রাজনীতি
হাসিনা পরিবারের দুর্নীতি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে: মুরাদ
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা জেলা যুবদল সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। তিনি বলেছেন, ভোট চুরি আর দুর্নীতি— এটাই আওয়ামী লীগের ইতিহাস। শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকীর অপকর্মের মাধ্যমে তা আবার প্রমাণিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ধামরাই সদর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে শরীফাবাগ বাবুল মিয়ার রাইস মিল মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে জনসম্পৃক্তি কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সব শোষণ, বঞ্চনা ও নির্যাতনের উপযুক্ত বিচার করবে। তাদের সব হত্যা ও অন্যায়-অবিচারের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করবে।’
আওয়ামী লীগের ভোট চুরির ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর অনেক ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয়েছিল। তাদের সময়ে মরা মানুষও ভোট দিয়েছে।’
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুস সালামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় নেতা এম এ জলিল, আবু তাহের মুকুট, সাবিনা ইয়াসমিন, আসিফুর রহমান মিলন, আনসার আলী, এনায়েত হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
৫৬৩ দিন আগে
‘বৈষম্যহীন, দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত থামবে না’
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মজলুম দল মন্তব্য করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গত সাড়ে ১৫ বছর জামায়াতের নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, হাজারো নেতাকর্মীকে খুন করা হয়েছে। হাট-ঘাট, মসজিদ-মাদরাসা, এমনকি মন্দিরেও লুটপাট চালিয়েছে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা। কিন্তু ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা চাটিবাটি গুটিয়ে পালিয়েছে। দুর্নীতিবাজ সবাই পালিয়েছে। তাই বৈষম্যহীন, মানবিক, দুর্নীতি দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ কায়েম না পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থামবে না।’
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের টাউন মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ছাত্র-জনতার অবদানকে স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে এই জাতি দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে ইনশাআল্লাহ। তরুণ-যুবসমাজ চাঁদাবাজমুক্ত, দখলবাজমুক্ত ও পেশীশক্তিমুক্ত নতুন দেশ চায়। আমরাও সাম্যের বাংলাদেশ চাই। এই প্রজন্ম বুকের রক্ত দিয়ে নতুন স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। প্রয়োজনে আমরাও রক্ত দিয়ে হলেও এই স্বাধীনতা ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কারও টাকার কাছে নিজেদের ভোট বিক্রি করব না। ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচনকেন্দ্রিক সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। আগামী নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ। কালো টাকা ও পেশীশক্তির কাছে আমরা মাথা নত করব না। যারা কালো টাকা দিয়ে ভোটের মাঠে আসবে, তাদের ‘না’ বলে দিতে হবে।”
আরও পড়ুন: এদেশে আর কোনো মাইনরিটি-মেজরিটি শুনতে চাই না: জামায়াত আমীর
এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত সাড়ে ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা ২৬ লাখ কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করেছে। এসব টাকা জাল ফেলে তন্ন তন্ন করে খুঁজে বের করে দেশে ফেরত আনতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের খুঁজে খুঁজে এনে ওই কাশিমপুর জেলে পাঠাতে হবে। তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াত আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসেন, যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য খন্দকার আলী মোহসিন, যশোর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল, ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম, কুষ্টিয়া জেলা আমির মাওলানা অধ্যাপক আবুল হাশেম, মেহেরপুর জেলা আমির মাওলানা তাজ উদ্দীন খান, চুয়াডাঙ্গা জেল জামায়াতের সাবেক আমির আনোয়ারুল হক মালিক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক আসলাম অর্ক, জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল প্রমুখ।
সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সব কর্মপরিষদের সদস্য, জেলার ৫টি থানার অধীনে সাংগঠনিক ৮ জন জামায়াতের থানা আমির ও স্থানীয় জামায়াত নেতারাসহ অসংখ্য কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
৫৬৩ দিন আগে
নির্বাচন দিতে এত সংস্কারের প্রয়োজন নেই: ফারুক
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মর্যাদা সমুন্নত রেখে অনতিবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এই দাবি জানান। দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল এই নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করে।
ফারুক বলেন, ‘আবু সাঈদ ও মুগ্ধর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতার সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে অনতিবিলম্বে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। সংস্কার চলবে, দিন-তারিখ দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলবে। আমি অবিলম্বে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।’
বিরোধী দলের সাবেক এই চিফ হুইপ বলেন, সংস্কারের নামে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অহেতুক সময় নষ্ট করা উচিত হবে না।
স্বৈরাচারী শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে তৎকালীন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিলেন বলে স্মরণ করেন এই বিএনপি নেতা।
আরও পড়ুন: আগস্টের মধ্যেই নির্বাচন চায় বিএনপি
তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ছিল। সেটার মতো নির্বাচন দিতে হলে এত সংস্কারের প্রয়োজন নেই। যে সংস্কার দিয়ে জনগণ ৪০ টাকায় চাল কিনতে পারবে সেই সংস্কার দরকার।’
বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর নতুন করে ভ্যাট আরোপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ছাত্র-জনতার বিপ্লবে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আপনারা সরকারে। তাহলে কেন আপনারা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের টিফিন বক্সের ওপরে ভ্যাট ধার্য করবেন? কেন আপনারা অনৈতিকভাবে সকল নিত্য পণ্যের ওপরে ভ্যাট বসিয়ে দেবেন?’
‘ভ্যাট বৃদ্ধিতে জনগণ দিশেহারা। যেখানে ১০ হাজার টাকায় তাদের মাস যেত, এখন ২৫ হাজার টাকায়ও দিন অতিবাহিত করা যায় না।’
বিভিন্ন খাতে এখনও সিন্ডিকেট রয়ে গেছে বলে অভিযোগ করে জয়নুল আবেদিন বলেন, ‘হাসিনার আমলে সিন্ডিকেট করেছে, আপনার আমলেও সিন্ডিকেট করবে। একটা উদাহরণ দিচ্ছি, ওমরাহ পালনে যাবেন রোজার মাসে…আমি গতকাল একটি অনুষ্ঠানে শুনতে পেয়েছি, জেদ্দায় যেতে ৪০ হাজার টাকার টিকিট এখন ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’
‘একশ-দুইশ টিকিট কিনে অফিসে রেখে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করছে। উপদেষ্টারা কী করেন, গোয়েন্দারা কী করেন? তাদের খবর রাখতে হবে। এই সিন্ডিকেট তো হাসিনার নাই, হাসিনা তো হিন্দুস্থানে। তাই এই সিন্ডিকেটকে ধরে গরীব মানুষরা যাতে ৪০ হাজার টাকায় টিকিট কিনতে পারেন তার ব্যবস্থার আমি দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: জামায়াতের কিছু বক্তব্যে কষ্ট লাগে: নজরুল ইসলাম খান
তিনি আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের ইশতেহারে শুধু জুলাই-আগস্ট নয়, বিগত আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপির ভূমিকাও লিখতে হবে। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ইশতেহারকে আমরা সমর্থন করি। কিন্তু এই ইশতেহারে ১৯৪৭ সালের ইতিহাস, ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ও ডা. মিলনের আত্মত্যাগ, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে পাঁচ বছর কারাগারে রেখেছিল ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা, গত ১৬ বছরের বিএনপির আত্মত্যাগ—এই কথাগুলোও ইশতেহারে লিখতে হবে।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, কর্মজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন ও মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
৫৬৩ দিন আগে
‘জুলাই ঘোষণা’ চূড়ান্ত করতে সর্বদলীয় বৈঠক চলছে
জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই ঘোষণা’ চূড়ান্ত করতে সর্বদলীয় বৈঠক শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে বৈঠক শুরু হয়েছে।এরইমধ্যে বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বৈঠকস্থলে প্রবেশ করেন।বৈঠকে অংশ নিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ।এছাড়াও আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান ও যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক।এছাড়াও আছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসনাত কাইয়ূম। এরপর আছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঢুকতে দেখা গেছে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদউদ্দিন মাহমুদ স্বপনকে।বৈঠকে যোগ দিতে হাজির হয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব আরিফ সোহেল ও মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ।এরআগে অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশের ঘোষণা দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। গত ২৯ ডিসেম্বর ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় তারা। ৩১ ডিসেম্বর ওই ঘোষণাপত্র প্রকাশের কর্মসূচিও দেওয়া হয়েছিল।এ বিষয়ে ২৯ ডিসেম্বর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নাৎসি বাহিনীর মতো অপ্রাসঙ্গিক এবং ১৯৭২ সালের সংবিধানের কবর রচনা করা হবে।পরে সরকারের তরফ থেকেই ঘোষণাপত্র তৈরির উদ্যোগের কথা বলা হয়। যদিও প্রথমে তারা এর সঙ্গে ছিল না। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু ঘোষণাপত্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, তারা তাতেই সমর্থন দেবে। তবে ওই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে হবে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে।অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম গত ৯ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যেহেতু সবার সঙ্গে কথা বলতে হবে, তাই ১৫ জানুয়ারির পর কিছু সময় বাড়তে পারে। তবে খুব বেশি দেরি হবে না।এর মধ্যে মতামতের জন্য ঘোষণাপত্রের খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়।
৫৬৪ দিন আগে
জুলাই ঘোষণাপত্র: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি
জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহস্পতিবারের সংলাপে অংশ নেবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বিএনপি এ বিষয়ে আলোচনার জন্য যথেষ্ট সময় পায়নি উল্লেখ কর দলটির মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শায়রুল বলেন, আজ বিকাল ৪টা থেকে ৭টা পর্যন্ত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।
'জাতীয় ঐকমত্যের' ভিত্তিতে 'জুলাই ঘোষণা' চূড়ান্ত করা হবে।
আরও পড়ুন: আগস্টের মধ্যেই নির্বাচন চায় বিএনপি
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্র তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে।
প্রধান উপদেষ্টার (সিএ) প্রেস উইংয়ের জানায়, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গড়ে ওঠা জনগণের ঐক্যকে সুদৃঢ় করার জন্য এই ঘোষণাপত্র গৃহীত হবে। এটি তার ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের দাবিকে তুলে ধরবে।
ঘোষণার খসড়ায় গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ সকল রাজনৈতিক দল ও শিক্ষার্থীদের মতামত অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এই ঘোষণাপত্রে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, ঐক্যের ভিত্তি ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার চিত্র ফুটে উঠবে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং।
সরকার আশা করছে যে, ঘোষণাপত্রটি সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তুত করা হবে এবং তারপর জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন: কারামুক্ত বাবর
৫৬৪ দিন আগে
কারামুক্ত বাবর
দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
বৃহস্পতিরবর (১৬ জানুয়ারি) কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুপুর ২টার দিকে তিনি বের হলে জেলগেটে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
জেলার বশির উদ্দিন বলেন, দুপুর ২টার দিকে বাবর কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারারাগার থেকে বের হন।
বাবর প্রথমে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন এবং পরে পল্টনে বিএনপির কার্যালযয়ে যাবেন। এরপর তিনি নেত্রকোনায় পৈতৃক বাড়িতে যাবেন।
এর আগে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) হাইকোর্ট থেকে ১০ ট্রাক অস্ত্র আইনের মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবরসহ পাঁচজন খালাস পেয়েছেন।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ছয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের জেটিতে অভিযান চালিয়ে ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র মামলায় ৫০ জন ও অন্যটিতে ৫২ জনের নাম উল্লেখ করে অস্ত্র আইনে দুটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মুজিবুর রহমান বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাবরসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
অস্ত্র মামলার দুই ধারায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ডা. ফয়েজ হত্যা : হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
৫৬৪ দিন আগে
বিএনপি-জামায়াতের বদানুবাদে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনের শঙ্কা মামুনুল হকের
বিএনপি ও জামায়াত বর্তমানে যে রাজনৈতিক বদানুবাদে জড়িয়েছে, তাতে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন ঘটতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।বুধবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১০টায় পটুয়াখালী শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত জেলা ইসলামি খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জেলা সভাপতি মাওলানা আব্বাস আলীর সভাপতিত্বে স্থানীয় ও কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দরাও এতে বক্তব্য রাখেন।খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, বিএনপি-জামায়াত যেভাবে বাদানুবাদে জড়িয়েছে, এর ফলে যদি ফ্যাসিবাদ আবার পুনর্বাসন হয়, তবে বাংলার জনগণ বিএনপি-জামায়াতকেও ক্ষমা করবে না।
‘৫ আগস্টের পর ফ্যাসিবাদ বাদে রাজপথে আমরা সবাই যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, সেটি ধরে রাখতে হবে,’ বলেন তিনি।
এ সময়ে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করেন। কোনো তন্ত্রমন্ত্রে কাজ হবে না, একমাত্র ইসলামি হুকমত ছাড়া এ দেশে বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব না।
এসময় জেলা জামায়াতের আমির এডভোকেট নাজমুল আহসান ও বরিশাল বিভাগীয় ছাত্রশিবিবের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
৫৬৪ দিন আগে
জামায়াত আমিরের সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান।
বুধাবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় দলটির মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রাষ্ট্রদূত সাক্ষাৎ করেন।
এসময় অত্যন্ত হৃদ্যতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন তারা।
মতবিনিময়কালে তারা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন।
আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
৫৬৫ দিন আগে
সংস্কার নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে: রিজওয়ানা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে পারে অন্তবর্তীকালীন সরকার।’বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন তথ্য জানিয়েছেন।এরআগে বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় চারটি সংস্কার কমিশন। কমিশনগুলো হলো—সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও পুলিশ সংস্কার কমিশন। এ বিষয়েই সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: তিন সংকট মোকাবিলায় এডিবির সহযোগিতা চান পরিবেশ উপদেষ্টাএ সময়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।‘আমি মনে করি, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হতে পারে,’ বলেন রিজওয়ানা।আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘যদি প্রাথমিক কাজগুলো দ্রুত সেরে ফেলা যায়, তাহলে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে পারবো।’সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, কমিশনগুলোতে সমন্বয়সহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। তবে জানুয়ারির মধ্যেই এই চার কমিশনসহ মোট ছয়টি সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জানিয়ে দেওয়া হবে।বাকি দুটি কমিশন হলো বিচার বিভাগ সংস্কার ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
আরও পড়ুন: পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য: পরিবেশ উপদেষ্টাসরকারের পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছে, সংস্কার কমিশনগুলোর প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রস্তাবগুলো নিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। আলোচনার মধ্য দিয়ে যেসব প্রস্তাব নিয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। প্রস্তাবগুলো কবে কোন প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন করা হবে, তার একটি রূপরেখা আসতে পারে দলগুলোর সঙ্গে সরকারের আলোচনার মাধ্যমে।
৫৬৫ দিন আগে
আগস্টের মধ্যেই নির্বাচন চায় বিএনপি
দেশের বৃহত্তর স্বার্থে চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে বিএনপি।
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'আমরা মনে করি এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।’
দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক করেন নেতারা।
চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন আয়োজনে পদক্ষেপ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, যেহেতু নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং প্রশাসনে আপেক্ষিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে, তাই নির্বাচন পেছানোর কোনো কারণ নেই।’
আরও পড়ুন: সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বন্ধ করায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রশংসা করল বিএনপি
বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার গঠিত নির্বাচন সংস্কার কমিশনও বুধবার তাদের প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।
ফখরুল বলেন, ‘তাই নির্বাচন পেছানোর কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে আমরা মনে করি না। যত বিলম্ব হবে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট তত গভীর হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন যে, নির্বাচিত সরকারের কোনো বিকল্প নেই, কারণ এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি।
আরও পড়ুন: চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা ফখরুলের
৫৬৬ দিন আগে