শিল্প-ও-সংস্কৃতি
একুশে পদক ২০২৩ বিজয়ী কনক চাঁপাকে গ্যালারি কসমসের সংবর্ধনা
২০২৩ সালের একুশে পদক বিজয়ী ও বিশিষ্ট শিল্পী কনক চাঁপা চাকমাকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশের শিল্প ও শিল্পীদের সমর্থনকারী প্ল্যাটফর্ম গ্যালারি কসমস।
ঢাকার বারিধারার গার্ডেন গ্যালারিতে গ্যালারি কসমস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গ্যালারি কসমসের পরিচালক তেহমিনা এনায়েতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিল্পপতি ও শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষক অঞ্জন চৌধুরী, একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী-শিক্ষাবিদ জামাল উদ্দিন আহমেদ, কসমস ফাউন্ডেশনের পরিচালক দিলশাদ রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রাঙ্গামাটির দুর্গম পার্বত্য এলাকা তবলছড়িতে জন্ম নেওয়া কনক চাঁপা ১৯৮৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে মাস্টার্স অব ফাইন আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি মিড-আমেরিকা আর্টস অ্যালায়েন্স ফেলোশিপ লাভ করেন।
আরও পড়ুন: এসএম সুলতানের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় আয়োজন
ডিগ্রী শেষ করে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তার শৈল্পিক যাত্রা অব্যাহত রাখেন এবং দেশের সমসাময়িক শিল্পপটের অন্যতম সফল শিল্পী হয়ে ওঠেন।
অনুষ্ঠানে গ্যালারি কসমসের পরিচালক তেহমিনা এনায়েত বলেন, ‘শিল্প আমাদের আবেগ, চিন্তাভাবনা, অনুপ্রেরণা ও আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ। শিল্পের এই দর্শনগুলো কনক চাঁপা চাকমার কাজের মাধ্যমে আরও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে ওঠে, যিনি আমার বোনের মতো।’
তিনি আরও বলেন, ‘কনক চাঁপাকে আজ বাংলাদেশের অন্যতম বিশিষ্ট শিল্পী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তার শিল্প বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তার অনেক চিত্রকর্ম চাকমা সম্প্রদায়ের প্রাণবন্ত জীবনকে প্রতিফলিত করে।’
তেহমিনা বলেন, ‘আধা-বাস্তববাদী এবং বিমূর্ত শৈল্পিক শৈলীর সংমিশ্রণে, কনক তার সম্প্রদায়ের জীবনকে চিত্রিত করেছেন, বিশেষত নারীদের; এবং অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরষ্কার জয়ের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন- একজন শিল্পী এখনো একই সময়ে সামাজিকভাবে সচেতন ও ব্যাপকভাবে সফল হতে পারেন।’
আরও পড়ুন: শরৎ নাচে শুভ্র কাশে
৮৭১ দিন আগে
কাল থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী লালন সাঁই’র তিরোধান উৎসব সাধুর হাট
বাউল সম্রাট মরমী সাধক লালন শাহের ১৩৩ তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালনের আখড়া বাড়িতে তিন দিনের সাধুর হাট বসছে। অর্থাৎ, শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা ও লালন মেলা।
এ উপলক্ষ্যে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় সাঁইজির আখড়াবাড়ি বাউল-সাধু আর ভক্তদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও লালন একাডেমির আয়োজনে ১৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হয়ে একটানা ১৯ অক্টোবর (বৃহম্পতিবার) পর্যন্ত তিরোধান অনুষ্ঠান চলবে।
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’- এই অমর বাণীকে ধারণ করে সত্য সু-পথের সন্ধানে মানবতার দিক্ষা নিতে ইতোমধ্যেই আত্মার টানে দেশ-বিদেশের হাজারো সাধুগুরু ও ভক্ত দলে দলে এসে আসন পেতে বসেছেন লালন সাঁইজির আখড়ায়। মূল উৎসব শুরু হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই আখড়ায় আসা বাউল সাধকরা মাজারের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে গেয়ে চলেছেন সাঁইজির আধ্যাত্মিক মর্মবাণী ও ভেদ তথ্যের গান। সাধু-ভক্তদের পদচারণায় জমজমাট এখন লালন শাহের আখড়া বাড়ি। কুষ্টিয়া পরিণত হয়েছে উৎসবের শহরে।
আখড়া বাড়িতে মঞ্চ ও লালন মেলার স্টল নির্মাণ ও মাজার ধোয়া মোছার কাজ শেষ করা হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগে।
এদিকে, সোমবার বেলা ১২ টায় লালন একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি এহেতেশাম রেজা।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই সকল অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে লালন একাডেমি। এ ছাড়া এই উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এ আয়োজনকে ঘিরে ছেঁউড়িয়ায় মরা কালিগঙ্গা নদী তীরের লালন আখড়া বাড়িতে এখন সাজ-সাজ রব। আখড়াবাড়িতে রং করা, ধোয়া-মোছা এবং ভরাটকৃত কালী নদীর বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে আলোচনা সভা ও সংগীতের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে মঞ্চ। দেশের প্রতন্ত অঞ্চল থেকে আসা দোকানিরা হরেক রকমের পণ্য নিয়ে মেলার পসরা সাজিয়ে বসেছেন।
গত বছরের তুলনায় এবার আগে থেকেই সাধু-গুরুদের ভিড় বেড়েছে। লালন একাডেমির নির্ধারিত স্থানে তারা ছোট দলে ভাগ হয়ে দরদ ভরা গলায় গেয়ে চলেছেন লালনের গান। আবার কেউ বা মেতে উঠেছেন গুরুবাদি বাউল ধর্মের নিগূঢ় তত্ত্ব কথার আলোচনায়। এসেছেন দেশ বিদেশের নানা বয়সী দর্শনার্থীরাও।
আরও পড়ুন: কাল থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী লালন সাঁই’র তিরোধান উৎসব
৮৭২ দিন আগে
নওগাঁয় শাস্ত্রীয় ও আদিবাসী নৃত্য উৎসব
নাচের শুদ্ধ সংস্কৃতি ও শ্রদ্ধাচার চর্চায় নওগাঁয় অনুষ্ঠিত হয়েছে শাস্ত্রীয় ও আদিবাসী নৃত্য উৎসব।
শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে স্থানীয় নৃত্য সংগঠন ত্রিতালের আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন নওগাঁ, বগুড়া ও ঢাকার নৃত্য শিল্পীরা।
এ সময় শাস্ত্রীয় ও আদিবাসী আঙ্গিকের নৃত্যের তালে তালে মুখরিত হয়ে ওঠে অডিটোরিয়াম। দর্শনার্থীরা আনন্দ-উল্লাসের সঙ্গে বর্ণিল এই নৃত্য উৎসব উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে নওগাঁর সাংস্কৃতিক সংগঠন ত্রিশূলের পরিবেশনায় আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য দর্শকদের আরও বেশি আনন্দ দেয়।
এর আগে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো ছাড়া বাংলাদেশ থেকে মৌলবাদ ঠেকানো যাবে না। কারণ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষকে উদার করে তোলে। আর যারা সংস্কৃতি চর্চা করে না তাদের মধ্যে সংকীর্ণতা কাজ করে।
আরও পড়ুন: নওগাঁর সাপাহারে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা
তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত না থাকার কারণে যুব সম্প্রদায় মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। ফলে যুব সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বেশি বেশি সংস্কৃতি চর্চা করা।
প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম সম্প্রসারিত করেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় সাংস্কৃতিক দলগুলোর সারাদেশে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
নওগাঁ ড্যাফোডিলস জুনিয়র হাইস্কুলের অধ্যক্ষ মাহবুব আলম ছানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবিব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম রবীন শীষ, জেলা কালচারাল অফিসার তাইফুর রহমান, স্থানীয় সামাজিক সংগঠন একুশে পরিষদের সভাপতি ডিএম আব্দুল বারী, দেশবরেণ্য নৃত্য সংগঠক হাসিব পান্না, নওগাঁর সাংস্কৃতিক সংগঠন ত্রিশূলের প্রতিষ্ঠাতা তৃণা মজুমদার, কেয়া আরহাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়লা আরজুমান ও নওগাঁ জেলার মানবাধিকারের সাধারণ সম্পাদক রোটোরিয়ান চন্দন দেব।
আরও পড়ুন: শুটিংয়ে ফিরলেন পরীমণি
৮৭৪ দিন আগে
নওগাঁর সাপাহারে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা
নওগাঁর সাপাহারের জবই বিলে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) নৌকাবাইচ দেখতে বিলের দুই পাড়ে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। থেমে থেমে হর্ষধ্বনিতে মুখরিত নদীপারের চারপাশ।
বইঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ আর মাঝি-মাল্লাদের কণ্ঠে কোরাস শোনা যায় ‘হেইও রে, হেইও’।
আর এভাবেই একেকটি নৌকা ছুটে চললে হর্ষধ্বনি দিয়ে দলগুলোকে উৎসাহিত করতে থাকেন দর্শকরা। এ সময় পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে।
এভাবেই বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বিকালে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।
স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এই নৌকা বাইচের আয়োজন করেন। এতে অংশ নেন নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আশেপাশের ছোট-বড় মিলে প্রায় ৮টি নৌকা।
আরও পড়ুন: ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ দেখতে মধুমতির পাড়ে হাজারো মানুষের ঢল
৮৭৬ দিন আগে
শরৎ নাচে শুভ্র কাশে
অবগুণ্ঠন খুলেছে মাসখানেক আগে। এখন পুরোনো হওয়া গ্রামীণ বধূর মতোই মাথার আঁচল লুটোপুটি খাচ্ছে ধরিত্রির বুকে। খোঁপা থেকে যেমন করে বাসি ফুল ঝরে যায়, তেমনি শীষ থেকে ঝরতে শুরু করেছে শরৎকন্যা কাশের তুলো।
একদিকে শরতের বিদায়ী ঘণ্টা অন্যদিকে কার্তিকের আগমনী ঘণ্টা। তবে বাঙালির আনন্দঘণ্টা বাজে বছরজুড়েই। পার্বণের সংখ্যা এখন আর হাতে গুণে বলা যায় না ১৩টি। প্রকৃতির পরতে পরতে রয়েছে পার্বণের ঘণঘটা।
তেমনই কাশফুল ফুটলেই এক উৎসবে মেতে উঠে বাঙালি। রাজধানীর আফতাবনগরে গিয়ে দেখা গেল সেই উৎসবের ছটা।
অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া অর্পা ও কলেজ পড়ুয়া সামিয়া নতুন শাড়ি-গয়না কিনেছে কাশবন ভ্রমণ উপলক্ষে। সেজেগুজে কাশবনের বিভিন্ন স্থানে তাদের ছবি তুলতে দেখা গেল।
অর্পা জানায়, কাশফুল ফোটা মানেই একটি উৎসব। পাল্টে যায় প্রকৃতির রূপ। প্রকৃতির কাছে যেতে ভালো লাগে, মনটা ভালো হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: এ বছর সারাদেশে ৫০ লাখ চারা বিতরণ করবে ‘বনায়ন’
৮৭৬ দিন আগে
এসএম সুলতানের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় আয়োজন
বিশ্ববরেণ্য শিল্পী এসএম সুলতানের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর)।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সোমবার (৯ অক্টোবর) ও মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ভবনে এসএম সুলতানের প্রতিকৃতির অস্থায়ী বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হবে সোমবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
আরও পড়ুন: তুর্কি দূতাবাস-গ্যালারি কসমস আয়োজিত 'স্মাইলস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড: অ্যান আর্টিস্টিক সেলিব্রেশন’
শিল্পী এসএম সুলতানের চিত্রকর্ম ও শিশুস্বর্গের শিশুদের আঁকা চিত্রকর্ম নিয়ে প্রদর্শনী শুরু হবে বিকাল সোয়া ৪টায় এবং বিকাল সাড়ে ৪টায় শুরু হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আয়োজনের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে শিল্পী এসএম সুলতানের জন্মস্থান নড়াইলে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এ ছাড়া সকাল সাড়ে ৯টা এসএম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালায় নড়াইলের স্থানীয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আর্টক্যাম্পের আয়োজন করা হবে এবং সকাল ১০টায় শিশুস্বর্গের শিশুদের লেখা চিঠি প্রদর্শনী ও পাপেট শো প্রদর্শনী হবে।
বিকাল ৩টায় নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তথ্যচিত্র ‘আদম সুরত’ প্রদর্শিত হবে। বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে পালাগানের আসর।
আরও পড়ুন: শুটিংয়ে ফিরলেন পরীমণি
৮৮০ দিন আগে
তুর্কি দূতাবাস-গ্যালারি কসমস আয়োজিত 'স্মাইলস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড: অ্যান আর্টিস্টিক সেলিব্রেশন’
বাংলাদেশের স্বনামধন্য কয়েকজন শিল্পীর শিল্পকর্ম নিয়ে 'স্মাইলস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড: অ্যান আর্টিস্টিক সেলিব্রেশন'-শীর্ষক এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে যৌথভাবে গ্যালারি কসমস ও ঢাকায় অবস্থিত তুর্কি দূতাবাস।
শনিবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বারিধারা কূটনৈতিক অঞ্চলে তুর্কি দূতাবাসে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
আটজন বাংলাদেশি শিল্পী এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন। সেখানে আটজন শিল্পীর প্রত্যেকের বিভিন্ন মাধ্যমে তৈরি তিনটি অনন্য কাজ প্রদর্শন করা হয়েছে। শিল্পীরা হলেন- আবদুস শাকুর শাহ, কনক চাঁপা চাকমা, মোহাম্মদ ইকবাল, আনিসুজ্জামান আনিস, অনুকূল মজুমদার, বিশ্বজিৎ গোস্বামী, আজমীর হোসেন ও সৌরভ চৌধুরী।
প্রদর্শনীতে এই শিল্পীদের মোট ২৪টি শিল্পকর্ম প্রদর্শন করা হয়েছে।
দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেনসহ দেশ-বিদেশের শিল্প অনুরাগী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন কসমস ফাউন্ডেশনের পরিচালক দিলশাদ রহমান।
এই উদ্যোগের প্রশংসা করে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, ‘গ্যালারি কসমস আয়োজিত ‘স্মাইলস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড: অ্যান আর্টিস্টিক সেলিব্রেশন’- শিল্প প্রদর্শনীতে আমি আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাতে চাই। এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা আমাদের জন্য আনন্দের। কসমস গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাসুদ খান এবং কসমস ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর মিসেস দিলশাদ রহমানকে ধন্যবাদ জানাতে চাই তাদের সহযোগিতার প্রস্তাবের জন্য।’
আরও পড়ুন: গ্যালারি কসমসে শুরু হলো আর্টক্যাম্প ‘স্প্লেন্ডার্স অব বাংলাদেশ’
৮৮১ দিন আগে
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী
বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। সে হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার।
আরও পড়ুন: আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
সভায় জানানো হয়, আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা পাওয়ার সংবাদ পাওয়া যায় নি। ফলে আগামীকাল শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। এছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।
সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. বশিরুল আলম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. আবদুল জলিল, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মহা. আসাদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ২০ অক্টোবর
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বঙ্গভবনে মিলাদ মাহফিল
৯০৩ দিন আগে
স্মরণীয় একটি সফর: রাহুল আনন্দের বাড়িতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ
সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মিউজিক্যাল ব্যান্ড ‘জলের গান’র সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও যন্ত্রশিল্পী রাহুল আনন্দের ধানমন্ডির বাসায় যান।
এসময় ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই, ফরাসি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ডি ঢাকা (এএফডি) এর পরিচালক ফ্রাঁসোয়া গ্রোসজিন এবং দুই দেশের প্রতিনিধিত্বকারী অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট নৈশভোজের পর এ সফর করেন এবং দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় সেখানে অবস্থান করেন।
আরও পড়ুন: ধানমন্ডিতে চলছে ভাস্কর রাশার ড্রিফটউড শিল্পকর্মের প্রদর্শনী
রাহুল আনন্দের সঙ্গে তার স্ত্রী উর্মিলা শুক্লা, ছেলে টোটা এবং আরও তিনজন বাংলাদেশি শিল্পী আশফিকা রহমান, কামরুজ্জামান স্বাধীন ও আফরোজা সারার সঙ্গে আড্ডা দেন তিনি।
রাহুলের প্রাণবন্ত ঘরোয়া পরিবেশনে ‘আমি বাংলায় গান গাই’ এবং লালন সংগীতসহ বিভিন্ন গান শোনার পাশাপাশি রাহুলের বাজানো বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সুর শোনেন ম্যাক্রোঁ।
তারা একে অপরকে উপহারও দিয়েছেন।
রাহুল আনন্দ ফরাসি প্রেসিডেন্টকে একটি 'একতারা' উপহার দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, এটি তাকে (ম্যাক্রোঁ) এই স্মরণীয় সফরের কথা মনে করিয়ে দেবে।
অন্যদিকে, ম্যাক্রোঁ রাহুল আনন্দকে একটি কলম উপহার দিয়ে এটি তার কবিতা ও গান লেখার কাজে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।
এই শিল্পী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার আইডিতে উপহারের ছবি শেয়ার করেছেন।
এই সফর উপলক্ষে রাহুল আনন্দ ও তার পরিবার তাদের ১৪০ বছরের পুরোনো ধানমন্ডির বাসভবনের প্রবেশদ্বার ফুল দিয়ে সাজিয়েছিলেন।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট তার বাড়িতে ঐতিহাসিক সফরের পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে তার সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে রাহুল আনন্দ বলেন, এই সাক্ষাৎ ছিল দুজন শিল্পীর মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত অথচ সুন্দর সাংস্কৃতিক বিনিময়। কারণ ফরাসি প্রেসিডেন্টও একজন সংগীতশিল্পী ও একজন সংগীত অনুরাগী।
কীভাবে তাদের মধ্যে যোগাযোগ হলো সে সম্পর্কে এই শিল্পী গণমাধ্যমকে জানান, চলতি বছরের জুনে বিশ্ব সংগীত দিবস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ডি ঢাকায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’- শিরোনামে একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি সংগীত পরিবেশন ও নাট্য মঞ্চস্থ হয়েছিল। সেখানে তিনি বেলজিয়ান শিল্পী ম্যাক্স ভ্যান্ডারভর্স্টের সঙ্গে সমন্বয় করেছেন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এই পারফরম্যান্স সম্পর্কে জানার পরে আগ্রহী হয়েছেন।
রাহুল আনন্দ গণমাধ্যমকে বলেন, আমি মনে করি এবং নিজেকে পাখি বলে ডাকি। আমি একজন যন্ত্রশিল্পী এবং আমি আমার নিজের যন্ত্র নিজে তৈরি করি। তাই গাছ আমার শৈল্পিক কার্যকলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং আমি সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। কীভাবে একতারা বাজাতে হয় আমি তাকে তা দেখিয়েছি, তিনি শিখেছেনও এবং আমি অবাক হয়েছি যে তিনি খুবই দ্রুত শিখতে পারেন।
ম্যাক্রোঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রাহুল আনন্দ বলেন, ‘তার সমর্থনের মাধ্যমে এই অকল্পনীয় যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। এভাবেই ফ্রান্সের সম্মানিত প্রেসিডেন্ট আমার বাড়িতে এসেছিলেন এবং আমি তার সামনে আমাদের বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উপস্থাপন করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি।’
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এই সংক্ষিপ্ত দুদিনের সফর ঐতিহাসিক হয়ে গেছে। কারণ ১৯৯০ সালের পর প্রথম ফরাসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাক্রোঁ বাংলাদেশ সফর করেছেন।
আরও পড়ুন: কীভাবে এল বাংলা ক্যালেন্ডার: দিনলিপি গণনার ইতিবৃত্ত
৯০৭ দিন আগে
ধানমন্ডিতে চলছে ভাস্কর রাশার ড্রিফটউড শিল্পকর্মের প্রদর্শনী
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রকৃতিকে তুলে ধরে ভাস্কর আখতার আহমেদ রাশার ড্রিফটউড শিল্পকর্মের সপ্তাহব্যাপী একক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত সফিউদ্দীন শিল্পালয়ে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্টুডিও ভার্টিক্যাল আয়োজিত এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর।
'শিকড়ে প্রোথিত, ভালোবাসায় প্রসারিত' শিরোনামের প্রদর্শনীটি দেশে রাশার প্রথম প্রদর্শনী। রাশা হলেন একজন প্রবাসী ভাস্কর যিনি শাখা, শিকড় ও কাণ্ডের মতো প্রাকৃতিক উপাদান শিল্পের জন্য ব্যবহার করেন।
আরও পড়ুন: কীভাবে এল বাংলা ক্যালেন্ডার: দিনলিপি গণনার ইতিবৃত্ত
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি, নিউ ইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ডিসিতে বেশ কয়েকটি একক ও দলীয় প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন।
ভাস্কর রাশা বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে আমার জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এবং আটলান্টিক উপকূলের সৈকতে ড্রিফটউড সংগ্রহ করার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়। আমি আনন্দিত। কারণ আমি মুক্তিযুদ্ধের দিকে মনোযোগ দিয়েছি, বিশেষ করে বিদেশে বাংলাদেশের বন্ধুদের জন্য।’
প্রদর্শনীতে ৫৩টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এ প্রদর্শনী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিল্প সংগ্রাহক আবুল খায়ের লিটু।
আরও পড়ুন: গ্যালারি কসমসে শুরু হলো আর্টক্যাম্প ‘স্প্লেন্ডার্স অব বাংলাদেশ’
অ্যানির তৃতীয় একক প্রদর্শনী ‘কনটেম্পরারি ন্যারেটিভস’ এএফডিতে শুরু
৯১০ দিন আগে