প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
কার্বন ক্রেডিট অর্জনে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে দেশের কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন, বন সংরক্ষণ এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন শোষণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
তিনি কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন।
এছাড়া কার্বন ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় উপস্থিত মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, কার্বন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ আরও বাড়বে।
কার্বন ক্রেডিট হলো পরিবেশ সুরক্ষার একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা। বায়ুমণ্ডলে এক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো বা অপসারণের বিপরীতে একটি কার্বন ক্রেডিট দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, কার্বন ট্রেডিং হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা। এতে সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনো দেশ, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কার্বন নিঃসরণের সীমা নির্ধারণ করে। কেউ সেই সীমার বেশি কার্বন নিঃসরণ করলে তাকে বাজার থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনতে হয়। আর যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান বনায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি কিংবা পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমায় বা বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন শোষণ করে, তারা কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে। পরে এসব ক্রেডিট অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তা কৌশল এমন হতে হবে, যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি, যাতে জনগণ নিজেদের সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। তিনি বলেছেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার ওপর আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চান। তাই নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।
রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকা সেবানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায়ই জনসভা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে হয়। ফলে এসব অনুষ্ঠানে পিজিআর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে হয়। তবে ব্যাপক জনসমাগমের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অবশ্যই কিছুটা জটিলতাপূর্ণ।
তিনি বলেন, এসব কর্মসূচি পালনের সময় একদিকে সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা, অন্যদিকে নাগরিক জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত রাখা—এই দুটির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করেই নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করতে হয়।
পিজিআরের কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই গার্ডসের লক্ষ্য’—এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে তারা সর্বদা আন্তরিকতা, পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সাহস ও দেশপ্রেমের শপথে বলীয়ান হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, একটি উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিচারের নামে অবিচার নয়, আইন মেনে জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিচারের নামে অবিচার নয়, আইন মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই ২৪ শহিদ পরিবার সোসাইটি’ এবং ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ তিনি এ কথা বলেন।
‘জুলাই ২৪ শহিদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ এ স্মরণসভার আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করাও জরুরি।
তিনি বলেন, যারা অন্যায় করেছে, যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিচার অবশ্যই হবে। তবে আমরা চাই, বিচারের নামে যেন আরেকটি অবিচার না ঘটে। বিচার হতে হবে ন্যায়সঙ্গত ও আইনের ভিত্তিতে।
তারেক রহমান বলেন, যাদের হারানো হয়েছে তারা আর কখনো ফিরে আসবেন না। কিন্তু তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গর্ব করে বলতে পারবে-এই পরিবর্তনের পেছনে শহিদদের আত্মত্যাগ রয়েছে।
সরকারপ্রধান বলেন, জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী ৬৫ জন শিশু জুলাই আন্দোলনে শহিদ হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহিদ হয়েছেন। এই আত্মত্যাগ বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশাকে আরও বড় করেছে। মানুষ চায় একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র।
তারেক রহমান বলেন, একজন মা তার সন্তানকে গুলি করে হত্যা হতে দেখেছেন, কেউ দেখেছেন সন্তানকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, কেউ ভাইকে হারিয়েছেন। এই বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
তিনি বলেন, আপনাদের কষ্ট অনুভব করতে পারি। শারীরিক যন্ত্রণা হোক কিংবা মানসিক কষ্ট আমি অন্তত উপলব্ধি করতে পারি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন আমরা দেশকে কী দিতে পারি। রাষ্ট্র যদি সব দাবি পূরণও করে, তবুও হারানো আপনজন ফিরে আসবে না, হারানো দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসবে না, শারীরিক ক্ষতও পুরোপুরি মুছে যাবে না।
তিনি বলেন, কিন্তু আমরা যদি দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গর্ব করে বলতে পারবেন—আপনাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।
১ দিন আগে
রাজধানীর যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি জানতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
রাজধানীর যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড (বৃত্তাকার সড়ক) নির্মাণ এবং ঢাকাকে ঘিরে থাকা নদীপথ কার্যকরভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন কীভাবে হবে, তা বৈঠকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করা হয়েছে।’
বৈঠকে জানানো হয়, রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পটি গাবতলী থেকে বাবুবাজার এবং পোস্তগোলা থেকে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকল্পটির ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বৃত্তাকার এ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রামগামী যানবাহনকে রাজধানীর অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবহার করতে হবে না। ফলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে এবং যানজটও হ্রাস পাবে।
এ ছাড়া বৈঠকে ঢাকাকে ঘিরে থাকা প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদীপথকে কার্যকরভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, এ নৌপথ চালু করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বৃত্তাকার নদীপথে সহজেই যাতায়াত করা সম্ভব হবে।
বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে এ পরিকল্পনার কারিগরি দিক উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, নদীপথ ব্যবহারের ফলে পরিবেশদূষণ কমবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং যাতায়াতের সময়ও কম লাগবে। কারণ এ নৌপথে চলাচলকারী যানবাহন হবে বিদ্যুৎচালিত।
বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেলপথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
আকস্মিক মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানে (স্পারসো) পরিদর্শন করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নে অর্থবহ অবদান রাখতে এটিকে একটি আধুনিক ও স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরস্থ স্পারসোর কার্যালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে তিনি আকস্মিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।
এ সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান স্পারসোর কার্যালয় ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
স্পারসোর চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কার্যক্রম ও সার্বিক বিষয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এরপর স্পারসোর বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা তাদের উদ্ভাবন, গবেষণা এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পারসোকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, স্বনির্ভর এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্পারসোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) দেশের মহাকাশ বিজ্ঞান, উপগ্রহ প্রযুক্তি এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তির গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রয়োগে নিয়োজিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
৭ দিন আগে
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক শুক্রবার
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আগামীকাল শুক্রবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বহুল আলোচিত এ বৈঠককে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের চীন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বৈঠক দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, সফরের শেষ দিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন।
মাহদী আমিন বলেন, আশা করছি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।
প্রধানমন্ত্রীর অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—সকালে গ্রেট হলে ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ন্যাশনাল স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং চীনের জাদুঘর পরিদর্শন।
এরপর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।
সরকারপ্রধানের ২৪ জন সফরসঙ্গীর মধ্যে রয়েছেন—পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, এ কে এম শামসুল ইসলাম, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহ্দী আমিন প্রমুখ।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান। ওই সফরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে সোমবার তিনি পৌঁছান চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দালিয়ানে।
সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বুধবার বিকেলে তারেক রহমানের বেইজিংয়ে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব গ্রহণের পর তার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
দুই নেতার বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
১০ দিন আগে
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, একাধিক সমঝোতা স্মারক সই
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এই বৈঠক শুরু হয়। এরপর সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় বৈঠকটি শেষ হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে বলে জানিয়েছেন রুমন।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১০ দিন আগে
চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এই বৈঠক শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১০ দিন আগে
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চীনের দালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে চড়ে বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে চীনে তার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হলো।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ের চাওইয়াং রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।
তিনি আরও জানান, স্টেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের আবাসস্থল—দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে, আজ (বুধবার) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমান তার স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দালিয়ান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার তিন দিনের আনুষ্ঠানিক চীন সফরের সূচনা করবেন। সফরকালে তিনি আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানাবেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সেখানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ডব্লিউইএফ-এর ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশ নেন বলে জানিয়েছেন আতিকুর রহমান রুমন।
উদ্ভাবন কীভাবে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে পারে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে, তার ওপর জোর দিয়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ (ব্যাপক পরিসরে উদ্ভাবন) থিম নিয়ে সম্মেলনটি শুরু হয়। তার আগে, তিনি সকাল ৯টায় শুরু হওয়া সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনেও যোগ দেন।
১১ দিন আগে