প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
এআইকে বাংলাদেশে স্বাগত, তবে অপব্যবহার রোধে কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে স্বাগত জানায়, তবে এক্ষেত্রে কিছু প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে স্বাগত জানাই, তবে এর অপব্যবহার রোধে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে আমাদের কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিতে হবে।’
আরও পড়ুন: হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
হলি সি টু বাংলাদেশের অ্যাপোস্টলিক নুনসিও আর্চবিশপ কেভিন এস র্যান্ডাল আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ, যেখানে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, 'আমরা সবাই মিলে উৎসব উদযাপন করি।’
জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও পদক্ষেপের প্রশংসা করেন আর্চবিশপ।
আরও পড়ুন: পরীক্ষায় ছেলেরা কেন পিছিয়ে তা খুঁজে দেখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তর
৭৫৩ দিন আগে
পরীক্ষায় ছেলেরা কেন পিছিয়ে তা খুঁজে দেখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
ছেলেদের সংখ্যা কেন কম এবং কেন তারা ফলাফলে মেয়েদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে তা খুঁজে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (১২ মে) সকালে ২০২৪ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশকালে তিনি বলেন, ‘ছেলেরা সংখ্যায় কম কেন তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বোতাম টিপে ফল প্রকাশ করেন।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের সারসংক্ষেপ ও পরিসংখ্যান হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল যেভাবে জানা যাবে
তিনি বলেন, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৩৮ হাজার ১৫০ জন। এর মধ্যে ছেলের সংখ্যা ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৩৬৪ জন এবং মেয়েদের সংখ্যা ১০ লাখ ৩৮ হাজার ৭৮৬ জন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছেলেদের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করার জন্য এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।
আরও পড়ুন: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তর
তিনি বলেন, ‘পাশের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে। ভালো কথা। কিন্তু আমাদের এ বিষয়ে নজর দিতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার যথাসময়ে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, উচ্চশিক্ষার আগ পর্যন্ত উপবৃত্তি ও বৃত্তি প্রদান করেছে এবং দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং কেন ছাত্রের সংখ্যা কমছে তার কারণ খুঁজে বের করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও শিক্ষা বোর্ডগুলোকে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেদের সংখ্যা কমার কথা নয়, (মেয়েদের) সমান হওয়া উচিৎ।’
এ বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা যথাক্রমে ১২ ও ২০ মার্চ শেষ হয়।
আরও পড়ুন: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আজ
৭৫৩ দিন আগে
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তর
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলের সারসংক্ষেপ ও পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ রবিবার (১২ মে) সকালে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।
১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।
১৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা যথাক্রমে ১২ ও ২০ মার্চ শেষ হয়।
এ বিষয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর।
আরও পড়ুন: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আজ
৭৫৩ দিন আগে
হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (১১ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো বার্তায় শোক জানানো হয়।
শোক বার্তায় বলা হয়, মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
এর আগে শুক্রবার (১০ মে) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কমিউনিস্ট পার্টির এ নেতা। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
আরও পড়ুন: শুধু বিত্তশালী নয়, রিকশাচালক-দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
হায়দার আকবর খান রনো ১৯৪২ সালের ৩১ আগস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন। এরপর থেকেই কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।
১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, সাহিত্য ও বিজ্ঞান বিষয়ে বেশ কিছু সংখ্যক বই লিখেছেন হায়দার আকবর খান রনো। তিনি ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান।
আরও পড়ুন: ঢাকার আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
৭৫৪ দিন আগে
ঢাকার আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১৫-১৬ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভারসিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট' শীর্ষক বৈশ্বিক সংলাপ। বাংলাদেশ, বুলগেরিয়া ও জাপান সরকারের যৌথ উদ্যোগে এ সংলাপের আয়োজন করছে ইউএনএফপিএ।
বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা এবং বিশ্বের স্থানান্তরিত জনসংখ্যার সুযোগগুলো অন্বেষণ করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে এ সংলাপ।
চলতি বছর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিপিডি)।
বুধবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ইউএনএফপিএ'র নির্বাহী পরিচালক ড. নাতালিয়া কানেম, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. রোকেয়া সুলতানা, জাপানের পার্লামেন্টারি ভাইস মিনিস্টার হোসাকা ইয়াসুশি এবং বুলগেরিয়া সরকারের প্রতিনিধিদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ইউএনএফপিএ অনুসারে, সংলাপটি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক জনসংখ্যার গতিশীলতা এবং বৈচিত্র্যকে উন্মোচন করবে। এছাড়া বার্ধক্য ও আন্তঃপ্রজন্মের সুস্থতা, জনসংখ্যার তথ্যের ভবিষ্যৎ এবং গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংলাপে আলোচনা হবে।
স্থানীয় ও জাতীয় সরকার, একাডেমিয়া, থিংক ট্যাংক, কারিগরি বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সামাজিক সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রায় ২০০ জন প্রতিনিধি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন বা অবকাঠামোতে বিনিয়োগ, জনসংখ্যা পরিবর্তনের বিষয়ে বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করবে। যা পরিবর্তিত জনসংখ্যাতাত্ত্বিক প্রবণতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: দেশ ও জনগণের কল্যাণে আসে না এমন কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেব না: প্রধানমন্ত্রী
সংলাপটি জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ব্যবহারিক প্রতিক্রিয়াগুলোর উপর গুরুত্ব দিয়ে সেই ধারাবাহিকতাকে সম্মান জানাবে, যা জনসংখ্যা নীতিতে মানবাধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকে শক্তিশালী করে এবং এর মূলে ছিল লিঙ্গ সমতা ও প্রজনন অধিকার।
জনসংখ্যা ও উন্নয়নবিষয়ক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ৩০ বছর পেরিয়ে গেছে, যেখানে বিশ্ব নেতারা টেকসই উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে ব্যক্তিগত অধিকার ও মর্যাদাকে স্থান দিতে সম্মত হয়েছেন।
এই আলোচনাগুলো জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং বৈচিত্র্য, পরিবেশ, প্রজনন স্বাস্থ্য, মানবাধিকারের সর্বজনীনতা এবং লিঙ্গ সমতা সম্পর্কিত কর্মসূচির নীতি ও ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে জানা যাবে।
আরও পড়ুন: শুধু বিত্তশালী নয়, রিকশাচালক-দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
৭৫৪ দিন আগে
শুধু বিত্তশালী নয়, রিকশাচালক-দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসন উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শুধু ধনীদের ফ্ল্যাটে থাকলেই চলবে না, বরং রিকশাচালক, দিনমজুর এবং সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষও থাকবে।
শনিবার (১১ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৬১তম কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অভিমত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এসময় ঝাড়ুদার, হরিজন ও দলিতদের মতো ঐতিহ্যগতভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ বস্তিবাসী এবং নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য ফ্ল্যাট প্রদানের লক্ষ্যে চলমান সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি উল্লেখ করেন, এসব সম্প্রদায়ের লোকদের সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যকর, মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে সক্ষম করার জন্য নির্মাণ প্রকল্পগুলো ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ জেলার ৩৩৪টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সরকারি কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের একটি পরিবারও ভূমিহীন বা গৃহহীন থাকবে না, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’
প্রধানমন্ত্রী জাতি গঠনে জনগণের বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তিকে কাজে লাগানোর কথাও বলেন। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আনতে উপগ্রহ ও পারমাণবিক শক্তির মতো আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোন দল কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না। আমার চিন্তা হচ্ছে আমার দেশের মানুষ ভালো থাকছে কি না, তারা উন্নতি করছে কি না, তাদের ভাগ্য বদলাচ্ছে কি না।’
শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মাথাপিছু আয় এবং তৃণমূল জনগণের ক্রয় ক্ষমতার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিসহ বিগত ১৫ বছরে তার প্রশাসনের উন্নয়ন অর্জনসমূহ তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় সব বাংলাদেশির জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের উন্নয়ন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে তার সরকারের অব্যাহত নিষ্ঠার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: দেশ ও জনগণের কল্যাণে আসে না এমন কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেব না: প্রধানমন্ত্রী
৭৫৪ দিন আগে
দেশ ও জনগণের কল্যাণে আসে না এমন কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেব না: প্রধানমন্ত্রী
দেশ ও জনগণের কোনো কল্যাণে আসবে না এমন অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প তিনি অনুমোদন দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘শুধু নির্মাণের জন্য কোনো নির্মাণ করবেন না। এটা আমার অনুরোধ। অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প দেখলে অনুমোদন দেব না। আমি এরই মধ্যে একনেকে বিষয়টি পরিষ্কার করেছি।’
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শনিবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৬১তম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের সময় সবার আগে যে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয় তা হলো দেশ ও জনগণ এ থেকে কীভাবে লাভবান হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো প্রকল্প থেকে কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে সে বিষয় আমাদের দেখতে হবে। জনগণ কতটুকু উপকৃত হবে, এর থেকে কী কী পাওয়া যাবে এবং প্রকল্পটি দেশের কাজে লাগবে কি না। এসব হিসাব-নিকাশ আমাদের করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সেভাবে পরিকল্পনা করতে হবে এবং আমি এটি আপনাদের কাছ থেকে চাই।’
যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশের ওপর এর প্রভাব, স্থায়িত্ব ও ব্যয় সাশ্রয়ী বিবেচনা করতে প্রকৌশলীদের অনুরোধ জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ, পরিকল্পনা যাই হোক না কেন তা পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং ব্যয় সাশ্রয়ী হতে হবে।’
তিনি বলেন, পরিবেশের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে।
আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি প্রকৌশলীরা: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, 'এটাই আমাদের লক্ষ্য এবং এটা করতে হবে। প্রতি মুহূর্তে আমাদের খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলা করতে হবে, এটা মাথায় রেখে আমাদের পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী হাওর, বিল ও পুকুরের মতো জলাশয় ভরাটের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা না নিতে প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে আমরা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করব। এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন চলাচল করবে এবং এক্সপ্রেসওয়ের নিচ দিয়ে জাহাজ চলাচল করবে।’
বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে তা ব্যবহার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, 'এজন্য আমাদের জলাধারগুলো ভরাট করলে চলবে না, রক্ষা করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রকৌশলী, কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, প্রকৌশল বিভাগ এবং এএমআইই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ গ্র্যাজুয়েটদের স্বর্ণপদক ও সনদপত্রসহ বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর, আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন এবং আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে আইইবির ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে থিম সংয়ের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের অবদান শীর্ষক একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা পরিবেশ পরিবেশন করা হয়।
আরও পড়ুন: কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সমবায়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
৭৫৪ দিন আগে
সরকারি কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোকে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার(৯ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন।
এক প্রশ্নের জবাবে সত্যজিৎ বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোম্পানিগুলোর নাম সুনির্দিষ্টভাবে না বললেও অর্থ বিভাগ ও অর্থসচিবকে পুঁজিবাজারে কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির আগে সেগুলোকে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে বলেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুস সালাম ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার বক্তব্য দেন।
আব্দুস সালাম প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এটি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে এবং সর্বোপরি কোম্পানিগুলো তাদের ব্যয় কমাতে সক্ষম হবে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘এতে প্রতিযোগিতার মনোভাবও তৈরি হবে। সরকারি কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।’
প্রধানমন্ত্রীর অন্যান্য নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে সত্যজিৎ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নদী ও খালের ওপর সেতুগুলোর যথাযথ উচ্চতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে এসব স্থাপনার কারণে পানি প্রবাহ এবং নৌযান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে।
তিনি 'শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন এবং মৌলিক অবকাঠামো নির্মাণ' প্রকল্পে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় বিস্ময় প্রকাশ করেন।
পরিকল্পনা সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্প থেকে তার নাম বাদ দিতে বলেছেন।
এসময় বৈঠকে অংশগ্রহণকারী মন্ত্রী ও সচিবরা তাকে বলেন, নাম বাদ দিলে প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন জটিলতা ও বিলম্ব হবে, কারণ প্রকল্পসংক্রান্ত একটি আইন ইতোমধ্যে সংসদে পাস হয়েছে।
আরও পড়ুন: জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও গ্রামাঞ্চলের মানুষের অবস্থা ভালো: প্রধানমন্ত্রী
জবাবে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রকল্পে তার নাম যুক্ত করা হলে ভবিষ্যতে তিনি কোনো প্রস্তাবে অনুমোদন দেবেন না।
২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে খুলনায় ১ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক।
১০টি প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৫ হাজার ৫৬৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ৫ হাজার ২০৩ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বাকি ৩৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আসবে বৈদেশিক উৎস থেকে।
এর মধ্যে ৮টি নতুন প্রকল্প ও ২টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
আরও পড়ুন: একনেকে চমেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিট ও খুলনায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন
৭৫৬ দিন আগে
একনেকে চমেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিট ও খুলনায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন
২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ১ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনায় একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
১০টি প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৫ হাজার ৫৬৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার ২০৩ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বাকি ৩৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আসবে বৈদেশিক উৎস থেকে।
এর মধ্যে আটটি নতুন প্রকল্প ও দুটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
আরও পড়ুন: একনেকে ৮৪২৫ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন
বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ অনুমোদিত ১০টি প্রকল্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলো ঢাকার বাইরে প্রথমবারের মতো, চট্টগ্রামে বার্ন ইউনিট স্থাপন এবং আরেকটি হচ্ছে খুলনায় একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।’
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প সম্পর্কে পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, দেশের ৮টি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে 'শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ, উন্নয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো নির্মাণ' শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২৮৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
আরও পড়ুন: অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্ব দিন: একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
নতুন অন্য ৬টি প্রকল্প হলো- ১৪৪ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে 'ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস বেজড অন প্ল্যাটফর্ম' প্রকল্প; ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে 'পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন'; ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন; ৮১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে 'প্রোগ্রাম ফর সাসটেইনেবিলিটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড লেদার সেক্টর (এসটিআইএল)' প্রকল্প; ৩৩৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে 'ঢাকা জেলায় বিদ্যমান সার্কিট হাউজ ভবনের স্থলে নতুন আধুনিক সার্কিট হাউজ ভবন নির্মাণ' এবং 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের নবনির্মিত গাজীপুর ব্যাটালিয়নের (৬৩ বিজিবি) জন্য বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ' প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২২৩ কোটি ২ লাখ টাকা।
একনেক দুটি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে একটি হলো, ‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিএল), ছাতক, সুনামগঞ্জ (২য় সংশোধিত) ওয়েট প্রসেসকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তর' প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ৫২৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট (ইউআরপি): ডিডিএম অংশ (৩য় সংশোধিত)-এর জন্য ব্যয় ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা কমানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: একনেকে ১১ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা আনুমানিক ব্যয়সহ ১৮টি প্রকল্প অনুমোদন
৭৫৬ দিন আগে
জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও গ্রামাঞ্চলের মানুষের অবস্থা ভালো: প্রধানমন্ত্রী
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও গ্রামাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে যারা নিজেরাই খাদ্য উৎপাদন করে, তারা তেমন অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘দাম বেড়েছে এবং এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে সীমিত আয়ের মানুষেরা দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে গ্রামে যারা নিজেদের জন্য উৎপাদন করতে পারেন, তাদের খুব একটা কষ্ট হয় না। তাই তাদের থেকে কোনো দুর্দশার খবর পাওয়া যায় না। তারপরও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
আরও পড়ুন: হজ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
বুধবার (৮ মে) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত ড. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুলের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
রাষ্ট্র পরিচালিত টিসিবি তাদের বিদ্যমান জনবল দিয়ে জনগণকে সেবা প্রদান করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
দেশে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমদানিও করছি। যত টাকাই লাগুক না কেন, রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হলেও আমরা খরচ করছি।’
জনগণের কল্যাণ তার সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
নাটোর থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র এমপি আবুল কালামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সব সময় জনগণের ভোগান্তি লাঘবে সচেষ্ট।
শেখ হাসিনা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে সরকার সব ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। 'আমরা ভোগ্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল, গম, সরিষা, বিভিন্ন খাদ্যপণ্য, ভোগ্যপণ্য এবং শিল্পের কাঁচামালের দাম বাড়ায় দেশে আমদানি মূল্যস্ফীতির চাপ পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৃষ্ট সংঘাত বাজার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের ওপর এর প্রভাব প্রশমনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
সম্প্রতি টাকার বিনিময় হারের দর কমে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা আনতে শিগগিরই ক্রলিং পেগ ভিত্তিক মুদ্রা বিনিময় নীতিমালা গ্রহণ করা হবে।’
এই পদ্ধতি বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের অস্বাভাবিক ওঠানামা রোধ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পদ্ধতি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন: প্রধানমন্ত্রী
৭৫৭ দিন আগে