রাজনীতি
যেনতেন একটা নির্বাচন দেশের জন্য কল্যাণকর হবে না: ডা. তাহের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘যেনতেন একটা নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর হবে না। আবার সকল সংস্কার শেষে নির্বাচন—এত সময় দেওয়াও সম্ভব নয়।’
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের কথা স্পষ্ট, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন দিয়ে দিন।’
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) কুমিল্লা মহানগর জামায়াত আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে ইফতার-পূর্ব আলোচনায় বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মোসলেহ উদ্দিন ও সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামরুজ্জামান সোহেল।
৫৮৮ দিন আগে
লালমনিরহাটে যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার
শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য লালমনিরহাটে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) আদিতমারী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব সই করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়। এ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন আদিতমারী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এ এইচ এম ইদ্রিস আলী ও সদস্য সচিব হাসানুল।
বহিষ্কৃতরা হলেন—উপজেলার ভাদাই ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলজার হোসেন ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মিয়া।
আদিতমারী উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক বাক্কার বলেন, ‘গোলজার হোসেন ও এরশাদ মিয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করতে যুবদলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
৫৮৮ দিন আগে
বিএনপি, গণতন্ত্র-বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র হচ্ছে: তারেক
বিএনপি, গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ক্রমাগত নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে সতর্ক করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারা গত কয়েকদিন ধরে একটি চক্রান্তের কথা বলছি। আরেকবার ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হচ্ছে। আমরা এটা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্য বা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বলছি না। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের অস্তিত্ব, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ক্রমান্বয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয়তাবাদী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট সদস্যদের সম্মানে জিয়া সাইবার ফোর্সের ইফতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
তারেক বলেন, অতীতেও দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তারা লক্ষ্য করেছেন যে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনে ভোটারদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকায় বিএনপি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হচ্ছে।
সোমবার গণমাধ্যমে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীদের জড়িয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি জানান, দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তথ্য সংগ্রহের পর তিনি জানতে পারেন, ঘটনাটি পত্রিকায় বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
তারেক আরও বলেন, 'একটি স্বার্থান্বেষী মহল বা যারা বিএনপি, জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তারা ক্রমান্বয়ে ১/১১-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় বিএনপি যে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছিল, সেরকম একটি পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।’
জাতীয়তাবাদী সাইবার ফোর্সকে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক বলেন, 'আপনারা যারা অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, তাদের এটা অনুধাবন করতে হবে।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য ও প্রকৃত তথ্য প্রচারের মাধ্যমে এ ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বিএনপিপন্থী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি নেতা বলেন, 'আপনাদের কাছে আমার একটি বিশেষ অনুরোধ আছে। আপনাদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিতে পারে। কিন্তু যে প্রেক্ষাপটে আপনারা কাজ শুরু করেছেন, তাতে বিএনপি মনে করছে, তাদের সব অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের সহযোগিতা এখন আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। আপনারা সবাই মিলে কাজ করলে আগামী দিনে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিএনপি কী করতে চায়—তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারবেন এবং জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারবেন।’
তিনি শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনামলে ফ্যাসিবাদবিরোধী জনসমর্থন আদায়ে বিএনপিপন্থী অনলাইন কর্মীদের ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। ‘আপনার ভূমিকা এখন আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। মনে হচ্ছে আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হলেই এটা করতে পারবেন... আমার বিশ্বাস আপনারা এই কাজটি সবচেয়ে সুন্দর ও সঠিক উপায়ে করতে পারবেন।’
স্বাধীনতার পর থেকে যখনই বিএনপি দেশ শাসনের সুযোগ পেয়েছে তখনই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, শিল্প, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণের মতো ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বলে দাবি করেন তারেক রহমান।
আরও পড়ুন: ক্ষমতায় গেলে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে হওয়া সব হত্যার বিচার করবে বিএনপি: তারেক রহমান
তিনি বলেন, ‘হয়তো আমরা আরও কিছু করতে পারতাম ... কিন্তু আমরা পারিনি, এটাই আমাদের সীমাবদ্ধতা। এখন পর্যন্ত যা দেশের ভবিষ্যৎ উন্নত করে, জাতিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে, সেগুলোর প্রতিটি খাতে বিএনপি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং মারাত্মক দমন-পীড়ন সহ্য করেছে।’
অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের সাইবার যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, দেশ ও বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে আবারও বড় ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এখন আবার সেই লড়াইটায় নামতে হবে। আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমার বিশ্বাস আমাদের যোদ্ধারা এই চক্রান্তকে পরাজিত করে এই লড়াইয়ে জয়ী হবে।’
৫৮৯ দিন আগে
ঘুষ-দুর্নীতি বেড়েছে, তাহলে কীসের সংস্কার হচ্ছে: মুরাদ
সংস্কারের মুলা ঝুলিয়ে নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা যুবদল সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখেছিল, রাষ্ট্র সংস্কার হবে, সরকারি অফিস-আদালতে ঘুষ দুর্নীতি কমবে। দেশে ঘুষ-দুর্নীতি তো কমেনি বরং বেড়েছে। তাহলে দেশে কীসের সংস্কার হচ্ছে?’
সোমবার (১৭ মার্চ) ধামরাই সদর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
মুরাদ বলেন, দেশের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবস্থা নাজুক। চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইয়ে মানুষ অতিষ্ঠ। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপি বেহেশতে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করে না: মুরাদ
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১দফার মধ্যেই রাষ্ট্রের সব সংস্কারের উল্লেখ রয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন করলে আলাদা করে আর কোন সংস্কার প্রয়োজন হবে নেই।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে মুরাদ বলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। এটাই আমাদের দলের মূলনীতি। দলের আদর্শচ্যুত হয়ে এই দলে কেউ টিকে থাকতে পারেননি। তাই ভেবেচিন্তে কাজ করবেন। এমন কিছু করবেন না যাতে দলের সুনাম নষ্ট হয়।
ধামরাই সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সালামের সভাপতিত্ব এবং এনায়েত হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় নেতা এম এ জলিল, এবাদুল হক জাহিদ, মনিরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, মো. পলাশ, জসিমউদদীন, মুহাম্মদ রাকিব প্রমুখ।
আগের দিন রবিবার কুশুরা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন লোকমান দেওয়ান।
৫৮৯ দিন আগে
উপদেষ্টারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো ১৫ বছর ধরে যে আন্দোলন চালিয়েছে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান তারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।’
শনিবার (১৭ মার্চ) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: আবারও ফ্যাসিবাদের উত্থান হলে একুশের চেতনাই তা রুখবে: রিজভী
মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে কথা বলায় এবং বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে গিয়ে গত ১৫ বছরে ইলিয়াস আলীসহ বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী গুমের শিকার হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘চূড়ান্তভাবে জুলাই-আগস্টে শিশু-তরুণ ও কিশোররা জীবন উৎসর্গ করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তাই আমি উপদেষ্টাদের কাছে জানতে চাই, আপনারা কেন এই ১৫ থেকে ১৬ বছরের আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের মধ্যে বিভাজনের রেখা টানছেন?’
বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে চালের দাম কমানোর দিকে মনোনিবেশ করার জন্য উপদেষ্টাদের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, 'একজন উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের বলেছেন, আপনারা যেভাবে দেশ চালাচ্ছেন, এভাবে পাঁচ বছর চললে দেশ আরও উন্নত হবে। তার মানে এখানে নির্বাচনের কোনো প্রয়োজন নেই।’
রিজভী বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, 'আপনারা তাদের (ছাত্রদের) কী শেখাচ্ছেন? আপনি তাদেরকে ফ্যাসিবাদ বা একনায়কতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। এটা অন্যায়।’
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারই তত্ত্বাবধায়ক সরকার: রিজভী
তিনি বলেন, তার দল চায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করুন, যেখানে তার প্রতি জনগণের আস্থা বজায় থাকবে।
বিএনপি নেতা সতর্ক করে বলেন, ‘জনগণের এমন গভীর আস্থা রয়েছে যে, আপনারা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। তবে বিলম্ব হলে তা ভিন্ন দিকে মোড় নেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ মহাসচিব রিজভী।
রিজভী বলেন, দেশে বর্তমান অসন্তোষ শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ফল। ‘আমাদের অবশ্যই এই দুঃশাসনের বিকৃত ফলকে উৎপাটন করে শুদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
৫৯০ দিন আগে
ক্ষমতায় গেলে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে হওয়া সব হত্যার বিচার করবে বিএনপি: তারেক রহমান
আগামী দিনে দেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ওই নির্বাচনে বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তাহলে বিগত স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত ও শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার করা হবে।
রবিবার (১৬ মার্চ) বিকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’–এর আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার আন্দোলনে গুম ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে এই আয়োজন করা হয়। এতে বিগত দিনে গুম, খুন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের যে প্রত্যাশা, একজন রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে আমাদেরও প্রত্যাশা, সামনে একটি সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কারা সরকার গঠন করবে—বাংলাদেশের জনগণ এই নির্বাচনে তাদের সিদ্ধান্ত দেবেন।’
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে কোনো সংস্কারই কাজ আসবে না: আমীর খসরু
তিনি বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আগামীতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব যে রাজনৈতিক দলই পাক না কেন, তাদের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে অবশ্যই একটি কর্মসূচি থাকতে হবে; সেটি হলো—যারা নির্যাতন ও অন্যায়ের শিকার হয়েছে, তাদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার করতে হবে।’
‘যেকোনো মূল্যে সুষ্ঠুভাবে এই বিচার করতে হবে। কারণ আমরা যদি আগামী দিনে অন্যায়ের বিচারগুলো করতে না পারি এবং অন্যায়ের সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার যদি না হয়, তাহলে হয়তো-বা দেশে আবারও অন্যায় সংগঠিত হবে।’
বিএনপির এই সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে পারি, বিএনপিকে বাংলাদেশের মানুষ যদি আগামীতে দেশ পরিচালনার সুযোগ দেয়, তাহলে অব্যশই রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে যে, বিগত স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে জুলাই-আগস্ট মাসে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন এবং যারা শহিদ হয়েছেন, যাদের বিভিন্নভাবে হত্যা করা হয়েছে, সেসব হত্যাগুলোর বিচার অবশ্যই আমরা করব।’
আরও পড়ুন: নারী-শিশু নির্যাতনে আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তায় বিএনপির ৮৪ সেল গঠন
‘আশা রাখবেন, আগামীতে আপনারা হতাশ হবেন না।... আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকি, তাহলে এই বাংলায় (নিপীড়নকারীদের) বিচার করতে অবশ্যই আমরা সক্ষম হব।’
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে যতগুলো রাজনৈতিক দল আছে, তারা তার এই প্রস্তাবে দ্বিমত করবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৫৯০ দিন আগে
বিএনপি বেহেশতে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করে না: মুরাদ
যারা ধর্ম নিয়েন রাজনীতি করে তাদের বিষয়ে আলেম ওলামাদের সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা জেলা যুবদল সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ।
তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি ধর্মবান্ধব রাজনৈতিক দল কিন্তু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে না। বিএনপি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে জনসাধারণকে আদর্শ জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করে, বেহেশতে যাওয়ার টিকিট বিক্রি করে না।’
রবিবার (১৬ মার্চ) ধামরাইয়ের কালামপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থানীয় আলেম ওলামা, ইমাম ও খতিবদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলার ১২০টি কওমি মাদ্রাসা ও সাড়ে ৮০০ মসজিদের ইমাম ও খতিবরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন, একটি দল পবিত্র ইসলাম ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। কুরআন-হাদিসের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: আ.লীগ নেতাকে ছাড়াতে গিয়ে থানায় বিএনপির দুপক্ষের হাতাহাতি
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ধর্মীয় মূল্যবোধ, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর আস্থা-বিশ্বাস ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। বিএনপি বিশ্বাস করে, মুসলমান জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইসলামী মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির বিকাশ ঘটলে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে শান্তি, ন্যায্যতা, মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে।’
স্বাধীনতা পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীনতা চাপিয়ে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুরাদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম এবং ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস সংযোজন করে সংখ্যা গরিষ্ঠ মানূষের অনুভুতির প্রতি সম্মান জানিয়েছেন। বিএনপি শহীদ জিয়ার সেই নীতি ধারণ করে চলেছে।
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মো. ইলিয়াছ। উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি আশরাফ আলী, কালামপুর উলামা পরিষদের সভাপতি আবু সাঈদ জিহাদি, মাওলানা ইদ্রিস আলী, মাওলানা উসমান গণি, মুফতি ইউসুফ বিন সিরাজ, মুফতি মো. রাকিব, মাওলানা আবদুল আলিম, মাওলানা আবদুল মজিদ, মাওলানা ফরহাদ, মো. ইবরাহিম. মুফতি মো. আরিফ প্রমুখ।
৫৯১ দিন আগে
রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে কোনো সংস্কারই কাজ আসবে না: আমীর খসরু
দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে কোনো সংস্কারই কাজ করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শনিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের আয়োজনে ইন্সটিটিউটের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা, ইফতার ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। ভিন্নমত হলেও পরস্পর সহনশীলতা, শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে।’
দেশে সবার জন্য সব ক্ষেত্রে লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন দিয়ে দেশের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।’
আরও পড়ুন: বিএনপিকে যারা থামাতে গিয়েছে, তারাই ধ্বংস হয়েছে: আমীর খসরু
‘এখন একেকটি দিন অতিবাহিত হচ্ছে গণতন্ত্রহীন দেশ হিসেবে। একেকটি দিন যাচ্ছে যেখানে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নেই, জনগণের ফিডব্যাক নেই। জনগণের সমর্থন, প্রতিনিধিত্ব, নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক অর্ডার (শৃঙ্খলা) ফিরিয়ে আনা যাবে না।’
ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সভাপতি মনজারে খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট সভাপতি প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি প্রমুখ।
৫৯১ দিন আগে
সংস্কার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যু বলে মনে করে জাতিসংঘ: বিএনপি
সংস্কার ও নির্বাচন কীভাবে হবে, জাতিসংঘ সেটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যু বলে মনে করে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘তবে জাতিসংঘ মহাসচিব আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, বাংলাদেশে আগামীতে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার আসবে, পৃথিবীর মধ্যে একটা নজির সৃষ্টি করবে আগামীর নির্বাচন।’
শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক করেছেন সফররত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বৈঠকে বিএনপির হয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ অংশ নেন। বৈঠক শেষে তারা সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে সালাহউদ্দিন এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘জাতিসংঘের তরফে বলা হয়েছে যে, এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার… আপনারা বসে রিফর্ম (সংস্কার) কী করবেন, সেটা ঠিক করেন এবং নির্বাচন যা হবে, বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছা অনুযায়ী হবে। বাংলাদেশে যেন একটা শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে—এটা তিনি আশা করেছেন।’
আরও পড়ুন: নারী-শিশু নির্যাতনে আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তায় বিএনপির ৮৪ সেল গঠন
এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এখানে (বৈঠকে) কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা ছিলেন। সংস্কার কমিশনের প্রধানরা ছিলেন। মূলত এখানে যে সংস্কারের ব্যাপারগুলো, যেগুলো নিয়ে কমিশনগুলো করা হয়েছে, সেই সম্পর্কে জাতিসংঘের মহাসচিবকে অবহিত করা হয়েছে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আমরা আমাদের আগের বক্তব্যই তুলে ধরেছি।’
‘আমরা একই কথা বলেছি আমরা। সংস্কার তো অবশ্যই করতে হবে। আমরা সংস্কারের কথা আগেই বলেছি, সেই সংস্কার অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু সংস্কারটা যত দ্রুত করা যায়।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম দাবি ছিল নির্বাচনকেন্দ্রিক সংস্কার। আমরা বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনী সংস্কারগুলো সম্পন্ন করতে হবে। এরপর সংসদ গঠনের মাধ্যমে বাকি সংস্কারগুলো করা যাবে। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া—এটাই আমরা বলে এসেছি।’
বৈঠকে সংস্কারের বিষয়ে কোনো সময়সীমার কথা আপনারা বলেছেন কি না—প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওখানে টাইমফ্রেম নিয়ে কথা বলার কোনো প্রয়োজন নাই। কারণ এটা তো আমাদের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।’
‘আমরা সংস্কার কমিশনগুলোর সঙ্গে আমরা কথা বলছি, তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। তারা যা চাচ্ছে আমরা সব দিয়ে দিচ্ছি। ইতোমধ্যে আমাদের সঙ্গে একটা বৈঠক হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবকে আমরা আমাদের টাইম ফ্রেমটা দিতে যাব কেন?’
আরও পড়ুন: বিএনপির নতুন ভাইস-চেয়ারম্যান নার্গিস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইয়াসিন
রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত এ গোলটেবিল বৈঠকে বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), নাগরিক ঐক্য, সিপিবি, এবি পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা অংশ নেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমা, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস প্রমুখ।
৫৯২ দিন আগে
জাতীয় ও গণপরিষদ নির্বাচনের নামে বিলম্ব করা চলবে না: ড. আসাদুজ্জামান
বিএনপি জাতীয় নির্বাচন ও গণপরিষদ নির্বাচনের নামে কোনোভাবেই নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে দেবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণপরিষদ নির্বাচনের নামে কোনোভাবেই নির্বাচনকে বিলম্বিত করা চলবে না, আর এটা আমরা হতেও দেব না।’
দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলামের সভাপতিত্বে শনিবার (১৫ মার্চ) ফরিদপুরে বিএনপির বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. রিপন বলেন, কেউ কেউ বলছেন দেশে একটি গণপরিষদ হবে, গণপরিষদ করার দায়িত্ব কে দিয়েছে তাদের।
তিনি আরও বলেন, সংস্করের নামে নির্বাচনকে বিলম্বিত করার সুযোগ নেই। দেশি ও বিদেশি নানান ষড়যন্ত্র চলছে। অনির্বাচিত সরকার এদেশে মাথা গোজার চেষ্টা করছে—সেটা বিএনপি করতে দেবে না এদেশে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা বলব সংস্কার বা গণপরিষদের নামে কোনো কালক্ষেপণ না করে যত দ্রুত সম্ভব এদেশে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন।
আরও পড়ুন: ৯০ দিনের মধ্যে আছিয়া হত্যার বিচার-রায় কার্যকর দেখতে চাই: ডা. শফিকুর
তিনি আরও বলেন, হাসিনা গত ১৬ বছর ভোট করেনি বলেই বিদায় নিতে হয়েছে এভাবে, পালাতে হয়েছে তাকে। দেশে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা আর যাতে ফিরিয়ে না আসে সে জন্য দরকার একটি সুন্দর নির্বাচন।
নেতা কর্মীর উদ্দেশে রিপন বলেন, দখল বাণিজ্য তখনই আসে যখন গণতন্ত্র থাকে না দেশে। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে, আগামী নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। মানুষের ভালোবাসা না পেলে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়—এমন কাজ করা থেকে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।
বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহজাদা মিয়া, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান মাসুক, সেলিমুজ্জামান সেলিম, বিএনপি নেত্রী হেলেন জেরিন খান প্রমুখ।
বর্ধিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা, বিএনপি নেতা সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, মো. আজম খান, রশিদুল ইসলাম লিটন প্রমুখ।
বিএনপির বিশেষ এই বর্ধিত সভায় ফরিদপুর জেলা সহ বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলার দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৯২ দিন আগে