খুলনা
শেষ রক্ষা হলো না, যশোরে আটক সেই ঘাতক ট্রাকচালক
তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশন ব্যবস্থাপক নাহিদ সরদারকে (৩৩) ট্রাকের চাকায় হত্যার ঘটনার হোতা ট্রাকচালক সুজাত আলীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬-এর একটি দল। এর আগে, বেনাপোল থেকে ট্রাকটি জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে নড়াইলে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজ (রবিবার) বিকেলে র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাতে তেল না পেয়ে ট্রাকচালক সুজাতকে কালনা-যশোর মহাসড়কের তুলারামপুর রেল সেতুর নিচে তানভীর ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক নাহিদ ও তার সহকর্মী জিহাদুল মোল্যাকে পাম্পের অদূরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
এর আগে, গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের তুলারামপুর রেল সেতু এলাকায় নাহিদ ও জিহাদ মোল্যাকে ট্রাকচাকা দিয়ে পালিয়ে যান সুজাত।
ট্রাকচাপায় নিহত নাহিদ উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে। আহত জিহাদ একই ইউনিয়নের চামরুল গ্রামের জহুর আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, নড়াইল সদর উপজেলার যশোর-নড়াইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত তুলরামপুরে মেসার্স তানভীর ফিলিং অ্যান্ড গ্যাস স্টেশনে ট্রাকের ডিজেল নিতে আসেন পেড়লী গ্রামের ট্রাকচালক সুজাত মোল্যা। পাম্পে তেল না থাকায় তেল দিতে পারেননি পাম্পটির ব্যবস্থাপক নাহিদ। তেল না পেয়ে ট্রাকচালক তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে ট্রাকচাপা দিয়ে নাহিদকে হত্যা করার হুমকি দেন সুজাত। পরে রাত ২টার দিকে মোটরসাইকেলে চড়ে নিজ গ্রামে যাচ্ছিলেন নাহিদ ও পাম্পের কর্মচারী জিহাদ। পাম্প থেকে একটু দূরে গেলে পেছন থেকে এসে সুজাত তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন নাহিদ। গুরুতর আহত অবস্থায় জিহাদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে তুলারামপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেকেন্দর আলী বলেন, ট্রাকচাপায় নিহত নাহিদের মরদেহ জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত চালক ও ট্রাকটিকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় জেলার সকল পাম্প এক দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে নড়াইল পাম্প মালিক সমিতি।
পাম্প মালিক সমিতির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম হিটু জানান, তুলরামপুরে মেসার্স তানভীর ফিলিং অ্যান্ড গ্যাস স্টেশনের ব্যবস্থাপক নাহিদ হত্যার ঘটনায় জেলার ১০টি পাম্প এক দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
৬৭ দিন আগে
নড়াইলে পাম্প ব্যস্থাপককে হত্যার ঘটনায় সব পাম্প বন্ধ ঘোষণা
নড়াইলে ট্রাকে তেল দিতে না পারায় পেট্রোল পাম্প ব্যবস্থাপক নাহিদ সরদারকে (৩৩) ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় জেলার সকল পাম্প বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নড়াইল পাম্প মালিক সমিতির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম হিটু।
তিনি বলেন, তুলরামপুরে মেসার্স তানভীর ফিলিং অ্যান্ড গ্যাস স্টেশনের ব্যবস্থাপক নাহিদ হত্যার ঘটনায় জেলার ১০টি পাম্প এক দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে, গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের তুলারামপুর রেল সেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিহাদ মোল্যা (২৭) নামের পাম্পটির এক কর্মী গুরুতর আহত হন।
ট্রাকচাপায় নিহত নাহিদ সরদার উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে। আহত জিহাদ একই ইউনিয়নের চামরুল গ্রামের জহুর আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, নড়াইল সদর উপজেলার যশোর-নড়াইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত তুলরামপুরে মেসার্স তানভীর ফিলিং অ্যান্ড গ্যাস স্টেশনে ট্রাকের ডিজেল নিতে আসেন পেড়লী গ্রামের ট্রাকচালক সুজাত মোল্যা। পাম্পে তেল না থাকায় তেল দিতে পারেননি পাম্পটির ব্যবস্থাপক নাহিদ। তেল না পেয়ে ট্রাকচালক তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে ট্রাকচাপা দিয়ে নাহিদকে হত্যা করার হুমকি দেন সুজাত। পরে রাত ২টার দিকে মোটরসাইকেলে চড়ে নিজ গ্রামে যাচ্ছিলেন নাহিদ ও পাম্পের কর্মচারী জিহাদ। পাম্প থেকে একটু দূরে গেলে পেছন থেকে এসে সুজাত তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন নাহিদ। গুরুতর আহত অবস্থায় জিহাদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে তুলারামপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেকেন্দর আলী বলেন, ট্রাকচাপায় নিহত নাহিদের মরদেহ জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত চালক ও ট্রাকটিকে আটকের চেষ্টা চলছে।
৬৭ দিন আগে
জ্বালানি সংকট সহজ করতে চুয়াডাঙ্গায় ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু
চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন স্বাভাবিক রাখতে ফুয়েল কার্ড চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন জানান, আগামী ৩০ ও ৩১ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যানবাহনের জন্য ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কার্ড পেতে হলে সংশ্লিষ্ট গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুধু ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। জেলার ২২টি পাম্পে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত একযোগে তেল বিক্রি চলবে। তবে কৃষকদের জন্য এ নিয়ম শিথিল রাখা হয়েছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত ডিজেল আগের মতোই ২৪ ঘণ্টা পাওয়া যাবে।
অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের দায় নিতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান জানান, ৩০ মার্চ থেকে জেলায় রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেটবিহীন মোটরযানের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা কালোবাজারির চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিক উজ জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা এবং পাম্প মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৬৭ দিন আগে
যশোরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট
যশোরের শার্শায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে কামাল হোসেন (২৭) নামে এক রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম করেছে ‘সন্ত্রাসীরা’। এ ছাড়াও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) উপজেলার গোগা বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত ব্যবসায়ী কামাল হোসেন শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে গোগা বাজার ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন কথিত বিএনপি নেতা ও আমেরিকা প্রবাসী হযরত আলী। স্থানীয়দের অভিযোগ, হযরত আলীর নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে উঠেছে। তিনি ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাপটে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
ভুক্তভোগী কামাল হোসেন জানান, ঘটনার দিন সকালে হযরত আলী তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ৪০০ মণ রড ও ৩ হাজার বস্তা সিমেন্ট বাকি দিতে বলেন। এতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়ে চলে আসেন। এরপর বিকেলে হযরত আলীর সহযোগীরা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রকাশ্যে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ব্যবসা করতে হলে ওই টাকা দিতে হবে বলে হুমকি দেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ওই দিন সন্ধ্যায় হযরত আলী তার ২০-২৫ জন সন্ত্রাসীর দল নিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এ সময় ক্যাশ টেবিল, গ্লাস, চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং ড্রয়ারে থাকা প্রায় ৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় তারা। প্রাণনাশের ভয়ে আমি থানায় মামলা করতে পারছি না।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হযরত আলী বলেন, কামাল হোসেন অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করতে সহযোগিতা করেছেন। ওই মামলায় আমার প্রায় ২৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। সেই টাকা চাইতে গিয়ে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৬৭ দিন আগে
নড়াইলে তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাকচাপায় ‘হত্যা’
নড়াইলে তেল না পেলে একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে এক ট্রাকচালকের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে ব্যবস্থাপক নাহিদ সরদারকে (৩৫) চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওই ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার কালনা-যশোর মহাসড়কের তুলারামপুর রেল সেতুর নিচে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নাহিদের বন্ধু জিহাদুল মোল্যাকে (২৯) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নাহিদ সরদার উপজেলার তানভীর ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত ছিলেন। তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের মৃত আকরাম সরদারের ছেলে ছিলেন তিনি। তার বন্ধু জিহাদুল মোল্যা একই এলাকার জহুরুল মোল্যার ছেলে।
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গতকাল (শনিবার) দিবাগত রাতে বাগবিতণ্ডার পরও ওই ট্রাকচালক পাম্পেই অবস্থান করেন। রাত ২টার দিকে ফিলিং স্টেশনের কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশে মোটরসাইকেলযোগে সহকর্মী জিহাদকে নিয়ে পাম্প থেকে বের হন নাহিদ। সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত গতিতে তাদের পেছনে ধাওয়া করতে দেখা যায় ওই ট্রাকটিকে। পরে ওই ট্রাকের চাপায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার বন্ধু জিহাদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সদর হাসাপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে এমন পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়েছেন নিহতের সহকর্মীরা ও স্থানীয়রা।
ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা জানান, গতকাল রাতে সুজাত নামের এক ট্রাকচালক তেল নিতে সদরের তানভীর ফিলিং স্টেশনে আসেন। এ সময় তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক নাহিদের সঙ্গে ট্রাকচালকের বাগবিতণ্ডা হয়। তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাকচালক প্রকাশ্যে ম্যানেজারকে চাপা দিয়ে হত্যার হুমকি দেন।
এ বিষয়ে তুলারামপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী বলেন, ট্রাকচাপায় নিহত ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার নাহিদের মরদেহ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৬৭ দিন আগে
বজ্রপাতে শৈলকূপায় দুই কৃষক নিহত, আহত আরও ৪
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পেঁয়াজের খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রনজিত বিশ্বাস ও প্রকাশ বিশ্বাসসহ আরও চার কৃষক।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার খড়িবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন, খড়িবাড়িয়া গ্রামের প্রকাশ বিশ্বাসের ছেলে অপু বিশ্বাস (২০) ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের সুশীল বিশ্বাসের ছেলে সুশীল বিশ্বাস (৪০)।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, হতাহত কৃষকরা আজ (শনিবার) দুপুরে মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত ও চার কৃষক আহত হন। খবর পেয়ে হতাহতদের স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।
হাসপাতালের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ডা. এহতেশাম শহীদ জানান, বজ্রপাতে হতাহতদের শরীর ঝলসে গেছে।
৬৮ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় ৭টি ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয় করল সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট
চুয়াডাঙ্গায় ভুট্টার জমিতে সেচ নালা তৈরির সময় কোদালের কোপের সঙ্গে উঠে আসা শক্তিশালী ৭টি ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয় করেছেন সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। কম্পন আর বিকট শব্দে ল্যান্ডমাইনগুলো নিষ্ক্রিয় হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার মাখালডাঙ্গা গ্রামের স্কুলপাড়া মাঠে সেনাবাহিনীর ৫৫ রেজিমেন্ট যশোর ইউনিটের সদস্যরা এ ল্যান্ডমাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করেন।
স্থানীয়রা জানান, ল্যান্ডমাইনগুলো বিস্ফোরণের পর কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় আকাশ। ল্যান্ডমাইন খুঁজে পাওয়ার ২৯ দিনের মাথায় এগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এই কদিন পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছিল ওই এলাকা।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সদর উপজেলার দিননাথপুর গ্রামের কৃষক হযরত আলীর মাখালডাঙ্গা গ্রামের স্কুলপাড়া মাঠে চাষের জমি রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য মাঠে নালা তৈরির জন্য কোদাল দিয়ে খুড়ছিলেন। এ সময় কোদালের কোপের সঙ্গে উঠে আসে ৩টি শক্তিশালি ল্যান্ডমাইন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি ঘিরে রাখা হয়।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি পরে সেনাবাহিনীকে জানানো হয়। এরপর আজ (শনিবার) সকালে ক্যাপ্টেন রিফাতুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫৫ রেজিমেন্ট যশোর সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। দুপুরে সেখান থেকে একে একে ৭টি শক্তিশালী ল্যান্ডমাইন উদ্ধার করেন। এরপর তারা প্রথমে ৪টি এবং পরে বাকি ৩টি ল্যান্ডমাইনও নিষ্ক্রিয় করেন। এ সময় বিকট শব্দ এবং কম্পন অনুভূত হয়। বোমা নিষ্ক্রিয় করা স্থানগুলোতে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৬৮ দিন আগে
‘মশার কয়েল থেকে’ অগ্নিকাণ্ডে কুষ্টিয়ায় দুই কৃষক দগ্ধ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গোয়ালে মশা তাড়াতে জ্বালানো কয়েল থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক কৃষকের গবাদিপশু, বসতঘর ও ঘরে থাকা ফসল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দুই কৃষক।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পূর্ব ফিলিপনগর কাচারিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষক জানবার প্রামাণিকের গোয়ালে মশা তাড়াতে জ্বালানো কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোয়ালঘর ও বসতঘরে। এতে ঘরে থাকা ৪টি গরু, ৪টি ছাগল, একটি মোটরসাইকেলসহ ফসল ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়।
এ ঘটনায় বাড়ির মালিক জানবার প্রামাণিক ও তার ভাই হোসেন প্রামাণিক দগ্ধ হয়েছেন। গবাদিপশু রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আহত হন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ফিলিপনগর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান একরামুল হক বলেন, ‘হঠাৎ আগুন লাগায় পরিবারের সদস্যরা কিছুই রক্ষা করতে পারেননি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তাদের বাড়ির দুই ভাই অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি সবকিছু প্রায় পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গরুর ঘরের কয়েল বা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে নিজের ধারণার কথা জানা এ কর্মকর্তা।
৬৮ দিন আগে
খুলনায় ছিনতাইকারীর গুলিতে প্রাণ গেল আরেক ছিনতাইকারীর
খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় এক ছিনতাইকারীর ছোড়া গুলিতে অপর এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক ব্যবসায়ী।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার স্টিমারঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দৌলতপুরের দেয়াড়া এলাকার মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসায়ী তাহিদুল ইসলাম (২৮) সাইকেলে চড়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দেয়াড়া স্টিমারঘাট-সংলগ্ন পপুলার জুট মিল এলাকায় পৌঁছালে ৩-৪ জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করেন। ছিনতাইকারীরা তাহিদুলের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের বাধা দেন তাহিদুল। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা গুলি ছোড়েন। এতে তাদের নিজেদের এক সহযোগী সাগর গুলিবিদ্ধ হন। পরে অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ সাগরকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সাগরের বাড়ি দিঘলিয়ার দেয়াড়া এলাকায়। এ ঘটনায় আহত তাহিদুল বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, গুলিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ খুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যবসায়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
৬৯ দিন আগে
পদ্মায় বাসডুবি: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে বেঁচে ফিরলেন খোকসার খাইরুল
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসের যাত্রী খাইরুল ইসলাম খাঁ (২৬) বেঁচে ফিরেছেন। তিনি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের মৃত কুদ্দুস খাঁর ছেলে।
নিজের জীবন বাঁচাতে মাত্র ৫ সেকেন্ড সময় পেয়েছিলেন তিনি। বাসটি ডুবে যাওয়ার মুহুর্তে কীভাবে নদীর পানিতে ছিটকে পড়লেন, তা তিনি বলতে পারছেন না, তবে নদী সাঁতরে ডাঙায় ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এক উদ্ধারকারী তার হাতের মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নেন। সেটি আর ফেরত পাননি তিনি।
মুঠোফোন খোয়া গেলেও বেঁচে ফিরতে পেরে শুকরিয়া আদায় করছেন খাইরুল। তার দাবি, বাসটি চালক নিজেই চালাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় বাসচালক আরমান শেখের মরদেহ উদ্ধার হলেও ঘটনার সময় চালকের সহকারী ও সুপারভাইজার বাইরে থাকায় বেঁচে ফিরেছেন।
বুধবার দুপুর আড়াইটায় কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি কয়েক মিনিট দেরিতে খোকসা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে পৌঁছায়। সেখান থেকে দুজন যাত্রী বাসটিতে ওঠে বলে জানান কাউন্টার মাস্টার। দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে বাসটি আবার যাত্রা শুরু করে।
খাইরুল ইসলাম জানান, তার আসন নম্বর ছিল বি-২। তার ঠিক পাশের ছিটে সাদা টি-শার্ট পরা যুবকটিও খোকসা স্ট্যান্ড থেকে আগেই বাসে উঠে বসেছিলেন। তাদের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছানোর পর পাশের সিটের যুবক নেমে যান। কয়েক মিনিট পর আবার তিনি সিটে ফিরে আসেন। খাইরুল তাকে বসতে দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ান। এ সময় তাদের বাসটি ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করছিল।
তিনি বলেন, ‘এ সময় হঠাৎ ঝাঁকুনি লাগে। আমি বাসের দরজা দিয়ে ছিটকে গিয়ে নদীর পানিতে পড়ি। এ সময় হাতেগোনা কয়েকজন বাসযাত্রী নদী সাঁতরে ফেরি ও পন্টুনে উঠে জীবন বাঁচিয়েছেন। তবে নদী সাঁতরে ডাঙায় ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এক উদ্ধারকারী আমার হাতের মুঠোফোনটি নিয়ে নেন। প্রথমে ভেবেছিলাম যে উনি আমাকে বাঁচানোর জন্য হাত বাড়িয়েছেন, কিন্তু তীরে ওঠার পর তাকে আর খুঁজে পাইনি।’
দুর্ঘটনার পর তার পাশের আসনের যুবকটির সঙ্গে আর দেখা হয়নি বলেও জানান তিনি।
খাইরুল আরও জানান, বাসের প্রতিটি আসনে যাত্রীতে ঠাঁসা ছিল। প্রায় প্রত্যেক নারী যাত্রীর সঙ্গে শিশু ছিল। আসনে বসে থাকা কমপক্ষে ৪০ জন নারী ও শিশু ডুবে যাওয়া বাসের মধ্যে আটকা পড়ে। বাসটি চালক নিজেই চালাচ্ছিলেন।
খাইরুল একটি টেক্সটাইল মিলের মেশিনম্যানের চাকরি করেন। ঈদের ছুটিতে তিনি বাড়ি গিয়েছিলেন। সেদিন তিনি কর্মস্থল ঢাকায় ফিরছিলেন।
সৌহাদ্য পরিবহনের খোকসার কাউন্টারের মাস্টার রাকিব বিশ্বাস জানান, বি-১ ও বি-২ আসনের যাত্রীরা খোকসা স্ট্যান্ডের কাউন্টারের যাত্রী ছিল। তাদের একজন জীবিত ফিরেছেন। অজ্ঞাত পরিচয়ের আর এক বৃদ্ধ যাত্রীও উঠেছিল। ওই বৃদ্ধ ও বি-১ আসনের যাত্রী রাজিবের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
রাকিব বিশ্বাসের দাবি, চালককে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ঘটনার সময় তিনি চালকের আসনেই ছিলেন। বেঁচে ফেরা ফারুকের সঙ্গে তিনি কথা বলে তা নিশ্চিত হয়েছেন।
তিনি জানান, চালক আরমানের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাস ফেরিতে ওঠার আগে সুপারভাইজার সিরিয়ালের জন্য নেমেছিলেন আর হেলপার বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাদের বাড়িও রাজবাড়ী জেলায়। তবে কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তা এখনেও নিশ্চিত হতে পারেননি বলে জানান এই কাউন্টার মাস্টার।
কুষ্টিয়া জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার বলেন, সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি রাজবাড়ী জেলার মালিকাধীন। কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে বাসটি ছাড়ে। এর বেশি তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়ার শহরের মজমপুর এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), খোকসা উপজেলার জানিপুর ইউনিয়নের খাগড়বাড়ীয়া গ্রামের হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), একই উপজেলার ধুশুন্দু গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩) ও শমসপুর গ্রামের গিয়াসউদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার (১৩) মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।
৭০ দিন আগে