বিএনপি
জামায়াত দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলাম এই দেশটাকে আফগানিস্তান বানাতে চায়। ওরা বাংলাদেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। ওরা এমন একটা দল যারা আমাদের সামনের দিকে যেতে বাধা দেয়। আমরা পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢোলারহাট ইউনিয়নের লালমিয়া মার্কেটে নির্বাচনি প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, জামায়াতের আমির মহিলাদের বিরুদ্ধে নাকি কথা বলেছেন। আমি জানি না এটা সত্য না মিথ্যা। যদি এটা তিনি বলে থাকেন, তাহলে অন্যায় করেছেন। মহিলারা কখনোই এটা মেনে নিতে পারবে না।
তিনি বলেন, জামায়াত ইসলাম মহিলাদের কাজ করতে দিতে চায় না; বলে—মহিলারা ঘরে থাকবে, কাজ করবে কি? গার্মেন্টসের মহিলাদের বলেছে যে ৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করা যাবে না। তারা কাজ না করলে খাবে কী?
নারীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মেয়েরা যদি স্কুল-কলেজে না যায়, পড়াশোনা না করে, তাহলে চাকরি পাবে কোথায়? কোনো সরকার কাজ না করলে কাউকে টাকা দেবে না—এটা বাটপারি।
তিনি আরও বলেন, নারী-পুরুষ সমান অধিকার নিয়ে বাংলাদেশে বাস করবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা বেশি। ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, মেয়েদের যে প্রাপ্য অধিকার, সেটা প্রদান করতে হবে।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১২২ দিন আগে
অস্বাভাবিক ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ বিএনপির, সিইসির কাছে আসনভিত্তিক তথ্য দাবি
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু নির্বাচনি এলাকায় অস্বাভাবিক সংখ্যক ভোটার স্থানান্তরিতের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে এলাকাভিত্তিক ভোটার স্থানান্তরের বিস্তারিত তথ্য দাবি করেছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গত এক-দেড় বছরের মধ্যে বিশেষ কিছু এলাকায় বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার হয়েছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। ইসি জানিয়েছে কোনও আসনেই ২ থেকে ৩ হাজারের বেশি মাইগ্রেশন হয়নি। কিন্তু আমরা এই তথ্যে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, অনেক জায়গায় একটি হোল্ডিং নাম্বারে যেখানে ৫ জন থাকার কথা, সেখানে ২০-৩০ জন ভোটার করা হয়েছে।” তিনি এই মাইগ্রেশনের সঠিক ও আসনভিত্তিক তথ্য প্রকাশের দাবি জানান।
নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘কোনও কোনও এলাকায় ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগকে আহত করা হচ্ছে। প্রচার করা হচ্ছে যে কবরে ফেরেশতারা তিনটি প্রশ্নের বদলে চারটি প্রশ্ন করবেন; চতুর্থ প্রশ্ন হবে—অমুক প্রতীকে ভোট দিয়েছো কিনা? এটি হাস্যকর এবং চরম দুর্ভাগ্যজনক। মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।
১২৩ দিন আগে
এবারের নির্বাচনকে কেউ বন্ধ করতে পারবে না: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত সময়ে আমরা নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হতে দেখেছি। কিছু লোক থাকবেই নির্বাচনকে বানচাল করতে। কিন্তু আমার বিশ্বাস এবারের নির্বাচনকে কেউ বন্ধ করতে পারবে না, বানচাল করতে পারবে না।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহম্মদপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ আজ জেগে গেছে। আগের নির্বাচনগুলিতে তারা ভোট দিতে পারেনি। তাই এবার তারা পণ করেছে সামনের নির্বাচনে তারা ভোট দিয়েই ছাড়বে। আপনারাই ভোট পাহারা দেবেন—হিন্দু-মুসলিম সবাই যেন একজোট হয়ে ভোট দিতে পারেন।
বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এরকম নেতা আমরা চাইনা, যে নেতা অসংখ্য নেতা-কর্মীদের ছেড়ে পালিয়ে যায়। আমরা কোনো চোর-ডাকাতের দল করি না। আমরা শহিদ জিয়ার দল করি। আমাদের একটা আদর্শ আছে।
নিজ নেতা-কর্মীদের হয়ে মাফ চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের ছেলেরা নির্বাচনি কাজে যদি আগ বাড়িয়ে কিছু করে তাহলে তাদের ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ কিছু করে থাকলে তাদের হয়ে আমি ক্ষমা চাচ্ছি আপনাদের কাছে।
সভায় এক সমর্থকের দেওয়া ডিম ও মাটির ব্যাংক পেয়ে আবেগে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মার্কা ধানের শীষ। ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনারা এ মার্কায় আমাকে ভোট দিয়ে শেষবারের মতো জনগণের সেবা করার সুযোগ করে দেবেন।
নির্বাচনি পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১২৩ দিন আগে
নারীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যে জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে ঢাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নিয়ে করা ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এই মিছিল শুরু হয়। ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
গতকাল (শনিবার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করা হয়। নারীদের নিয়ে ওই পোস্টে ব্যবহৃত ভাষা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে নারীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় তারা ‘শফিক তুই জানিস নাকি, দেশের শক্তি অর্ধেক নারী’, ‘এমন হ্যাকার করলো হ্যাক, বেশ্যা ডেকে আইডি ব্যাক’, ‘শফিক তুই ক্ষমা চা, নারী নয় পতিতা’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
১২৩ দিন আগে
সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিএনপি।
বৈঠকটি আজ (রবিবার) দুপুর ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শুরু হয়।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেন।
দলের অন্য সদস্যরা হলেন— বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।
১২৪ দিন আগে
আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বগুড়া থেকে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবুনপুরে আবু সাঈদের গ্রামে যান তিনি। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন, মা মনোয়ারা বেগম, ভাই আবু হোসেন সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেন, রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেকসহ রংপুর জেলা ও পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন এবং তার বিদেহী আত্মর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন।’
‘আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আজ দেশের সব মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যই শুধু নয়, আবু সাঈদ শিখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়তে হয়, সেই শিক্ষাও আবু সাঈদ শিখিয়ে গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘কেবল আবু সাঈদকে মৃত্যু দিবসে স্মরণ এবং তার কবর জিয়ারতের মধ্যে থাকলেই চলবে না, তার আত্মাত্যাগের শিক্ষাটাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য আমাদের সবাইকে উজ্জীবিত হতে হবে। তাহলেই আমার মনে হয়, আবু সাঈদের আত্মা শান্তি পাবে।’
আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে।
কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান রংপুরের ঈদগা মাঠের উদ্দেশে রওনা দেন। দীর্ঘ ২০ বছর পর বিএনপি চেয়ারম্যান রংপুরে গেলেন।
১২৫ দিন আগে
পৈতৃক জমি বিক্রি করে রাজনীতি করছি, ব্যবসা করতে আসিনি: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি কখনো রাজনীতিকে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেননি; বরং রাজনীতির খরচ জুগিয়েছেন পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে। নিজের সততা ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা, বাড়িঘর বিক্রি করে রাজনীতি করছি। এটা আপনারা ভালো করেই জানেন।’
বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের চণ্ডীপুরসহ কয়েকটি এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আবেগাপ্লুত হয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনে আপনারা মা–বোনেরা ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকার মালা বানিয়ে আমাকে দিয়েছিলেন। আমাকে নির্বাচিত করেছিলেন। আমি আপনাদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘জমিজমাগুলো ছিল আমার বাবা চখা মিয়ার (মির্জা রুহুল আমিনের)। অর্ধেকের বেশি জমি শেষ—বেচে দিতে হয়েছে। এমনকি বাড়ির সামনের জমিটাও বিক্রি করতে হয়েছে।
‘আমি নিজে কখনো দুর্নীতিতে জড়াইনি। রাজনীতি ব্যবহার করে কখনো অর্থ উপার্জন করিনি। আমার স্ত্রী ও সন্তানরা অত্যন্ত কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে, সংসার চালিয়েছে।’
নিজের সাদামাটা জীবনযাত্রার কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ঢাকায় আমি যে গাড়িটিতে চড়ি, সেটি ২০ বছর আগের পুরনো। এখন পর্যন্ত সেই গাড়িটা বদলাতে পারিনি। আমরা কোনো দয়া বা ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে বাঁচতে চাই না; বরং কাজের সুযোগ ও আত্মনির্ভরশীলতার ওপর জোর দিচ্ছি।’
গত দেড় দশকের রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৫ বছর ধরে আমরা কোনো কথা বলতে পারিনি। আমাদের পিটিয়েছে, মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে অস্থির করে রেখেছে। সেই দুঃসময় পার করে এসেছি। এখন সময় ঘুরে দাঁড়ানোর।
প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচিত হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিমানবন্দর চালু ও মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। কৃষিমন্ত্রী থাকার সময় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প, গভীর নলকূপ চালু ও কৃষি উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
জামায়াতে ইসলামের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং এখনও ক্ষমা চায়নি, তারা দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারবে না। তার ভাষায়, জামায়াতে ইসলাম শুধু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতা করেনি; ইতিহাস বলছে, তারা ১৯৪৭ সালেও পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছিল।
মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক মানুষ এসব ইতিহাস জানেন না, কিন্তু বইপত্রে এর সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। ‘যে দল বাংলাদেশ রাষ্ট্রকেই বিশ্বাস করেনি, তারা কি এই দেশকে নিরাপদে রাখতে পারবে? তারা ক্ষমতায় গেলে কি এ দেশের মানুষ ভালো থাকবে?’—প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘যে দল অতীতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং এখনও সে ভূমিকার জন্য ক্ষমা চায়নি, এমন দলকে সমর্থন করা যায় না। যারা বাংলাদেশের ক্ষতি করেছে, তাদের কখনোই ভোট দেওয়া উচিত নয়।’
স্থানীয় উন্নয়নের প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কোনো এলাকা তখনই এগোয়, যখন সেখান থেকে ভালো, সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব তৈরি হয়। নেতৃত্ব ভালো হলে উন্নয়ন আসবেই।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘ ১৭ বছরে ১১৭টি মিথ্যা মামলা ও নানা নির্যাতনের শিকার হলেও জনগণ থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হননি বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি আসন্ন নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেন।
১২৬ দিন আগে
রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারেজ পুনরুজ্জীবিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লবকে টেকসই করতে থমকে যাওয়া পদ্মা ব্যারেজ ও বরেন্দ্র প্রকল্প উন্নয়ন পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতি নিয়ে এই মেগা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত বিশাল সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে যে বিশাল সেচ প্রকল্পের নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা, গত ১৬ বছরে সেটি পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে আজ সেই প্রকল্প বন্ধপ্রায়। আমরা পদ্মা ব্যারেজের কাজে হাত দিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঐতিহাসিক প্রকল্পটিকে আবার পূর্ণ শক্তিতে সচল করা।
উত্তরবঙ্গের কৃষকদের আশ্বস্ত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই সেচব্যবস্থা শুধু রাজশাহীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই প্রকল্পের সুবিধা রাজশাহী থেকে শুরু করে সেই পঞ্চগড় পর্যন্ত কৃষকরা যেন পায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।
তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে বাংলাদেশ। আমরা চাই উত্তরের প্রতিটি প্রান্তরে সেচের পানি পৌঁছে যাক, যাতে আমাদের মায়েরা ও কৃষাণীরা সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পান।
তারেক রহমান বলেন, কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। এজন্য আমরা কৃষি কার্ড দেব। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সূদসহ মওকুফ করব।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিদের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে আম সংরক্ষণের কোনো আধুনিক ব্যবস্থা নেই। আমরা ক্ষমতায় গেলে আমের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ বা গুদাম তৈরি করব। এতে চাষিরা মৌসুমে আম পচে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তি পাবেন এবং নায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি তারেক রহমান এই অঞ্চলে যাতায়াত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, এটি হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন, যা দিয়ে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আজ কারো সমালোচনা করতে চাই না। কিন্তু একটি কথা বলতে চাই, বিএনপির বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সরকাকে বলবো, আপনারা সঠিক তদন্ত করে বের করুন।
২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের সশরীরে উপস্থিতি নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। জনসভায় তিনি উপস্থিত দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন এই উন্নয়নের বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’
সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার বিভিন্ন পর্যায় থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।
এর আগে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানে করে ঢাকা থেকে রাজশাহীতে পৌঁছান তারেক রহমান। এরপর নগরীর দরগাপাড়ায় হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন।
১২৬ দিন আগে
২২ বছর পর রাজশাহীতে তারেক রহমান, নেতা-কর্মীতে পূর্ণ নগরী
দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর পর রাজশাহী বিভাগ সফরে গেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উত্তরাঞ্চলে তিন দিনের সফরের অংশ হিসেবে আজ রাজশাহীতে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরইমধ্যে তিনি রাজশাহীতে পৌঁছেছেন।
তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। সকাল থেকেই দূর-দুরান্ত থেকে তারা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। বেলা ১১টার দিকেই কানায় কানায় পূর্ণ হতে শুরু করে মাদরাসা মাঠ। দুপুর ১২টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সভা শুরু হয়েছে।
তারেক রহমানের রাজশাহী সফর উপলক্ষে সকাল থেকেই মাদরাসা মাঠে ঢাক-ঢোল, পতাকা হাতে নিয়ে জড়ো হতে শুরু করেন বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ, ঢল নেমেছে সমর্থকদের। তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে দলীয় সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার বাসভবন ছাড়েন। পরে বিমানযোগে রাজশাহী পৌঁছান দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে। সেখানে তার শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজারে নামাজ জিয়ারত করার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে একটি বড় জনসমাবেশের আয়োজন করেছে। মাঠের চারপাশে টাঙানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার। স্লোগান আর মিছিলের মাধ্যমে নেতা-কর্মীরা তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।
রাজশাহী বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত বলেন, রাজশাহী ছাড়াও আশপাশের জেলা ও উপজেলার নেতা-কর্মীরাও সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর কমিটি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থীর জন্য তিনি আসছেন, জনগণের জন্য তিনি আসছেন। তিনি আসছেন এই জন্য আমাদের যে ভোট ছিল তার চেয়ে আমাদের দ্বিগুণ ভোট বৃদ্ধি পাবে।’
সব মিলিয়ে সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহে মাদরাসা মাঠ ইতোমধ্যে পরিণত হচ্ছে এক বিশাল জনসমুদ্রে। দলের নেতারা আশা করছেন, এই সমাবেশ বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
সর্বশেষ, ২০০৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জেলা স্টেডিয়ামে বিএনপির রাজশাহী বিভাগের তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় যোগ দিতে রাজশাহী গিয়েছিলেন তারেক রহমান।
১২৬ দিন আগে
১২ ফেব্রুয়ারি ভোট ডাকাতি করতে দেবেন না: গাজীপুরে তারেক রহমান
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনকে স্মরণ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে গাজীপুরের মানুষের বিরাট একটা ভূমিকা রয়েছে। লাখ লাখ মানুষ রাজপথে অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছেন। এই যে গণতন্ত্রের লড়াই হয়েছে সেটি রক্ষা করতে আগামী ১২ তারিখ সবাই ভোরে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ফজরের নামাজ ভোটকেন্দ্রের সামনে জামাত করে পড়বেন। যাতে আগে থেকেই কেউ সেখানে অবস্থান না করতে পারে। বিগত বছরে যেভাবে ভোট ডাকাতি হয়েছে এবার সেই ডাকাতি করতে দেবেন না। নিজ অধিকার নিশ্চিত করেই ফিরবেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে গাজীপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে মহানগর বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেছেন।
তারেক রহমান গাজীপুরকে বাংলাদেশের গার্মেন্টসের রাজধানী উল্লেখ করে বলেন, এদেশে এই গার্মেন্টস শিল্প এনেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরেই শিল্পের প্রসার ঘটেছিল বাংলাদেশে। এর ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোন ও ভাইদের কর্মসংস্থান হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এদেশ থেকে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর কাজটিও বিএনপি সরকার করেছিল। এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়নের জন্য জন্য যদি কেউ চিন্তা করে থাকে সেটিও বিএনপি সরকার। এই শিল্পকে নিয়ে আমাদের একটা বড় পরিকল্পনা রয়েছে। গাজীপুরে যাতে আরও লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয় সেই জন্য আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক ভাইদের কৃষিকার্ড প্রদান বাস্তবায়ন করব। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করব।’
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর রেল গেইট এলাকায় তীব্র যানজটে দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ। এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এখানে ফ্লাইওভার করতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, গাজীপুরের মধ্যে বড় বড় কয়েকটি খাল রয়েছে সেগুলো হলো তুরাগ, লবনদহ ও চিলাই। আগামী ১২ তারিখ নির্বাচন শেষে এই তিন খাল খনন শুরু করব। সাথে আপনারা থাকবেন। দূষিত পানি যাতে আর গাজীপুরে না থাকতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও শিল্প কারখানায় মা-বোনদের নিরাপত্তার পাশাপাশি শ্রমিকদের আবাসনের জন্য কাজ করতে হবে।
বক্তব্যের মাঝে তারেক রহমান গাজীপুরের ৫টি আসনে মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীদের সম্মুখে এনে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রার্থনা করে বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে আমি এই মাঠে অনেক খেলেছি। শিশু কাল আমার এখানে কেটেছে। সে হিসেবে আমার ভোটের হক আছে। গাজীপুর নিয়ে আমাদের যেসব পরিকল্পনাগুলো রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে এই প্রার্থীদের পাশে থাকবেন। তাদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।’
এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তারেক রহমান। গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে জয়দেবপুর সড়ক ধরে নেতা-কর্মীদের ভিড় ঠেলে দীর্ঘসময় পর রাত পৌনে ১২টার দিকে স্ত্রী ডা.জোবায়দা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সভামঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।
এই সমাবেশে গাজীপুর মহানগর বিএনপি সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়্যেদুল আলম বাবুল, সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকারসহ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতারা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে সকাল থেকেই বিএনপির সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। দীর্ঘ ২০ বছর পর তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে যায় পুরো রাজবাড়ী ময়দান। দুপুরের পর থেকে দলে দলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে মাঠে আসতে শুরু করেন। সন্ধ্যার আগে পুরো রাজবাড়ী মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এছাড়া সংসদীয় আসনে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষের কর্মী সমর্থকরা আলাদা ক্যাপ, হ্যান্ডবিল ও দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে জড়ো হয়েছেন।
১২৮ দিন আগে