বিএনপি
ব্রিকস সামিটে না গিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন তারেক রহমান: রিজভী
ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রী। তো তাকে আপনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দাওয়াত দেবেন না? সে গিয়ে ওখানে সাইডলাইনে বসবে? এটা তো হতে পারে না। উনি যাননি। এই না যাওয়ার মধ্যে যে গর্বের জায়গা তৈরি করেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন গোটা জাতির সামনে, গৌরব তৈরি করেছেন জনাব তারেক রহমান।’
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘পতিত স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ভারতের ইন্ধনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’—এর প্রতিবাদে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে রিজভীর প্রশ্ন
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানোর পর ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট নষ্ট হওয়ার খবর আসে।
তিনি বলেন, ‘১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। তারপরেই তারা বলল, তাদের সুইচ, এদের সুইচ আছে ভারতের ঝাড়খণ্ডে। সেই সুইচ তারা যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারে, চালু করতে পারে। তারা ঘোষণা দিল যে, এই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে।’
এ ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বিষয়টি বুঝতে বিশেষ কোনো ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না।
তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের কাছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আশ্রয় পেয়েছেন এবং বাংলাদেশ সরকার তাদের হস্তান্তরের জন্য বারবার আহ্বান জানিয়েছে।
রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার বারবার বলেছে তাকে হস্তান্তর করার জন্য। আপনারা হস্তান্তর করছেন না।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের আদালতে যাদের বিচার চলছে, তাদের হস্তান্তর না করার বিষয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী অভিযোগ করেন, প্রকাশ্যে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে সৌহার্দ্যের কথা বলা হলেও আড়ালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও মালয়েশিয়া গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তিনি বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন।
মির্জা আব্বাসের একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল ইউএনবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোহেল বলেন, মির্জা আব্বাস নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস এবং ছেলে মির্জা ইয়াসীর আব্বাস সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, মির্জা আব্বাস মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে শারীরিক পরীক্ষা করাবেন। ইতোমধ্যে চিকিৎসকসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
দেশবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে বলে জানান সোহেল।
এর আগে, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। সেবার প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর তিনি দেশে ফিরেছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
সংকটে দেশ উদ্ধারের দায়িত্ব মানুষ বিএনপিকেই দেয়: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
দেশ যখনই কোনো কঠিন সংকটে পড়ে, তখন দেশের মানুষ সেখান থেকে উত্তরণের দায়িত্ব বিএনপির ওপরই দেয় বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেছেন, সংকটকালে দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষায় সঠিক নেতৃত্ব দেওয়াই বিএনপির প্রধান দায়িত্ব। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে দলের অভ্যন্তরে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের সতর্ক করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে তার চূড়ান্ত লাভ হবে ‘গুপ্ত ও পলাতক বাহিনীর’।
তিনি বলেন, ‘দল না থাকলে পদের কোনো দাম নেই। আর ডিসিপ্লিন না থাকলে কোনো সংগঠন কখনোই সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই সবাইকে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকতে হবে।’
বক্তব্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আমাদের কঠিন সময় পার করতে হবে।’ এ সময় দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে সভায় লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুলসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
এ সময় জেলার পাঁচ উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
প্রতিশোধপরায়ণ হইনি, হতে চাই না: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘আমরা প্রতিশোধপরায়ণ এখনও হইনি, আমরা হতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের মানুষের সুশাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় কাজ করে যাব।’
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের বিষয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীকে দলীয় দাসত্বে পরিণত করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের পর পুলিশ বাহিনীকে মানসিক শক্তি ও সাহস জোগাতে হয়েছে। তারা এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছে এবং করে যাচ্ছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ শুধু দেশের গুটিকয়েক মানুষ করছে না; প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকেও মাদকের চালান আসছে।
দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতি দুইভাবে হয়—একটি অর্থনৈতিক, অন্যটি বুদ্ধিবৃত্তিক। এই দুই ধরনের দুর্নীতি আমাদের বন্ধ করতে হবে।
রাজনৈতিক বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিশোধপরায়ণ এখনো হইনি, আমরা হতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের মানুষের সুশাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় কাজ করে যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেমন মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলছি, তেমনি রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধেও কথা বলছি। সেই পথে বিএনপির কোনো নেতা যদি বাধা হয়ে দাঁড়ান, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন রয়েছে, সেটাকেও আমরা বিবেচনায় নেব না। আমরা কোনো রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নকে প্রশ্রয় দিতে চাই না।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার বাদী হতো পুলিশ। ৫ আগস্টের পর পুলিশ বাদী হয়ে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা করেছে—এমন একটি উদাহরণও নেই। তবে কোনো ব্যক্তি মামলা করলে পুলিশ তা নিতে অস্বীকার করতে পারবে না; বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। এই ব্যালান্সের জায়গায় আমরা এসেছি। আগের মতো মিথ্যা গায়েবি মামলা আর নেই।
মতবিনিময় সভায় জেলার সংসদ সদস্যরা, জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা প্রশাসকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
বিকেলে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে আইনমন্ত্রীর।
৩ দিন আগে
তারেক রহমান গণতান্ত্রিক ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন: মুরাদ
ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ বলেছেন, মা-বাবার আদর্শ ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন গণতান্ত্রিক ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির সামনে আবির্ভূত হয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধামরাই উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর আয়োজনে শোভাযাত্রার আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি মুরাদ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীনতার পতাকা ছিনিয়ে এনেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে দেশের ইতিহাসের এক সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
দেশের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে জিয়াউর রহমানকে শহিদ হতে হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে।
জিয়াউর রহমানের অবর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের হাল ধরেন বলেও উল্লেখ করেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৯ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্রের মধ্যেও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি তিনবার জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়েছে উল্লেখ করে মুরাদ বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্রক্ষমতায় গেছে, তখনই আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতিসহ নানা সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতিসহ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে তারেক রহমানও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মা-বাবার মতো প্রধানমন্ত্রীও সফল হবেন।
শোভাযাত্রাটি ধামরাই উপজেলা চত্বর হয়ে ধামরাইয়ের যাত্রাবাড়ী এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ধামরাই পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু তাহের মুকুটের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা অধ্যাপক এম এ জলিল, এনায়েত হোসেন, আব্দুস সালাম, ইবাদুল হক জাহিদ, খুররম চৌধুরী টুটুলসহ আরও অনেকে।
৪ দিন আগে
আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহে বারবার বিঘ্ন নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর
ভারতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বারবার বিঘ্নের পেছনে নাশকতা বা কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি আরও বলেন, ‘সেটার একটা ইউনিট নষ্ট। সেখান থেকে যে বিদ্যুৎ আসে, সেটা সরবরাহে বিঘ্নিত হচ্ছে। কত দিক থেকে সংকট!’
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১২ দলীয় জোট আয়োজিত ‘দেশের চলমান সংকট ও দেশপ্রেমিক শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এখন আমার কাছে একটা জিনিস মনে হয় যে, কোনো ঘটনা আছে কি না? একটা রহস্য আছে কি না? কোনো সাবোটাজ হচ্ছে কি না কোথাও? এটা মানুষের মনে—আমার শুধু নয়, সব মানুষের মনে এই প্রশ্নটি দেখা দিয়েছে। যে কেন এখন একটার পর একটা কারিগরি ত্রুটি হচ্ছে, কোথাও একটা ইউনিট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘এই বিষয়গুলো আমাদের সবাইকে ভাবিয়ে তুলছে। কেন এই পরিস্থিতি তৈরি করা হবে? জনকল্যাণমুখী যে কর্মসূচিগুলি, সে কর্মসূচিগুলোতে বাধা দেওয়ার জন্যই কি নানা ধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে কি না—সেটা সবাইকে ভাবিয়ে তুলছে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে যে অর্থ পাওনা থাকে, তা সরকার কিস্তিতে পরিশোধ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় ভারতকেও পাওনা পরিশোধ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তাহলে এটা হচ্ছে কেন? মানুষের মনে যে প্রশ্নটা—সেই প্রশ্নটির কথা আমি আপনাদের সামনে এখানে তুলে ধরলাম।’
দেশ একটি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, ‘যে পরিস্থিতির মধ্যে দেশ আছে, সেটা আমি বলব যে একটি সংকট এবং সে সংকটটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এবং কোথাও কোনো কনস্পিরেসি হচ্ছে বলে আমার কাছে কেন জানি মনে হচ্ছে! অনেকে হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন, আপনি কীভাবে বলছেন? কিন্তু আমার সবকিছু—বাস্তবতা এবং বিরাজমান ঘটনাগুলো দেখে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে, কোথাও কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না? কোথাও কোনো চক্রান্ত হচ্ছে কি না?’
তিনি আরও বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও এ ধরনের ঘটনা দেখা গিয়েছিল। এসব ঘটনা একটি সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম, যার মধ্যে জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমও রয়েছে, তা ব্যাহত করতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
রিজভী প্রশ্ন তোলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে কোনো ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে কি না।
এছাড়া নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল কীভাবে আবার প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো করতে পারল, সেই প্রশ্নও তোলেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখছেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল হঠাৎ করে উঁকি মারার চেষ্টা করছে। কিন্তু করছে কীভাবে? এখানে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কী করছে? এত বড় একটি... তারা মানুষ জড় করল এতগুলো! তো গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানে না? পুলিশ প্রশাসন—তারা কী করছেন?’
রংপুরে একই হিন্দু পরিবারের চার সদস্য হত্যার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে তাদের আইনের মুখোমুখি করেছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদের কোনো সুযোগ যেন এ দেশে না হয়। যদি ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঘটে, তবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণমানুষের অধিকার চরম হুমকির মুখে পড়বে।’
৪ দিন আগে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে দেশব্যাপী দুই দিনব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর (রবি ও সোমবার) সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মশার প্রজননস্থল বিনষ্ট, সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৪ দিন আগে
ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সব অপকর্ম সমাজ থেকে মুছে দেব: রিজভী
ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ সমাজের সব ধরনের অপকর্ম মুছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেছেন, ‘এই সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন—যত ধরনের অপকর্ম, আমরা এটা মুছে দেব। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল সেই কাজ করবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বের যে সরকার, সেই সরকার নারীদের সমস্ত নাগরিক মর্যাদা, নারীদের বেঁচে থাকা, নারীদের আইনি অধিকার—প্রত্যেকটি নিশ্চিত করবে।’
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র্যালির আগে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে। নারীদের মানসিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকার বিভিন্ন প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতারা রাষ্ট্র পরিচালনায় সমানভাবে দক্ষ উল্লেখ করে রিজভী বলেন, জেলা পর্যায়ে, মহানগর পর্যায়ে বা কেন্দ্রে, তাদের নেতারা কেউ অযোগ্য নয়। তারা অত্যন্ত যোগ্যতাসম্পন্ন। এরা একটি রাষ্ট্র পরিচালনায় তারাও সমানভাবে দক্ষ।
তিনি বলেন, এখন মানুষ নির্বিঘ্নে কথা বলতে ও চলাচল করতে পারছেন এবং নারীরাও নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদসহ সংগঠনের নেত্রীদের অতীতের নির্যাতনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কি মনে নেই? এই আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ এবং আপনাদের এখানকার অনেক নেত্রীরা কতবার কারাগারে গেছেন? কতবার রিমান্ডে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে? কতবার অত্যাচারিত হয়েছেন? কত নির্মমভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?’
এসব নেত্রীকে কীভাবে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হতো, সেখান থেকে আদালতে তোলা হতো এবং পরে মাসের পর মাস কারাগারে আটকে রাখা হতো, তা স্মরণ করিয়ে দেন রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার—এই সরকারে আপনাদেরও রক্ত-ঘাম আছে। অতএব এই সরকারের অংশ আপনারাও।’
জাতীয়তাবাদী মহিলা দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রিজভী বলেন, এটি সংগঠনের জন্য গর্বের বিষয়। দলের কর্মসূচি ও সরকারের কার্যক্রমের দিকে নজর রেখে জনগণের জন্য এবং সামাজিক সুরক্ষায় সরকার কী অবদান রাখছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
৪ দিন আগে
১৭ বছর মতপ্রকাশের সুযোগ ছিল একজন ও এক দলের: রিজভী
গত ১৭ বছরে দেশে অনেক টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্র থাকলেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কার্যত একজন ব্যক্তি ও একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ডিআরইউ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘গত ১৭ বছরে দেখলাম, অনেক টেলিভিশন ছিল, অনেক পত্রিকা ছিল। কিন্তু কথা বলা হবে, মত প্রকাশ হবে শুধু একজন ব্যক্তির, একটি রাজনৈতিক দলের।’
তিনি আরও বলেন, ওই কাঠামোর বাইরে মতপ্রকাশের চেষ্টা যারা করেছেন, তাদের কেউ গুমের শিকার হয়েছেন, আবার কেউ কারাগারে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। ‘ভয়াবহ ছিল সেই রূপ,’ বলেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘মিডিয়াগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণে, টকশো তাদের নিয়ন্ত্রণে, টকশো হোস্ট যারা করছেন তাদের নিয়ন্ত্রণে। সামাজিক গণমাধ্যমকে তারা নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন।’
তবে ওই সময় মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা গণতন্ত্রের আলো কিছুটা জ্বালিয়ে রেখেছিলেন বলে প্রশংসা করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক যারা মাঠপর্যায়ে ছিলেন, তারা কেবল ধিকি ধিকি করে জ্বলছিলেন। গণতন্ত্রের আলো কিছুটা তারা জ্বালিয়ে রেখেছেন, যারা এখানে অনেকেই বসে আছেন। তারা ওই পরিস্থিতির মধ্যেও চেষ্টা করেছেন।’
বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংগ্রামে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘যে সময়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবদমিত ছিল, কথা বলা ছিল পাপ এবং সরকারের বিরুদ্ধে যায়—এমন কথা বলা ছিল ঘোরতর অন্যায়, সেই সময় আমরা যতটুকু পরিসর পেয়েছি, ডিআরইউ তা প্রচার ও প্রকাশ করতে কখনও দ্বিধা করেনি।’
ওই সময়ে সাংবাদিকেরাও চাপের মুখে ছিলেন উল্লেখ করে রিজভী বলেন, অনেক সাংবাদিককে দমনমূলক কালো আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় নিগৃহীত হতে হয়েছে। জেল-জুলুমও খাটতে হয়েছে।
তবে এখন দেশে মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, এখন সবাই স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশের সুযোগ পাবেন।
রিজভী বলেন, ‘যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন এবং সরকারের বাইরে থাকা বিরোধী দল—তারা মুক্ত কণ্ঠে সমালোচনা করবেন। সরকারের কাজগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। এইভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।’
এছাড়া গণতান্ত্রিক এই অঙ্গীকারের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের কথা উল্লেখ করেন রিজভী।
৫ দিন আগে
শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি
দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আগামী শনিবার রাতে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান আজ (বৃহস্পতিবার) ইউএনবিকে জানান, শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে শুনেছেন।
সর্বশেষ গত ১ আগস্ট রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়েছিল। সরকার গঠনের পর এটি হবে স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
গত ১৫ আগস্ট চারজন নতুন সদস্যকে জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে বিএনপি। নতুন সদস্যদের নিয়ে এবার প্রথম বৈঠক হবে।
নতুন সদস্যরা হলেন রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহউল্লাহ।
৫ দিন আগে