বাংলাদেশ
কুষ্টিয়ায় ‘টর্চার সেলের’ সন্ধান, অস্ত্র-মাদকসহ ৫ ‘সন্ত্রাসী’ আটক
কুষ্টিয়ার একটি বাড়ি থেকে পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর একটি দল। তারা সবাই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দিবাগত গভীর রাতে সদর উপজেলার আইলচারা বাজার-সংলগ্ন একটি তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেনসিডিল জব্দ করে দলটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে ওই ভবনটি অপরাধের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। তারা বাড়িটিকে একটি টর্চার সেল বা নির্যাতনকেন্দ্রে রূপান্তর করেছিল। সেখানে অপহরণ করে ধরে আনা ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো। এরপর অপহৃতদের পরিবার থেকে আদায় করা হতো মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ।
আটকরা হলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ইমরান খান মানিক, বড় আইলচারা এলাকার বাসিন্দা রনি, মিরপুর থানার পোড়াদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাটদহ এলাকার বাসিন্দা সজীব এবং একই ইউনিয়নের চিথলিয়া গ্রামের রাব্বি ও শাকিল।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ‘সন্ত্রাসী’ তূর্য গ্রেপ্তার
স্থানীয়দের দাবি, মানিকের নেতৃত্বে এই চক্রটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভয় ও ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছিল। চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাস ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ।
তবে যৌথ অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে এবং অনেকে বাইরে এসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অপহরণ সংক্রান্ত ধারায় একাধিক মামলার প্রস্তুতি চলছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।’
৪০৭ দিন আগে
বাংলাদেশ আমাদের মূল্যবান অংশীদার: ড. ইউনূসকে কসোভোর রাষ্ট্রদূত
‘জুলাই অভ্যুত্থানের’ চেতনার কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কসোভোর জনগণের স্বাধীনতা, শান্তি ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কসোভোর রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের মূল্যবান অংশীদার।’
ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের গ্রামীণ ট্রাস্ট কসোভোর স্বাধীনতা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে সশস্ত্র সংঘাতের পর আমাদের জীবন পুনর্গঠনে গ্রামীণ কসোভো বড় ভূমিকা রেখেছে। সেই সময় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরাও আমাদের পাশে ছিল।’
১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কসোভো বর্তমানে দেশটির সর্ববৃহৎ মাইক্রোক্রেডিট প্রতিষ্ঠান, যা ২০টি পৌরসভায় ২১৯টি গ্রামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং এর ৯৭ শতাংশ ঋণগ্রহীতা নারী। বাংলাদেশের গ্রামীণ ট্রাস্ট এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
আরও পড়ুন: সেন্ট মার্টিনকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান অধ্যাপক ইউনূসের
এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ওই সময় কসোভো ছিল একেবারে বিপর্যস্ত। পুরুষেরা তখনও ফেরেনি, কোনো মুদ্রা-ব্যাংকিং ব্যবস্থা ছিল না। আমরা সেখানে শূন্য থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করি।’
সাক্ষাৎকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে উভয়পক্ষ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
প্রধান উপদেষ্টা তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও হালকা প্রকৌশল খাতে পারস্পরিক বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি কসোভোর বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগেরও আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত প্লানা দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক বাণিজ্য-অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ এবং কসোভোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদার করা প্রয়োজন। এ জন্য স্কলারশিপ, ফেলোশিপ ও শিক্ষাবৃত্তি চালুর প্রস্তাবও দেন তিনি।
৪০৭ দিন আগে
মানবাধিকার রক্ষায় সিআরপিসি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আসিফ নজরুল
আইন, বিচার ও সংসদ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের সময় অধিকতর মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সিআরপিসি) আইন-১৮৯৮ সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানীতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের সময় অধিকতর অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কঠোর সুরক্ষার জন্য সিআরপিসি সংশোধনের খসড়া প্রস্তুত করেছি। খুব দ্রুতই এটি চূড়ান্ত করা হবে।’
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট ‘কমনওয়েলথ চার্টার ইয়ুথ ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ-২০২৫’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কমনওয়েলথ চার্টারের মূল মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার আইনি সংস্কারের সাহসী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সিভিল প্রসিডিউর কোড (দেওয়ানি কার্যবিধি) সংশোধন করেছি—যাতে বিচার আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য হয়।’
বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা এই প্রক্রিয়া শুরু করেছি এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে এটির দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে চাই।’
তিনি আরও জানান, সময়সীমার মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা সংক্রান্ত আইন সংশোধন করা হয়েছে এবং বিবাহবিচ্ছেদসহ বিয়ের নিবন্ধনে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে—যা লিঙ্গভিক্তিক সমতা রক্ষায় ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে অতীতের অন্যতম বিতর্কিত আইন ছিল সাইবার সিকিউরিটি আইন। তবে তা সংশোধনের সময় সরকার ২৩টি খসড়া তৈরি করেছে এবং ব্যাপক পরামর্শের মাধ্যমে সংশোধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
‘আমরা গভীর পর্যালোচনা করে আইনটি সংশোধন করেছি। এমনকি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন, এই আইন খুব একটা খারাপ নয়। তাদের কাছ থেকে এই মন্তব্য পাওয়ার অর্থ, আইনটি যথেষ্ট ভালো হয়েছে,’ যোগ করেন আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, অতীতের তুলনায় সাইবার সিকিউরিটি আইনে মানুষের অধিকারের সুরক্ষা ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতন থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ভালো থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সবকটি আইনি পরিবর্তন সরকারের আইনের শাসন, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং মানুষের মর্যাদা রক্ষার প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন, যা কমনওয়েলথ চার্টারের মূল্যবোধের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কমনওয়েলথ চার্টার শুধুই ঘোষণাপত্র নয়, এটি আমাদের মধ্যে সীমান্তের বাইরে ঐক্যবদ্ধ রাখার নৈতিক নির্দেশনা।’কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন পেশা ও সম্প্রদায়ের তরুণরা অংশ নেন এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়।
কমনওয়েলথের সহকারী মহাসচিব অধ্যাপক লুইস ফ্রানচেস্কি বলেন, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আজকের তরুণদের সিদ্ধান্তের ওপর। সাফল্যের নিশ্চয়তা হয়তো নেই, কিন্তু হাল ছেড়ে দিলে ব্যর্থতা নিশ্চিত। তাই হাল ছাড়বেন না, সাহসী হোন, আওয়াজ তুলুন এবং নেতৃত্ব দিন। পদক্ষেপ নিন, যা আপনার দেশ ও জাতিকে গর্বিত করবে।’
এর আগে সোমবার কর্মশালার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, ‘কমনওয়েলথ চার্টার বিশ্বের ৫৬টি দেশের ২৭০ কোটি মানুষের জন্য একটি নৈতিক মানদন্ড।’
২০১৩ সালে প্রণীত কমনওয়েলথ চার্টারে সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত মূল্যবোধ এবং নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪০৭ দিন আগে
ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শাবিপ্রবির দুই ছাত্র আজীবন বহিষ্কার
ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত তারা আদনান ও স্বাগত দাস পার্থ।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম।
তিনি জানান, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটিতে অনুমোদিত হয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী জরুরি সিন্ডিকেটে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পড়ুন: শাবি ছাত্রীকে ধর্ষণ: দুই আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
উল্লেখ্য, ঈদের আগে (২ মে) সিলেটের রিকাবীবাজারে একটি কনসার্টে যাওয়ার পূর্বে অচেতন করে সহপাঠী কর্তৃক ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তুলে গত বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। অভিযোগে সহপাঠী ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত তারা আদনান ও স্বাগত দাস পার্থকে দায়ী করা হয়। শুধু যৌন নির্যাতন নয়, তা ভিডিও ধারণ করে নিয়মিত অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে ব্লাকমেইল করছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ১৯ জুন রাতেই দুইজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ২০ জুন সিলেট কোতোয়ালি থানায় আটক ২ জন ও অজ্ঞাতসহ ৫ জনের বিরূদ্ধে মামলা মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ২৩ জুন আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
৪০৭ দিন আগে
দেশে আরও ২১ জনের করোনা শনাক্ত
করোনা সংক্রমণের নতুন ঢেউয়ের মধ্যে দেশে নতুন করে কারো মৃত্যু হয়নি। সোমবার (২৩ জুন) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১ জনের শরীরে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
পড়ুন: করোনার নতুন ঢেউয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯
এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
দেশে এখন পর্যন্ত ২০ লাখ ৫২ হাজার ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৯ জন। আর দেশে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫১৮ জনের।
৪০৭ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে সহায়তা করবে যুক্তরাজ্যের শিল্প কৌশল: সারা কুক
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, যুক্তরাজ্যের আধুনিক শিল্প কৌশল বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বৃদ্ধি সহায়তা করবে।
নতুন কৌশল সম্পর্কে মঙ্গলবার (২৪ জুন) মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দশ বছরের পরিকল্পনায় যুক্তরাজ্যের আধুনিক শিল্প কৌশল হলো অবকাঠামো শক্তিশালী করা ও ব্যবসায়িক খরচ কমানো এবং নিয়ন্ত্রণ সহজ করা। কৌশলটি যুক্তরাজ্য এবং বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে জোরদারে সহায়তা করবে।’
২৩ জুন প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের আধুনিক শিল্প কৌশলে যুক্তরাজ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি এবং যুক্তরাজ্যকে ব্যবসায় শীর্ষস্থানীয় করে তুলতে একটি দশ বছরের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।
এতে নির্দিষ্ট খাতে সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেটি বাড়ার সর্বাধিক সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে এমন সংস্কার প্রবর্তন করা—যা সব ধরনের ব্যবসার জন্য এগিয়ে যাওয়াকে সহজ করে তুলবে।
আটটি খাতকে নিয়েই যুক্তরাজ্যের এই পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনায় দেশটির শক্তিশালী এবং দ্রুত প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। খাতগুলো হলো- উন্নত উৎপাদন, ক্লিন এনার্জি ইন্ড্রাস্ট্রি, সৃজনশীল শিল্প, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল ও প্রযুক্তি, আর্থিক পরিষেবা, জীবন বিজ্ঞান এবং পেশাদার এবং ব্যবসায়িক পরিষেবা।
প্রতিটি প্রবৃদ্ধি ক্ষেত্রের নির্দিষ্ট ১০ বছরের পরিকল্পনা রয়েছে, যা বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, প্রবৃদ্ধি সক্ষম করবে এবং উচ্চমানের ভালো বেতনের কর্মসংস্থান তৈরি করবে।
পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের ব্যাপক সহযোগিতা আরও গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমি: সারা কুক
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, এই শিল্প কৌশলটি যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং অতীতের স্বল্পমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ও অস্থায়ী সমাধান থেকে একটি স্পষ্ট বিরতি।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতার এই যুগে এটি যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা ও দিকনির্দেশনা দেবে—যা তাদের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং ভালো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহায়তা করবে। ফলে পরিবর্তনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মানুষের পকেটে আরও টাকা আসবে।
সারা কুক বলেন, ‘এভাবেই আমরা যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যতকে শক্তিশালী করি। আমরা যে খাতগুলোতে নেতৃত্ব দিচ্ছি—সেগুলোকে সমর্থন করে, আমাদের পেছনে থাকা বাধাগুলো সরিয়ে শ্রমজীবীমানুষের জন্য একটি কার্যকর ও শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য একটি স্পষ্ট পথ নির্ধারণ করে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট—যুক্তরাজ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে, ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।’
কৌশলের সাহসী কর্মপরিকল্পনায় যা রয়েছে-
২০২৭ সাল থেকে বৃদ্ধির খাত এবং মৌলিক শিল্পে বিদ্যুৎ ব্যবহারে নির্ভরশীল উৎপাদকদের জন্য বিদ্যুৎ খরচ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হবে। এর ফলে ইউরোপের অন্যান্য প্রধান অর্থনীতির সঙ্গে খরচের পার্থক্য কমে আসবে।
ব্রিটিশ বিজনেস ব্যাংকের(বিবিবি) আর্থিক সক্ষমতা ২ হাজার ৫৬০ কোটি পাউন্ডে উন্নীত করে উদ্ভাবনী ব্যবসার জন্য বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য শত শত কোটি পাউন্ডের তহবিল উন্মুক্ত করা, বেসরকারি মূলধনে আরও কয়েশ’ কোটি পাউন্ড জমা করা। এর মধ্যে রয়েছে—শিল্প কৌশল খাতের জন্য অতিরিক্ত ৪০০ কোটি পাউন্ড, বেসরকারি মূলধনে আরও শতকোটি পাউন্ড জমা করা। মূলত, বিবিবি ভেঞ্চার ফান্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে উচ্চ-প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাময় কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করবে। ব্যবসার জন্য নিয়ন্ত্রণের প্রশাসনিক খরচ ২৫ শতাংশ কমিয়ে ও নিয়ন্ত্রকের সংখ্যা কমিয়ে বোঝা কমানো।
২০২৯-৩০ সালের মধ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয় প্রতি বছর ২ হাজার ২৬০ কোটি পাউন্ডে উন্নীত করা—যাতে আইএস-৮ জুড়ে উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। ব্যয় পর্যালোচনা অনুসারে এআই-এর জন্য ২০০ কোটি পাউন্ডেরও বেশি এবং আগামী ১০ বছরে উন্নত উৎপাদনের জন্য ২৮০ কোটি পাউন্ড থাকবে।
এটি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শত শত কোটি ডলারের বেশি লাভ করবে। নিয়ন্ত্রক পরিবর্তনগুলো দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প এবং জৈবপ্রযুক্তি এআই এবং চালকবিহীন যানবাহনের মতো উদ্ভাবনী পণ্যগুলোর পথকে আরও প্রশস্ত করবে।
আমাদের মূল খাতে ভিসা, অভিবাসন সংস্কার এবং নতুন গ্লোবাল ট্যালেন্ট টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ প্রতিভা আকর্ষণ করা। টাস্কফোর্স ও ৫৪০ কোটি পাউন্ডের একটি গ্লোবাল ট্যালেন্ট ফান্ড শীর্ষ প্রতিভাদের যুক্তরাজ্যে স্থানান্তরে সহায়তা করবে।
আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও শিল্প সহযোগিতা গভীরতর করতে জাপান এবং সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে করা চুক্তিগুলোর উপর ভিত্তি করে শিল্প কৌশল অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।
৪০৭ দিন আগে
পুঁজিবাজার: তৃতীয় দিনে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন
পুঁজিবাজারে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামের বাজারে সবকটি সূচকের উত্থান হয়েছে, বেড়েছে লেনদেন এবং বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস ৭ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৮ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৪০১ কোম্পানির মধ্যে ২৩৬ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৯২ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি এবং জেড— তিন ক্যাটাগরিতেই দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরির ২২৩ কোম্পানির মধ্যে ১৪৩ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪৩ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৫০ কোম্পানির ৩৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। লাভেলো সর্বোচ্চ ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ৩৭২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৭৬ কোটি টাকা।১০ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে ইন্দো বাংলা ফার্মাসিটিক্যালস এবং ৭.৬৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে জিএসপি ফাইন্যান্স।
আরও পড়ুন: নতুন বাজেট সংস্কারহীন ও পুরনো ধাঁচের: সেমিনারে বক্তারা
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের উত্থান হয়েছে, সার্বিক সূচক বেড়েছে ৫৬ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ১৯৭ কোম্পানির মধ্যে ১২৫ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ২৯ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে রংপুর ফাউন্ড্রি এবং ৯ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স।
৪০৭ দিন আগে
নগর ভবনে ইসরাক সমর্থকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৮
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে, শ্রমিক দলের উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এরপরেই তারা নগরভবন এলাকা ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন, ডিএসসিসির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্য মনির হোসেন (৪৫), মহিদুল ইসলাম (৩৫), জসিম (৩২), জুয়েল (৪০), কাইয়ুম (৪০), জনি (৩৬), দিদার (৪২) ও রাসেল (৪২)।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর দাবিতে টানা ৩৯ দিন নগর ভবনে তালা দিয়ে রেখেছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নেতা আরিফ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে তালা খুলে দিতে নির্দেশ দেন ইশরাক।
পরে সোমবার (২৩ জুন) নগর ভবনের তালা খুলে দেন আরিফ চৌধুরীরা। কিন্তু প্রশাসক ও প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তাদের কক্ষগুলোতে তারা তালা লাগিয়ে রাখেন। ওই কর্মকর্তারা যাতে অফিসে ঢুকতে না পারেন সেজন্য সারাদিন নগর ভবনে মহড়া দেন আরিফ চৌধুরী। ফলে গতকাল তাদের কেউ অফিস করতে পারেননি।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ভালো থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকাল ৯টার পর নগর ভবনে অবস্থান নেন আরিফ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এ সময় তারা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ পড়ানো ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
এমন সময়, তাদের ধাওয়া করেন শ্রমিক দলের অন্য পক্ষের নেতা আরিফুজ্জামান প্রিন্সের অনুসারীরা। তখন তাদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নগর ভবন থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান আরিফ চৌধুরী। এ সময় তার সঙ্গে ইশরাক সমর্থক বহিরাগত ব্যক্তিরাও ছিলেন।
ডিএসসিসির শ্রমিকদলের নেতারা জানান, আগে শ্রমিকদলের দুটি পক্ষই বিএনপি নেতা ইশরাকের অনুসারী ছিলেন। কিন্তু ইশরাকের শপথ কেন্দ্র করে আরিফুজ্জামান প্রিন্স একটু দূরেই থাকছেন। তিনি নগর ভবনে তালা দিয়ে নাগরিকদের ভোগান্তির বিরোধিতা করেন।
জানা যায়, নগর ভবনে শ্রমিক দলের দুই পক্ষের দুটি কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে আরিফুজ্জামান প্রিন্সের কমিটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর রয়েছে। তিনি এ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
বর্তমানে নগর ভবনের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা যায়।
৪০৭ দিন আগে
খুলনায় এসআইকে মারপিট করে পুলিশে দিল বিএনপির নেতাকর্মীরা
খুলনায় সুশান্ত দাশ নামে পুলিশের এক উপপরিদর্শককে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিকাল সোয়া ৪টায় নগরীর ইস্টার্ন গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি বর্তমানে খানজাহান আলী থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্যাতনের অভিযোগ অভ্যুত্থানের পরে এসআই সুশান্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।
পড়ুন: মানিকগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় দাড়ি টেনে গালাগাল ও মারধরের অভিযোগ
স্থানীয়রা জানান, ইস্টার্ন গেট এলাকায় বিএনপির একটি কর্মসূচি ছিল। এ সময় সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলারে করে যাচ্ছিলেন এস আই সুশান্ত। থ্রি-হুইলারটি ইস্টার্ন গেটের সামনে দাড়িয়ে যাত্রী ওঠানোর সময় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী সুশান্তকে গাড়ি থেকে বের করে মারপিট করে। পরে বিএনপির সিনিয়র নেতারা তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দেন।
খুলনার খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, নিরাপত্তার জন্য এস আই সুশান্তকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। শরীরে তেমন আঘাত লাগেনি, শুধু গায়ের টি-শার্ট ছিড়ে গেছে।
৪০৭ দিন আগে
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ভালো থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নির্বাচনের সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকবে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, দেশের সব বাহিনীর প্রধানরা আজকে নিশ্চিত করেছেন যে নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকবে। নির্বাচন করতে যত ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা দরকার হবে নির্বাচন কমিশনের, সেটা আমরা দেব। নির্বাচন কমিশন জাতিকে একটা ভালো নির্বাচন উপহার দেবে, এটাই আমরা সবাই আশা করি।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে ‘আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকাটা শুধু বাহিনীর ওপর নির্ভর করে না। যারা নির্বাচনে অংশ নেন, তাদের ওপরও কিন্তু নির্ভর করে। সেটা আপনারাও তাদের বলবেন।
দিনের ভোট যখন রাতে হয়, সেই সময়ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল, কিন্তু তারা কেন পদক্ষেপ নেয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সে সময় তো আপনারাও মাঠে ছিলেন, কোনো কিছু বলেননি।
সামনের নির্বাচনে রাতে ভোট যেন না হয়, পুলিশ কি সেটা নিশ্চিত করবে এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এটা শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পোলিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার এদেরও কিন্তু একটা ভূমিকা থাকে।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ জুলাই
তিনি বলেন, যেহেতু পুরো নির্বাচন নির্ভর করে নির্বাচন কমিশনের ওপর। দেশের সব বাহিনী কিন্তু তখন তাদের অধীনে কাজ করে। নির্বাচন কমিশন জাতিকে একটা ভালো নির্বাচন উপহার দেবে— এটাই আমরা সবাই আশা করি। নির্বাচন করতে যত ধরনের সাহায্য সহযোগিতা দরকার হবে নির্বাচন কমিশনের, সেটা আমরা দেব।
‘আজকের মিটিংয়ে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করাসহ বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন কোন এরিয়াগুলোতে সমস্যা হতে পারে, সে বিষয়ে মাথায় রেখে আমরা কাজ করবো,’ যোগ করেন তিনি।
আওয়ামীলীগের ব্যপারে তিনি বলেন, ‘আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তারা কোনো কার্যক্রম করতে পারেনি। দলটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে।’তিনি সাবেক নির্বাচন কমিশনকে মব জাস্টিস বিষয়ে বলেন, ‘মবে জড়িতদের ফুটেজ দেখে আইনের আওতায় আনা হবে। এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ জড়িত থাকলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পূর্বে মবে যারা জড়িত, এমন কতজনকে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সংখ্যা বলতে পারছি না, তবে অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’
৪০৭ দিন আগে