প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয় বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই এই বাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দল ও মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশকে ধারণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবার হলে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, পরিবার কিংবা দলের সম্পত্তি নয়। সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি এবং মর্যাদার প্রতীক। রাষ্ট্রীয় সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের অবিচল আস্থাই হতে হবে সশস্ত্র বাহিনীর পথ চলার প্রধান ভিত্তি। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই আমাদের প্রতিটি সদস্যের একমাত্র এবং পবিত্র দায়িত্ব।
তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর ভূমিকা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাহিনীর ভূমিকা আরও স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় থেকে সেনাবাহিনীর মধ্যে যে দেশপ্রেম ও শক্তিশালী মনোভাব গড়ে উঠেছিল, তা অব্যাহত রাখা জরুরি। একটি ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণকে একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময়েই এই অর্জন আন্তর্জাতিকভাবে আরও উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
সরকারপ্রধান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কেবল যুদ্ধকালীন প্রয়োজনেই একটি অবশ্যম্ভাবী শক্তি নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সীমানার বাইরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্য হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর ভূমিকা বিশ্ব-স্বীকৃত।
তিনি বলেন, আমরা এমন এক সশস্ত্রবাহিনী চাই যাদেরকে বহি:শক্তি সমীহ করবে আর দেশের জনগণ আস্থায় রাখবে। পেশাদারত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস না করে সশস্ত্রবাহিনীকে সবসময় একটি সুউচ্চ আদর্শিক অবস্থানে থাকতে হবে।
এদিন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
দরবারে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।
বিশেষত, গত ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকে এখন পযর্ন্ত দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সশস্ত্র বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যৎ সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কর্তৃক সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
দরবারে ঢাকায় অবস্থানরত সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানে অবস্থানরত সদস্যরা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নতুন সরকারের প্রথম একনেক সভা শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম বৈঠক শুরু হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য উপস্থিত রয়েছেন।
৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে জনস্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, পল্লী উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্যবসা সহজীকরণ, প্রযুক্তি অংশীদারত্ব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করা হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাধে উপস্থিত ছিলেন।
৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হলেন মাহদী আমিন ও সালেহ শিবলী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)।
রবিবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ২৮ (৪) বিধি মোতাবেক মাহদী আমিন এবং সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সরকারি তথ্য প্রেস, মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে প্রদান ও প্রচারের জন্য মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং দলটির মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নির্বাচনের সময় গুলশানে দলের নির্বাচনি কার্যালয় থেকে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন।
অন্যদিকে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সরকার সালেহ শিবলীকে সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়। এর আগে, ৩ জানুয়ারি তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রেস সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি গত কয়েক দশক ধরে তারেক রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করছেন।
সালেহ শিবলী এর আগে বার্তা সংস্থা ইউএনবি, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক বাংলাবাজার, রেডিও টুডে এবং চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। চার দলীয় জোট সরকারের আমলে তিনি কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে প্রথম সচিব (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
১০ দিন আগে
উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ভালো বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) পবিত্র ইস্টার সানডে উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভাকক্ষে প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চেস ইন বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন দেশটাকে গড়ার লক্ষ্যে সব ধর্মের মানুষ, সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সবাইকে নিয়ে সুখী, সমৃদ্ধ একটা ভালো বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজ করতে হবে—এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই।
নিজের সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তারেক রহমান বলেন, আমরা সব ধর্মের মানুষকে এক চোখে দেখি এবং সবাইকে ভালোবাসি একরমভাবে। আমরা বিশ্বাস করি, ধর্ম যার যার, দেশটা সবার।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। একটা কথা প্রচলিত ছিল যে, অন্য ধর্মের মানুষজন বিএনপিকে ভোট দেয় না। এটা এবারের নির্বাচনে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপিকে সব ধরনের মানুষ ভোট দিয়ে জয়ী করেছে।
পূর্ববর্তী সরকারের আমলের দেশের অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, তখন দেশের ভঙ্গুর দশা ছিল। অর্থনৈতিক খাতে ভঙ্গুর অবস্থা, যোগাযোগখাতে ভঙ্গুর দশাসহ বিভিন্ন সেক্টরে যে অবস্থা বিরাজ করছিল মনে হয়েছে একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিয়েছি।
এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন।
১০ দিন আগে
ইস্টার সানডেতে প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।
খ্রিস্টানধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব ইস্টার সানডে মূলত যীশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানকে স্মরণ করে পালিত হয়। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ গভীর শ্রদ্ধায় এই দিনটি পালন করে থাকেন।
দিবসটিকে আশা, পুনর্জাগরণ এবং হতাশার বিরুদ্ধে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রার্থনা, সামাজিক মিলনমেলা এবং আর্তমানবতার সেবামূলক কাজের মাধ্যমেই এই উৎসবের মূল উদযাপন সম্পন্ন হয়।
১০ দিন আগে
বিনিয়োগে চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন, শিল্পখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিরসন এবং চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলে।
বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফটকে সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা হচ্ছে, সংকট আছে, সেগুলো দূর করার বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা তাদের কথা বলেছেন। অনেক কিছুর সমাধান হয়েছে। আবার অনেক কিছু বাকি আছে, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।
বিনিয়োগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতেই আজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন, বিনিয়োগে বাধা কোথায়, ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের বাধা কোথায় পাচ্ছেন—এগুলোর সমাধান উনি (প্রধানমন্ত্রী) করতে চান, শিগগিরই করতে চান। ব্যবসায়ীদের কাছে সমস্যার কথা শুনেছেন এবং কিছু কিছুর সমাধান তাৎক্ষণিকভাবে দিয়েছেন। বাকিগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেওয়া হবে।
এ সময় বন্ধ কল-কারখানা চালুর বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেসব কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এগুলো কীভাবে চালু করা যায়; সরকারি কারখানা যেগুলো বন্ধ হয়েছে, সেগুলো কীভাবে আবার শুরু করা যায়—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সার্বিকভাবে নতুন প্রকল্পের বাইরে যেসব পুরনো প্রকল্প বন্ধ হয়ে আছে, এগুলো চালু করার জন্য আলোচনা হয়েছে এবং এগুলার সমাধান দিয়ে আমরা আশা করি অনেক প্রকল্প চালু করা হবে।
জ্বালানি সহায়তা বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক সংস্থার কাছ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছে। আমরা সবার সহযোগিতা পাচ্ছি।
বৈঠকে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, র্যাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী, এসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ও বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
১১ দিন আগে
টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের কল্যাণ ও চলমান সংকট মোকাবিলায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে তিনি এ অনন্য কর্মনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
এদিন সকাল ৯টায় সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দিনের কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফাইল পর্যালোচনা, বিভিন্ন বৈঠক এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন তিনি।
সচিবালয়ের কাজ শেষ করে তারেক রহমান জাতীয় সংসদে যান। সেখানে রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকেন। এরপর রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের জ্বালানি পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্ত্রিসভার এ বৈঠকটি রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় সংসদ সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে ফিরে যান এবং দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা অফিস করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা অফিস করা প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত রুটিন বলা যায়। তবে আজ তা প্রায় ১৬ ঘণ্টা ছুঁয়েছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বিশেষ বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের তরে, আগামীর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।
১২ দিন আগে
সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঝটিকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিতের বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে নিজ কার্যালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রীপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে ১ নম্বর ভবন থেকে পায়ে হেঁটে ৬ নম্বর ভবনে যান প্রধানমন্ত্রী।
১৭ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা এ শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোর ৫টা ৫৩ মিনিটে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পৌঁছান। রাষ্ট্রপতি স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারা বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায় এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে পুনরায় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরবর্তীতে বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। এরপর তারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এছাড়া প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি এবং দেশের উত্তরোত্তর কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।
রাষ্ট্রীয় অতিথিতের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবাবের সদস্যরা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিদেশি কূটনীতিকরা পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাদের শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে, ভোরে রাজধানীতে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হওয়ার পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
২০ দিন আগে