সারাদেশ
সিলেটে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, দুই দিনে শনাক্ত ৩ রোগী
সিলেটে বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হচ্ছেন। চলতি বছরে সিলেট বিভাগে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৪ জন। এর মধ্যে গত দুই দিনে নতুন করে তিনজন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
শুক্রবার (১২ জুন) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সরকারি হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা তিনজন হলেও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা। অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু শনাক্ত হলেও সেসব তথ্য সরকারি হিসাবে আসছে না বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে, বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। গত ৯ জুন থেকে ডেঙ্গু নিধনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছে সিসিক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নাগরিক অসচেতনতা এবং মশা নিধনে গাফিলতির কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, এখনই যদি সচেতনতা সৃষ্টি করা না যায়, তাহলে ডেঙ্গু শীতকালেও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, মশারি ব্যবহার এবং চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখা—এসব অভ্যাসে এখনই মনোযোগ না দিলে সামনে শঙ্কা আরও বাড়বে।
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. উমর রশিদ মুনির জানান, হাসপাতালের নতুন ভবনে ডেঙ্গু কর্নার খোলা হয়েছে। এতে ডেঙ্গু রোগীর জন্য ২০টি শয্যা রয়েছে।
৭ দিন আগে
রবিবার থেকে বেনাপোলে ২ শ্রমিক সংগঠনের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে পণ্য লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত দুটি শ্রমিক সংগঠন অনির্দিষ্টকালের জন্য আগামী রবিবার (১৪ জুন) থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এর আগে, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনপত্র বেনাপোল বন্দরের পরিচালকের মাধ্যমে জমা দিয়েছেন।
আবেদনপত্রে শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদার গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তাদের সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি, সমন্বয় বা কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করেননি। এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক সমাধান পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায়ও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টু ও বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী বলেন, ইতোপূর্বে কয়েকবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বন্দর পরিচালকের আশ্বাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তারা আগামী রবিবার থেকে বন্দরে শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত সব ধরনের পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বেনাপোল বন্দরের ডিরেক্টর শামীম হোসেন বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দরের দুইটি শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি আবেদন পত্র বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর আমার মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে। সেটি ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে
বান্দরবান হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ নির্মাণ শ্রমিক নিহত
বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ১১টার দিকে সদর হাসপাতালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শ্রমিকরা হলেন—মো.সাকিব (২০) ও কামরুল হাসান (৩৫)। তারা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করছিলেন সাকিব ও কামরুল হাসান। কাজ করার একপর্যায়ে ভবনের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক মেইন লাইনের তারের সঙ্গে একটি লোহার অ্যাঙ্গেলের সংস্পর্শ হলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেন।
এ বিষয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, বান্দরবান সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনে নির্মাণকাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি এবং বিষয়টি পরিদর্শন করছি।
৮ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে এক পরিবারের চারজনসহ দগ্ধ ৫
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি ফ্ল্যাট বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে বন্দর থানার মদনপুরে এই ঘটনা ঘটে।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দগ্ধরা হলেন— মান্নান (৫০), সুলতানা (৩৫), মিম (১৩), হযরত আলী (৮) ও সিয়াম (১৯)।
ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মান্নানের শরীরে ৩০ শতাংশ, সিয়ামের শরীরের ৭৭ শতাংশ, মিমের শরীরের ৪১ শতাংশ, সুলতানার শরীরের ৯০ শতাংশ ও হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এবং দুজনকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
৮ দিন আগে
ফেনীতে ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীতে সড়কের পাশে থেমে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ৮ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফেনীর খাইয়ারা ভোজনবাড়ি রেস্টুরেন্টের সামনে ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর (৪০) নামে একজনের পরিচয় জানা গেলেও অপরজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। সকাল ৬টা পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে আসা সিলিন্ডারবোঝাই ট্রাকের চাকা নষ্ট হলে সেটি মহাসড়কের পাশে থামিয়ে চালক ও সহকারী চাকা পরিবর্তনের কাজ করছিলেন। এ সময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় কয়েকজন উৎসুক মানুষ জড়ো হন। হঠাৎ ঢাকামুখী একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক ও সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে চাপা দেয়।
খবর পেয়ে মহিপাল হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।
ফেনী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোশাররফ হোসেন তালুকদার বলেন, রাত ২টার পরপরই অন্তত ১০ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজন হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহতদের অনেকের হাত-পা ও মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। জরুরি চিকিৎসা শেষে পাঁচজনকে চমেক হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে এবং একজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ডা. মোশাররফ হোসেন তালুকদার।
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদ খাঁন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৮ দিন আগে
কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১৯
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও পুলিশের টহল গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য জানান।
গতকাল (মঙ্গলবার) সকালে কুমিল্লা-ঢাকা মহাসড়কের নিমসার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকালে উল্টো পথে চলাচলের দায়ে একটি অটোরিকশা আটক করে হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় অটোরিকশাচালক ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি হয়।
তিনি জানান, একপর্যায়ে অটোরিকশা চালকের চিৎকারে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবল ইউসুফ আলী ও রাব্বি ইসলাম আহত হন। সে সময় পুলিশের একটি টহল গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পরে ডিবি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদেরও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
পুলিশ সুপার বলেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সালিশে সংঘর্ষ, নিহত ১
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় সালিশ চলাকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে আজ (বুধবার) দুর্লভপুর এলাকায় সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন চর দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা শওকত আলীর ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আহতদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৯ দিন আগে
ঢাকা-ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু
ময়মনসিংহে আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেন এবং একটি উদ্ধারকারী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন।
তিনি জানান, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী 'ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস' ট্রেনের একটি বগি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলেজ রোড লেভেল ক্রসিং এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। এতে জামালপুর-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়।
পরবর্তীতে, কেওয়াটখালী লোকোশেড থেকে আসা একটি উদ্ধারকারী ট্রেনের বগিও ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের আউটার সিগন্যাল এলাকার কাছে লাইনচ্যুত হয়, যা ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটের ট্রেন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটায়।
তবে ওসি আক্তার হোসেন জানান, ময়মনসিংহ থেকে আরেকটি উদ্ধারকারী ট্রেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাইনচ্যুত বগিগুলো উদ্ধার করার পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
৯ দিন আগে
নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাই নিহত
নড়াইলে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আবু বক্কর (৫) ও ওমর ফারুক (২) নামে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ভাটিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুই শিশু ভাটিয়া গ্রামের মাজেদুল শেখের ছেলে ছিল।
এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানান, সকালে নিজ বাড়ির পাশে দুই ভাই খেলাধুলা করছিল। এ সময় পরিবারের সদস্যরা নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরপর বেশ কিছু সময় ধরে শিশুদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে দুই শিশুকে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, ‘দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
৯ দিন আগে
রাজশাহীতে মাহিন্দ্রা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে মাহিন্দ্রা ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।
বুধবার (১০ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে খাড়ইল মিলঘর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— কেশরহাট ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন (৩৭)। তিনি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার চক শ্যামরাই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ছিলেন। তাৎক্ষণিক নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খাড়ইল মিলঘর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রার সঙ্গে একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হলে মাহিন্দ্রাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মাহিন্দ্রায় থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। এ সময় ঘটনাস্থলেই নিহত হন মারুফ হোসেন (৩৭)।
এদিকে, গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিক নিহত ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং আরও তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মোহনপুর থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। নিহত মারুফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে মোহনপুর থানায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী জানান, দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৯ দিন আগে