ব্যবসা-বাণিজ্য
প্রথম কার্যদিবসের লেনদেনে ঢাকায় সূচকের পতন, চট্টগ্রামে উত্থান
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেনে ঢাকার বাজারে সূচকের পতন হলেও বেড়েছে চট্টগ্রামে। একইভাবে ঢাকায় বেশিরভাগ কোম্পানির দাম কমলেও, দাম বেড়েছে চট্টগ্রামের বাজারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রোববার (১৬ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক ডিএসইএস ১ এবং ব্লু-চিপ ডিএস-৩০ কমেছে ৬ পয়েন্ট।
ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩, কমেছে ১৯০ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে তিন ক্যাটাগরিতেই দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। লেনদেন হওয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে বেশিরভাগের দাম ছিল অপরিবর্তিত। দাম বেড়েছে ৬ এবং কমেছে ১২ কোম্পানির।
ব্লক মার্কেটে মোট ৪০ কোম্পানির ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে উত্তরা ব্যাংক সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনের লেনদেনে ডিএসইতে ৪৪৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেন হওয়া শেয়ারের মধ্যে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড।
আরও পড়ুন: সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: ক্ষুদ্র কোম্পানির উত্থান ভালো, হোঁচট খেল ব্যাংক খাত
অন্যদিকে ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড।
চট্টগ্রামে উত্থান
ডিএসইতে পতন হলেও সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। সিএসইতে সার্বিক সূচক বেড়েছে ৭ পয়েন্টে।
সূচকের উত্থানের পাশাপাশি দাম বেড়েছে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির। মোট ১৮১ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭, কমেছে ৬৬ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
রোববার সিএসইতে মোট ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
সারাদিনের লেনদেনে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিক এবং ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম কমে তলানিতে সোনালি পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেড।
৪৪৫ দিন আগে
সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: ক্ষুদ্র কোম্পানির উত্থান ভালো, হোঁচট খেল ব্যাংক খাত
সপ্তাহজুড়ে রাজধানীর পুঁজিবাজারে লেনদেনে ভালো অবস্থানে আছে ক্ষুদ্র ও মধ্যম আকারের কোম্পানির এসএমই সূচক। অন্যদিকে এর আগের সপ্তাহে উত্থানের পর গত সপ্তাহে আবারও হোঁচট খেল ব্যাংক খাত।
গত পাঁচ কার্যদিবসের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এসএমই সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ৯৭০ পয়েন্ট নিয়ে শুরু হওয়া এ সূচক সপ্তাহে শেষে ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৫ পয়েন্ট।
শুধু এসএমই খাত না, সপ্তাহান্তে ডিএসই'র প্রধান সূচক বেড়েছে ২১ পয়েন্ট। এছাড়া বাছাইকৃত ব্লু-চিপ কোম্পানি ডিএস-৩০ এর সূচক বেড়েছে ১১ পয়েন্ট এবং শরীয়া ভিত্তিক সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: সূচকের উত্থানের ধারা বজায় রেখে লেনদেন বেড়েছে পুঁজিবাজারে
অন্যদিকে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যাংক খাতের শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব বজায় থাকলেও এবার রীতিমতো হোঁচট খেয়েছে এ খাত। ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
দাম কমতে শুরু করায় বিনিয়োগকারীরা লেনদেন কমিয়ে দিয়েছেন এ খাতের শেয়ারে। সপ্তাহ ব্যবধানে এ খাতের শেয়ারের লেনদেন কমেছে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।
তালিকাভুক্ত ৩৬ ব্যাংকের মধ্যে ১৫ ব্যাংকের শেয়ারের দাম বাড়লেও দাম কমেছে ১৬ এবং অপরিবর্তিত আছে ৫ ব্যাংকের শেয়ারের দাম।
ব্যাংক খাতের শেয়ারের পাশাপাশি আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোও সুবিধা করে উঠতে পারেনি গেল পাঁচ কার্যদিবসের লেনদেনে। লেনদেনে অংশ নেয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে মাত্র ৩, কমেছে ১৩ এবং অপরিবর্তিত আছে ৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও গেল সপ্তাহে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল নিম্নগামী। ১৭৬ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দরপতন হয়েছে ১৮৪ কোম্পানির। অন্যদিকে ৩৪ কোম্পানির শেয়ারের দামে আসেনি কোনো পরিবর্তন।
সপ্তাহের প্রথমদিন ৯ মার্চ পতন দিয়ে লেনদেনে শুরু হওয়ার পর উত্থানের বাকি দিনগুলোতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারবিক্রির পরিমাণ বেড়ে যায়। সপ্তাহের শেষদিন ১৩ মার্চ এসে ঢাকার পুঁজিবাজারের গড় লেনদেন দাঁড়ায় ৩৯০ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৬২ কোটি টাকা।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে গড় লেনদেন বেড়েছে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
ডিএসইতে গেল সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইউফিউশান, বিচ হ্যাচারি এবং লভেলো কোম্পানির শেয়ার। এরমধ্যে ৬ দশমিক ১২ শতাংশ লেনদেন বেড়ে শীর্ষে আছে ওরিয়ন ইনফিউশন।
ঢাকার বাজারে দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা বেশিরভাগ কোম্পানিই বি এবং জেড ক্যাটাগরির। শীর্ষ দশে এ ক্যাটাগরির কোম্পানি মাত্র তিনটি। ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধির শীর্ষে আছে বি ক্যাটাগরির কোম্পানি এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস।
অন্যদিকে দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে এ ক্যাটাগরির কোম্পানি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
আরও পড়ুন: সূচকের উত্থানের ধারা বজায় আছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে
ডিএসইতে খারাপ কোম্পানির দৌরাত্ম্য প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, এখনো পুঁজিবাজার স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসেনি। এতে করে প্রায়শই খারাপ কোম্পানিকে পুঁজি করে কারসাজিকারিরা ফায়দা লুটতে চায়। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীরা চায় ক্ষতি পোষাতে এসব কোম্পানিতে অর্থলগ্নি করে দ্রুত মুনাফা তুলতে। এজন্যই শীর্ষ কোম্পানির তালিকায় বি কিংবা জেড ক্যাটাগরির আধিপত্য দেখা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুঁজিবাজার সংস্কারে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির এক সদস্য বলেন, পুঁজিবাজারে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরে আসতে এখনো সময় লাগবে। বিনিয়োগকারীরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলে বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়বে।
ভালো কোম্পানির বিনিয়োগ এবং দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী বিদেশি কোম্পানির আইপিও বাজারে আসলে পুঁজিবাজার আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠবে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা।
৪৪৬ দিন আগে
সূচকের উত্থানের ধারা বজায় আছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে
ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সারাদিনের লেনদেনে বেড়েছে সূচক। গত দুই দিনের উত্থানের ধারা বজায় রেখে বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১২ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৬ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস বেড়েছে ২ এবং বাছাইকৃত ব্লু-চিপ কোম্পানি ডিএস-৩০ এর সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
ঢাকার বাজারে লেনদেন ছাড়িয়ে গেছে সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা, যা এ সপ্তাহে সর্বোচ্চ। গতদিনের ৪১২ কোটি টাকার লেনদেন বেড়ে হয়েছে ৪৫২ কোটি টাকা।
ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৮ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯১, কমেছে ১৪০ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল উর্ধ্বমুখী। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দরবৃদ্ধি এবং দরপতনের কোম্পানির সংখ্যা সমান সমান।
জেড ক্যাটাগরির মোট ৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছ ৩৯, কমেছে ৩৯ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে বেশিরভাগরেই দাম ছিল অপরিবর্তিত। বিপরীতে দাম বেড়েছে ১৩ এবং কমেছে ৫ কোম্পানির।
আরও পড়ুন: সূচকের উত্থানের ধারা বজায় রেখে লেনদেন বেড়েছে পুঁজিবাজারে
ব্লক মার্কেটে ৩৯ কোম্পানির ৩৭ লাখ শেয়ার ১৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। অন্যদিকে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ দাম কমে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো সূচক বেড়েছে চট্টগ্রামের বাজারেও। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ৭২ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয়া ২২০ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৮, কমেছে ৬৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক এবং বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বাড়লেও গতদিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে সিএসইতে। সারাদিনের লেনদেনের মোট ৫ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১১ কোটি ৯২ লাখ টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে আছে হামি ইন্ডাস্ট্রিস পিএলসি এবং ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ দাম কমে তলানিতে দ্য পেনিনসুলা চট্টগ্রাম পিএলসি।
৪৪৯ দিন আগে
সূচকের উত্থানের ধারা বজায় রেখে লেনদেন বেড়েছে পুঁজিবাজারে
উত্থানের ধারা বজায় রেখে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছেন বেশিরভাগ কোম্পানির দাম এবং সামগ্রিক লেনদেন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১১ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১ এবং বাছাইকৃত শেয়ার ব্লু-চিপ ডিএস-৩০ বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
ডিএসইতে দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮২, কমেছে ১৩৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে অস্থির সপ্তাহ: সূচকের পতন, কমিশনে বিশৃঙ্খলা
ক্যাটাগরির হিসেবে ভালো কোম্পানির শেয়ার 'এ' এবং মধ্যম মানের শেয়ার 'বি' ক্যাটাগরিভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বাড়লেও দাম কমেছে জেড ক্যাটাগরিতে।
এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩১, বিপরীতে দাম কমেছে ৪২ কোম্পানির। অন্যদিকে ২৪ কোম্পানির দাম ছিল অপরিবর্তিত।
লেনদেন হওয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে বেশিরভাগেরই দাম ছিল অপরিবর্তিত। বাকি ১২ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৭ কোম্পানিতে।
ব্লক মার্কেটে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৯ কোম্পানির ২১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। বিচ হ্যাচারি সর্বোচ্চ ৭ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
ডিএসইতে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস এবং ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে সামিট পাওয়ার লিমিটেড।
ছয় কার্যদিবস পর ডিএসই'র লেনদেন এসে ঠেকেছে ৪০০ কোটির ঘরে। সারাদিনের লেনদেনে মোট ৪১২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট বিক্রি হয়েছে যা গতদিন ছিল ৩৩৮ কোটি টাকা।
চট্টগ্রামেও উত্থানের সুবাতাস
ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামেও বজায় আছে সূচকের উত্থানের ধারা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ৩৫ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: বড় পতনের পর অবশেষে উত্থান পুঁজিবাজারে
লেনদেনে অংশ নেয়া ২০৫ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০২, কমেছে ৬৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ১১ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৪ কোটি টাকা।
এরমধ্যে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড এবং ১০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স লিমিটেড।
৪৫০ দিন আগে
বড় পতনের পর অবশেষে উত্থান পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের গত এক মাসের সর্বোচ্চ পতনের পর দ্বিতীয় দিনে এসে অবশেষে সূচকের উত্থান হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার (১০ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৬ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৫ এবং ব্লু-চিপ ডিএস-৩০ বেড়েছে ৯ পয়েন্ট।
সূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে শেয়ার ক্রয়বিক্রয়ও বেড়েছে খানিকটা। সারাদিনের লেনদেনে মোট ৩৩৮ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৩৩৬ কোটি টাকা।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪, কমেছে ১৩৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ৮৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বাড়লেও দর কমেছে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে। জেড ক্যাটাগরির ৯৮ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৫, কমেছে ৪২ এবং অপরিবর্তিত আছে ২১ কোম্পানির শেয়ারের দাম।আরও পড়ুন: প্রথম কার্যদিবসেই পতনে পর্যুদস্ত পুঁজিবাজার
ঢাকার ব্লক মার্কেটে ১৬ কোম্পানির মোট ১৩ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে বিচ হ্যাচারি সর্বোচ্চ ৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
লেনদেন হওয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে বেশিরভাগই দাম ছিল অপরিবর্তিত। দাম বেড়েছে ৭ এবং কমেছে ৫ কোম্পানির।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড। অন্যদিকে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে তুং হাই নাইটিং লিমিটেড।
চট্টগ্রামেও উত্থানের ছোঁয়া
ঢাকার মতো সূচক বেড়েছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারেও। সারাদিনের লেনদেনে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ৭ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয়া ২২১ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১, কমেছে ৯৩ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। সিএসইতে মোট ৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে যা গতদিনের চেয়ে ৪০ কোটি টাকা কম।
৪৫১ দিন আগে
পুঁজিবাজার: সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকায় উত্থান, চট্টগ্রামে পতন
উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চলা পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শেষদিনে ঢাকায় সূচক বাড়লেও কমেছে চট্টগ্রামের বাজারে। দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানিরই দাম কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ২ পয়েন্ট বাড়লেও ব্লু-চিপ ডিএস-৩০ ছিল শূন্যের ঘরে।
সারাদিনে ডিএসইতে মোট ৩৫৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৩১৮ কোটি।
সূচক বাড়লেও লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানিরই দাম কমেছে। ডিএসইতে ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৯, কমেছে ১৬৯ এবং অপরিবর্তিত আছে ৮৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
আরও পড়ুন: টানা পতন কাটিয়ে পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য উত্থান
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিরই বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতন হয়েছে। অন্যদিকে ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে বেশিরভাগরই দাম ছিল অপরিবর্তিত; দাম বেড়েছে ৭ এবং কমেছে ৭ কোম্পানির।
ব্লক মার্কেটে মোট ২৩ কোম্পানির দেড় কোটি শেয়ার ৪৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে প্রাইম ব্যাংক সর্বোচ্চ ২৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার বাজারে বিক্রি করেছে।
ডিএসইতে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে ডাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি ডেসকো। অন্যদিকে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ দাম কমে তলানিতে আলহ্বাজ টেক্সটাইল লিমিটেড।
চট্টগ্রামে পতন
ঢাকায় উত্থান হলেও সপ্তাহের শেষদিনে এসে পতনের মুখে পড়েছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার। সারাদিনের লেনদেনে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক কমেছে ৩ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ২২৮ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩, কমেছে ১১৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে সিএসইতে। মোট ৩ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল সাড়ে ৩ কোটি টাকার ওপরে।
শেষ কার্যদিবসে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসই'র শীর্ষ শেয়ারে জায়গা করে নিয়েছে সি&এ টেক্সটাইলস লিমিটেড। অন্যদিকে ১০ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে হামিদ ফেব্রিকস পিএলসি।
৪৫৫ দিন আগে
টানা পতন কাটিয়ে পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য উত্থান
সপ্তাহের লেনদেন শুরুর প্রথম তিনদিন টানা পতনের পর অবশেষে চতুর্থ কার্যদিবসে সূচকের সামান্য উত্থান দেখলো ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (৫ মার্চ) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস এবং ব্লু-চিপ ডিএস-৩০ এর উত্থান ছিল দশমিকের ঘরে।
সূচক সামান্য বাড়লেও ডিএসইতে দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। পাশাপাশি কমেছে প্রতিদিনকার শেয়ার এবং ইউনিটের লেনদেনের পরিমাণও। ডিএসইতে মোট ৩১৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৩৩৮ কোটি টাকা।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩, কমেছে ১৮৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ৯০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘জেড’- তিন ক্যাটাগরিতেই দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। লেনদেন হওয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে অপরিবর্তিত ছিল বেশিরভাগের দাম। অন্যদিকে দাম বেড়েছে ৬ এবং কমেছে ১০ কোম্পানির।
লেনদেনে অংশ নেয়া তিন করপোরেট বন্ডের তিনটিরই দাম কমেছে। বুধবার সরকারি কোনো সিকিউরিটিজে বাজারে লেনদেন হয়নি।
ব্লক মার্কেটে ৩০ কোম্পানি ৬০ লাখ শেয়ার ১৭ কোটি টাকায় বিক্রি করেছে। এরমধ্যে বিচ হ্যাচারি সর্বোচ্চ ৭ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার ৮ কোটি ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে।
আরও পড়ুন: লাগাতার পতনের মুখে পুঁজিবাজার, কমেছে সবকটি সূচক
ডিএসইতে ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ দরবৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষে আছে হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড। অন্যদিকে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেড।
চট্টগ্রামেও সামান্য উত্থান
ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও সূচকের সামান্য উত্থান হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয়া ২০৮ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৬, কমেছে ৮৬ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সূচক বাড়লেও গতদিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে সিএসইতে। সারাদিনের লেনদেনে মোট ৩ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
সিএসইতে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড। অন্যদিকে ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
৪৫৬ দিন আগে
লাগাতার পতনের মুখে পুঁজিবাজার, কমেছে সবকটি সূচক
চলতি সপ্তাহের লেনদেনের শুরু থেকেই পতনের মুখে পড়ে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার, যার ধারা বজায় আছে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে এসেও।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২৬ পয়েন্ট। এতে করে তিন দিনে ডিএসই সূচক হারিয়েছে ৫৩ পয়েন্ট।
গত সপ্তাহে শেষ কার্যদিবস ২৭ ফেব্রুয়ারি ডিএসই'র প্রধান সূচক ছিল ৫২৪৭ পয়েন্ট যা মঙ্গলবার এসে নেমেছে ৫১৯৪ পয়েন্টে।
ঢাকার বাজারে অন্য দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস কমেছে ৪ এবং বাছাইকৃত শেয়ারের সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ৮ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে পতন দিয়ে শুরু রমজানের লেনদেন
সূচক কমার পাশাপাশি কমেছে লেনদেনও। দিনের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় শেষে মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৩৩৮ কোটি টাকায়, যা গতদিন ছিল ৩৮১ কোটি টাকা।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৬ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৬৫ কোম্পানির। বাকি ২৬৭ কোম্পানির দাম কমেছে এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘জেড’- তিন ক্যাটাগরিরই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল নিম্নমুখী। অন্যদিকে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৭ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ২, কমেছে ১৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ২০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
মূল ইনডেক্স বাদে ডিএসই'র এসএমই সূচকেও রীতিমতো ধস নেমেছে। লেনদেন শেষে ডিএসএমইএক্স কমেছে ২৩ পয়েন্ট, যা গতদিনের থেকে ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ কম।
সূচকে কমার পাশাপাশি ক্ষুদ্র এবং মধ্যম আকারের তালিকাভুক্ত এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেনও ঠেকেছে তলানিতে; মোট ১ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। অন্যদিকে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেড।
এদিন ব্লক মার্কেটে মোট ২০ কোম্পানি ৮ কোটি টাকায় ১৭ লাখ শেয়ার বিক্রি করেছে। এরমধ্যে এসিআই লিমিটেড সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে।
বড় পতনে চট্টগ্রামও
ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জও (সিএসই) বড় পতনের মুখে পড়েছে। সারাদিনের লেনদেনে সিএসই'র সার্বিক সূচক কমেছে ৮২ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: আবারও পতনে পুঁজিবাজার, কমেছে সূচক ঢাকা-চট্টগ্রামে
লেনদেনে অংশ নেয়া ২২৭ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫১, কমেছে ১৪৯ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
তবে সূচক কমলেও গতদিনের তুলনায় লেনদেন কিছুটা বেড়েছে সিএসইতে। মঙ্গলবার সিএসইতে মোট ৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসই'র শীর্ষ শেয়ারে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ ল্যাম্পস পিএলসি। অন্যদিকে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ দাম হারিয়ে তলানিতে প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স পিএলসি।
৪৫৭ দিন আগে
পুঁজিবাজারে পতন দিয়ে শুরু রমজানের লেনদেন
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস এবং রমজানের প্রথম দিনে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম দুই পুঁজিবাজারেই সূচকের পতন হয়েছে, পাশাপাশি কমেছে লেনদেনও।
রমজানের প্রথমদিনে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী লেনদেন শুরু হয় ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে। এতদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত লেনদেন চললেও রোজায় লেনদনের সময় কমিয়ে দুপুর দেড়টায় নিয়ে আসা হয়।
প্রথম দিনের পরিবর্তিত সময়সূচিতে রবিবার (২ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমে ১০ পয়েন্ট। এর বাইরে শরিয়াভিত্তিক এবং ব্লু-চিপ শেয়ারের সূচকও ছিল নেতিবাচকের ঘরে।
রোজার প্রথম দিন সূচক কমা অনেকটা স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে ব্রোকারেজ হাউসগুলো। তাদের দেয়া তথ্য অনুসারে, হঠাৎ করে নতুন সময়সূচিতে বাজারের খাপ খেতে সময় লাগে। এতে করে রমজানের প্রথম দিন সূচক কমার সম্ভাবনা থাকে বেশি।
ডিএসইতে সূচক কমার পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ৪৮৭ কোটি টাকার লেনদেন কমে নেমে আসে ৪২১ কোটি টাকায়।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৫ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৪, কমেছে ১৮৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও, দাম বেড়েছে জেড ক্যাটাগরিতে। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৯৯ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪১, কমেছে ৩৬ এবং অপরিবর্তিত আছে ২২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৭ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বদলায়নি বেশিরভাগের। দাম কমেছে ১৪ এবং বেড়েছে ৫ ফান্ড কোম্পানির শেয়ারের।
রোববার ব্লক মার্কেটে মোট ৪২ কোম্পানি তাদের ৭২ লাখ শেয়ার ২৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে। এরমধ্যে ইস্টার্ন ব্যাংক সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
ডিএসইতে একদিনের লেনদেনে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে এইচ আর টেক্সটাইল লিমিটেড। অন্যদিকে ৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজার: সূচকের পতন দিয়েই শেষ হলো সপ্তাহ
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো সূচক কমেছে চট্টগ্রামের বাজারেও। রোববার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক কমেছে ২৫ পয়েন্ট।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০৪ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬, কমেছে ৯৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে মোট ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট ক্রয় বিক্রয় হয়েছে।
সিএসইতে সারাদিনের লেনদেনে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে উঠে এসেছে আজিজ পাইপস লিমিটেড। অন্যদিকে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
৪৫৯ দিন আগে
পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক বেড়েছে, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ব্যাংক খাত
গত এক সপ্তাহের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকের উত্থানের পাশাপাশি বেড়েছে সার্বিক লেনদেন। পাশাপাশি ব্যাংক খাতের শেয়ারেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।
গত পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধানসূচক বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট। ২০ ফেব্রুয়ারি ৫ হাজার ২০০ পয়েন্টে শেষ হওয়া লেনদেন ২৭ ফেব্রুয়ারি এসে ঠেকেছে ৫ হাজার ২৪৭ পয়েন্টে।
প্রধান সূচক বাড়ার পাশাপাশি ঢাকার পুঁজিবাজারে বেড়েছে গড় লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহে ৪৭০ কোটি টাকা থেকে গড় লেনদেন বেড়ে হয়েছে ৫১৮ কোটি টাকা, যা পাঁচ কার্যদিবসের ব্যবধানে ১০ শতাংশের বেশি।
বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ বিনিয়োগের আস্থায় ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তালিকাভুক্ত ৩৬ ব্যাংকের শেয়ারের দাম সম্মিলিতভাবে ১৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ খাতে শেয়ারের দাম বাড়ায় লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ব্রোকারেজ হাউজ এবং বিনিয়োগকারীরা বলছেন, যদিও এক সপ্তাহের বিবেচনায় ব্যাংক খাত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে—সেটি হলফ করে বলা যায় না; তবে ইতিবাচক উত্থানে এ খাতে নতুন করে আশা দেখছেন তারা।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারের প্রথম ঘণ্টায় ঢাকায় উত্থান, চট্টগ্রামে পতন
গত সপ্তাহের তুলনায় ব্যাংক খাতে শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। লেনদেন হওয়া ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২টির, কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্যাংক খাতের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামেও লেগেছে উত্থানের সুবাতাস। এক সপ্তাহের লেনদেনে তালিকাভুক্ত ২৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫টির, কমেছে ৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
গত পাঁচ কার্যদিবসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরবৃদ্ধি ছাড়িয়ে গেছে ১০৫ শতাংশ, পাশাপাশি লেনদেন বেড়েছে ৮৬ শতাংশ। অন্যদিকে, সাধারণ বীমা খাতের শেয়ারের দাম বেড়ে ৬৮ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলেও জীবন বীমা খাতে দর কমেছে ১৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
এছাড়া, টেলিকম খাতের শেয়ারেও হয়েছে বড় দরপতন। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে এ খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ৪৪ শতাংশের বেশি। সপ্তাহের শেষ দিনেও তালিকাভুক্ত টেলিকম কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম কমেছে সাড়ে ৪ শতাংশ এবং রবির দাম কমেছে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে প্রধান সূচক বাড়লেও বাছাইকৃত ব্লু-চিপ কোম্পানির সূচক কমেছে ৪ পয়েন্ট। অপরদিকে, শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএসের সূচক ৪ পয়েন্ট বাড়লেও বেহাল দশা এসএমই খাতের শেয়ারে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের এসব কোম্পানির ইনডেক্স ডিএসএমইএক্স কমেছে ১৮ পয়েন্ট।
সপ্তাহজুড়ে ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে বিচ হ্যাচারি লিমিটেড। বর্তমানে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার বিক্রি হচ্ছে ১০৯ টাকা ৪০ পয়সা দরে। ব্লক মার্কেটে শেয়ার বিক্রিতে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যমুনা ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৬০ পয়সায়।
পুরো সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের শেয়ার। লেনদেনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে টেলিকম কোম্পানি গ্রামীণফোন।
৫৩ দশমিক ২৫ শতাংশ রিটার্ন দিয়ে ডিএসইর শীর্ষ কোম্পানিতে জায়গা করে নিয়েছে এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস লিমিটেড নামের ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি। ২০ ফেব্রুয়ারি এটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ টাকা ৪০ পয়সায়, যা গত কার্যদিবসে এসে হয়েছে ২৩ টাকা ৬০ পয়সা মূল্যে।
তবে, প্রায় ১০ শতাংশ দাম হারিয়ে এ সপ্তাহে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে সানলাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। ২০ ফেব্রুয়ারি ৭৫ টাকায় লেনদেন হওয়া কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার শেষ কার্যদিবসে এসে নেমেছে ৬৮ টাকায়।
দরবৃদ্ধি ও পতনের মধ্যে গত সপ্তাহে ঢাকার পুঁজিবাজারের ব্রোকারেজ হাউজের সংগঠন ডিবিএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৬ বছরে দেশের শেয়ারবাজারের আকার কমেছে ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজার: সূচকের পতন দিয়েই শেষ হলো সপ্তাহ
এছাড়া, গত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারে ১৩৪টি নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে যার ৪২টিই এখন ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে। বাজারে তালিকাভুক্ত ৩৫০টি কোম্পানির মধ্যে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা কোম্পানির সংখ্যা ১০৩।
স্পর্শকাতর এ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের গলার কাঁটা হয়ে বিঁধছে মার্জিন ঋণ। বাজার সংস্কারে গঠিত টাস্কফোর্স এ ব্যাপারে কাজ করলেও এখনো হয়নি দীর্ঘস্থায়ী সুরাহা।
ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সম্মিলিত হিসাব অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে মার্জিন ঋণের আকার ছাড়িয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে নেগেটিভ ইক্যুইটির পরিমাণই ৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বর্তমানে সূচকের এই ইতিবাচক অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণ থেকে মুক্তি দিতে পারলে আগামীতে বাজারে আবারও আত্মবিশ্বাস ফিরবে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
৪৬০ দিন আগে