প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
যেসব দেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কে কার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত তা বিবেচনা না করে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে যে দেশগুলো বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে তাদের সঙ্গেই কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘কে কার সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত তা আমার দেখার দরকার নেই। আমার নিজের দেশের উন্নয়নটা আমার আগে দরকার। আমার দেশের উন্নয়নে যারা সহযোগিতা করবে আমি তাদেরকে নিয়ে চলব। সেভাবেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: জাপান সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে: জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা
রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে 'আমার চোখে বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক দেশব্যাপী ভিডিও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণকালে এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে শান্তি ও বন্ধুত্ব চায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই, সেই বন্ধুত্ব বজায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছি।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের মাঝে সনদ, ক্রেস্ট ও পুরস্কারের অর্থ বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: আপনাদের যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকব: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
৭৩২ দিন আগে
এসআইডিএস ও আফ্রিকান এলডিসি থেকে ১০ ক্যাডেটকে বঙ্গবন্ধু বৃত্তি প্রদান
ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) মাধ্যমে বিদেশিদের জন্য দেশের ৫টি সরকারি মেরিন একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ক্যাডেট প্রশিক্ষণ বৃত্তি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।
উন্নয়নশীল ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র (এসআইডিএস) এবং আফ্রিকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) ১০ জন ক্যাডেটকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও অ্যান্তোনিও ডমিনগুয়েজ। এ সময় এই প্রস্তাবের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, এই প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেছে জাতিসংঘের মেরিন এজেন্সি আইএমও।
আরও পড়ুন: আইএমও'র প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অব্যাহত সম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছি: সংস্থাটির প্রধান
বৈঠকে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ পুনর্ব্যবহার, সমুদ্রে সংঘটিত অপরাধ ও জলবায়ু ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএমওর আনুষ্ঠানিক নথিতে বাংলাদেশের মেরিন একাডেমিতে লিঙ্গ ভারসাম্য উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে মেরিন একাডেমিতে কোনো নারী ক্যাডেট ছিল না। তবে তার সরকার মেরিন একাডেমিতে মেয়েদের সুযোগ তৈরি করেছে এবং অনেক মেয়ে একাডেমিতে ভর্তি হচ্ছে।
জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্প সম্পর্কে আইএমও মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় জাহাজ রিসাইক্লিং দেশ। গত জুনে হংকং কনভেনশনে সম্মতি দিয়ে পরিবেশগতভাবে নিরাপদ জাহাজ রিসাইক্লিংয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির সর্বোচ্চ রক্ষা করেছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের শিপিং এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) হংকং কনভেনশনের লক্ষ্য হচ্ছে জাহাজগুলো তাদের কর্মক্ষমতার সময় পার হলে পুনর্ব্যবহার করা হয়, তখন তা মানব স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও পরিবেশের জন্য কোনো অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি তৈরি করে না তা নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশে নিরাপদ জাহাজ রিসাইক্লিং জোরদার করতে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আইএমওর সহায়তা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, 'আমরা জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ রিসাইক্লিংয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াচ্ছি এবং আমরা আইএমওর সহায়তা চাই।’
আরও পড়ুন: আইএমও'র কাউন্সিল সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাহাজ নির্মাণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে কারণ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও এখানে জাহাজ নির্মাণ করছে এবং ইউরোপের দেশগুলোতেও বাংলাদেশি জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে।
সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় সম্প্রতি সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে অপহৃত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর দ্রুত মুক্তিতে আইএমওর ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
বঙ্গোপসাগরে নিরাপত্তার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা সবাই মিলে এখানে জলদস্যুদের নিয়ন্ত্রণ করি এবং অন্যান্য স্থানেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়েছে এবং সফলভাবে হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করেছে।
সরকার ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় আইএমও মহাসচিব জানান, আইএমও মানব ও মাদক পাচারসহ সামুদ্রিক অপরাধ নিয়ে কাজ করছে।
বৈঠকে আরও ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, আইএমওর সহসভাপতি সাঈদা মুনা তাসনিম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশীদ আলম।
আরও পড়ুন: মেরিন সেক্টরে বিশাল সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
৭৩৫ দিন আগে
বাংলাদেশের জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ফিনল্যান্ড
বাংলাদেশের জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাত বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বৈদ্যুতিক গ্রিড ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগে আগ্রহী ফিনল্যান্ড।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহ প্রকাশ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিনল্যান্ডের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত কিমো লাহডিভিরতা।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
বৈঠকে ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈদ্যুতিক গ্রিড ব্যবস্থাপনায় তার দেশের অধিক দক্ষতা রয়েছে এবং তাই তারা এ খাতে বিনিয়োগ করতে চায়।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করতে ফিনল্যান্ড থেকে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল শিগগিরই ঢাকায় আসবে বলে জানান তিনি।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে অবশেষে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণ করতে যাচ্ছে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সমৃদ্ধির পথে যাত্রা মসৃণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে জিএসপি+ সুবিধা আরও কয়েক বছর (বৃহত্তর সময়) পেতে ফিনল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন: দেশে ফিনল্যান্ড-গুয়াতেমালা ও আয়ারল্যান্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে চমৎকার সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় তার ফিনল্যান্ড সফর এবং ২০০৮ ও ২০১৯ সালে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা ও কোভিড-১৯ মহামারির পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আর্থিক সহায়তা ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ভারতের নির্বাচন সম্পর্কে বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়' শীর্ষক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে 'গুড নেইবারহুড’ সম্পর্ক অনুসরণ করছে।
বৈঠকে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
আরও পড়ুন: আপনাদের যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকব: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
৭৩৫ দিন আগে
আপনাদের যতদিন প্রয়োজন ততদিন পাশে থাকব: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবনে যতদিন সহযোগিতার প্রয়োজন হবে ততদিন তার সরকার ও আওয়ামী লীগ তাদের পাশে থাকবে।
সমবেত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা আপনাদের পাশে আছি, থাকব ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেব।’
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকালে কলাপাড়ায় সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বলেই দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আগে অনেকেই ক্ষমতায় এসেছেন, কিন্তু তারা এই অঞ্চলের জন্য কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নেয়নি।’
জনগণের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবে, কিন্তু জনগণের জীবনমান স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের সেসব মোকাবিলা করতে হবে। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগের ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় এবার জলোচ্ছ্বাস অনেক বেশি ছিল। সরকারের গড়ে তোলা ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে আসায় জনগণকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে যা যা করা দরকার আওয়ামী লীগ সরকার তাই করছে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, সরকার এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কারণ দেশে গণতন্ত্র রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিরবচ্ছিন্ন গণতন্ত্র বিরাজ করায় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে।’
কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নির্মল নন্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মুহিবুর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসযজ্ঞ হেলিকপ্টার থেকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
৭৩৫ দিন আগে
পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসযজ্ঞ হেলিকপ্টার থেকে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
হেলিকপ্টার থেকে পটুয়াখালী জেলার মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে পটুয়াখালী যাওয়ার পথে হেলিকপ্টারটি যখন ধীর গতিতে মাটির অল্প উপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছিল, তখন ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত দুটি এলাকা প্রত্যক্ষ করেন তিনি।
ঢাকা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা যাত্রা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা হেলিকপ্টারটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ার খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস সরকারি কলেজে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ করার কথা রয়েছে। এরপর তিনি পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কের শহীদ শেখ কামাল সেতু পরিদর্শন করবেন।
পরে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে বিকাল ৩টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
ঘূর্ণিঝড় রিমালে অন্তত ১৩ জনের প্রাণহানি, ৩৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং ১৯টি জেলার ৩৭ লাখের বেশি মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা
৭৩৫ দিন আগে
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দারিদ্র্য বিমোচন ও শিশুদের স্বাস্থ্য-শিক্ষায় অর্থ সরবরাহের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে এর পরিবর্তে দারিদ্র্য বিমোচন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব লাঘবে ব্যয় করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘জলবায়ুর প্রতিকূলতা থেকে মানবজাতিকে রক্ষার জন্য এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য অস্ত্র উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতার জন্য অর্থ সরবরাহ করা যেতে পারে। আর এই অর্থ দরিদ্র শিশুদের খাবারের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ব্যবহার করা যাবে।’
বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
যেসব দেশ অস্ত্র উন্নয়ন ও অস্ত্র প্রতিযোগিতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে তাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তির কথা বলি। কিন্তু কেন আপনারা সংঘাতে জড়াচ্ছেন?’
শেখ হাসিনা বলেন, অস্ত্র প্রতিযোগিতার জন্য ব্যয় করা এই অর্থ যদি ক্ষুধার্ত মানুষের খাবার, শিক্ষা ও গরিবদের চিকিৎসার পেছনে ব্যয় করা হতো তাহলে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতো। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতো এবং তারা উপযুক্ত উপায়ে জীবনযাপন করতে পারত।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা, মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘাত ও যুদ্ধ আজ বিশ্বশান্তি বিঘ্নিত করছে।’
তিনি বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাত মানবজাতির জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সংঘাত ও যুদ্ধের কারণে তরুণরা প্রাণ হারাচ্ছে এবং নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অস্ত্র প্রতিযোগিতা যত বাড়তে থাকে, মানুষের জীবন ততই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।’
আরও পড়ুন: মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সবকিছুর সমাধান করতে চাই। বিশ্বের বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।’
অনুষ্ঠানে যুদ্ধাহত তিনজন শান্তিরক্ষীকে পদক দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী 'আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস জার্নাল-২০২৪' (খণ্ড-১০) উন্মোচন করেন।
বর্তমানে বিশ্বের ১৩টি দেশে ৪৯৩ জন নারীসহ ৬ হাজার ৯২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪ হাজার ৯৭০ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৩৫২ জন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৪০৬ জন এবং বাংলাদেশ পুলিশের ৩৬৪ জন সদস্য রয়েছেন।
এ পর্যন্ত ১৬৮ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৭৩৬ দিন আগে
ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি।
সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম বলেন, বর্ষা আসছে তাই ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো শিগগিরই মেরামত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব: শরীয়তপুরে বিদ্যুৎহীন সাড়ে ৩ লাখ মানুষ
তিনি বলেন, পানিবাহিত রোগ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নিরাপদ পানি নিশ্চিত করারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আবদুস সালাম আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার, পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা।
একনেক সভায় মোট ১৪ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার।
তিনি আরও বলেন, ‘সভায় অনুমোদিত ১১টি প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১৪ হাজার ৩৩৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা (শুধু সংশোধিত প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে)।’
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পটুয়াখালীতে মাছের ঘের, পুকুরসহ ৭৬০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
তিনি আরও জানান, এর মধ্যে ৬ হাজার ৫৪১ কোটি ৫২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে, ৭ হাজার ৮৭৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে এবং বাকি ৮৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে।
১১টি প্রকল্পের মধ্যে ৮টি নতুন প্রকল্প এবং তিনটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘রিমালের’ আঘাতে সুন্দরবনে প্রাণ হারিয়েছে ২৬ হরিণ
৭৩৭ দিন আগে
পুনরায় সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় শেখ মুহম্মদ বেলালকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
কমন ফান্ড ফর কমোডিটিজের (সিএফসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় সাবেক রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলালকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি-প্রেস সেক্রেটারি কে এম সাখাওয়াত মুন জানান, সোমবার (২৭ মে) গণভবনে শেখ মুহম্মদ বেলাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তাকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনা বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দেশের রপ্তানি বাড়াতে পাট ও পাটজাত পণ্যসহ পণ্যের বাজার খুঁজে পেতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সিএফসি জাতিসংঘ অনুমোদিত আন্তর্জাতিক একটি আর্থিক সংস্থা। এটির ১০১টি সদস্য রাষ্ট্র এবং ৯টি প্রাতিষ্ঠানিক সদস্য রয়েছে।
দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দ্বিতীয় চার বছরের মেয়াদে পুনর্নির্বাচিত হন শেখ মুহম্মদ বেলাল। তার পুনর্নির্বাচিত হওয়া দারিদ্র্য বিমোচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টার ব্যাপক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রতিফলন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে বেলাল সিএফসিতে আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের পদমর্যাদা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম এই দায়িত্ব পান তিনি এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তার প্রথমবারের চার বছরের মেয়াদ শেষ করেন।
শেখ মুহম্মদ বেলাল সিএফসিতে দায়িত্ব পালনের আগে ২০১৪ সালের মার্চ থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেদারল্যান্ডসসহ ক্রোয়েশিয়া প্রজাতন্ত্র এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৭৩৮ দিন আগে
মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হওয়ার পথে অংশীদার হতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ লক্ষ্যে বাংলোদেশে তাদের ব্যবসার সুযোগ খোঁজার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার গণভবনে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
ইউএসবিবিসির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল, ওষুধ শিল্প, হালকা ও ভারী শিল্প, রাসায়নিক সার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সমুদ্র সম্পদ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের মতো উচ্চ সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।’
আরও পড়ুন: তারেককে ফিরিয়ে এনে আদালতের সাজা কার্যকর করব: প্রধানমন্ত্রী
ভবিষ্যতে ইউএসবিবিসির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি সরবরাহ ও একটি সহজ সাপ্লাই চেইন তৈরির মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হয়ে উঠবে যুক্তরাষ্ট্র।’
দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে ইউএসবিবিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শুধু আঞ্চলিকভাবে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নই এখন আমাদের লক্ষ্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক অংশীদারদেরও আমরা এর সঙ্গে যুক্ত করতে চাই।’
গত ১৫ বছরে সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে পদ্মা সেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকায় একটি আধুনিক মানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পের অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসবের পাশাপাশি আইনি ও আর্থিক অবকাঠামোগুলোরও উন্নয়ন করা হচ্ছে। এগুলো আমাদের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়িয়েছে।’
এর পাশাপাশি ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২৮টি হাইটেক পার্কের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে এসবের কয়েকটি চালু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিশেষ করে আইটি খাতে ১০ লাখেরও বেশি ফ্রিল্যান্সিং আইটি পেশাদার রয়েছে আমাদের। তাই প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ সঠিক গন্তব্য। এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক মজুরিতে আমরা তরুণ, দক্ষ ও সম্ভাবনাময় কর্মশক্তির একটি বিশাল উৎসও বটে।’
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের বাংলাদেশ সবচেয়ে উদার নীতি অনুসরণ করে উল্লেখ তিনি বলেন, দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও উন্নত করতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
২০২৬ সালে ‘স্বল্পোন্নত’ দেশ থেকে ‘উন্নয়নশীল’ দেশে বাংলাদেশের আসন্ন উত্তরণের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “২০৪১ সালের মধ্যে আমরা একটি ‘স্মার্ট জাতি’ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছি। তাই বৈশ্বিক সহযোগিতা ও আমাদের রপ্তানির আরও বাড়াতে আপনাদের সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”
এ ছাড়াও সুশাসন, আইনের শাসন, স্থিতিশীলতা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, নারীর ক্ষমতায়ন ও আইসিটি খাতের অগ্রগতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: 'সুন্দর জীবনের' জন্য উন্নত ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নিবিড় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে পরিণত হয়েছে বলে স্বীকার করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘দুই দেশের জনগণের জন্য পারস্পরিক সুবিধা ও সমৃদ্ধি অর্জন করাই আমাদের লক্ষ্য। ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিই এর প্রমাণ।’
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বৃহত্তম গন্তব্য, বিদেশি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় উৎস এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৭৩৮ দিন আগে
তারেককে ফিরিয়ে এনে আদালতের সাজা কার্যকর করব: প্রধানমন্ত্রী
আদালতে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সরকার ফিরিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানকে ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'তারেক রহমান যেখানেই থাকুক না কেন, আমরা তাকে ফিরিয়ে আনব এবং আদালতের সাজা কার্যকর করব।’
রবিবার (২৬ মে) সরকারি বাসভবন গণভবনে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে সহজে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ: প্রধানমন্ত্রী
তিনি তারেক জিয়াকে দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি, গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং দুর্নীতির জন্য কুখ্যাত ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘সে যেখানেই থাকুক না কেন, আমরা তাকে ফিরিয়ে আনব। সাজাপ্রাপ্ত এই পলাতক আসামিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা তাকে এনে সাজা কার্যকর করব।’
শেখ হাসিনা জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ জঙ্গি ও অগ্নিসংযোগকারীদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
২০১৩, ২০১৪ ও ২০২৩ সালে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, 'তার শাস্তি কার্যকর করতে পারলে এদেশের জনগণ জঙ্গিবাদ ও আগুন সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদেশে পলাতক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দণ্ডিত খুনিদের ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে তাদের দণ্ড কার্যকর করা অপরিহার্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: বর্তমানে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী দল: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৭৩৯ দিন আগে