার স্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সাধারণ পরিষদ হলে বর্ণানুক্রমিকভাবে আসন বিন্যাস অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল সামনের সারিতে বসে।
প্রধানমন্ত্রী হলে প্রবেশের পর ৮১তম ইউএনজিএ অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানান এবং এরপর নিজের আসনে বসেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ২ জুন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ৯৯ ভোট পেয়ে ৮১তম ইউএনজিএ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদ হলে প্রবেশ করে আসনে বসার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান বসেন। তার পেছনে বসেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সফরে ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আজ (মঙ্গলবার) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রথম দিন সাধারণ পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্ব সংস্থাটিতে এটিই হবে তার প্রথম বক্তব্য। তিনি বাংলায় বক্তব্য দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউএনজিএর অধিবেশনের পাশাপাশি নিউইয়র্কে সংক্ষিপ্ত সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
২৩ দিন আগে
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতঃরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজনে প্রাতঃরাশে অংশ নিয়েছেন।
বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে আয়োজিত এ প্রাতঃরাশে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিনের কর্মসূচি শুরু হলো।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, এদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় নর্থ ডায়ালগ লাউঞ্জে এ প্রাতঃরাশের আয়োজন করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান প্রাতঃরাশে অংশ নেন। এ সময় জাতিসংঘ মহাসচিব তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে পৌঁছান।
প্রাতঃরাশের পর তারেক রহমান সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তারেক রহমানের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
২৩ দিন আগে
নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।
তাকে বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট নিউইয়র্ক সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও অন্যান্য সফরসঙ্গী।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
রুমন জানান, জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হোটেলে তাকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান।
নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে অবস্থান করবেন।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
২৩ দিন আগে