খুলনা
আবহাওয়া পরিবর্তন ও লোডশেডিংয়ে ঝিনাইদহের জনস্বাস্থ্যে প্রভাব, হাসপাতালে দুই শতাধিক শিশু
গরমের পাশাপাশি হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাবে ঝিনাইদহে শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও হামের মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত হয়ে জেলা শহরের দুইটি হাসপাতালে ২০০ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে।
এদিকে, মাত্র ৪৬টি বেডের বিপরীতে একই সঙ্গে ১৯৭ শিশু চিকিৎসাধীন থাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে চরম হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং যা অসুস্থ শিশুদের দুর্ভোগ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা মাত্র ৪৬টি, কিন্তু সেখানে ১৯৭টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ৮০ জন, ডায়রিয়া ও ভাইরাসজনিত কারণে ৯৭ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে আরও ২০ জন শিশু।
অন্যদিকে, শহরের ২৫ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালেও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। সেখানে হাম ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ নিয়ে আরও ২১ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। সদর হাসপাতালে বেড না পেয়ে মেঝে, বারান্দা ও প্যাসেজে শয্যা পেতে শিশুদের চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।
রাহেলা বেগম নামে এক শিশু রোগীর স্বজন জানান, তীব্র গরমের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার খেলায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ফ্যান বন্ধ থাকায় শ্বাসকষ্ট ও জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা ছটফট করছে। এনসিইউ ও সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে ছোট ছোট শিশুদের হাতপাখা দিয়ে বাতাস করে গরম থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মায়েরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে এবার মানসিক প্রতিবন্ধীকে তাড়া করে কুপিয়ে হত্যা
ঝিনাইদহে গরুচোর সন্দেহে জনতার সংঘবদ্ধ পিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যুর চব্বিশ ঘণ্টা পার হতে না হতেই আবারও রক্তক্ষয়ী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তবিবর রহমান (৪৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী কৃষককে প্রকাশ্যে তাড়া করে ধানখেতের মধ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে তারই চাচা ও চাচাতো ভাই।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মল্লিকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তবিবর রহমান ওই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সবুজ জোয়ারদার ও তবিবরের প্রতিবেশী জিয়াউর রহমান জানান, আজ (রবিবার) সকালে তবিবরের চাচি বাড়ির উঠান ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় মানসিকভাবে অসুস্থ তবিবর স্বভাববশত পেছন থেকে তার চাচিকে একটি লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। বিষয়টি তার ওই নারী তৎক্ষণাৎ তার স্বামী উজির আলী ও ছেলে শাকিলকে গিয়ে জানান।
বিষয়টি শুনে উজির আলী ও তার ছেলে শাকিল ভীষণ ক্ষেপে যান। এরপর তারা লাঠিসোঁটাসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে তবিবরকে ধাওয়া করেন। প্রাণভয়ে তবিবর মাঠের দিকে দৌড়াতে থাকেন। একপর্যায়ে গ্রামের একটি ধানখেতের মধ্যে তবিবর পড়ে গেলে উজির ও শাকিল তাকে পেটাতে থাকেন। একসময় তার বুকের পাঁজরের বাঁ পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন এবং হত্যা নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে তারা পালিয়ে যান।
এক দিনের ব্যবধানে জেলায় পর পর দুটি খুনের ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মল্লিকপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তবিবর রহমানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত উজির আলী ও শাকিল পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে যুবক নিহত: জোড়া মামলায় আসামি ২ শতাধিক
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরুচোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে হাবিব নামে এক ব্যক্তি নিহত ও সুমন নামে আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় ২ শতাধিক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা করা হয়। কালীগঞ্জ থানার বারোবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদকে মামলা দুটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ।
পুলিশ সূত্র জানায়, গরু চুরির অভিযোগে প্রথম মামলাটি করেছেন গরু চুরিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাদুরগাছা গ্রামের বিধবা নিলুফা ইয়াসমিন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সংঘবদ্ধ পিটুনিতে গুরুতর আহত সুমনের ভাই ও যশোর শহরের আরাপপুরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে দুই শতাধিক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করেছেন।
উল্লেখ্য, গেল শুক্রবার ভোর রাতে বাদুরগাছা গ্রামের বিধবা নিলুফা বেগমের বাড়িতে গরু চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন হাবিব ও সুমন। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের একটি বাঁশের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে।
সংঘবদ্ধ পিটুনির একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই হাবিবের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। একই সঙ্গে মুমূর্ষু অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলা ও তদন্তের বিষয়ে এসআই আবুল কালাম আজাদ জোড়া মামলার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, ‘দুই শতাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাজুর মরদেহ বাড়ি ফিরলেও রেবতি সরকারের মরদেহ দাহ হয়েছে ভারতে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুইজেনর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ (৪৫) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে। তবে নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন সাজু। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে। এছাড়া একই ঘটনায় তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকারও (৩৭) নিহত হন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা উভয়ই চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সেখানে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ওঠেন। রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৭ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুইজন সাতক্ষীরার। দুইদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তার করা হয়। এর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
রেবতি সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, তার ছেলেমেয়ে ভারতে অবস্থান করায় সেখানেই তার মরদেহ সৎকার করা হয়েছে।
ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আজ (শনিবার) দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ তারা গ্রহণ করেছেন। মাজুর বাড়িতে জানাজা এবং দাফনের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন নিহতের পরিবার।
১ দিন আগে
কলকাতায় নিহত ৫ জনের মরদেহ বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর বিকেলে
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে হস্তান্তর করা হবে। উভয় দেশের দুতাবাসের সহযোগিতায় আজ শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান।
বেনাপোল দিয়ে যাদের হস্তান্তর করা হবে, তারা হলেন: দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ও মোহিনী মিল এলাকার বাসিন্দা দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত, তার শ্বশুর মো. আকরাম আলী ও ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার আহমেদ বাবু। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন।
গত ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ওই আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক।
ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও ভারতের স্থানীয় প্রশাসন। আজ শনিবার বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে পাঁচজনের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠানো হয়েছে।
তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান জানান, কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে প্রবেশ করবে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মরদেহ দেশে আসার খবরে নিহতদের স্বজনরা গতকাল শুক্রবার থেকে বেনাপোলে অবস্থান করছেন।
১ দিন আগে
কালীগঞ্জে নায়েব আলী হত্যা মামলা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর নায়েব আলী হত্যা মামলার আসামি আলামিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তার বাবা ইউনুস আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. মাসুদ আলী আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত বাবা ও ছেলে কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াটি গ্রামের বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট এস এম মশিউর রহমান এবং সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম।
অন্যদিকে, আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব ও অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৮ মে মালিয়াটি গ্রামের আবদুল মোল্লার ছেলে নায়েব আলী নিজের জমিতে কৃষিকাজ শেষে স্থানীয় জামিরুলের দোকানে পানি পান করতে আসেন। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং পিটিয়ে হত্যা করেন।
ঘটনার দিন নিহতের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত আলামিনকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পরবর্তী সময়ে মামলার মাত্র তিন মাস পর, গত বছরের ১৮ আগস্ট কালীগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম আক্তার অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে দায়ী করে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামির তালিকা থেকে বাদ পড়েন রাশিদা বেগম নামে এক নারী।
দীর্ঘ শুনানি ও মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আজ (বৃহস্পতিবার) এই রায় দেন।
৩ দিন আগে
অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষের মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নিল এডুকেয়ার স্কুল
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের সাত বছর বয়সী মেয়ে মহিমা দত্ত বাবা-মা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে একা হয়ে পড়েছে। সে কুষ্টিয়ার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কেজি শ্রেণির ছাত্রী। তার ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চয়তার মুখে, ঠিক তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।
গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দমবন্ধ হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের সাতজন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে দৈনিক আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬৪) রয়েছেন।
এই দুর্ঘটনায় বাবা-মা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে মহিমা এখন একা হয়ে পড়েছেন। ভারতে যাওয়ার আগে দেবাশীষ তার মেয়ে মহিমাকে কুষ্টিয়ায় ঠাকুরমা ও ঠাকুরদাদার কাছে রেখে গিয়েছিলেন। এখন বাবা-মা ও ছোট ভাইকে হারিয়ে সেই ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদাই তার একমাত্র আশ্রয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
তার এই কঠিন সময়ে মহিমার এইচএসসি পর্যন্ত পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে স্কুলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক রাসেলসহ শিক্ষকরা তার বাড়িতে যান। তারা মহিমার ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার পড়াশোনার জন্য বই, খাতা, কলমসহ শিক্ষা-সংক্রান্ত সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক রাসেল বলেন, ‘মহিমা দত্তের এইচএসসি পর্যন্ত স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি, বই-খাতা, কলমসহ যাবতীয় খরচ এডুকেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ বহন করবে। শুরু থেকেই যেন বাবা-মায়ের অভাবে সে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। সকালে আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের কাছে গিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি।’
মহিমার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার এই খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদাসহ পরিবারের সদস্য এবং দেবাশীষের সহকর্মীরা। তারা এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
এর আগে, বুধবার রাতে কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা নিহত দেবাশীষের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং পরিবারটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভারতে যান দেবাশীষ। প্রথমে তারা বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে ১৩ দিন পর সোমবার রাতে কলকাতায় ফেরেন তারা। মঙ্গলবার আত্মীয়স্বজনদের জন্য কেনাকাটা শেষে পরদিন বুধবার তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যেই কলকাতার ওই আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
একই দূর্ঘটনায় নিহত অন্য বাংলাদেশিরা হলেন: ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার বেগুনবাড়ির আহমেদ বাবু (৪০) এবং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) ও রেবতী সরকার।
এছাড়া ভারতের ঝাড়খন্ডের গিরিডি জেলার বাসিন্দা সন্দীপ পাসওয়ানের পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিহত অপর একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার করা মরদেহগুলো কলকাতা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
৩ দিন আগে
সাতক্ষীরা শহরে প্রতি ৪ জনে একজন জলবায়ু উদ্বাস্তু, সুরক্ষায় ৮ দফা দাবি
সাতক্ষীরা পৌর শহরের প্রতি চারজন বাসিন্দার একজনই জলবায়ু উদ্বাস্তু এবং নিম্ন আয়ের বস্তিবাসী। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার কারণে ভিটেমাটি হারিয়ে শহরে আশ্রয় নেওয়া এই বিশাল জনগোষ্ঠীর আবাসন সংকট নিরসন এবং জলবায়ু দুর্যোগ থেকে তাদের সুরক্ষায় ৮ দফা দাবি তুলে ধরেছেন নাগরিক নেতারা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘সাতক্ষীরার নিম্ন আয়ের ভূমিহীন বস্তিবাসীর আবাসন সংকট সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে এসব দাবি জানানো হয়।
গ্রিন কোয়ালিশন সাতক্ষীরার সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে সংলাপে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান।
ধারণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিঃস্ব হওয়া মানুষেরা জীবিকার তাগিদে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। বর্তমানে শহরের প্রায় দুই লাখ জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিম্ন আয়ের পথবাসী, ঝুপড়িবাসী ও বস্তিবাসী। অর্থাৎ শহরের প্রতি ৪ জনে ১ জন মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, গৃহস্থালি ও নির্মাণশিল্পে যুক্ত থেকে শহরকে সচল রাখলেও নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় তারা সবসময় উপেক্ষিত।
২০২৪ সালে সাতক্ষীরা-শ্যামনগর সড়ক প্রশস্তকরণের অজুহাতে ইটাগাছা বস্তির ১০৪টি পরিবারকে কোনো পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করা হয়, যারা দীর্ঘদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
সংলাপে নাগরিক নেতারা বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে বাস করায় বস্তিবাসী বিভিন্ন জটিল ব্যাধিতে ভোগেন এবং তাদের উপার্জনের প্রায় ৩০ শতাংশ টাকাই চিকিৎসাবাবদ খরচ হয়ে যায়। সাংবিধানিক অধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নগর দরিদ্রদের অন্তর্ভুক্ত করে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন জরুরি।
সংলাপে বক্তব্য রাখেন, নাগরিক নেতা কল্যাণ ব্যানার্জি, পবিত্র মোহন দাশ, কিশোরী মোহন সরকার, মাধব চন্দ্র দত্ত, এম কামরুজ্জামান, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, গোলাম সরোয়ার, আলী নুর খান বাবুল, সিদ্দিকুর রহমান, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম, রাজার বাগান ঋষিপাড়ার কুমারেশ সরকার, ইটাগাছা বস্তির জোবেদা খাতুন, মাজেদা খাতুন প্রমুখ।
সংলাপ থেকে বস্তিবাসীর সুরক্ষা ও অধিকার আদায়ে উচ্ছেদ হওয়া ১০৪টি পরিবারসহ দরিদ্র বস্তিবাসীর নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন নিশ্চিতকরণ, শহরের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে দূরীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ, বস্তিতে সরকারি ভর্তুকিতে সুপেয় পানি, বিদ্যুৎ ও পয়ঃনিষ্কাশন সেবা নিশ্চিতকরণ, বস্তিবাসীর ছেলেমেয়েদের কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনা, বিকল্প পুনর্বাসন ছাড়া যেকোনো ধরনের উচ্ছেদ বন্ধ রাখা, বস্তির দরিদ্র শিশুদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, সারা বছর ভর্তুকিমূল্যে খাদ্যসামগ্রী প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একটি পরিকল্পিত ও দরিদ্রবান্ধব নগর গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
খুলনায় মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে একই স্থানে ২ যুবক খুন
খুলনায় মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মঞ্জুরুল ইসলাম (২২) ও নাজমুল ইসলাম (১৮) নামের দুই যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর লবণচরা থানাধীন আশিবিঘা কালভার্ট-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মঞ্জুরুল ইসলামকে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি আশিবিঘা কালভার্ট এলাকার খোকন সানার ছেলে এবং পেশায় সেন্টারিং মিস্ত্রি ছিলেন।
ওই ঘটনার রেশ না কাটতেই একই এলাকায় নাজমুল ইসলাম নামের আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। নাজমুল একই এলাকার মনির শেখের ছেলে।
তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে হত্যার ঘটনায় খুলনা নগরীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়া, গত আট দিনের ব্যবধানে খুলনায় পাঁচজন নিহত ও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এসব ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মঞ্জুরুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে জখম করে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় মঞ্জুরুলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্বজনদের দাবি, মঞ্জুরুলের সঙ্গে কারও কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল না। এলাকায় ভালো ছেলে হিসেবেই তার পরিচিতি ছিল।
মঞ্জুরুলের বাবা খোকন ছেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে খুমেক হাসপাতালে ছুটে যান।
এদিকে, মঞ্জুরুল ইসলামকে গুলি করার কিছুক্ষণ পর একই এলাকায় ১৮ বছর বয়সী নাজমুলকেও গুলি করে হত্যা করা হয়। তবে কী কারণে এবং কারা তাকে গুলি করেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লবণচরা থানার শিশু বাগান এলাকায় নাজমুলের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশাররফ হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। দ্রুত আসামিদের ধরতে আমরা তৎপর রয়েছি।
৩ দিন আগে
যশোরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
যশোরের শার্শায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মকছেদ আলী (৫৫) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে শার্শা থানায় মালমা করেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা।
গ্রেপ্তার মকছেদ আলী উপজেলার মহিষা মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ১২ আগস্ট বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর শিশুটি খেলতে বের হয়। এ সময় মকছেদ আলী টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে গ্রামের একটি ঘেরের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন তিনি। পরে শিশুটিকে ২০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ভয়ে ভুক্তভোগী শিশুটি প্রথমে পরিবারের কাউকে বিষয়টি জানায়নি। এরপর সে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে এক প্রতিবেশী নারীর কাছে ঘটনাটি জানায়। পরে ওই নারীর কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির বাবা তার মেয়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন। পরে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে ভুক্তভোগীর বাবা মামলা করেন। মামলা পর আজ (বুধবার) সকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ মকছেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির প্রতিবেশী এবং শিশুটি তাকে চাচা বলে ডাকত।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে তাকে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৪ দিন আগে