প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদক দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক ও দুর্নীতি দমনে প্রাণবন্ত ভূমিকা পালনের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে পুলিশকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হিসেবে গড়ে তুলতে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা একান্ত প্রয়োজন।’
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদক প্রতিরোধে কাজ করুন: স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী
'স্মার্ট পুলিশ, স্মার্ট দেশ, শান্তি ও প্রগতির বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৬ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ চলবে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত।
পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও যোগ্যতা প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদেরকে জনগণের বন্ধু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ বিপদে পড়লে পুলিশের কাছে যায়। তাই, পুলিশ জনগণের বন্ধু। যা (এই নীতি) দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এটা প্রতিষ্ঠা করা একান্ত প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাই আমি মনে করি, আমাদের পুলিশ তাদের পেশাদারিত্ব, সততা, আন্তরিকতা, যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, নিষ্ঠা, সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে জনগণের সেবা করবে।’
আরও পড়ুন: স্বাধীন বিচার বিভাগ একটি দেশের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী সাহসী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩৫ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-বীরত্ব) এবং ৬০ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-বীরত্ব) প্রদান করেন।
এছাড়া, ৯৫ জন পুলিশ সদস্য বিপিএম সেবা পদক এবং ২১০ জন পিপিএম সেবা পদক পেয়েছেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন তাকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী খোলা জিপে চড়ে বাংলাদেশ পুলিশের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং সালাম গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মগুলো সময়মতো কাজ করে না: প্রধানমন্ত্রী
৭৩৮ দিন আগে
সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদক প্রতিরোধে কাজ করুন: স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী
সমাজ থেকে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতি নির্মূলে সচেষ্ট থাকতে স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’
রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'স্থানীয় সরকার স্মার্ট হবে: সেবার অধিকার নিশ্চিত হবে' প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত ‘স্থানীয় সরকার দিবস -২০২৪’ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
যুবসমাজের ওপর মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে উসকে দেওয়ার আশঙ্কার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এসব সমস্যা মোকাবিলায় জনসচেতনতা গড়ে তুলতে জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে এই গতিশীলতায় অবদান রাখার জন্য স্থানীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
জনপ্রতিনিধিদের তাদের দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষা এবং সঠিক প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী, যাতে জনগণ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশকে একটি ব-দ্বীপ উল্লেখ করে তিনি নদ-নদী, খাল, নালা, বিল ও হাওরসহ জলাশয় সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শেখ হাসিনা গ্রাম পর্যায়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জলাশয় সংরক্ষণের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার ওপরও জোর দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জটিলতা এড়াতে গ্রাম পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুরু করা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিজস্ব স্থানীয় সংস্থার জন্য রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সমবায়ের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, আবাদি জমি রক্ষা এবং কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা ও সেবার প্রতি মনোযোগ দিতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার খাতে বাজেট বরাদ্দ ছিল মাত্র ৫ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা, কিন্তু ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৪৬ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা করা হয়।
তিনি এমন একটি ভবিষ্যতের কল্পনা করেছিলেন যেখানে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলো জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবে এবং স্থানীয় উদ্যোগের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো সরবরাহে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকার উপর জোর দিয়েছিলেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ, শরীয়তপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, রাজশাহীর বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন আহমেদ, পঞ্চগড় পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন এবং সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদ্দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ লাবলু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান এবং দেশব্যাপী স্থানীয় শাসন ও সেবা প্রদানের জন্য নিবেদিত একটি দিনের মঞ্চ তৈরি করেন।
আরও পড়ুন: নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৭৪০ দিন আগে
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দেশে আরও নারী উদ্যোক্তা তৈরি করতে বিশ্বব্যাংকের কাছে বিশেষ তহবিল চেয়েছেন।
তিনি জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রকল্প বাস্তবায়নে ঋণদাতা সংস্থা থেকে রেয়াতি হারে আরও ঋণ বিতরণের অনুরোধ জানান।
রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনা বজেরদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ ভবনে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।
তিনি বলেন, ‘আইসিটি থেকে শুরু করে কৃষি ও ক্ষুদ্র হস্তশিল্প পর্যন্ত নারীরা কাজ করছে এবং আমরা তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বাংলাদেশের নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য একটি বিশেষ তহবিল প্রদানের জন্য বলেন।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মগুলো সময়মতো কাজ করে না: প্রধানমন্ত্রী
স্বাধীন বিচার বিভাগ একটি দেশের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে: প্রধানমন্ত্রী
৭৪০ দিন আগে
বঙ্গবন্ধু অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে বঙ্গবন্ধু অ্যাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ হলো।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্বার টেকনোলজিস লিমিটেডের তৈরি অ্যাপটি উদ্বোধন করা হয়।
আরও পড়ুন: রমজানে কোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'এই অ্যাপ মানুষকে জাতির পিতার ঘটনাবহুল জীবন সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিয়েছে।’
তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জনগণকে শিক্ষিত করতে ডিজিটাল মাধ্যম হিসেবে অ্যাপটি ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী এই দূরদর্শী প্রকল্প বাস্তবায়নে তাদের প্রচেষ্টার জন্য বঙ্গবন্ধু অ্যাপের পেছনে থাকা টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: স্বাধীন বিচার বিভাগ একটি দেশের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে: প্রধানমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মগুলো সময়মতো কাজ করে না: প্রধানমন্ত্রী
৭৪১ দিন আগে
স্বাধীন বিচার বিভাগ একটি দেশের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ, শক্তিশালী সংসদ ও প্রশাসন একটি দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আসার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বাসকে বাস্তবায়নে বিচার বিভাগকে প্রশাসন থেকে পৃথক করে সম্পূর্ণ স্বাধীন করেছি।’
শনিবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে 'একবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশীয় সাংবিধানিক আদালত: বাংলাদেশ ও ভারতের শিক্ষা' শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
আরও পড়ুন: গত মাসের নির্বাচন নিয়ে বিশ্বের কোনো নেতা প্রশ্ন তোলেননি: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, সরকার বিচার বিভাগকে প্রশাসন থেকে আলাদা এর জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ করে করেছে।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ আগে আর্থিক বিষয়ে সরকারের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন প্রণয়ন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এর আগে নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা এটাকে নির্বাচন কমিশিন (ইসি) হিসেবে সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন করেছি এবং এর জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি।’
তিনি বলেন,‘এর মানে হলো- আমরা নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি এবং আওয়ামী লীগ সরকার তা করতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী সংবিধানে একটি অনুচ্ছেদ সংযোজন করেছে, যাতে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রমজানে কোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তিনি বলেন, 'এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আমি বলতে পারি, জনগণের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সাল থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন,‘ইনশাল্লাহ, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশে পরিণত করতে সক্ষম হব।’
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মগুলো সময়মতো কাজ করে না: প্রধানমন্ত্রী
৭৪১ দিন আগে
আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মগুলো সময়মতো কাজ করে না: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম আছে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় ফোরামগুলো কাজ করে না।
শুক্রবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের প্রধান সম্পাদক এনায়েতউল্লাহ খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আমি মনে করি ইতোমধ্যে অনেক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে, কিন্তু সেগুলো সময়মতো কাজ করে না।’
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪ -এ যোগদানের লক্ষ্যে তার সাম্প্রতিক জার্মানি সফরের ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবং ক্ষুদ্র ভূমিতে বিশাল জনগোষ্ঠী নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মধ্যম শক্তি বা উদীয়মান শক্তিকে নিয়ে নতুন প্লাটফর্ম তৈরির কোনো উদ্যোগ নেওয়ার কথা তিনি ভাবছেন না।
এনায়েতউল্লাহ খান তার প্রশ্নে বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে রয়েছে, যখন জোটনিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম বর্তমান রাজনৈতিক পটভূমিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। আমাদের (বাংলাদেশ) মতো মধ্যম শক্তি ও উদীয়মান শক্তি রয়েছে। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনাম অন্যতম।
ইউএনবির প্রধান সম্পাদক জানতে চান, 'আপনি (শেখ হাসিনা) জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে মা ও শিশু, নারীর ক্ষমতায়নসহ (আন্তর্জাতিক ফোরামে) অনেক বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মধ্যম শক্তি ও উদীয়মান শক্তিকে নিয়ে নতুন প্লাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছেন কিনা?'
আরও পড়ুন: গত মাসের নির্বাচন নিয়ে বিশ্বের কোনো নেতা প্রশ্ন তোলেননি: প্রধানমন্ত্রী
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমি আমার দেশ, দেশের মানুষ, ছোট ভূখণ্ডের বিশাল জনগোষ্ঠী নিয়ে ব্যস্ত আছি। হ্যাঁ, আমি আওয়াজ তুলি এবং যেখানে কোনও অন্যায় দেখি সেখানে প্রতিবাদ করি। আমি সব সময় বলি, আমি যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।’
শেখ হাসিনা বলেন, এ ধরনের কোনো প্লাটফর্ম গঠন করার মতো যোগ্যতা ও চিন্তাভাবনা তার নেই।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গাজা যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবে যেভাবে ভেটো দেওয়া হয়েছে, তেমনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গাজায় গণহত্যা অব্যাহত রয়েছে, যেখানে হাসপাতালগুলোও হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না এবং শিশুদের খাবার নেই।
তিনি বলেন, ‘আমি এ ধরনের ঘটনার প্রতিবাদ জানাই। আমার যা কিছু আছে তা নিয়ে আমি যথেষ্ট সচেতন। এর চেয়ে বড় কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।’
আরও পড়ুন: রমজানে কোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৭৪২ দিন আগে
রমজানে কোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসন্ন রমজান মাসে বাজারে পণ্যের কোনো ঘাটতি হবে না। রমজানে কোনো কিছুর অভাব হবে না।
শুক্রবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪-এ যোগদানের জন্য তার সাম্প্রতিক জার্মানি সফরের ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রোজার মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, ছোলা, খেজুর, চিনির মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে। ‘সুতরাং, এতে কোনো সমস্যা হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী ১৫ ফেব্রুয়ারি মিউনিখ যান এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফেরেন।
মিউনিখে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: গত মাসের নির্বাচন নিয়ে বিশ্বের কোনো নেতা প্রশ্ন তোলেননি: প্রধানমন্ত্রী
৭৪২ দিন আগে
গত মাসের নির্বাচন নিয়ে বিশ্বের কোনো নেতা প্রশ্ন তোলেননি: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো বিশ্ব নেতা তার সাম্প্রতিক জার্মানি সফরে গত মাসের(৭ জানুয়ারি) সাধারণ নির্বাচন নিয়ে কোনো উদ্বেগ বা প্রশ্ন উত্থাপন করেননি।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। নির্বাচন নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ ও প্রশ্ন নেই।’
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪-এ যোগ দিতে তার সাম্প্রতিক জার্মানি সফরের ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে তার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।
তিনি বলেন, 'নির্বাচন সম্পর্কে কেউ আমাকে কিছু বলেনি, কারণ তারা জানত যে আমি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসব।’
আরও পড়ুন: ত্যাগের মহিমায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, এমন একটি দেশ আছে যেখানে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করতে ১২-১৩ দিন সময় লাগলেও নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু বলা হয়।
বাংলাদেশে ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা হলেও নির্বাচন অবাধ নয়। কীভাবে বলা যায়!
প্রধানমন্ত্রী ১৫ ফেব্রুয়ারি মিউনিখ যান এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরে আসেন।
মিউনিখে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দেন এবং পাশাপাশি বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী
৭৪২ দিন আগে
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণ বিশ্ব শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গত সপ্তাহে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে তার অংশগ্রহণ শান্তি, সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক বিশ্ব নিরাপত্তার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
সম্প্রতি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ২০২৪-এ যোগ দিতে জার্মানির মিউনিখে তিন দিনের সফরের ফলাফল বিষয়ে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী ১৫ ফেব্রুয়ারি মিউনিখ যান এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফেরেন।
মিউনিখে অবস্থানকালে তিনি সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: ত্যাগের মহিমায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
লিখিত বক্তব্যে শেখ হাসিনা তার এই সফরকে সফল বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, তিনি বিশ্ব নেতাদেরকে বলেছেন, আকার নয়, একটি দেশের নীতির শক্তিই হচ্ছে রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক মুক্তির পথ।
এছাড়া বন্ধুপ্রতীম দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা আরও দৃঢ় হয়েছে এবং সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২৪ অংশগ্রহণ নিয়ে ব্রিফ করছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ফ্রম পকেট টু প্ল্যানেট : স্কেলিং আপ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স' শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেলে তিনি অবিলম্বে গাজা ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সব ধরনের শত্রুতা, অবৈধ দখলদারিত্ব ও নিরস্ত্র মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর অমানবিক হত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, 'আমি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার বিরূপ প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরেও প্রভাব ফেলে।’
এ প্রসঙ্গে অর্থহীন অস্ত্র প্রতিযোগিতার অবসান ঘটিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস ও অর্থায়ন সহজলভ্য ও বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন,‘মানবতার অস্তিত্বের সংকটের মধ্যে আমি এই কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছি যে, ক্ষুদ্র স্বার্থ কেবল দুর্দশা নিয়ে আসে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অর্থায়ন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে তিনি বিশ্ব নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, 'আমি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বহুমুখী নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও জনগণের জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধি, প্রতিশ্রুত তহবিলের প্রকৃত স্থানান্তর এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছি।’
তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় ধনী দেশগুলোর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনার সময় রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই ও দ্রুত সমাধানে কাতারের অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি।
তিনি বলেন, ‘বৈঠকে পারস্পরিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সহিংসতা বন্ধে একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন নীতি ও অংশীদারিত্বের ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গের (অ্যাক্সেল ভন ট্রটসেনবার্গ) সঙ্গে বৈঠকে তিনি মধ্যম আয়ের দেশগুলোর অন্তর্ভুক্তিতে অবদানের আলোকে চলতি অর্থবছরে বাজেট সহায়তা হিসেবে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দ্রুত ছাড়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
উচ্চ-মধ্যম আয় ও উচ্চ আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনে বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত পথেও বিশ্বব্যাংকের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাকালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ করে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেন।
সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং গম, ভোজ্যতেল এবং অন্যান্য কৃষি পণ্য খাতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতার জন্য তাদের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত দ্রুত সমাধানের কার্যকর উপায় খুঁজে বের করার জন্য আমি তাকে আহ্বান জানিয়েছি। আমরা গাজা উপত্যকার সংঘাত নিয়েও আলোচনা করেছি।’
আরও পড়ুন: ৩ দিনের সফর শেষে মিউনিখ থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
৭৪২ দিন আগে
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২৪ অংশগ্রহণ নিয়ে ব্রিফ করছেন প্রধানমন্ত্রী
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪ এ যোগদানের জন্য তার সাম্প্রতিক জার্মানি সফরের ফলাফল সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ যুদ্ধের বিপক্ষে, রক্ষা করা হবে সার্বভৌমত্ব: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ২০২৪ যোগ দিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি মিউনিখে যান এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরেছেন।
মিউনিখে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দেন এবং সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: ত্যাগের মহিমায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
৭৪২ দিন আগে