আজকের খবর - 07-03-2026
কুয়াশার দাপটে আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
আবারও পদ্মা নদীর অববাহিকায় ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় মাঝ নদীতেও আটকা পড়ে দুটি ফেরি। আকস্মিক কুয়াশায় ফেরি বন্ধ থাকায় বাড়তি ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন যাবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, শনিবার সকাল থেকে নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা পড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়লে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সামান্য দূরে কিছুই দেখতে না পাওয়া যাচ্ছিল না। সকাল ৭টার পর উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো (বড়) ফেরি খান জাহান আলী ও কে-টাইপ (মাঝারি) ফেরি বাইগার মাঝ নদীতে গিয়ে দিক হারিয়ে ফেলে। মাঝ নদীতে ফেরি আটকে পড়ার খবর পেয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে দুই ঘাট থেকে ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ সময় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ৩ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ পরাণ, ভাষা শহীদ বরকত, কে-টাইপ ফেরি ফরিদপুর, ৪ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, কেরামত আলী এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি ভাষা সৈনিক ডা. গোলাম মাওলা নামক ফেরিগুলো নোঙর করে থাকে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে ইউটিলিটি ফেরি হাসনা হেনা, ৪ নম্বর ঘাটে কে-টাইপ ফেরি ঢাকা, রো রো ফেরি শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ৯টার পরপরই কুয়াশা কমতে থাকলে প্রথমে মাঝ নদীতে থাকা ফেরিগুলো নির্দিষ্ট ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর ১০টার দিকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট থেকে নোঙর করে থাকা ফেরিগুলো যানবাহন বোঝাই করে ছাড়তে শুরু করে।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে কুয়াশার দাপটে দুই দিন কয়েক ঘণ্টা ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটল।
৩২ মিনিট আগে