প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
সরকারের ১০০ দিনে মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ‘সরকারের অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞে সাধারণ মানুষের জীবনমানে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।’
তিনি বলেছেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ এরইমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।’
তিনি দাবি করেছেন, সরকার গঠনের পর এত স্বল্প সময়ে মন্ত্রিসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের উল্লেখযোগ্য অংশ কার্যকর করতে সক্ষম হওয়া সরকারের দ্রুততা, কার্যকারিতা ও আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের একশ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাফল্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মাহদী আমিন বলেন, গুম-খুন, হামলা-মামলা এবং দমন-পীড়নের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার প্রতিফলন গত ১০০ দিনের উদার ও সহিষ্ণুতার নতুন মানদণ্ডে বারবার প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে, বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষোদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মাত্র ১০০ দিনের পথচলাতেই দেশের নানা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান, সুস্পষ্ট ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একইসঙ্গে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষমতায়ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার এক নতুন, দৃঢ় ও ইতিবাচক মেলবন্ধন।
তিনি আরও বলেন, গৃহীত বহুমুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে জনজীবনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা। সরকারের রূপকল্পে দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তরুণ ও নারীরা যদি ক্ষমতায়িত হন, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা অবশ্যই একটি মর্যাদাশীল ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব।
২০ ঘণ্টা আগে
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা এমন একটি উদ্যোগের উদ্বোধন করছি, যা শুধু একটা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগই নয়, বরং এটা বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে আমার মনে হয় একটা বার্তা আমরা স্পষ্টভাবে দিতে পারব। সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সকল সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রতিটি ছাদ, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিটি নাগরিক যদি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই অভিযাত্রায় অংশ নেয়, তবে বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই একটি সবুজ এবং টেক উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘লুই কানের নকশায় নির্মিত এই জাতীয় সংসদ ভবন আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক। আর সেই ভবনের ছাদে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি যে নেতৃত্ব কিংবা নীতিতে নয়, বরং বাস্তব কর্মকাণ্ডে প্রতিফলন হতে হবে।’
২ দিন আগে
এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
আগামী এক মাসের মধ্যেশিশু রামিসা আক্তারের হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিন-চার দিন আগে এই অত্যন্ত দুঃখজনক হৃদয় বিদারক একটি ঘটনা ঘটছে—এই ছোট্ট বাচ্চাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে। এখন আমরা প্রথম থেকে বলে এসেছি যে, আইনের দৃষ্টিতে কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, তাকে শাস্তি পেতে হবে। আইনের শাসন আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
তিনি বলেন, আপনি যখন কোনো কাজ করেন, সেটি আপনার নিজের কাজ হোক, কৃষি কাজ হোক, সংসারের কাজ হোক…একটা নিয়ম কানুন আছে না? যেকোনো কাজ নিয়ম-কানুন মেনেই নিয়ে তো করতে হয়, তাই নয় কি?
তারেক রহমান বলেন, সবচেয়ে যেটি বড় ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের সময়ে মানবতা, মানবিকতা ও দেশের আবহমানকালের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে একেবারে বিনষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার মিরপুরে একটি নিষ্পাপ মেয়ের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের মানবিক মূল্যবোধের চূড়ান্ত অবক্ষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে আজকের অনুষ্ঠানে আমি পরিষ্কারভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। এবং বর্তমান সরকার রামিসার এই হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ইনশাল্লাহ আগামী এক মাসের মধ্যেই নিশ্চিত করবে। সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড, যেন ভবিষ্যতে কোনো মানুষ এভাবে শিশু বা নারী নির্যাতন করার সাহস না পায়।
রামিসা হত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যেকোনো অন্যায়কারীকে শাস্তি দিতে হলে, তাকে তার বিচার করতে হলে সরকারের কতগুলা নিয়ম-কানুন আছে। এখন আমরা খেয়াল করেছি, আপনারাও খেয়াল করেছেন, পত্র-পত্রিকায় দেখেছেন, রেডিও টিভিতে দেখেছেন, গত কয়েকদিন ধরে কিছুসংখ্যক মানুষ একটা পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিচ্ছে, যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিচ্ছে, এখানে আগুন ধরাচ্ছে, ওখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। এই কাজগুলো যারা করে, আপনারা কি মনে করেন, প্রথমে কি আইনের শাসনকে তারা বাধাগ্রস্ত করছে না, আইনকে আইনের মত কি চলতে দিচ্ছে? দিচ্ছে না।
সরকারপ্রধান বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, সেই সময় আমরা দেখেছি দেশে কয়েকটি দুঃখজনক এরকম অন্যায় ঘটেছে। সেই অন্যায় যখন ঘটেছে আমি নিজে সেই সকল বাচ্চার মায়েদের সাথে কথা বলেছিলাম, আমাদের দলের আইনজীবী আমাদের দলের চিকিৎসকরা গিয়ে চিকিৎসা দিয়েছে, আইনজীবীরা গিয়ে সেই আইনি সহায়তা করেছিল।
২ দিন আগে
পানি সংকট ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পদ্মা, তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পানি সংকট মোকাবিলা, কৃষি সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে পদ্মা ও তিস্তা—দুই নদীতেই ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (২০ মে) গাজীপুর শহরের সাতাইশ চৌরাস্তায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক সুধী সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সকলের সামনে আজকে আমি পরিষ্কার একটি কথা বলে যাই, ইনশাআল্লাহ, এই বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে। তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে।’
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বেই তিস্তায় বিএনপি কর্মসূচি পালন করেছে যা বাংলাদেশে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল করে নাই। তারা হয়তো বড় বড় কথা বলেছে, গরম গরম কথা বলেছে, কিন্তু কাজ যদি কেউ করে থাকে, ডেলিভারি যদি কেউ করে থাকে, পরিস্থিতি যদি কেউ তৈরি করে থাকে, সেটা বিএনপিই করেছে। ইনশআল্লাহ, বিএনপি সেটা করবে।
পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ভারত সীমান্ত এলাকায় উজানে ব্যারাজ নির্মাণ করে পানি প্রত্যাহার করায় শুষ্ক মৌসুমে পদ্মায় পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে। এতে পরিবেশ ও কৃষিতে গুরুতর প্রভাব পড়ছে।
তিনি বলেন, শুকন মৌসুমে হয়ত আমরা কম পাচ্ছি। যার ফলে নদীতে পানির স্রোত কমে যাওয়ার ফলে অনেক সমস্যা হচ্ছে। আস্তে আস্তে আশপাশ শুকিয়ে যাচ্ছে। ছোটবেলায় আমরা দেখেছি, পদ্মা নদীর এপার থেকে ওপার দেখা যায় না। এখনও দেখা যায় না, তবে তখন পানি ছিল, আর এখন পানিশূন্য। এ কারণেই আমরা পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, পদ্মা ব্যারাজটি আমরা এই জন্য করতে চাচ্ছি যে বর্ষা বা শুকনো মৌসুম যখনই হোক, আমাদের দেশের কৃষকই হোক বা যেকোনো মানুষ, তারা যেন পানি পায়।
৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন মিলনায়তনে এ সভা শুরু হয়।
এবারের সভার প্রধান আলোচ্যসূচি হলো— আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্তকরণ ও অনুমোদন।
এ ছাড়াও সভায় ‘সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো (২০২৬-২০৩০)’ শীর্ষক অর্থনৈতিক কৌশলপত্রের রূপরেখা উপস্থাপন ও অনুমোদনের বিষয় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সম্পাদক পরিষদের নেতারা।
রবিবার (১৭ মে) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ এবং দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে স্বপ্ন নয়, পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার শুধু স্বপ্ন দেখতে চায় না, বরং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোর্দ্দ খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য একটাই—আমরা স্বপ্ন দেখতে চাই না; পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে; যে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
খাল খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ৪৮ বছর আগে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনর্খননের এই অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সকলে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করি, দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।
বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসঙ্গে কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় পথসভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুর সফরের পথে কুমিল্লায় সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরইমধ্যে কুমিল্লায় পৌঁছে বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (১৬ মে) দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী পথসভার মঞ্চে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা করতালি ও উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
অভিবাদনের জবাবে তারেক রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদপুর যাচ্ছেন। পথে তিনি এ পথসভায় অংশ নিচ্ছেন এবং এখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন।’
আজ সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ছোট ছোট মিছিল সহকারে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পথসভাটি বড় জনসমাবেশে রূপ নেয়।
১০ দিন আগে
রূপপুর থেকে পদ্মা সেতু: মেগা প্রকল্পে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’র চিত্র তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ ও অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতের এসব অনিয়মের ঋণের বোঝা এখন দেশের ২০ কোটি মানুষের ওপর এসে পড়েছে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) অডিট প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার স্বাভাবিকভাবে যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি, আমরা প্রায় প্রত্যেকটি সেক্টর খুব ভঙ্গুর অবস্থায় পেয়েছি। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে যখন সরকার যাত্রা শুরু করে, সেরকম একটা অবস্থার মধ্যে আমরা এই দেশটিকে পেয়েছি।’
তিনি বলেন, বর্তমানে দায়িত্বে থাকার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাস্তব পরিস্থিতি জানার সুযোগ হচ্ছে। কয়েকদিন আগে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন অডিট রিপোর্টের বিষয় তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘এটি আমি রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করছি না, আমি বাস্তবতা তুলে ধরছি। আমি কাউকে রাজনৈতিকভাবে দোষারোপ করছি না। এদেশের নাগরিক আমরা-আপনারা, আপনাদের সন্তানরা এদেশে বড় হচ্ছে, সেজন্যই আমি কথাগুলো তুলে ধরছি।’
অডিট প্রতিবেদনের কিছু তথ্য পরে সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অডিটর জেনারেল সাহেবের অনেকগুলো কথার মধ্যে আমি খুব আশ্চর্য হয়েছি। আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে পত্রিকায় ওভাবে না দেখলেও অডিটর জেনারেল যেহেতু অডিট করেছেন, পরিষ্কারভাবে কথাগুলো ফুটে উঠেছে বা বেরিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্পে বিদেশিদের জন্য ফুল-ফার্নিশড কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়। সেখানে একটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি একজন স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে চিন্তা করতে পারেন, কখনো কোনো বালিশের দাম পৃথিবীতে ৮০ হাজার টাকা হতে পারে?’
তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে ফার্নিচার যেহেতু ছিল, ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে। এটি অডিটর জেনারেল সাহেবের কথা। যে ড্রেসিং টেবিল উনার ধারণা ৩০/৩৫ হাজার টাকা দাম, সেই তার দাম ধরা হয়েছে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা।’
গত ৫ মে বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের ৩৮টি অডিট রিপোর্ট জমা দেন।
রূপপুর প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রূপপুর প্রকল্পটি… সিমিলার (একইরকম) প্রকল্প আমাদের পাশের একটি দেশ করেছে। তাদের লেগেছে সম্ভবত ১৪ হাজার কোটি টাকার মতো। বাংলাদেশের রূপপুরে যে প্রকল্পটি করা হয়েছে, এটির খরচ আল্টিমেটলি খুব সম্ভবত দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার কোটি টাকা।’
কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, টানেলের ওপারে ‘খুব স্ট্যান্ডার্ড, বেশ লাক্সারিয়াস’ অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সেখানে কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
তিনি বলেন, অডিট তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে কর্ণফুলী টানেলে ঢোকা ও বের হওয়ার মুখে দুই পাশে গাছ লাগানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো গাছ পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই গাছের জন্য ৫০ কোটি টাকা তুলে নিয়ে চলে গিয়েছে।’
১৪ দিন আগে
পুলিশকে মতাদর্শগত বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১১ মে) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলে দেশটাকে রক্ষা করতে হবে। আমরা সবাই একই মতাদর্শের নাও হতে পারি। কিন্তু আপনারা যখন সরকারের সঙ্গে কাজ করবেন, সেই কাজের মধ্যে যেনো নিজেদের ভিন্ন মতাদর্শ প্রতিফলিত না হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকের ভিন্ন মতের প্রতিফলন ঘটবে কেবলমাত্র ভোটের বাক্সে। তার আগে আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালোবাসব। দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক থাকব।’
এর আগে, সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে দেশের জনগণকে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নানা দিক নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
পুলিশ কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই দেখার নির্দেশ দেন তারেক রহমান। একইসঙ্গে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সরকারের আপসহীন অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টাইগার গেটের সামনে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৪ দিন আগে