রাজনীতি
নারী-শিশু নির্যাতনে আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তায় বিএনপির ৮৪ সেল গঠন
নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার তথ্য সংগ্রহ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা দিতে সারা দেশে সেল গঠন করেছে বিএনপি। দলটির ৮৪টি সাংগঠনিক জেলায় ‘নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি এবং স্বাস্থ্য সহায়তা সেল’ নামের এই সেলগুলো কাজ করবে।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মাগুরায় ধর্ষণের শিকার আট বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে চরম ক্ষোভ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি কোনোমতেই দেশবাসী মেনে নিতে পারছে না। বর্তমান শাসনকালে মানুষের প্রত্যাশা ছিল তৃণমূলে অতি দ্রুত আইনের শাসন বলবৎ হবে। কিন্তু প্রশাসনের শ্লথ ও ঢিলেঢালা আচরণের কারণে সমাজে দুষ্কৃতকারীরা নানাভাবেই আশকারা পাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর দুঃশাসনে আমাদের অতি পরিচিত শান্তি ও সুস্থময় পরিপার্শ্বকে বিকৃত করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের সামাজিক সংহতিকে বিনষ্ট করা হয়েছে। দুর্বৃত্তায়নের ব্যাপক প্রসার ঘটিয়ে সমাজকে পচা গলিত দুর্গন্ধময় করার চেষ্টা করা হয়েছে।’
‘অন্যের জমি দখল, লুট, টাকা পাচারের মহোৎসবের মধ্য দিয়ে নিজের সিংহাসন অটল রাখতে সব ধরনের নোংরামিকে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তার শাসনের সমসময়ে হত্যা, গুম, খুন, ধর্ষণ, নারী, শিশু নির্যাতন, বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন, রাষ্ট্র ও সমাজের এমনই বিস্তার ঘটানো হয়েছিল যাতে সভ্য, শিষ্ট, সজ্জন মানুষের বসবাস করা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষকে লাঞ্ছিত করতে, দুর্দশায় ফেলতে তারা কোনো দ্বিধা করত না। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীকে অবমাননা, অতিকথন ও অপপ্রচারের মাধ্যমে বিরতিহীনভাবে কালিমা লিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল।’
আরও পড়ুন: বিএনপির নতুন ভাইস-চেয়ারম্যান নার্গিস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইয়াসিন
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘বিগত সরকারের শাসনামলে যাবতীয় ভয়, হুমকি ও দুর্বিপাকের মধ্যেও দেশের নাগরিকবৃন্দকে জীবন-যাপন করতে হয়েছে। সেই রেশ ধরেই এখনো নারী-শিশু নির্যাতনকারীরা যেন সুযোগের অপেক্ষায় ওত পেতে বসে আছে। মাগুরায় বোনের শ্বশুরবাড়িতে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণ করার পর কয়েক দিন চিকিৎসারত থেকে তার মৃত্যুবরণ সারা জাতিকে বিমূঢ় বেদনায় বেদনার্ত করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় সারা জাতির চোখ অশ্রুসজল। দীর্ঘ আওয়ামী দুঃশাসনে মানবিকতা, নৈতিকতা, ন্যায্যতা, ন্যায় বিচার অদৃশ্য করা হয়েছে। অপকর্মকারীরা অধিকাংশই ছিল শেখ হাসিনার দলের লোক। কারণ এরা জনসেবার চেয়ে আত্মসেবাকেই বড় করে দেখেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের সমবেত ধ্বনি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সেটি যদি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস পেতে থাকবে। আইনের শাসনের শক্ত কাঠামো তৈরি করা হলেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।’
‘প্রশাসন যোগ্য, দক্ষ, ন্যায়পরায়ণ, সৎ ও মানবিক না হলে সমাজে অন্যায়-অবিচার এবং খুন, জখম, নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রকোপ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।’
আরও পড়ুন: নারী নির্যাতনসহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করুন: সরকারকে বিএনপি
তাই অবিলম্বে সত্যিকার অর্থে আইনের শাসন বলবৎ করে সমাজে প্রকৃত দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক দাবি করে রিজভী বলেন, ‘ধর্ষণে নির্যাতিত শিশুর মৃত্যুতে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অতি দ্রুত নিশ্চিত করা হোক। আমি শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি ও তার পরিবারের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৫৯৩ দিন আগে
রাজনৈতিক দলগুলোকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা আব্বাস
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে 'কৃত্রিম বিভাজন' সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা একসঙ্গে ইফতারে বসেছি। আমরা সবাই মিলে এই মুহূর্তটা উপভোগ করছি। আমরা যদি এভাবে বাংলাদেশকে গড়ার কাজ করি তাহলে সমস্যা কোথায়?’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনে অন্যান্য দলের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে তাদের দল কোনো সমস্যা দেখছে না।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘কৃত্রিম সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমাদের বিভক্ত করার অপচেষ্টা চলছে। বিভিন্ন দল একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলছে, অভিযোগ ছুঁড়ে দিচ্ছে—এটা ঠিক নয়। এভাবে চলতে থাকলে ৫ আগস্ট আমরা যে বিজয় অর্জন করেছি— তা নষ্ট হয়ে যাবে।’
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে মালিবাগের স্কাই সিটি হোটেলে গণঅধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্বাস বলেন, বিগত বছরগুলোতে এ ধরনের সমাবেশ ঘিরে স্বাভাবিক আশঙ্কা ও অনিশ্চয়তা এখন আর নেই।
আরও পড়ুন: মাগুরার শিশু ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি ফখরুলের
তিনি আরও বলেন, ‘গত বছর, তার আগের বছর, এমনকি তার আগের বছরও আমরা উদ্বেগ ও আশঙ্কা নিয়ে ইফতারে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন সেই আশঙ্কা কেটে গেছে। এখন কোনো নিপীড়ন নেই এবং আমরা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে এসেছি এবং শান্তিপূর্ণভাবে চলে যাব। ৫ আগস্ট আমাদের আন্দোলনের বিজয়ের মধ্য দিয়ে আমরা এ অবস্থা অর্জন করেছি। সেই অর্জনের সুফল আমরা ভোগ করছি।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ইফতার মাহফিলে তারা যেমন একসঙ্গে বসেছেন, তেমনি নির্বাচন থেকে শুরু করে সরকার গঠনসহ ভবিষ্যতের সব কর্মকাণ্ডে ঐক্যবদ্ধ থাকতে চান।
তিনি একটি উন্নত দেশ গড়ার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে বলেন ঘৃণা, হিংসা এবং ঈর্ষা কখনই জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।
কোনো ষড়যন্ত্রের কারণে ৫ আগস্টের ত্যাগ ও সংগ্রাম যেন অর্থহীন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সবাইকে নিজ নিজ বিবেকের কাছে জবাবদিহি করার আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এখন সুস্পষ্ট রোডম্যাপ থাকা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘সংস্কার, আলাপ-প্রস্তাব অব্যাহত থাকবে। তবে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এজন্য একটি রোডম্যাপ দরকার। আমরা ও দেশের জনগণ আশা করছি, সরকার শিগগিরই নির্বাচনের রোডম্যাপ উপস্থাপন করবে।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা তাদের উদ্বেগ ও দাবিগুলো উপস্থাপন করেছেন এবং তিনি তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে একটি নির্বাচনী রোডম্যাপ উপস্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু একটি বিষয়ে স্পষ্টতা চাই- প্রধান উপদেষ্টা শিগগিরই জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি রোডম্যাপ দেবেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন পেছাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে এনসিপি: ফারুক
৫৯৩ দিন আগে
মাগুরার শিশু ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি ফখরুলের
মাগুরায় ধর্ষণের শিকার আট বছরের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যাকারী দানবদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) শিশুটির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরপরই বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানের পাঠানো এক শোকবার্তায় এই দাবি জানান তিনি।
ফখরুল বলেন, 'মাগুরায় একটি নিষ্পাপ শিশুকে কয়েকজন দানবের নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হলো।’
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শরীরের ক্ষতচিহ্ন নিয়ে সে অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করেছেন। এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে সে লজ্জা ও অশ্রুতে ডুবিয়ে গেছেন আমাদের, যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।’
মির্জা ফখরুল তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে এই 'দানবদের' দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
ছোট্ট শিশুটি মাগুরায় বড় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে মারা যায়।
আরও পড়ুন: মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটির মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
গত ৫ মার্চ রাতে মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালি গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান ওই শিশুটি।
সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে মাগুরা জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সকালে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং পরে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়।
মেয়েটিকে ধর্ষণের ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। আসামিদের ফাঁসির দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
আরও পড়ুন: মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটি আর নেই
৫৯৪ দিন আগে
বিএনপির নতুন ভাইস-চেয়ারম্যান নার্গিস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইয়াসিন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন যশোর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নার্গিস বেগম ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হয়েছেন দলের নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসিন।
বুধবার (১২ মার্চ) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: নির্বাচন পেছানোর আশঙ্কা যৌক্তিক: মির্জা আব্বাস
এতে বলা হয়, আজ (বুধবার) জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে যশোর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মিসেস নার্গিস বেগমকে এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসিনকে মনোনীত করা হয়েছে।
দলটির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, চলমান সাংগঠনিক পুনর্গঠনে এই দুই নেতাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৫৯৪ দিন আগে
নির্বাচন পেছানোর আশঙ্কা যৌক্তিক: মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সংস্কারের নামে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন পেছানো হতে পারে বলে জনমনে যে ধারণার জন্ম হয়েছে তা ভিত্তিহীন নয়।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার সংস্কারমূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কিন্তু তাদের সংস্কার প্রস্তাবে আমি নতুন কিছু পাইনি, যা ইতোমধ্যে আমাদের ৩১ দফা প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সুতরাং সংস্কার ইস্যুকে নির্বাচন পেছানোর অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জাতির ধারণা ভিত্তিহীন নয়।’
বুধবার (১২ মার্চ) রাজধানীর শাহজাহানপুরে রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারে বিএনপির ৩১ দফা প্রস্তাব নিয়ে এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্বাস বলেন, বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব সংশোধন করে সরকার সংস্কার উদ্যোগ সম্পন্ন করতে পারে এবং দ্রুত নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।
আরও পড়ুন: সারা বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে রোজা-ঈদ করা যায় কি না, বিবেচনার অনুরোধ তারেক রহমানের
তিনি বলেন, 'সরকার এমনকি আমাদের ৩১ দফা প্রস্তাব সংশোধন করে জুন বা জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণাও দিতে পারে। সরকার বলেছে ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে, কিন্তু অহেতুক বিলম্বের কারণ বুঝতে পারছি না।’
সংস্কারের নামে নির্বাচন পেছানোর পক্ষে মত দেওয়ায় কয়েকটি রাজনৈতিক দলেরও সমালোচনা করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রের জন্য, কথা বলার অধিকারের জন্য, ভোটের অধিকারের জন্য আমাদের তাজা রক্ত দিয়েছি। কিন্তু এখন যখন ভোটের সময় এসেছে, তখন কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনের জন্য নানা শর্ত আরোপ করছে।’
মির্জা আব্বাস বলেন, আওয়ামী লীগ দেশকে পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে যা খুশি তাই করেছে। তিনি বলেন, 'আপনারা (কিছু রাজনৈতিক দল) কি একই কথা ভাবেন? এই বাংলাদেশ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এই বাংলাদেশ জনগণের। তাই ভেবেচিন্তে কথা বলুন, যাতে কোনো হিসাব-নিকাশ না করেই আমাদের কথা বলতে না হয়।’
আরও পড়ুন: নারী নির্যাতনসহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করুন: সরকারকে বিএনপি
কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, কিছু লোভী রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দল নিছক বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে, কোনো বাস্তব কারণে নয়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ভারত ভাগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই দলগুলো এর বিরোধিতা করে আসছে। তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র দেশপ্রেম নেই। তারা দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসে না। তারা যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসতে চায়।’
মির্জা আব্বাস বলেন, কোনো দল গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আসুন। আপনারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছেন কেন?’
তিনি বলেন, যারা দাবি করে নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না, তাদের ব্যাখ্যা করা উচিত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তাদের কতজন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। তিনি বলেন, এক মাসে আমাদের ৪২২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। আপনাদের কতজন শহীদ হয়েছে?’
বিএনপির নেতিবাচক কর্মকাণ্ডকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের চেয়ে বেশি তুলে ধররা সাংবাদিকদের একটি অংশের সমালোচনাও করেন দলটির এই নেতা।
তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন দল, টেলিভিশন চ্যানেল ও ইউটিউবাররা সমন্বিতভাবে দলের বদনাম করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছেন। ‘আমাদের কর্তব্য হচ্ছে আমাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এবং জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে এগুলোকে প্রতিহত করা।’
নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, 'তারা (অপরাধীরা) অন্যায় করে, চাঁদাবাজি করে, অপকর্ম করে, তারপর এর জন্য বিএনপিকে দোষারোপ করে। কথায় বা কাজের মাধ্যমে এই চাঁদাবাজদের প্রতিহত করতে হবে।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজরা এখন বিএনপি-জামায়াতসহ সব দলে অনুপ্রবেশ করেছে। ‘এই চাঁদাবাজরা কমবেশি সব দলেই অনুপ্রবেশ করেছে। তাদের চিহ্নিত করে হয় দল থেকে বহিষ্কার করুন অথবা পুলিশের হাতে তুলে দেন।’
মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপিতে দুর্বৃত্ত, অপরাধী ও চাঁদাবাজদের কোনো স্থান নেই। তিনি বলেন, বিএনপিতে খারাপ লোকের কোনো স্থান হবে না—এটা মনে রাখবেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন পেছাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে এনসিপি: ফারুক
৫৯৪ দিন আগে
নির্বাচন পেছাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে এনসিপি: ফারুক
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের নিয়ে গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি) জাতীয় নির্বাচন পেছানোর জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ আন্দোলন সফল করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে জাতীয় নির্বাচনের পথ সুগম করেছে। কিন্তু নতুন দল (এনসিপি) এখন নির্বাচন পেছানোর জন্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মানুষ এটা বলতে শুরু করেছে।’
নারীর প্রতি ব্যাপক সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, অনলাইনে হয়রানি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও ন্যায়বিচারহীনতার প্রতিবাদে বুধবার (১২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরামের এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদের বিরোধীদলীয় সাবেক চিফ হুইপ ফারুক জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘সরকার যদি সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন পেছায়, তাহলে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা অবশ্যই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করবে।’
বিএনপি নেতা বলেন, সরকার অবশ্যই সংস্কার করবে, তবে দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।
তিনি বলেন, এনসিপি গণপরিষদ ও সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমি সরকারকে বলতে চাই, আমি গণপরিষদ বুঝি না। আমি শুধু একটা জিনিসই বুঝি, আমার বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা ছিল, আর ১৬টার মধ্যে ৯ বছর আমি কারাগারে ছিলাম। একজন রাজনৈতিক কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকে গণপরিষদ নয়, একটি নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় বাংলাদেশের সমর্থন চায় গাম্বিয়া
ফারুক আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা রাজনৈতিক দলগুলো একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় সরকার গঠন করবে এবং সংসদে আলোচনা করে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, দেশের জনগণ নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব ড. ইউনূসকে দিয়েছে। ‘তাই তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলনে অংশ নেওয়া জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি, দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সরকার ফ্যাসিবাদীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে এবং তাদের অপকর্ম উন্মোচন করতে সক্ষম হবে। ‘আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে একটি নির্বাচন আয়োজন করুন, যাতে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।’
৫৯৫ দিন আগে
নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদন আহ্বান ইসির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিবন্ধন দিতে নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে এই আবেদন চাওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৮-এ উল্লেখিত নিবন্ধনের শর্ত পূরণে সক্ষম দলের আবেদন চেয়ে সোমবার(১০ মার্চ) গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইসি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৯০ক ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত হয়।
কোনো দল ইসিতে নিবন্ধিত হলে তারা নিজস্ব প্রতীক নিয়ে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।
নিবন্ধিত হতে ইচ্ছুক রাজনৈতিক দলকে অবশ্যই তার আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।
আরও পড়ুন: ইসি এনআইডি সেবা নিয়ন্ত্রণে রাখার পক্ষে: সিইসি
৫৯৭ দিন আগে
নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে সোমবার মানববন্ধন করবে ছাত্রদল
ধর্ষণ, অনলাইনে হয়রানি ও নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে সোমবার সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন করবে বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
এই কর্মসূচির লক্ষ্য দেশে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির পাশাপাশি এই ধরনের অপরাধের শিকারদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার ব্যাপক ঘাটতির প্রতিবাদ জানানো।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বলে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সেই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: নেত্রকোণায় মাছ চুরি: ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
এতে বলা হয়, নারীর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ ও অনলাইনে হয়রানির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলার সার্বিক অবনতি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রতিবাদে সোমবার সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রদল।
ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ কর্মসূচি সফল করার জন্য দলের সকল সদস্য, নেতা-কর্মীকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
৫৯৮ দিন আগে
বিএনপি আমলে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা সমুন্নত ছিল: মুরাদ
বিএনপি সরকারের সময় নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার সমুন্নত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুসলিম বিশ্বের মহিয়সী নারী। তার শাসনামলে নারীর জীবনমান উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছিল। নারীদের জন্য তিনি অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।’
শনিবার (৮ মার্চ) ধামরাইয়ের আমতা ও চৌহাট ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পৃথক আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
চৌহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন, ‘নারী সেনাবাহিনী ও নারী পুলিশের উন্নয়নে খালেদা জিয়ার শাসনামলে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছে। জিয়াউর রহমান বিদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি চালু করেছিলেন। আর এটিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। গার্মেন্ট সেক্টরে নারী শ্রমিকদের কর্মসংস্থানে তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন।’
আরও পড়ুন: নারী নির্যাতনসহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করুন: সরকারকে বিএনপি
তিনি বলেন, ‘সমাজের অর্ধেক অংশ নারী এবং তাদের অবদান ছাড়া কোনো সমাজই পূর্ণতা পায় না। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত নারীরা তাদের দক্ষতা, মেধা এবং শ্রম দিয়ে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখন অনেক ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্য, নির্যাতন এবং অবহেলার শিকার হচ্ছেন। আমাদের এই অবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।’
এর আগে আমতা ইউনিয়ন আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেন তিনি।
ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার আইয়ুবের সভাপতিত্ব ও জেলা বিএনপির সদস্য মাসুদ আহম্মেদর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতা এস আহম্মদ, এনায়েত হোসেন, আব্দুস সালাম, কামরুল ইসলাম, ইবাদুল হক জাহিদ, মনিরুল ইসলাম মনির, আবুল হোসেন, রাকিব হোসেন, রনি আহম্মেদ, হাজী লোকমান দেওয়ান, আতিকুর রহমান, আসলাম হোসেন, সামিউল ইসলাম সজীব, কহিনুর ইসলাম, রাজা মিয়া প্রমুখ।
৫৯৮ দিন আগে
অগ্রগতির জন্য নারীর ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান তারেকের
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মেয়ে ও নারীর ক্ষমতায়ন ও সমর্থন পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শনিবার (৮ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের তরুণী ও নারীরা তাদের চারপাশের মানুষদের কাছ থেকে ক্ষমতায়ন ও সমর্থন পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। প্রত্যেক নারীকেও পুরুষের সমান মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সুযোগ পাওয়া উচিত।’
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনজন অসাধারণ ব্যক্তি হলেন তার মা, স্ত্রী এবং কন্যা।
তারেক রহমান ফেসবুক পেজে স্ত্রী জোবাইদা রহমান, মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছবিও শেয়ার করেছেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি সবসময় তাদের জন্য প্রতিটি সুযোগ, সাফল্য এবং সুখ চেয়েছি। আমি নিশ্চিত যে আপনারা যারা এটি পড়ছেন তাদের অনেকেরই একই অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।’
আরও পড়ুন: সারা বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে রোজা-ঈদ করা যায় কি না, বিবেচনার অনুরোধ তারেক রহমানের
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তারেক রহমান বলেন, 'আমি আবারও দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের মতো আমাদেরও উচিত একটি ন্যায়পরায়ণ, সহিষ্ণু ও শ্রদ্ধাশীল সমাজ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া, যেখানে ধর্ম, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হবে না।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব মেয়ের ছেলেদের সমান সুযোগ থাকা উচিত এবং তাদের বাড়ির বাইরে পা রাখা উচিত। হয়রানি ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহার করা উচিত এবং নির্ভয়ে তাদের কণ্ঠস্বর প্রকাশের সুযোগ নেওয়া উচিত।
তারেক বলেন, বিএনপির নীতি প্রণয়নে একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত সমাজে নারীর অব্যবহৃত সম্ভাবনাকে স্বীকৃতির দেয়। যেখানে দলের 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচি, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ, তরুণীদের শিক্ষার জন্য একাডেমিক ও বৃত্তিমূলক প্রকল্পের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপসংহারে তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা একসঙ্গে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করি।’
আরও পড়ুন: নারী নির্যাতনসহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করুন: সরকারকে বিএনপি
৫৯৯ দিন আগে