বিএনপি
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও আজ বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ঘোষিত কমিটিতে রেজাউল কবীর পলকে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং বিল্লাল হোসেন তারেককে এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া মো. কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আল মেহেদী তালুকদারকে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২৯ জন সহ-সভাপতি, ২৮ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রোকনুজ্জামান রোকনকে কোষাধ্যক্ষ, আশরাফ জালাল খান মননকে সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক, আমিনুর রহমান আমিনকে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং খায়রুজ্জামান লিঙ্কনকে সহ-সভাপতির মর্যাদায় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া এ আর মামুন খান ও মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মর্যাদায় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পাঁচজন আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং দুজন স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদকও রয়েছেন।
এক নজরে যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না
২. জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল
৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া
৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী
৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান
৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু
১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান
১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম
১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল
১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার
১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন
১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক
১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল
২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন
২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু
২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক
২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু
২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন
২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ
৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)
৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক
৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ
৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া
৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল
৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন
৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট
৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির
৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন
৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ
৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার
৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক
৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা
৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক
৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন
৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান
৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন
৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক
৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার
৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু
৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ
৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব
৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ
৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)
৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন
৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ
৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন
৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া
৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান
৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি
৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান
৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ
৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ
৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল
৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম
৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল
৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুল হক
৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না
৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা
৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী
৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল
৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার
৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা
৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন
৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব
৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম
৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম
৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি
৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল
৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম
৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ
৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন
৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার
৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান
৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন
১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল
১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন
১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন
১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক
১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি
১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল
১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ
১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম
১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন
১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল
১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম
১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু
১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি
১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু
১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন
১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু
১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল
১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী
১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম
১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান
১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু
১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ
১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার
১২৪. সহ-গ্রামসরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী
১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন
১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী
১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স
১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি
১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান
১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম
১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল
১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান
১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার
১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান
১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া
১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ
১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান
১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার
১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস
১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু
১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু
১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল
১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন
১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক
২ দিন আগে
সরকার ভুল করলে সমালোচনা করুন, তবে চক্রান্ত মেনে নেওয়া হবে না: রিজভী
সরকার ও বিএনপি উভয়ের বিরুদ্ধেই নানা চক্রান্ত চলছে অভিযোগ করে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার ভুল করলে সমালোচনা করার পক্ষে, তবে চক্রান্তের নীলনকশা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২৯ মে) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী আয়োজনের প্রস্তুতি এবং দলের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন সভা-সমাবেশ নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, সরকারের যে ভুলগুলো আছে তা আপনারা ধরিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু চক্রান্ত করা, ষড়যন্ত্র করা এবং নানাভাবে চক্রান্তের ইঙ্গিত দেওয়া এটা এ দেশের মানুষ কখনোই ভালোভাবে নেয়নি, কখনো নেবেও না। বিরোধীদলসহ আরও নানান অপশক্তি যে চক্রান্ত ও হুংকার দিচ্ছে, জনগণই তা প্রতিহত করবে।
এ সময় তিনি বিরোধী দলগুলোর প্রতি ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানান।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস ম্যাডিসনের একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে রিজভী বলেন, রাষ্ট্রের সব লোক ফেরেশতা নয়। সব মানুষ যদি ফেরেশতা হতো, তাহলে সরকারের প্রয়োজন হতো না। সেহেতু অনেকেই আইন ভঙ্গ বা অপরাধ করবে, কিন্তু সরকার সে বিষয়ে ব্যবস্থাও নিচ্ছে। যেমন রামিসার বিষয়টি সামনে আসার পর সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় দুর্যোগ ও দারিদ্র্যসহ সব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। যা যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তার সব কিছুই সরকার বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। তবুও বিরোধীরা চক্রান্তের কথা বলছে।
জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৩০ মে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী, যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পরবর্তীতে তিনি দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে সারা বিশ্বেই তা জানান দেন। তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভালো ছিল না, তিনি পুনরায় সেগুলো সচল করার ব্যবস্থা করেন। বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে একটি বিপ্লব তৈরি করেছিলেন।
এ সময় জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, আগ্রাসী শক্তিরা বুঝতে পেরেছিল যে জিয়া ক্ষমতায় থাকলে এ দেশে আগ্রাসন করা সহজ হবে না, এজন্যই তাকে খুন করা হয়। এরপর আধিপত্যের থাবায় দেশকে আবার বন্ধ করতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার সহধর্মিণী (খালেদা জিয়া) সংগ্রাম করে দেশকে রক্ষা করেন। সেই চক্রান্ত কিন্তু এখনো বন্ধ নেই, এখনো নানান চক্রান্ত চলছে।
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এবার ঈদে সব ধরনের চাঁদাবাজি সরকার কঠিন হাতে দমন করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভালো না হলেও তা খারাপ ছিল না। রাতারাতি সব কিছু বদলে দেওয়া কোনো সরকারের পক্ষেই সম্ভব নয়। তাছাড়া কোরবানির ঈদ শেষ হতেই দ্রুততম সময়ে সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে, তার মানে সরকার কাজ করছে।
৮ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ৩০ মে। এবার নানা কর্মসূচির মাধ্যমের দলের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ করবে বিএনপি।
এ উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে কালো পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে।
শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, শনিবার (৩০ মে) ভোর ৬টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এছাড়া সকাল ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
রিজভী বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং সামাজিক কার্যক্রম।
তিনি জানান, ঢাকা মহানগরের উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে। এসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রতীক। তার আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।
৮ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, পোস্টার প্রকাশ, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে।
তিনি জানান, ঈদুল আজহা মাঝামাঝি সময়ে পড়ায় কোনো কর্মসূচি এক-দুই দিন পিছিয়ে আয়োজন করা হলেও তাতে সমস্যা হবে না।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিন বেলা ১১টায় দলের মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান রিজভী।
১৯ দিন আগে
বিরোধীদল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে: রিজভী
বিরোধীদল সরকারের সমালোচনা করবে, তবে তা গঠনমূলক হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে শনিবার (৯ মে) হতে যাওয়া বিএনপির মতবিনিময় সভার প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে আজ (শুক্রবার) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএনপি এবং এর তিনটি অঙ্গসংগঠন— যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে।
রুহুল কবির রিজভী জানান, সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়া দলের মহাসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সারা দেশের জেলা পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেবেন। তারা সাংগঠনিক এবং সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন। পাশাপাশি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দুই-তিন মাসে যেসব কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং যেগুলো বাস্তবায়নের পথে রয়েছে, সেসব বিষয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিশ্লেষণসহ উপস্থাপন করবেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খননসহ অনেক ভালো কর্মসূচি রয়েছে।’
সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সমালোচনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আমরা ১৬ বছর লড়াই করেছি। কত জীবন চলে গেছে— শিশু, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিকের। গণতন্ত্র মানেই সরকার তার কাজ করবে, আর বিরোধীদল তার সমালোচনা করবে। এটাই মূল এবং এটাই হওয়া উচিত।
‘বিরোধীদল বিভিন্ন সমালোচনা করতেই পারে। তবে সমালোচনাটা যেন গঠনমূলক হয়। সরকারের ভুল থাকলে সেই ভুলগুলো দেখিয়ে দিলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়, রাষ্ট্র আরও কার্যকর ও কর্মক্ষম হয়।’
বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি নিই এবং মিথ্যা কথা বলে যাই, তাহলে সেটা ষড়যন্ত্র। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থেকে এবং ক্ষমতার বাইরেও অনেক মিথ্যা কথা বলেছেন। যদি সেই ধরনের রাজনীতি হয়, তাহলে সেটা ষড়যন্ত্রের মধ্যেই পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধীদল গঠনমূলক থাকলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। জনগণ যদি মনে করে বিরোধীদলের কথা ইতিবাচক, তাহলে জনগণই সেটার মূল্যায়ন করবে। জনগণই হচ্ছে চূড়ান্ত বিচারক। সামনের নির্বাচনে জনগণই বিবেচনা করবে সরকার সঠিক কাজ করেছে কি না।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের সভাপতি মাহফুজ কবির মুক্তা, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
২৯ দিন আগে
নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের জনসভা শুরু
মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের শ্রমিক সমাবেশ শুরু হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে দলে দলে নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন।
শুক্রবার (১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির সূচনা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং শ্রমিক নেতারা এতে বক্তব্য দেবেন।
বিরূপ আবহাওয়া এবং রাতভর বৃষ্টিতে ঢাকার অনেক রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়লেও সকাল থেকেই মানুষ সভাস্থলে আসতে শুরু করেছে। আয়োজকরা মনে করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় আরও বাড়বে। সমাবেশস্থলে একটি ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে নিরাপত্তা কর্মীরা পুরো এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছেন।
শ্রমিক দল সূত্রে জানা গেছে, আজ ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ থাকবে এবং যানবাহন বিকল্প পথ দিয়ে যেতে হবে। জরুরি সেবা, বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জনসভায় আসা দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প এবং ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও সব আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়েছে। মঞ্চ প্রস্তুত এবং সভাস্থলে পর্যাপ্ত সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর শিল্পাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ অন্যান্য শিল্প জেলা থেকে শ্রমিকরা এতে অংশগ্রহণ করবেন।
দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে লাল গালিচা বিছানো হয়েছে। উত্তরমুখী এই মঞ্চের দুই পাশে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়াউর রহমান, প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ফকিরাপুল, পল্টন এবং কাকরাইল এলাকাজুড়ে ১৫০টিরও বেশি লাউডস্পিকার লাগানো হয়েছে।
এই জনসভাকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেককে লাল টুপি ও টি-শার্ট পরে, ব্যানার হাতে এবং ঢোল বাজিয়ে সভাস্থলে আসতে দেখা গেছে।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন, যার ফলে পুরো এলাকা স্লোগান ও করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে।
সকালে ভারী বৃষ্টির কারণে নয়াপল্টনের কিছু অংশ জলমগ্ন হয়ে পড়লেও দুপুরের আগেই পানি নেমে যায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর এটিই রাজধানীতে বিএনপির প্রথম কোনো বড় ধরনের দলীয় কর্মসূচি।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আশা প্রকাশ করেন যে, এই কর্মসূচি উপলক্ষে ঢাকায় শ্রমিকদের এক বিশাল ঢেউ নামবে।
ন্যায্য মজুরি, শ্রমের মর্যাদা এবং আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে ১৮৮৬ সালে শিকাগোতে যেসব শ্রমিক জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, মে দিবস তাদের সেই আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। শ্রমিকদের অধিকার ও সংহতির প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালিত হয়।
৩৬ দিন আগে
মে দিবসের সমাবেশের জন্য প্রস্তুত নয়া পল্টন, ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
ঐতিহাসিক মে দিবস উপলক্ষে বিএনপির বিশাল জনসভার জন্য নয়াপল্টন এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আজ শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই জনসভা শুরু হবে। এটি আয়োজন করছে বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দলটি আশা করছে, এই সমাবেশে লক্ষাধিক শ্রমিকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ঘটবে। জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং শ্রমিক নেতারা এতে বক্তব্য দেবেন।
জনসভার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বৈঠক করা হয়েছে।
বিরূপ আবহাওয়া এবং রাতভর বৃষ্টিতে ঢাকার অনেক রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়লেও সকাল থেকেই মানুষ সভাস্থলে আসতে শুরু করেছে। আয়োজকরা মনে করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় আরও বাড়বে। সমাবেশস্থলে একটি ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে নিরাপত্তা কর্মীরা পুরো এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছেন।
শ্রমিক দল সূত্রে জানা গেছে, আজ ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ থাকবে এবং যানবাহন বিকল্প পথ দিয়ে যেতে হবে। জরুরি সেবা, বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জনসভায় আসা দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প এবং ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সত্ত্বেও সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও সব আয়োজন চূড়ান্ত করা হয়েছে। মঞ্চ প্রস্তুত এবং সভাস্থলে পর্যাপ্ত সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন জানান, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর শিল্পাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, আমরা দুপুর আড়াইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভা শুরু করব। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ অন্যান্য শিল্প জেলা থেকে শ্রমিকরা এতে অংশগ্রহণ করবেন।
দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে লাল গালিচা বিছানো হয়েছে। উত্তরমুখী এই মঞ্চের দুই পাশে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়াউর রহমান, প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ফকিরাপুল, পল্টন এবং কাকরাইল এলাকাজুড়ে ১৫০টিরও বেশি লাউডস্পিকার লাগানো হয়েছে।
এই জনসভাকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেককে লাল টুপি ও টি-শার্ট পরে, ব্যানার হাতে এবং ঢোল বাজিয়ে সভাস্থলে আসতে দেখা গেছে।
সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন, যার ফলে পুরো এলাকা স্লোগান ও করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে।
সকালে ভারী বৃষ্টির কারণে নয়াপল্টনের কিছু অংশ জলমগ্ন হয়ে পড়লেও দুপুরের আগেই পানি নেমে যায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর এটিই রাজধানীতে বিএনপির প্রথম কোনো বড় ধরনের দলীয় কর্মসূচি।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আশা প্রকাশ করেন যে, এই কর্মসূচি উপলক্ষে ঢাকায় শ্রমিকদের এক বিশাল ঢেউ নামবে।
ন্যায্য মজুরি, শ্রমের মর্যাদা এবং আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে ১৮৮৬ সালে শিকাগোতে যেসব শ্রমিক জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, মে দিবস তাদের সেই আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। শ্রমিকদের অধিকার ও সংহতির প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালিত হয়।
৩৬ দিন আগে
বহিরাগত দিয়ে রাবি ছাত্রদল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ কর্মীর বিরুদ্ধে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিরাগতদের দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শাওন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক ডিজাইন ডিসিপ্লিনের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। অভিযুক্ত আকাশ একই ডিসিপ্লিনের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, শাওন মোটরসাইকেলে করে চারুকলার দিকে যাওয়ার সময় আকাশসহ কয়েকজন তাকে থামান। একপর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মেরে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেওয়া হয়।
শাওনের অভিযোগ, হঠাৎ করেই তার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর একদিন আকাশ চারুকলার মঞ্চে ধূমপান করছিলেন। সেখানে উপস্থিত সিনিয়র শিক্ষার্থীদের স্থান ছাড়তে বললে বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এছাড়া আকাশ বিভিন্ন ঘটনায় তার নাম ব্যবহার করতেন বলেও অভিযোগ করেন শাওন।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পূর্ব বিরোধের জেরে বহিরাগতদের এনে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে একজন বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪০ দিন আগে
জামায়াত এমপির গাড়িতে হামলা, বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপি ও ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, রবিবার (২৬ এপ্রিল) তাদের বহিষ্কার করা হয়। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি নেতাকে বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহম্মেদ বাবুকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্বধলা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহম্মেদকে তার পদ থেকে এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবিরকে প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। একইসঙ্গে সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্বধলায় একটি ফিলিং স্টেশনে সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা ও তার ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দলীয়ভাবে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
৪০ দিন আগে
বিএনপির কর্মকাণ্ডের ওপর ধূম্রজাল সৃষ্টির প্রচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও তার দল জামায়াতে ইসলামী কখনোই সুষ্ঠুভাবে চিন্তা করে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, বিভিন্নভাবে বিএনপির কর্মকাণ্ডের ওপর ধূম্রজাল সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে; বিভেদ সৃষ্টি করার পাঁয়তারা চলছে। ৫ আগস্টের পর দেশের গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, সেটি নষ্ট করার অপচেষ্টা চলছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথ সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন— বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, তিনি বা তার দল কখনোই সুস্থভাবে চিন্তা করেন না।
তিনি বলেন, সমগ্র পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পর্যবেক্ষক, বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠান ও পত্রপত্রিকা-মিডিয়া এক বাক্যে স্বীকার করেছে যে, এই নির্বাচনটি ছিল বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে সবচেয়ে নিরপেক্ষ, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন। সেই সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়েই জনপ্রিয়তা যাচাই করে বিএনপি ২১৩টি আসন লাভ করে সরকার গঠন করার সুযোগ পেয়েছে। সুতরাং জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্য আমরা শুধু প্রত্যাখ্যানই করছি না, নিন্দা জানাচ্ছি এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে বিভিন্নভাবে বিএনপির কর্মকাণ্ডের ওপর ধূম্রজাল সৃষ্টির প্রচেষ্টা চলছে; বিভেদ সৃষ্টি করার পাঁয়তারা চলছে। ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ আমরা পেয়েছি, সেই প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে দিয়ে তারা (জামায়াত) দেশে আবার একটি ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচারী শাসনের পাঁয়তারা করছে কি না, সেটা দেশবাসীকে চিন্তা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তাদের (জামায়াত) অতীত ইতিহাস আমরা সবাই খুব ভালো করে জানি। সেই কারণেই সমগ্র জাতি অত্যন্ত সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবেই কাজ করতে হবে।’
আগামী ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে সমাবেশ করবে বিএনপির সহযোগী সংগঠন শ্রমিক দল। ওই দিন নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা আড়াইটায় এই সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।
দলীয় সমাবেশ সফল করার জন্য সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, ঢাকাতে আমরা এই দিবসটিকে একটি উৎসবের দিন এবং একইসঙ্গে রাজনৈতিক শপথ গ্রহণের দিন হিসেবে নিতে চাই। জেলা ও উপজেলা ইউনিটগুলোকেও একইভাবে দিবসটি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ প্রথম থেকেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াকে অনৈতিকভাবে ব্যবহার করে অফুরন্ত মিথ্যাচার, প্রোপাগান্ডা ও ফেক ইনফরমেশন ছড়িয়ে বিএনপিকে জনগণের কাছ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে; কিন্তু তারা সফল হয়নি।
তিনি আরও বলেন, এখনো দেখবেন, বিভিন্ন কার্টুন তৈরি করে দেশে একটা অস্থিতিশীল ও অনিশ্চিত অবস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে। ছাত্র রাজনীতিতেও এ ধরনের কলুষিত অবস্থা তৈরির প্রচেষ্টার আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলাদেশের স্বাধীন ও সচেতন ছাত্র সমাজ এবং জনগণ বরাবরই অপরাজনীতিকে পরিহার করেছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপকর্ম তারা প্রতিরোধ করবে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়কারী ও সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন ও বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু।
৪২ দিন আগে