বায়ুর মান
ঢাকায় আজ সকালে বায়ুর মান ‘অস্বাস্থ্যকর’, বিশ্বতালিকায় অবস্থান ৬ষ্ঠ
আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৬২।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী শহরের বাতাসকে 'অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।
১৯৬ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতের কলকাতা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুর—যাদের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ১৮৯ ও ১৬৯।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
১৯ দিন আগে
দূষিত বায়ুর শহরের বিশ্বতালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান ৪র্থ
আজ সোমবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল চতুর্থ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৯।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো শিশু, প্রবীণ এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে, তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব খুব একটা পড়ে না।
১৭৯ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা—যাদের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ১৭৭ ও ১৫৭।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
২০ দিন আগে
ঢাকায় আজ সকালে বায়ুর মান ‘সহনীয়’, বিশ্বতালিকায় অবস্থান ২৩তম
আজ রবিবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ২৩তম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ৮২।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো বাতাসের মান সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য, যদিও অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সামান্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পড়তে পারে।
১৮২ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। পাকিস্তানের লাহোর ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা যথাক্রমে ১৭৭ ও ১৭১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
২১ দিন আগে
দূষিত বায়ুর শহরের বিশ্বতালিকায় আজ সকালে ঢাকার অবস্থান ৬ষ্ঠ
আজ শনিবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩৪ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৩০।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো শিশু, প্রবীণ এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে, তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব খুব একটা পড়ে না।
১৯৪ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা—যাদের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ১৭২ ও ১৬১
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
২২ দিন আগে