প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।
শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌবাহিনীর ভূমিকা এবং বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে তিনি নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালনে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টরই হতে পারে অর্থনীতির নতুন গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রী
তৈরি পোশাকশিল্পের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প থেকে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সেটি পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিকস, এআই অ্যান্ড রোবোটিক্স (বিইএআর) কনফারেন্স-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমাবদ্ধতা প্রতিকূলতা এবং নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়েই বাংলাদেশ বর্তমানে কৃষি, পোশাক শিল্প, প্রবাসী আয় এবং ডিজিটাল সেবায় সফলতা দেখিয়েছে। আমাদের মেধাবী তারুণ্য দক্ষ এবং উদ্যমী জনশক্তির উদ্ভাবন শক্তির ওপরে ভর করে যেটি আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—পোশাক শিল্পের পরে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি সম্ভাবনার অর্থনৈতিক মূল গন্তব্য।’
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পখাত পেশাজীবী এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, টেস্টিং, এমবেডেড সিস্টেম, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স এবং অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং—এইসব ক্ষেত্রে কাজ শুরু হয়েছে। দেশের কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছে। সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করছে বর্তমান সরকার।
১৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিকস (বিইএআর) কনফারেন্স ২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দেশের উচ্চপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভোথিয়েটারে শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশ কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়েছে।
‘বিল্ডিং বাংলাদেশ’স সেমিকন্ডাক্টর ফিউচার থ্রু গ্লোবাল পার্টনারশিপ’, অর্থাৎ ‘বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা, গবেষক, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। তারা দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন।
আয়োজকদের মতে, সম্মেলনের লক্ষ্য বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত করা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা।
সম্মেলনে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্ব, প্রযুক্তির সমন্বয়, উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযুক্তি পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা নিয়ে ১১টি কারিগরি অধিবেশন ও সাতটি কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে
নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী
নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদার র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে এ র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান। জবাবে ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, তা-ই করবে সরকার, আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এ খাতের অগ্রযাত্রায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বিজিএমইএর নেতারা পোশাক শিল্পের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি এ খাতের স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কয়েকটি দাবি ও প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং যেসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব, সেগুলো নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এগুলোর অনেকগুলোই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা। তবে যেসব সমস্যা এখনই সমাধান করা যায়, সেগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের কর্মজীবনের সাফল্য, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাদার বাহিনী হিসেবে নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অবদানের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। প্রধানমন্ত্রী পরে বিদায়ী নৌপ্রধানকে নিয়ে মধ্যহ্নভোজ করেন।
২০২৩ সালের ২৪ জুলাই নৌ বাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এম নাজমুল হাসান। ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই তিনি কমিশন লাভ করেন। সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন স্টাফ, ইস্ট্রাকশনাল এবং কমান্ড দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
এছাড়া, তিনি নৌ সদরে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স), সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (পার্সোনেল), পরিচালক নৌ অপারেশন্স ও নৌ গোয়েন্দা এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অসামরিক-সামরিক সংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ওমর ফারুকসহ চারটি যুদ্ধজাহাজের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৩ দিন আগে
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়-সংবলিত আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের। এগুলো হলো— সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (জিএসআইডিপি-২) (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প, বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।
এর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো— সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন ও একটি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং দুটি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ এবং সুনেত্র-২) খনন প্রকল্প।
এ ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় সংশোধিত একটি প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস কেন্দ্রকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা এবং জেলা হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়-সংবলিত ১১টি প্রকল্প সর্ম্পকেও সভায় জানানো হয়।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন, গৌরনদীতে বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, আঞ্চলিক ও জেলা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ উন্নয়ন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন, পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিড নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন জেলায় বিটাকের ছয়টি কেন্দ্র স্থাপন।
অর্থ এবং পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস নেতাদের সাক্ষাৎ, সমস্যা সমাধানে কমিটি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা। এ সময় বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দেশের বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে বিটিএমএ নেতারা দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রশিল্পের অবদানের কথা তুলে ধরে এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।
এ সময় তারেক রহমান শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি আয়
বৃদ্ধিতে বস্ত্রশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এ খাতের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরে বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত পর্যালোচনা ও সমাধানে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, সহ-সভাপতি শামীম ইসলাম, সাবেক সভাপতি এ. মতিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক সৈয়দ এনায়েত কবির, ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হায়দার, পরিচালক চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ সোয়েব ও বাদশা মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আমানত শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া এবং মুন্নু ফেব্রিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিউল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা চলছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রান্তিক মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত, সহজলভ্য ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের রোগীদের প্রতি আরও আন্তরিক হয়ে দায়িত্ব পালনের তাগিদ দিয়ে অবহেলার অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। এটাই ছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক।
বৈঠকের শুরুতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত পাঁচ মাসে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তারা স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অগ্রগতি তুলে ধরেন।
কর্মকর্তারা জানান, বিগত সরকারগুলো স্বাস্থ্যখাত একে বারে খাদের কিনারে নিয়ে গিয়েছিল। প্রান্তিক মানুষের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগও আলোচনায় আসে। বিশেষ করে চিকিৎসক কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের জন্য যেকোনো উপায়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে যেন রোগীরা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই মানসম্মত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পান এবং চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে বাধ্য না হন। সরকারি হাসপাতালকে মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কিডনি রোগীদের চিকিৎসা নিয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জেলা পর্যায়ে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে ধাপে ধাপে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরি এবং লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা অবকাঠামো উন্নয়নের নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।
৫ দিন আগে