বরিশাল
ভোলায় মেঘনার পাড় ধসে বিজিবি সদস্যসহ নিখোঁজ ২
ভোলায় মেঘনা নদীর পাড় ধসে নদীতে পড়ে বিজিবি সদস্যসহ দুই যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলারখাল মাছঘাট-সংলগ্ন বালুরমাঠ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজদের উদ্ধারে রাতেই অভিযান শুরু হয়, যা আজ (বৃহস্পতিবার) এখনও চলছে।
নিখোঁজরা হলেন ভোলা শহরের ভদ্রপাড়া এলাকার মো. ইব্রাহিমের ছেলে ও বিজিবি সদস্য মো. আমজাদ (২৬) এবং শিবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. বাবুলের ছেলে মো. রাকিব (১৮)।
স্থানীয়রা জানায়, রাত ৯টার দিকে পাঁচ বন্ধু মেঘনা নদীর তীরে বালুভর্তি জিওব্যাগের ওপর বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ জিওব্যাগসহ নদীর পাড়ের একটি অংশ ধসে পড়লে পাঁচজনই পানিতে পড়ে যান। পরে তিনজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও আমজাদ ও রাকিব নিখোঁজ হন।
আমজাদের স্বজনরা জানান, দুই মাস আগে আমজাদ ছুটিতে বাড়িতে আসেন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর কর্মস্থলে যাওয়ার কথা ছিল তার। বুধবার বিকেলে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে নদীর পাড়ে ঘুরতে যান। সন্ধ্যার পর তারা আমজাদ নদীতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। কিন্তু এখনও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে কোস্ট গার্ডের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাতে তল্লাশি চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল থেকেও ডুবুরি এসে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দেন।
ভোলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খন্দকার মিরাজুল ইসলাম জানান, বরিশাল থেকে আসা অভিজ্ঞ একটি ডুবুরি দল নিখোঁজ দুই যুবককে উদ্ধারে কাজ করছে।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে পুলিশও ঘটনাস্থলে রয়েছে। তবে এখনও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে।
২২ ঘণ্টা আগে
মনপুরায় মেঘনা পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় মেঘনা নদীর পাড় থেকে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মো. শান্ত (২৫) নামে এক যুবককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চৌধুরী বাজারের পূর্ব পাশে মেঘনা নদীর পাড় থেকে স্থানীয় জেলেরা তাকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী নেওয়া হয়।
শান্ত হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহাবুদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে লিটন মাঝি কয়েকজন জেলেকে নিয়ে মেঘনায় মাছ শিকার শেষে নদীর তীরে নৌকা নোঙর করেন। এ সময় তারা মানুষের গোঙানির শব্দ শুনতে পান। পরে টর্চের আলো জ্বালিয়ে খুঁজতে গিয়ে নদীর পাড়ে একটি খুঁটির সঙ্গে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় কাদামাখা এক যুবককে দেখতে পান।
লিটন মাঝিসহ অন্যরা শান্তকে শনাক্ত করেন এবং রশি কেটে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
উদ্ধারকারী লিটন মাঝি বলেন, ‘নদীর পাড়ে গোঙানির শব্দ শুনে টর্চের আলো ফেলি। দেখি, রশি দিয়ে মুখ, হাত ও পা বাঁধা অবস্থায় কাদামাখা একজন পড়ে আছে। পরে রশি কেটে দেখি, সে আমাদের পরিচিত—শান্ত। তখন সবার সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’
শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে কারা এবং কী কারণে শান্তকে সেখানে বেঁধে রেখেছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া যুবককে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী নেওয়া হয়েছে। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।
১ দিন আগে
বরিশালে ময়লার স্তূপে পাশাপাশি পড়ে ছিল দুই নবজাতকের মরদেহ
বরিশাল নগরীর একটি ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তাদের একজন ছেলে ও অন্যজন মেয়ে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বগুড়া রোডের গফুর সড়কের বিপরীতে নতুন বাজার ফরেস্ট অফিস-সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো ময়লা পরিষ্কার করার সময় তিনি দুটি প্লাস্টিকের বাটি দেখতে পান। কাছে গিয়ে বাটির ভেতরে দুই নবজাতকের মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাশাপাশি পড়ে থাকা দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সেগুলো শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন বাজার ও এর আশপাশে একাধিক বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো একটি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে নবজাতক দুটির মরদেহ ওই স্থানে এসে থাকতে পারে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সময় পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল। বিষয়টি জানার পর তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে খবর দেওয়া হলে নবজাতক দুটির মরদেহ সেখানে নেওয়া হয়।
নবজাতক দুটির পরিচয় এবং কীভাবে তাদের মরদেহ ময়লার স্তূপে এল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান ওসি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
২ দিন আগে
পটুয়াখালীতে মামলার আসামি না হয়েও জেলে, পুলিশের ভুল স্বীকার
পটুয়ালীর মহিপুরে চেক ডিজঅনার মামলার ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে গিয়ে মামলার প্রকৃত আসামির পরিবর্তে অন্য এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তিনি মামলার নথিতে উল্লেখ করা আসামি নন। পরে নিজেদের ভুল স্বীকার করেছে পুলিশ।
মামলার নথি অনুযায়ী, মো. আলমগীর হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ টাকা পাওনা আদায়ের জন্য মো. জলিল হাওলাদারের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে পটুয়াখালীর আদালতে মামলা করেন। নথিতে বলা হয়, পাওনা পরিশোধের জন্য দেওয়া একটি চেক ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়।
ওই মামলায় আদালত থেকে জারি করা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গত ১৯ আগস্ট মহিপুর থানা পুলিশ মো. জলিল হাওলাদার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিবারের দাবি, মামলার আসামি ও তাদের স্বজন একই ব্যক্তি নন। পরিবারের কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যেও দুই ব্যক্তির পরিচয়ে পার্থক্য রয়েছে বলে জানান তারা।
পরিবারের অভিযোগ, পরিচয় যাচাইয়ে ভুলের কারণে জলিলকে এমন একটি মামলায় কারাভোগ করতে হচ্ছে, যার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ বিষয়ে নিজেদের ভুল স্বীকার করে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, ‘আসামির নাম, বাবার নাম ও গ্রামের নাম একই হওয়ায় ভুলে আটক হয়েছে।’
মায়ের নামের পার্থক্যের বিষয়টি জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘ওয়ারেন্ট কপিতে তো মায়ের নাম থাকে না। এজন্য পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’
ভুল করে আটক হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যাতে দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ায় কারাগার থেকে বের হতে পারেন, সে বিষয়ে তার পরিবারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।
৪ দিন আগে
মেসের দরজার ছিটকিনি নিয়ে ঝগড়া; ববিতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
মেসবাসার দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান করলে শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্যাম্পাসের বাইরের একটি মেসবাসায় সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী থাকেন। ওই মেসের দরজায় ছিটকিনি দেওয়া নিয়ে প্রথমে দুই বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে বিষয়টি দুই বিভাগের অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেটসংলগ্ন এলাকায় জড়ো হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের অপর পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান করছিলেন। অন্যদিকে, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান নেন। এতে যেকোনো সময় ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
গতকাল রাতে যোগাযোগ করা হলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত বলতে পারব।’
৬ দিন আগে
পটুয়াখালীতে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর গলাচিপায় দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে এ সংঘর্ষ হয়।
দলীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে পৌর মঞ্চ চত্বর থেকে উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির (আহ্বায়ক পক্ষ) উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা ও র্যালি শুরু হয়। অন্যদিকে সিনেমা হল রোডে আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন দলটির সাবেক কমিটির (হাসান মামুনপন্থী) নেতা-কর্মীরা।
পুলিশ সাবেক কমিটির নেতা-কর্মীদের উপজেলা পরিষদের ফটকের ভেতরে আটকে রাখলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বর্তমান কমিটির মিছিলটি সিনেমা হল রোড এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে। কথা-কাটাকাটির মধ্যেই উভয় পক্ষ হাতাহাতি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে জড়িয়ে পড়ে।
এরপর শহরের কালীবাড়ি ও বটতলা এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কালীবাড়ি রোডের ‘হাবিব রেস্টুরেন্টে’ ভাঙচুর চালানো হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন রেস্তোরাঁটির মালিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির সমর্থনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির পুরোনো কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তার পর থেকেই স্থানীয় বিএনপিতে ‘নুরপন্থী’ ও ‘মামুনপন্থী’ হিসেবে পরিচিত দুটি পক্ষ সক্রিয় রয়েছে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতির কারণে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। বর্তমানে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
৯ দিন আগে
আইফোন কিনতে দেড় বছরের শিশুকে বিক্রি করলেন বাবা
সকালে দাদি মাহফুজা বেগমের কাছে গিয়ে বাবা বলেছিলেন, ‘মা, তোমার নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দাও। ওকে নিয়ে বাজারে একটু ঘুরতে যাব।’
দেড় বছরের শিশু মুসাকে সাজিয়ে দেওয়ার পর তাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বাবা মো. মারুফ। কিন্তু দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও বাবা-ছেলের কেউ আর বাড়িতে ফেরেননি।
উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যরা শুরু করেন খোঁজাখুঁজি। এরপর তাদের সামনে আসে আরও বিস্ময়কর এক অভিযোগ—আইফোন কেনার জন্য নিজের দেড় বছরের শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন মারুফ।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় গতকাল শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত মারুফ ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি।
শিশুটির দাদি ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গতকাল সকাল ৮টার দিকে মারুফ মুসাকে নিয়ে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময়েও তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে মারুফের মামা বাহাদুর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রথমে তিনি শিশুটির বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি বলে পরিবারের দাবি।
তবে পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারুফ স্বীকার করেন যে, আইফোন কেনার জন্য তিনি তার ছেলে মুসাকে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে এক লাখ টাকায় লিখিতভাবে বিক্রি করেছেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে বিক্রি করে পাওয়া টাকা নিয়ে ঢাকায় গিয়ে একটি পুরোনো আইফোন বদলে নতুন একটি আইফোনও কিনেছেন মারুফ।
শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, প্রায় চার বছর আগে সাভার থেকে বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন মারুফ। প্রায় তিন বছর পর তাদের ঘরে মুসার জন্ম হয়।
তিনি বলেন, প্রায় এক মাস আগে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মারুফ ও তার স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর কিছুদিন বাড়িতে থেকে মারুফ ঢাকায় চলে যান। গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে তিনি বাড়িতে ফেরেন।
মাহফুজা বেগম বলেন, ‘শনিবার সকালে মারুফ আমাকে বলে, মা, তোমার নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দাও। আমি ওকে নিয়ে বাজারে একটু ঘুরতে যাব। এরপরে পরে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও ছেলে ও নাতির কোনো খোঁজ পাইনি।’
তিনি বলেন, খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারেন, আইফোন কেনার জন্য এক লাখ টাকার বিনিময়ে মুসাকে বিক্রি করেছেন বলে মারুফ স্বীকার করেছেন। এই বৃদ্ধা বলেন, ‘আমি আমার নাতিকে ফিরে পেতে চাই। প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।’
অন্যদিকে, শিশুটিকে কেনার অভিযোগ ওঠা ইমরান হোসেন মুঠোফোনে বলেন, মারুফ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে শিশুটিকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন।
তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই উল্লেখ করে ইমরান দাবি করেন, এ কারণেই মারুফের সঙ্গে আলোচনা করে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিতভাবে শিশুটিকে নিয়েছেন। পরে শিশুটিকে তার শ্বশুরবাড়িতে দিয়ে এসেছেন বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কয়েক বছর আগে মারুফ সাভার থেকে এক তরুণীকে বিয়ে করে বাড়িতে আনেন। পরে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তারা দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ সরেজমিনে কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
১১ দিন আগে
পটুয়াখালীতে বিষমিশ্রিত ঘাস খেয়ে ২৫ মহিষ অসুস্থ, ৩টির মৃত্যু
পটুয়াখালীর বাউফলে চরের ঘাসে বিষপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘাস খেয়ে অন্তত ২৫টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং তিনটি মারা গেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট)বিকেলে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের লাল চরে এ ঘটনা ঘটে।
মহিষের রাখাল, মালিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাল চরে বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় খামারিরা উন্মুক্তভাবে মহিষ পালন করে আসছেন। চরের সবুজ ঘাস খেয়েই মহিষগুলো প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে।
প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও রাখালরা শতাধিক মহিষকে ঘাস খাওয়াতে লাল চরে নিয়ে যান। পরে ঘাস খাওয়ার পর প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে রফিজ মৃধা, সুমন মাঝি ও রুহুল আমিনের একটি করে মহিষ মারা গেছে। আরও কয়েকটি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রাখাল ও পশু চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, চরের ঘাসে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছিল এবং ওই ঘাস খাওয়ার কারণেই মহিষগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে।
চন্দ্রদ্বীপের রায় সাহেবের বাসিন্দা মহিষ মালিক মোস্তফা ফকির বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে লাল চরে মহিষ পালন করছেন। শত শত মহিষ নিয়মিত চরের ঘাস খেয়ে থাকে, কিন্তু আগে কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, ‘শত্রুতার কারণে দুর্বৃত্তরা চরের ঘাসে বিষ প্রয়োগ করে থাকতে পারে। সেই ঘাস খেয়ে মহিষ মারা যাচ্ছে। আমার ১৮টি মহিষের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
আরেক মহিষ মালিক রুহুল আমিন বলেন, বিষ দেওয়া ঘাস খেয়ে তার একটি মহিষ মারা গেছে। অন্যগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে।
উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই কয়েকটি মহিষ মারা যায়। অসুস্থ মহিষগুলোর চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাবারে বিষক্রিয়ার কারণে মহিষগুলোর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৩ দিন আগে
মেঘনার এক রাজা ইলিশ বিক্রি হলো সাড়ে ৮ হাজার টাকায়
ভোলার মনপুরায় মেঘনায় জেলের জালে ধরা পড়েছে দুই কেজি ওজনের এক রাজা ইলিশ। পরে মাছটি নিলামে সাড়ে আট হাজারে বিক্রি করা হয়।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাচ্চু চৌধুরীর মৎস্য আড়তে রাজা ইলিশটি বিক্রির জন্য আনেন জেলে কিরন মাঝি।
পরে মাছটি নিলামে সাড়ে আট হাজার টাকায় ক্রয় করেন মৎস্য বেপারি ফিরোজ।
কিরন মাঝি জানান, আজ (সোমবার) মেঘনায় জাল ফেলে মাছ শিকারের সময় অন্যান্য ছোট ইলিশের সঙ্গে এই রাজা ইলিশ মাছটি ধরা পড়ে। পরে অন্যান্য মাছের সঙ্গে রাজা ইলিশটি নিলামে বাচ্চু চৌধুরী মৎস্য আড়তে বিক্রি করেন তিনি।
মৎস্য বেপারী ফিরোজ জানান, তিনিসহ অন্যান্য মৎস্য বেপারিরা নিলামে অংশ নেন। পরে তিনি সাড়ে ৮ হাজার টাকায় রাজা ইলিশ মাছটি কিনে নেন। ঢাকাগামী লঞ্চ করে তিনি রাজা ইলিশ মাছটি বিক্রির জন্য ঢাকার কাওরান বাজারে পাঠাবেন। মাছটি ঢাকায় আরও বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, এমনিতে মেঘনায় ইলিশের হাহাকার চলছে। এরমধ্যে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বৃষ্টিপাত হলে আরও বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১৭ দিন আগে
বরিশাল থেকে সারা দেশে বাস চলাচল বন্ধ
বরিশালে মহাসড়কের বিভিন্ন বাস কাউন্টারের সামনে থেকে থ্রি-হুইলারে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় বাস চলাচল বন্ধ করে রেখেছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা। এতে বরিশাল ও কুয়াকাটার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।
আজ (সোমবার) সকাল ১০টার দিকে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলারের মালিক ও চালকদের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ রুটের বাসের শ্রমিকদের বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে রূপ নেয়।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলারের মালিক ও শ্রমিকরা প্রভাব বিস্তার করে প্রায় ২০টি যাত্রীবাহী বাস আটকে রাখেন। খবর পেয়ে বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও দুপুর পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।
এরপর বরিশাল বাস মালিক ও শ্রমিক নেতারা নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। ফলে টার্মিনালে এসে অনেক যাত্রীকে ফিরে যেতে হয়েছে। কেউ কেউ বিকল্প যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। এতে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
বাস মালিক ও শ্রমিকদের দাবি, মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচলের কারণে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিভিন্ন বাস কাউন্টারের সামনে থ্রি-হুইলার দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানোয় বাস চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কে এসব যান চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়ে আসলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
বাস মালিক ও শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী থ্রি-হুইলার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হবে না।
এদিকে, আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বানারীপাড়া থেকে বরিশালগামী যাত্রী মোতালেব মিয়া বলেন, ‘বরিশালে জরুরি কাজে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু বাস বন্ধ থাকায় পথে আটকে আছি। কখন বাস চলবে, সেটাও জানি না।’
বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, ‘বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
১৭ দিন আগে