সারাদেশ
রূপপুরে মদ্যপ অবস্থায় দুই রাশিয়ানের মারামারি, একজন নিহত, অন্যজন হাসপাতালে
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে মদ্যপ অবস্থায় দুই রাশিয়ান নাগরিকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে কুদরিন সার্গেই (৫৬) নামে একজন নিহত হয়েছেন আর গুরুতর আহত অবস্থায় অন্যজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে কর্মরত বিদেশিদের আবাসিক এলাকা রূপপুর গ্রিন সিটির ৬ নম্বর ভবনের ৫ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কুদরিন সার্গেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ট্রেস্ট রোসেমে ‘আল্ট্রাসনিক টেস্টিং ইন্সপেক্টর’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গ্রিন সিটির ৬ নম্বর ভবনের পঞ্চম তলার ৫১ নম্বর কক্ষে বসবাস করতেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহত ব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মদ্যপানের পর তারা দুজন বাগবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে উভয়েই একে অপরকে আঘাত করেন। এ সময় দুজনই গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাদের গ্রিন সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সার্গেইকে পাবনার এসোর্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে বেরোবির চার শিক্ষকের ১২ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) চার শিক্ষকের ১২টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নাল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন (পিয়ার রিভিউ) প্রক্রিয়ায় কারচুপি, তথ্য ও ফলাফলের অসংগতি, চৌর্যবৃত্তি (প্লেজিয়ারিজম), একই তথ্য পুনর্ব্যবহার, অপ্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র ও উদ্ধৃতি ব্যবহার করে সাইটেশন (উদ্ধৃতি সংখ্যা) বাড়ানোসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে এসব গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়।
বেরোবির প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক আবু রেজা মো. তৌহিদুল ইসলামের ১০টি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নুরুল হুদা লিটনের যৌথ ১টি ও ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নুরুল কবির বিপ্লবের ১টি গবেষণাপত্র রয়েছে।
আন্তর্জাতিকভাবে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট সম্পাদকীয় নোটিশ সংরক্ষণকারী ‘রিট্র্যাকশন ওয়াচ ডেটাবেস’-এর তথ্য বিশ্লেষণে বিষয়টি উঠে আসে। ওই ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, গবেষণা-নৈতিকতা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক জার্নালগুলো এসব গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইলিয়াছ প্রামাণিক বলেন, ‘গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। গবেষণাপত্র বিভিন্ন কারণে প্রত্যাহার হতে পারে। তবে যদি অনিয়মের কারণে প্রত্যাহার হয়, তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষকের গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্রত্যাহারের কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো নীতিমালা নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয় আইনে উল্লেখ রয়েছে, যেসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিধান নেই, সেসব ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।’
এ বিষয়ে বেরোবির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘অনিয়মের কারণে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হওয়ায় শাস্তিস্বরূপ তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে অধ্যাপক আবু রেজা মো. তৌহিদুল ইসলামের এক বছরের পদোন্নতি স্থগিত করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন যাদের গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যাহারের কারণ তদন্ত করবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে বিশ্ববিদ্যালয় বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ ব্যাপারে উপাচার্য ড. শওকাত আলী বলেন, ‘কেন এমনটা হলো, তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫১ নেতাকর্মীর পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৫১ জন নেতাকর্মী দলীয় পদ ও সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা জানান, এখন থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পদত্যাগকারীরা দলীয় সব পদ-পদবি ও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন—মুকসুদপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, সদস্য পলাশ মোল্লা, ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ, আওলাদ শেখ, আকরাম চৌধুরী, খোরশেদ মিয়া, সাইফুল শেখ, চাঁন শেখ, সিদ্দিক শেখ, সুমন মুন্সি, সালাম মোল্লা, হাসমত মোল্লা, ঠান্ডু শরীফ, শাজাহান মোল্লা, শাজাহান মৃধা, আবু সাইদ মিনা, মোহাম্মাদ শেখ, রশিদ শেখ, মফিজ শরীফ, হাসিব শেখ, সুমন শেখ, আমিরুল শরীফ, মাহাবুর শরীফ, মালেক শেখ, ফারুক মীর, তারেক মোল্লা ও আশরাফ আলী।
এছাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হান্নান শেখ, শাজন শিকদার, মামুন হাসান, সৈয়াদ শেখ, আবুল হোসেন (আবু), মাসুদ মুন্সী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেমায়েত ফকির ও সদস্য নাসিরুদ্দিনও পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
এ ছাড়াও মুকসুদপুর উপজেলার উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হরিদাস বিশ্বাস, সহ-সভাপতি প্রণয় কর্মকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহন বাঁশি পান্ডে, সদস্য নিপেন পান্ডে, বুদ্ধি কান্তি পান্ডে, মৃতুঞ্জয় পান্ডে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক খিপু মোল্লা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইয়াদ আলী মোল্লা, মহারাজপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য সঞ্জিত দত্ত ও গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য কালাচান দাসও পদত্যাগকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা বলেন, তারা আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ-পদবি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ থেকে দলের সঙ্গে তাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও ঘোষণা দেন তারা।
১৭ ঘণ্টা আগে
পাঁচ বছর ধরে রমেকের হিমঘরে ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ
আইনি জটিলতা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া ও পরিবারের অনাগ্রহের কারণে প্রায় পাঁচ বছর ধরে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষিত রয়েছে ভারতীয় নাগরিক প্রবীর মণ্ডলের মরদেহ। পরিচয় ও পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর বা সৎকার করা সম্ভব হয়নি।
প্রবীর মণ্ডল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নিমচা মৈত্রী স্ট্রিটের এম আলম বাজার এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মহাদেব মণ্ডল। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪১ বছর।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ৮ নভেম্বর থেকে রমেক হাসপাতালের মর্গের হিমঘরে মরদেহটি রয়েছে। পরিবার, ভারতীয় হাইকমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর বা সৎকার করা সম্ভব নয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের নভেম্বরে ফেসবুকে পরিচিত এক নারীর সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা থেকে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রামে যান প্রবীর মণ্ডল। সেখানে আজিজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রবীর মণ্ডলের পোশাক থেকে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় পাসপোর্টে দেখা যায়, তিনি ২০১৭ সালের ৩ মার্চ তিন মাসের ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং ২০১৮ সালের ১৬ মার্চ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে যান। তবে এরপর কীভাবে তিনি আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিয়ে ২০২১ সালের ১০ নভেম্বর একটি মেডিকেল লিগ্যাল বোর্ড গঠন করা হলেও এরপর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। সেই থেকে মরদেহটি হাসপাতালের হিমঘরেই সংরক্ষিত রয়েছে।
২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর লালমনিরহাট জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো এক প্রতিবেদনে জানায়, মরদেহে তখনই পচন শুরু হয়েছিল। বিজিবির মাধ্যমে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে মরদেহ ভারতে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়। কিন্তু প্রায় পাঁচ বছর পার হলেও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী বলেন, ‘প্রবীর মণ্ডলের পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। তার ছোট ভাই সুবীর মণ্ডলের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু তারা মরদেহ গ্রহণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রমেক হাসপাতালের হিমঘরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল বসুনিয়া বলেন, ‘মরদেহটি এখনও হিমঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলেই ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী হস্তান্তর বা সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে।’
রমেক হাসপাতালের উপপরিচালক আব্দুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রবীর মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছিল। পুলিশের অনুরোধেই মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি। এত দীর্ঘ সময় একটি মরদেহ হিমঘরে পড়ে থাকা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রংপুর জেলা সভাপতি খন্দকার ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, ‘একজন মৃত ব্যক্তিরও মানবাধিকার রয়েছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, মরদেহের মর্যাদাপূর্ণ সৎকার নিশ্চিত করা। এতদিন ধরে মরদেহ সংরক্ষিত থাকায় সেই অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।’
এ বিষয়ে রংপুরের জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন বলেন, ‘প্রবীর মণ্ডলের মৃত্যুর সময় করোনা মহামারির কারণে সীমান্তে কঠোর বিধিনিষেধ ছিল। সে সময় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ গ্রহণে আগ্রহী হয়নি। বর্তমানে পরিবারের অনাগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায়, পরিবারের অনাপত্তি সাপেক্ষে মরদেহটির সৎকারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
১৭ ঘণ্টা আগে
নড়াইলে পৃথক ঘটনায় ২ জন নিহত
নড়াইলে পৃথক ঘটনায় এক যুবক ও এক মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে লোহাগড়া উপজেলায় রহমত শেখ (৩০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
আজ (সোমবার) সকালে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের চর-মল্লিকপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রহমত শেখ চর-মল্লিকপুর গ্রামের আব্দুল হাই শেখের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, রহমত শেখের স্ত্রী বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন। রবিবার রাতে তিনি খাবার খেয়ে নিজের ঘরে ঘুমাতে যান। আজ সকালে তাকে ডাকাডাকি করলেও তার কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। পরে ঘরের দরজা ভেঙে জানালায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রহমতের মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তার পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতের কোনো এক সময় তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে তারা কিছু বলতে পারেননি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, নড়াইলে কালিয়া পৌর এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোহাম্মদ তানভীর (১৫) নামে এক মাদরাসাছাত্র নিহত হয়েছে।
আজ সকাল ৮টার দিকে কালিয়া পৌর এলাকার বেন্দা গ্রামে একটি চায়ের দোকানে চা বানাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তানভীর বেন্দা গ্রামের মো. আজগার শেখের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
জানা গেছে, তানভীর তার বাবার চায়ের দোকানে বাবাকে সহায়তা করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক কেতলিতে চা বানাতে যায়। এ সময় কেতলিতে সমস্যা দেখা দিলে তানভীর নিজেই তা সারার চেষ্টা করে। এ সময় সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
লালমনিরহাটে বিদ্যালয়ে ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক, ক্লাস বর্জন শিক্ষার্থীদের
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষক। বিদ্যালয়টির শিক্ষক সংকটে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। এমন অবস্থায় চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষকের দাবিতে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২ আগস্ট) থেকে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করছে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে সীমান্তঘেরা দহগ্রাম ইউনিয়ন। দেশের উত্তরের আলোচিত এই জনপদে পৌঁছাতে পাড়ি দিতে হয় ঐতিহাসিক তিনবিঘা করিডর। ওই ইউনিয়নের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।
স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টিকে ২০১৩ সালে সরকারিকরণ করা হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী, বিদ্যালয়টিতে বিষয়ভিত্তিক ২৫ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও শুরুতে মাত্র ৭ জন শিক্ষক সরকারিকরণের আওতায় আসেন। পরবর্তীতে একে একে ৬ জন শিক্ষক অবসরে চলে যাওয়ায় বর্তমানে শুধুমাত্র একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক পুরো বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন ।
১৭ ঘণ্টা আগে
যশোর থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯-এর অভিযানে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল্লাহ ইফাদকে (২০) সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে অপহৃত স্কুলছাত্রীকেও উদ্ধার করেছে র্যাব।
সোমবার (৩ আগস্ট) র্যাব-৯ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ ইফাদ (২০) হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার উত্তর বাজার এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, অপহৃত ছাত্রী যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানাধীন চণ্ডীপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রায় এক বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত ইফাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
গত ৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তারা জানতে পারেন, স্কুলে যাওয়ার পথে চণ্ডীপুর মাদরাসা মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আব্দুল্লাহ ইফাদ ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে যশোরের বাঘারপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গত ২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে সিলেট নগরীর শাহজালাল মাজার গেইট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ ইফাদকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অপহৃত ওই স্কুলছাত্রীকেও উদ্ধার করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার আসামি এবং উদ্ধার ভুক্তভোগীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ বিভাগে ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’ চালু
ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য পরীক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল জানানোর লক্ষ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’ চালু করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সমানে এই পরীক্ষাগারের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।
উদ্বোধনকালে তিনি জানান, ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলাজুড়ে এই ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যেসব এলাকায় বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিক্রি হয় সেখানে গাড়িতে থাকা এই পরীক্ষাগার নিয়ে যাওয়া হবে, তারপর খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিক ফলাফল জানানো হবে।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন বলেন, কোথাও খাদ্যপণ্যে ভেজাল পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধ্বংস করা হবে। এ ছাড়াও এই পরীক্ষাগারে কোনো ভোক্তা চাইলে তিনিও বাজার থেকে নমুনা নিয়ে বিনামূল্যে পরীক্ষা করাতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে খাদ্যপণ্য পরীক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল পাওয়া যাবে। এছাড়া ভোক্তারা নিজেদের আনা খাদ্য নমুনাও বিনামূল্যে পরীক্ষার সুবিধা পাবেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, মেট্রোপলিটন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, জেলা কর্মকর্তা মাহবুব আরেফিন রাফি, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক হারুন অর রশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
বরিশালে ‘বোমা’ বিস্ফোরণ, ৩ জন গুরুতর আহত
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বোমা বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, আজ (সোমবার) সকাল ৬টার দিকে দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে থাকা শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, কন্যা ইতি ও নাতি ফাহিম অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে জামাল বলেন, ‘ঘরের পাশে থাকা বালুর বস্তার মধ্যে একটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। ঘটনাস্থলে আমার মা, বোন ও ভাগ্নের শরীরে আগুন ধরে যায়। ঘরের সামনে থাকা তুলাতলা নদীতে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে। ততক্ষণে তাদের শরীরের সব কাপড় পুড়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে বোমাটি কোথা থেকে আসল, এ বিষয়ে আমাদের কিছুই জানা নেই।’
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
২১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে হরিরহাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৪ দোকান পুড়ে ছাই
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হরিরহাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৪ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
রবিবার (২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের হরিরহাট বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
তবে আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকানের মালামালসহ ব্যবসায়ীদের ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
হরিরহাট বণিক সমিতির সভাপতি মো. মোস্তফা মাতুব্বর জানান, রাত সাড়ে ১০টার পর হঠাৎ করেই বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি জানান, বাজারের ব্যবসায়ী হাশেম মিয়া, আজিজ মুন্সী, পরেশসহ চারজনের দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে মুদি ও কাঁচামালের দোকান ছিল।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় তিন-চারটি গ্রামের মানুষ আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দোকানগুলোর সঙ্গে ভেতরে থাকা মালামালও পুড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দোকানগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
২২ ঘণ্টা আগে