বাংলাদেশ
আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ মিলেছে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী তদন্ত প্রতিবেদনের সারমর্ম তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
তিনি বলেন, ‘আইনে যতটুকু হার্ড (কঠোর) হওয়া সম্ভব, আমরা ততটুকুই যাব। এবার আর কাউকে মাফ করে দেওয়া যায় না।’
গত ২৭ মে ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালে তিন ঘণ্টার মধ্যে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর মৃত এক নবজাতকের স্বজন রমনা থানায় একটি মামলা করেন। এরপর পুলিশ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। সেদিন হাসপাতালটি পরিদর্শন করে বিভিন্ন অসঙ্গতি পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এরপর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং করণীয় নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলেছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি কমিটি। পরে তারা ৩ জুন পর্যন্ত সময় চায়।
কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের উপপরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরেকজন কর্মকর্তা ছিলেন।
কমিটি আজ দুপুর ৩টায় তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে দীর্ঘ সময় ধরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) সচল ছিল না। প্রয়োজনীয় এসির ব্যবস্থা না থাকায় ঘটনাস্থলে তীব্র অক্সিজেন স্বল্পতা তৈরি হয়। যার ফলে সেখানে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে যায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের চরম অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা নিজেদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এ ছাড়াও হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডের ছোট ও বদ্ধ কক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে ওঠে বলে তদন্ত কমিটি উল্লেখ করেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি এবং দায়িত্বরত নার্স-স্টাফদের চরম অবহেলা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘হাসপাতালটির যে পোস্ট অপারেটিভ রুমে এই ঘটনা ঘটেছে, সেটি আমরা ইতোমধ্যেই সিলগালা করে দিয়েছি। তবে পুরো হাসপাতালে দুই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকায় হুট করে তা বন্ধ করা যাচ্ছে না। আমরা আগামী দুই দিন বন্ধের মধ্যে আইন খতিয়ে দেখব এবং আগামী রবিবারের মধ্যে হাসপাতালটির বিষয়ে চূড়ান্ত ও কঠোর সিদ্ধান্তে পৌঁছাব, ইনশাআল্লাহ।’
হাসপাতালগুলোর এই লাগামহীন অব্যবস্থাপনা রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা যেভাবে সচিব, ডিজি এবং প্রতিমন্ত্রীসহ সবাই মিলে আকস্মিক পরিদর্শন কার্যক্রম সাজাচ্ছি এবং যে ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি, আমার দৃঢ় বিশ্বাস—ভবিষ্যতে আর কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এভাবে বদ্ধ ঘরে মানুষ বা শিশু রাখার দুঃসাহস দেখাবে না।’
তিনি আরও জানান, বেসরকারি হাসপাতালের নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে এখন থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি ও ভবন পরিদর্শন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি, যা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।
ছয় শিশুর মৃত্যুকে কেবল পেশাগত অবহেলা নাকি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নিশ্চিতভাবেই একটি মারাত্মক ফৌজদারি অপরাধ এবং এই ঘটনায় ইতোমধ্যেই মামলা হয়েছে। আবেগের কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনরা শিশুদের মরদেহ নিয়ে গেছেন, যা আসামিরা আইনি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে। তবে এটি রাতের আঁধারে ঘটা কোনো গোপন ঘটনা নয়, এটি শতভাগ প্রমাণিত সত্য। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বিজ্ঞ আদালত আসামিদের কোনো ছাড় দেবেন না।’
তদন্ত কমিটির বরাত দিয়ে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতালের ২ নম্বর পোস্ট অপারেটিভ কক্ষটি মোটেও হাসপাতাল পরিচালনার উপযোগী ছিল না। ৯০০ বর্গফুটের ওই কক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল। দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকা এবং কোনো বিকল্প ভেন্টিলেশন না থাকায় কক্ষটিতে অক্সিজেনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে যায়, যা নবজাতকদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব ছিল না।
সবশেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের নিয়ে আমরা একের পর এক জুম মিটিং করছি। আমাদের নির্দেশনা এবং ব্যবস্থাপনা দিন দিন কঠোর থেকে কঠোরতর হবে, যা আপনারা শিগগিরই মাঠে দেখতে পাবেন।’
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সূচনা, তারেকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।
১৫ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় গেছে আরও ৪টি প্রাণ, আক্রান্ত ১২০৫
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২০৫টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫১৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬০৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩৬। এই সময়ে ১ হাজার ৩৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৫ হাজার ৭০৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ২৬০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬১ হাজার ১৯৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৭ হাজার ৪৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৫ দিন আগে
বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ করপোরেট ব্যক্তিত্ব মাসুদ খান।
পাশাপাশি তিন কমিশনার হিসেবে নারী আইনজীবী নাহিদ মাহতাব, আশা ইন্টারন্যাশনালের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর তানভীর হাবিব রহমান এবং ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নাফিজ-আল-তারিক নিয়োগ পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে বিএসইসির শীর্ষ পদে মাসুদ খানের নাম চূড়ান্ত করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মাসুদ খানকে বিএসইসি আইন, ১৯৯৩-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী চার বছরের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে ক্রাউন সিমেন্টসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চাকরি ও পেশাগত সম্পৃক্ততা থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সরকারের নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
চার দশকেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মাসুদ খান বহুজাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড এবং কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশের স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া তিনি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং প্রতিষ্ঠানটির নমিনেশন অ্যান্ড রেমুনারেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।
ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে তিনি ১৮ বছর লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ছিলেন। এর আগে প্রায় দুই দশক ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে বিভিন্ন আর্থিক ও নেতৃত্বমূলক পদে কাজ করেন।
মাসুদ খান চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইক্যাব) সঙ্গে শিক্ষক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।
তিনি ভারতের কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ও কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট। ১৯৭৭ সালে অল-ইন্ডিয়া চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি পরীক্ষায় রৌপ্যপদক লাভ করেন। এছাড়া তিনি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসের ফেলো।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২১ মাস দায়িত্ব পালন শেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন পদত্যাগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মাসুদ খানের নিয়োগের ঘোষণা এল।
এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাস হয়। নতুন আইনে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে আগের ৬৫ বছর বয়সসীমা বাতিল করা হয়েছে।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থায় অধিক অভিজ্ঞ ও দক্ষ পেশাজীবীদের নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।
১৫ দিন আগে
রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার নামে আট বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আগামী ৭ জুন (রবিবার) রায়ের দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এই দিন ধার্য করেন। এর আগে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু।
এদিন সকাল ৮টার দিকে সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে শুনানির সময় তাদের এজলাসে তোলা হয়।
এরপর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি আজিজুল রহমান দুলু আদালতে বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য, জব্দ আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কালিমুল্লাহ আসামিদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। একই সময়ে ভুক্তভোগী রামিসার পরিবারের পক্ষেও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
এর আগে, গতকাল বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে স্বপ্না খাতুন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এছাড়া সোহেল রানা আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, ‘স্যার, আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সঙ্গে ডলার ছিল, সেটা কেউ দেখেনি। তাকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী।’
উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে আদালত আগামী রবিবার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।
গত মঙ্গলবার (২ জুন) এ মামলার গ্রহণ শেষ হয়। ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত। একই আদালত সোমবার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন। পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে সেদিনই পল্লবী থানায় মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করে গত ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্রটি দেখে বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় বদলির আদেশ দেন।
মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওই দিনই বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
১৫ দিন আগে
বিমানবন্দরে হাজিদের লাগেজ থেকে মালামাল চুরির অভিযোগ সত্য নয়: প্রতিমন্ত্রী
দেশে ফেরা হাজিদের বিমানবন্দরে ১৫০টি লাগেজ থেকে মালামাল চুরির অভিযোগ সত্য নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনের কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত পরশুদিন যেসব হাজি হজ থেকে ফিরেছেন, তাদের লাগেজ-সংক্রান্ত বিষয়ে একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটা পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে তিনি বলেছেন, বিমানবন্দরে হাজিদের ১৫০টি লাগেজ কাটা হয়েছে এবং লাগেজগুলি থেকে মালামাল চুরি হয়েছে। ওই পোস্টটিতে প্রধানমন্ত্রীকে ট্যাগ করে করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশনা দেন এবং আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে এটা তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেই।
তিনি বলেন, আজকে আমরা আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি যাতে করে বস্তুনিষ্ঠ বিষয়টা আপনাদের জানাতে পারি। আপনারা জানেন যে প্রায়ই এ রকম সোশ্যাল মিডিয়ার সংবাদে আমাদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করা হয়। যেটা আপনাদের সহযোগিতায় আমরা সত্যতা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদটি পরিবেশন আপনাদের মাধ্যমেই করতে পারি। তাতে করে বিভ্রান্তিটা নিরসন হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই বিষয়ে আমরা একটা বিবৃতি আপনাদের দিতে চাই।
তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয় জানিয়ে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের সিসিটিভি ও বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তদন্ত প্রতিবেদন কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমার কাছে কর্তৃপক্ষ পাঠায়। ওই ফ্লাইটে আসা ৮৩৬টি লাগেজের মধ্যে ২১টি ব্যাগ ছেঁড়া এবং কাটা অবস্থায় পেয়েছেন বলে কর্তব্যরত গ্রাউন্ড স্টাফদের কাছ থেকে মৌখিকভাবে জানা যায়।
১৫ দিন আগে
দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে ৮ বাংলাদেশি আহত, চারজনের অবস্থা গুরুতর: হাইকমিশন
নয়াদিল্লির মালভিয়া নগরে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর উল্লেখ করে আহতদের চিকিৎসা ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক বিবৃতিতে হাইকমিশন এক বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে হাইকমিশন বলেছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আটজন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
মালভিয়া নগরের এই অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি নাগরিকসহ সকল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার পরপরই হাইকমিশন ভারতীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের খোঁজখবর নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে। বর্তমানে সেই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
হাইকমিশন জানায়, এ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নাগরিকও হতাহত হয়েছেন। ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে নয়জন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়া মোজাম্বিকের দুজন, লাইবেরিয়ার একজন, নাইজেরিয়ার চারজন এবং উজবেকিস্তানের একজন নাগরিক নিহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের আটজন নাগরিক ছাড়াও নেপাল, ক্যামেরুন, কেনিয়া ও কিরগিজস্তানের দুজন করে, লাইবেরিয়ার তিনজন, নাইজেরিয়ার একজন এবং কাজাখস্তানের তিনজন নাগরিক।
সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হাইকমিশন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আহত বাংলাদেশিদের দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। বাংলাদেশ হাইকমিশনও সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নাগরিকদের শারীরিক অবস্থার তদারকি করছে।
আহতদের দ্রুত সুস্থতার স্বার্থে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের আত্মীয়-স্বজন ও দর্শনার্থীদের সরাসরি শারীরিক সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।
একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সংকটময় সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের পাশে থাকতে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
১৫ দিন আগে
বিএসইসির চেয়ারম্যান ও চার কমিশনারের পদত্যাগ
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সংস্থাটির চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। টানা ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর ব্যক্তিগত কাজে মনোনিবেশের লক্ষ্যে এই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাশেদ মাকসুদ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিএসইসির যে চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন তারা হলেন—মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।
সরকার আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিএসইসি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটল। এর ফলে কমিশন এখন শূন্য। আইন অনুযায়ী, একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠন করা হয়।
সম্প্রতি অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কমিশন পুনর্গঠনের পরিকল্পনার কথা জানান।
খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট চার বছরের মেয়াদে বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। অন্যদিকে মহসিন চৌধুরী ২০২৪ সালের ২ জুন, আলী আকবর ২৮ আগস্ট, ফারজানা লালারুখ ৩ সেপ্টেম্বর এবং সাইফউদ্দিন ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই কমিশনার হিসেবে যোগ দেন।
এ বিষয়ে রাশেদ মাকসুদ এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের পুঁজিবাজারের অন্যতম অস্থির সময়ে তিনি ও তার দল কমিশনের নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আইনি কাঠামো ও বাজার শৃঙ্খলা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তিনি জানান, তার নেতৃত্বে গত ২১ মাসে মার্জিন, প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ঋণপত্র এবং হুইসেলব্লোয়ার সংক্রান্ত পাঁচটি বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি করপোরেট গভর্ন্যান্স, অডিট ও করপোরেট পুনর্গঠন বিষয়ে তিনটি খসড়া বিধিমালা ও নির্দেশিকা জনমত গ্রহণের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এছাড়া ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন’ এবং ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন’ নামে দুটি আইনের খসড়া প্রস্তুত করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কমিশন কমপ্লায়েন্স ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের বিভিন্ন পদ্ধতি বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাজার, মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ও ইস্যুযারদের স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিনিয়োগকারী সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কমিশন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে দাবি করেন রাশেদ মাকসুদ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও প্রতিযোগিতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
পদত্যাগের ঘোষণায় রাশেদ মাকসুদ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, একটি উদ্যমী ও দক্ষ দল কমিশনে গড়ে উঠেছে, যারা ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আরও ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
এদিকে, তার পদত্যাগের খবরে অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
গত কয়েক মাস ধরে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছিলেন। একই দাবিতে বিভিন্ন সময়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে সরকার শিগগিরই নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে সূত্র।
১৫ দিন আগে
ঈদযাত্রায় প্রতিদিন গড়ে ঝরেছে ২২ প্রাণ
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত এবং ৮৩৭ জন আহত হয়েছেন। অর্থাৎ, এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এছাড়া ৩৭ জন পথচারী এবং ৩৩ জন চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি এ সময়ে ১৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এসব দুর্ঘটনায় ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। অন্যদিকে, ২২টি রেল দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে। মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে, ৩৩ দশমিক ২১ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ গ্রামীণ সড়কে এবং ১২ দশমিক ৬৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে শহরের সড়কে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১২৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে, যা মোট দুর্ঘটনার ৪৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া ৭৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া এবং ৪২টি থেমে থাকা বা চলন্ত যানবাহনের পেছনে আঘাত করার ঘটনা ঘটেছে।
যানবাহনভিত্তিক প্রাণহানির হিসাবে মোটরসাইকেল আরোহীদের পরেই সবচেয়ে বেশি প্রাণ গেছে থ্রি-হুইলার যাত্রীদের। এ শ্রেণির যানবাহনে ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির যাত্রী ৩২ জন, বাসযাত্রী ২১ জন এবং প্রাইভেটকার ও অ্যাম্বুলেন্সের ১১ জন আরোহী নিহত হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এখানে ৯৫টি দুর্ঘটনায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে, যেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ জনের। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ফরিদপুরে। জেলাটিতে ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।
ঈদযাত্রা নিয়ে পর্যালোচনায় রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, এবার রাজধানী ঢাকা থেকে এক কোটির বেশি মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যাত্রা করেছেন এবং সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ট্রেন ছাড়া সড়ক ও নৌপথে তুলনামূলক কম ভোগান্তি হলেও উত্তরবঙ্গগামী সড়কে যানজট ছিল। বিভিন্ন পরিবহনমাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৫ সালের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১২ জন নিহত হয়েছিলেন। সে সময় প্রতিদিন গড়ে প্রাণহানি ছিল ২৬ জন। সে তুলনায় এবার প্রাণহানি ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। তবে পরিবহন খাতে ব্যবস্থাপনাগত কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় এই হ্রাসকে ইতিবাচক অগ্রগতির সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল, তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক ও ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণ, রেল ও নৌ-পরিবহন সম্প্রসারণ, বিআরটিসির সক্ষমতা বৃদ্ধি, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক তৈরি এবং সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
১৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম
সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর (ইউএনএফআইসিওয়াইপি) ফোর্স কমান্ডার হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম। হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান, সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা নিয়ে আলোচনা হয়।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম আগামী শুক্রবার (৫ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে তিনি সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর ২৩তম ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে মিনহাজুল আলম অষ্টম সেনা কর্মকর্তা, যিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এর আগে সাতজন বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তা আটটি ভিন্ন দেশে সফলভাবে এ দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশ থেকে প্রথম ফোর্স কমান্ডার হিসেবে ১৯৯৩ সালে মোজাম্বিকে দায়িত্ব পালন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (মরহুম) আনিসুর রহমান। পরের বছর একই মিশনে দায়িত্ব নেন মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম। এছাড়া মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর সুদানে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবু তায়েব মুহাম্মদ জহিরুল আলম লাইবেরিয়ায়, মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ আইভরি কোস্ট ও পশ্চিম সাহারায় এবং মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সাইপ্রাসে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে পশ্চিম সাহারায় ফোর্স কমান্ডারের দায়িত্বে রয়েছেন মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান। মিনহাজুল আলম সাইপ্রাসে দায়িত্ব গ্রহণ করলে একই সময়ে জাতিসংঘের দুটি পৃথক মিশনে বাংলাদেশি দুই সেনা কর্মকর্তা ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মিনহাজুল আলমের এ নিয়োগ সেই গৌরবময় ধারাবাহিকতায় নতুন সংযোজন।
সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী জাতিসংঘের দীর্ঘতম সময় ধরে পরিচালিত শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর একটি। ১৯৬৪ সালে গ্রিক সাইপ্রিয়ট ও তুর্কি সাইপ্রিয়ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত প্রতিরোধে এ মিশন গঠন করা হয়। এর প্রধান দায়িত্ব হলো জাতিসংঘের বাফার জোন বা ‘গ্রিন লাইন’ বজায় রাখা এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি রেখাগুলোর তত্ত্বাবধান করা।
মিশনটির জন্য অনুমোদিত সদস্যসংখ্যা ১ হাজার ৯০। ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে ৭২৭ জন সামরিক সদস্য, ৬০ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৪৮ জন বেসামরিক কর্মী কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কানাডা, চিলি, ইকুয়েডর, ঘানা, হাঙ্গেরি, ভারত, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, প্যারাগুয়ে, রাশিয়া, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ ১৮টি দেশের সামরিক সদস্য এ মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী মিনহাজুল আলম ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। সর্বোত্তম সার্বিক পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ‘সোর্ড অব অনার’ অর্জন করেন।
কর্মজীবনে তিনি ‘অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন’-এ নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত একটি ব্রিগেডের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া মধ্য আফ্রিকায় জাতিসংঘ মিশনের সেক্টর কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের চিফ ইনস্ট্রাক্টর ও কমান্ড্যান্ট এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী এই সেনা কর্মকর্তা জাতিসংঘের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি কক্সবাজারভিত্তিক দশম পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বও পালন করেন।
১৬ দিন আগে