রাজনীতি
আদালতই শেখ হাসিনাকে দেশে আনবে: আমান
খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সমন্বয়ক ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, গণহত্যা, বিডিআর ও ছাত্রজনতা হত্যার আসামী শেখ হাসিনার আইন অনুযায়ী বিচার হবে, আর বিচারের মাধ্যমে আদালতই তাকে দেশে আনবে।
সম্প্রতি ভারত ইস্যূ নিয়ে বাংলাদেশে জাতীয় ঐক্য গঠিত হয়েছে। ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে বলে যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে, ঐক্যবদ্ধভাবেই আমরা তার মোকাবিলা করব বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়ায় একটি দলীয় সভায় যোগ দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য (বিএনপির) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে সংগঠিত করা হচ্ছে। নির্বাচনে বিজয়ী হলে বিএনপি জাতীয় সরকার গঠন করবে।’
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি ও সব ইউনিটের কাউন্সিল নির্ধারিত সময়ে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আমান উল্লাহ আমান। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার প্রমুখ।
কুষ্টিয়ার বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহণ করেন।
৫১১ দিন আগে
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না: মোশাররফ
সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, সন্দেহ করছি- একটি মহল চেষ্টা করছে সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্ব করতে। অতি দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচনি রোডম্যাপ দিতে হবে। নির্বাচন যত বিলম্ব হবে বাংলাদেশে তত নানা রকম ষড়যন্ত্র হবে।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্ততা বিষয়ক কুমিল্লা বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভুইয়ার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে দিয়ে দেশের সম্পূর্ণ সংস্কার সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ সরকারের জন্য একটি দলীয় সরকার প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা ব্যর্থ, ভারতবিরোধী অবস্থানে বিএনপি
তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে একটি দলীয় সরকার গঠন সারা বাংলাদেশের মানুষের দাবি বলে জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।
এই কর্মশালা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। অংশ নেন শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ত্রান ও পুনর্বাসন সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ কুমিল্লা ছয়টি জেলা বিএনপি, মহানগর, পৌরসভর শীর্ষ নেতারা।
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার বানু, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক নেওয়াজ হালিমা আরলি, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর সাত্তার পাটোয়ারী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবা হাবিব।
আরও পড়ুন: ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
৫১১ দিন আগে
বাবার বাকশাল কায়েম করতে গিয়েই গর্তে পড়েছেন হাসিনা: রিজভী
বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, বাবার (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) গড়া বাকশাল কায়েম করতে গিয়ে শেখ হাসিনা নিজেই গর্তে পড়েছেন। অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে নিজেকেই পড়তে হয়, তার প্রমাণ শেখ হাসিনা।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকাল দিকে মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিনা অপরাধে খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী রেখেছিলেন তিনি। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ২ হাজার ছাত্র জনতার হত্যার দায় নিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। ভেবেছিলেন তার প্রভু ভারত সরকার তাকে টিকিয়ে রাখবেন। কিন্তু পারেননি।
রুহুল কবীর রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভিডিও বার্তা দেওয়ার জন্য তারেক রহমানের সমালোচনা করতেন। আজ শেখ হাসিনা নিজেই ফেসবুক, ইউটিউবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বের কাছে মিথ্যাচার করছে ভারত: রিজভী
তিনি বলেন, ‘কোথায় গেলো শেখ হাসিনার বাহাদুরি।’
রিজভী বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। তাদের অবদানের কথা স্মরণীয় করে রাখতে তাদের নামে বিভিন্ন স্থাপনা ও সড়কের নামকরণ করতে হবে। এছাড়া বিএনপি জনগণের দল। আগামীতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবে হতাহতদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হবে।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর সভাপতি আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুলসহ হতাহত পরিবারের সদস্যরা। এ সময় এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: ভারত আধিপত্য বিস্তারে সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করছে: রিজভী
৫১২ দিন আগে
রামপুরা ব্রিজের কাছে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা
রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের কাছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল আটকে দিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাদের আটকে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নয়াপল্টন থেকে বেরিয়ে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে মিছিলটি রামপুরা ব্রিজে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে অবরোধ করে। এ সময় তিন সংগঠনের নেতাদের সহযোগিতা করার আহ্বানও জানায় পুলিশ।
পরে আন্দোলনকারীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে স্মারকলিপি দিতে ভারতীয় হাইকমিশনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন-জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাছির।
এর আগে আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে রবিবার সকালে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে রোডমার্চ শুরু করে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়ার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করে। বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
পদযাত্রা শুরুর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এতে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ও গণমাধ্যম মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে অভিযোগে করে তার নিন্দা জানান তারা।
রিজভী অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বর্তমানে যা করছে তা সরাসরি আগ্রাসন ছাড়া আর কিছুই নয়।
প্রতিবাদ মিছিল শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা (ভারত সরকার) বাংলাদেশের মানুষকে পছন্দ করেন না। আপনারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন।’
রিজভী দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ দিল্লির আধিপত্য প্রতিহত করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ‘আমরা জানি আকাশ থেকে সমুদ্র থেকে স্থল পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের দেশকে সুরক্ষিত রাখতে কীভাবে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হয়। আমাদের স্মার্ট সামরিক বাহিনীতে যোগ্য সদস্য রয়েছে।’
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট ছোট মিছিল আসতে দেখা গেছে। তারা ভারতীয় আধিপত্যবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।
বাংলাদেশবিরোধী ঘটনা এবং ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে শনিবার বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন এই বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও পড়ুন: ভারত কুটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে: দুলু
৫১৩ দিন আগে
ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল রবিবার সকালে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়ার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
পদযাত্রা শুরুর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ভারত কুটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে: দুলু
ভারতের ক্ষমতাসীন দল ও গণমাধ্যম মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে নিন্দা জানান তারা।
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট ছোট মিছিল আসতে দেখা গেছে।
ভারতীয় আধিপত্যবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশবিরোধী ঘটনা এবং ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।
এর আগে শনিবার বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন এই বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও পড়ুন: ‘শেখ হাসিনার সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দুশমনি করছে’
৫১৩ দিন আগে
গাছের শিকড়ে পানি ঢেলে ডাল ছেঁটে লাভ হবে না: মামুনুল হক
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে বলেছেন, গাছের শিকড়ে পানি ঢেলে উপরে ডাল ছেঁটে কোনো লাভ হবে না। ডাল ছেঁটে পুরো গাছের ছায়া থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব না।
তিনি বলেন, আপনারা যা চাচ্ছেন তা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। শুধুমাত্র বৃক্ষের ডাল ছাঁটলে হবে না, পুরো গাছটা উপড়ে ফেলতে হবে।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নীলার মাঠে আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধানে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন ও নীতিমালা করার যে উন্মুক্ত সুযোগ(ওপেন স্পেস) তা বন্ধ করতে হবে।
আরও পড়ুন: বিচারিক দক্ষতা নৈতিক বাধ্যবাধকতা, শুধু প্রশাসনিক লক্ষ্য নয়: প্রধান বিচারপতি
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় সংবিধান থেকে পাচারকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা নামক কুফরি মতবাদ দিল্লিতে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে বাতিল করে ঈমানের ধারা ফিরিয়ে আনতে হবে।
মামুনুল এসময় বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আলেম সমাজ ভাড়াটিয়া না, এদেশের মাটি রক্তের বিনিময়ে কিনেছে আলেম সমাজ। তাই কেউ রক্ত চক্ষু দেখালে তা উপরে ফেলা হবে।
এসময় তিনি আওয়ামী লীগের এমন করুন পরিণতির কারণ হিসাবে বলেন, আলেম সমাজকে কখনও দাম দেয়নি আওয়ামী লীগ। ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসলে এটা মাথায় রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।
৫১৪ দিন আগে
ভারত কুটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে: দুলু
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত কূটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) গাবতলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে উপেক্ষা করে ভারত শুধুমাত্র শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিল। তাই এদেশের মানুষ আজ ভারতের বিপক্ষে চলে গেছে।
আরও পড়ুন: ‘শেখ হাসিনার সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দুশমনি করছে’
দুলু বলেন, ভ্রান্ত নীতির কারণে নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা ভারতকে ত্যাগ করেছে। শেখ হাসিনার পক্ষে আর ওকালতি না করে ভারতকে তাদের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে আসার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ভারতের আচরণ দাদাগিরির মতো।
তাই বাংলাদেশের মানুষ ৭১-এ পাকিস্তানের দাদাগিরি মেনে নেয়নি, তেমনি ভারতের দাদাগিরিও মেনে নেবে না বলে জানান দুলু।
বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিএনপি নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, দেওয়ান শাহীনসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।
৫১৪ দিন আগে
‘শেখ হাসিনার সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দুশমনি করছে’
ভারত শেখ হাসিনার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখার জন্য বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সঙ্গে দুশমনি শুরু করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশ কিংবা অন্য কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না।’
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আসাদুজ্জামান রিপন এসব কথা বলেন।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, রাজনীতিতে পরিবর্তন দরকার। তারও আগে দরকার ভালো মানুষ হওয়া। এছাড়া ভালো মানুষ সংসদে গেলে ভালো সরকার গঠন হবে। তাহলেই মানুষ সুশাসন পাবে। ৫ আগস্টের আগের পরের রাজনীতি সম্পূর্ণ আলাদা। মানুষ এখন দুর্বৃত্তপনা ও চাঁদাবাজি পছন্দ করে না। এ ধরনের রাজনীতি শেষ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে পরিবর্তন ও সংস্কার দরকার। দেশে সংকট চলছে। তবে সংকট উত্তরণের পথ হচ্ছে নির্বাচন।
আসাদুজ্জামান রিপন নিজের সম্পর্কে বলেন, কখনও এমপি হলে আমার সঙ্গে আপনাদের ঢাকায় গিয়ে দেখা করতে হবে না। গ্রামে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করব। এমপি হলে ব্যবসা কিংবা অন্য কিছু করা যাবে না।
আরও পড়ুন: আজ হোক বা কাল, রাজনীতিবিদরাই দেশ চালাবে: উপদেষ্টা
তিনি বলেন, আজ আমি কোনো মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আসিনি। আমি হারামের রাস্তায় চলি না। হালালের পথে প্রতিষ্ঠিত হতে চাই। আমি ব্যানার পোস্টারের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।
উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান বেপারী।
জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান খানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আতিকুর রহমান, ঢাকা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সহকারী পিপি ওয়াহিদুজ্জামান টিটু, উপজেলা বিএনপির সদস্য মহসীন মোড়ল, কামাল হোসেন প্রমুখ।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী থেকে ইউপি সদস্য পর্যন্ত সবার জবাবদিহিতা চান তারেক
৫১৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী থেকে ইউপি সদস্য পর্যন্ত সবার জবাবদিহিতা চান তারেক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পর্যন্ত সবাই তাদের কাজের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেশে জবাবদিহিতার পরিবেশ তৈরি করতে চাই। রাজনৈতিক দল হিসেবে এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, মন্ত্রী, এমপিসহ সকল স্তরের সবাইকে জবাবদিহি করতে হবে।’
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ফরিদপুরে এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
একই সঙ্গে সরকারি-আধা-সরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরের সবাইকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এটি এমন কিছু নয় যা রাতারাতি অর্জন করা যায়, তবে এটি সম্ভব ... পরিবারের কথা চিন্তা করলে জবাবদিহিতার কারণে তা বিকশিত হয়।’
ফরিদপুর সদর উপজেলা কমপ্লেক্সে বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক কমিটির উদ্যোগে '৩১ দফা রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার প্রস্তাব ও জনসম্পৃক্ততা' শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: জনগণকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান তারেক রহমানের
তারেক বলেন, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনামলে জবাবদিহিতার সম্পূর্ণ অভাবের কারণে দুর্নীতি, নৈরাজ্য, আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ অন্যান্য অপকর্ম সংঘটিত হয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বারবার একতরফা নির্বাচন আয়োজন করেছে, যেখানে দলের নেতাকর্মীরা ব্যাপক লুটপাট ও বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারে লিপ্ত হয়েছে। এটি হয়েছে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার অভাবে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘তাই আমাদের লক্ষ্য দুর্নীতি দূর করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করা, যাতে জনগণ সঠিক চিকিৎসা পেতে পারে। আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা দেশে মানসম্পন্ন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হলে অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব।’
তিনি বলেন, জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনা, জনগণের হারানো অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে বিএনপির ৩১ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। ‘বিএনপির মতো দল সুষ্ঠু নির্বাচনের ডাক দেবে এটাই স্বাভাবিক। এটা করতে হলে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা পালন করতে হবে।’
স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারকে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করতে কীভাবে সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল তা স্মরণ করেন বিএনপি নেতা। ‘একইভাবে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
তিনি বলেন, 'আমরা যদি আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে চাই, তাহলে সকল নেতাকর্মীর সহযোগিতা প্রয়োজন। এই সহযোগিতার প্রথম শর্ত হচ্ছে জনগণের আস্থা ধরে রাখা। সেটা করতে হলে আমাদের অবশ্যই জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করতে হবে, কথা বলতে হবে এবং আচরণ করতে হবে।’
বিএনপির এই নেতা স্বীকার করেন যে, দলের কিছু নেতাকর্মী ভুল করতে পারেন এবং তা অবশ্যই সংশোধন করতে হবে। ‘আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং তাদের সতর্ক করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তারেক বলেন, জনগণের আস্থা যেকোনো রাজনৈতিক দল, তার নেতা ও নেতাকর্মীদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। ‘জনগণের আস্থা হারালে আমরা সব হারাব। তাই আসুন আমরা তা সংরক্ষণের অঙ্গীকার করি। আমরা যদি ঘরে বসে বসে ভাবি যে, জনগণ ইতোমধ্যে বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে, তাহলে সেই আস্থা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে।’
নিজেকে সংশোধন করুন
জনগণের আস্থা ধরে রাখতে এবং চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সবার আগে নিজেদের সংশোধন করতে দলীয় সহকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘আগে নিজেকে সংশোধন করুন, তারপর অন্যকে সংশোধন করতে বলুন। অন্যথায় বড় বড় কথা বলে লাভ নেই (অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজি বন্ধ করার বিষয়ে)।
দুই নেতা দলের নেতাদের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজির বিষয়ে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রশ্ন তোলেন, দলের কোনো নেতাকর্মী দলের প্রভাব খাটিয়ে অমানবিক, সমাজবিরোধী ও চাঁদাবাজি বা অন্য কোনো অপকর্মে লিপ্ত হলে বিএনপি কমিশন গঠন বা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেবে কি না।
এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক বলেন, ‘আপনাদের মধ্যে কেউ যদি এমন অনৈতিক কাজ করে থাকে, তাহলে আগে নিজেকে সংশোধন করুন। আমাদের দলে কিছু খারাপ লোক থাকতে পারে, যারা খারাপ ও অনৈতিক কাজ করছে। আমরা ইতোমধ্যে তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।’
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন হবে যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে কঠিন: তারেক রহমান
তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পেলেই তার দল সর্বাত্মক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এমনকি বিএনপির যারা আছেন তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়ে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা চরম ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলেও জানান বিএনপি নেতা। ‘মূল কথা হলো ‘প্রথমে নিজেকে সংশোধন করা এবং তারপরে অন্যদেরও এটি করতে উৎসাহিত করা।’
বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তারেক।
তিনি বলেন, তাদের দল দ্রুত বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চায়, যাতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো যথাযথভাবে সমাধান করা যায়।
৫১৪ দিন আগে
শেখ হাসিনা না পালালে তার হাড্ডি মাংস খুঁজে পাওয়া যেত না: মান্না
শেখ হাসিনা না পালালে তার হাড্ডি মাংস খুঁজে পাওয়া যেত না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন। কারণ পালানো ছাড়া অন্য কোনো রাস্তা ছিল না।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) খুলনার উমেশচন্দ্র লাইব্রেরিতে নাগরিক ঐক্য খুলনায় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের পুলিশগুলো কি ভোট দিতে দেয়? কোনো ঘুষ ছাড়া কি কাজ করে? এখন পুলিশ কি কোনো তদন্তে যায়? এই পুলিশগুলো বদলাতে হবে। নতুন পুলিশ বাহিনী সাজান।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব হচ্ছে একটা ভালো ভোটের ব্যবস্থা করা।
আরও পড়ুন: আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে: মান্না
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভোট ব্যবস্থা ধ্বংস করার মধ্যে দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। মানুষের অধিকার নষ্ট করেছে।
তিনি আরও বলেন, মানুষ ভোট দিতে এসে দেখে ভোট আগেই হয়ে গেছে, বা পুলিশ তাকে ঢুকতে দেয়নি। দিনের ভোট আগের রাতে হয়ে গেছে।
মান্না বলেন, এত বড় গণঅভ্যুত্থানের পরে আমরা কোনো চাদাবাজ দেখতে চাই না, মাস্তানি দেখতে চাই না, দখলবাজিত্ব দেখতে চাই না।
পরিবর্তনের একটা অন্যতম বিষয় হচ্ছে আমরা একটা ভালো ভোট চাই বলে জানান নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি আরও বলেন, সম্প্রতি আন্দোলনে দুটি মেট্রো স্টেশন ধ্বংস হয়েছিল। এটি পুনরায় নির্মাণ করতে শেখ হাসিনা বলেছিল ৩০০ কোটি খরচ হবে। এটি নির্মাণ করতে ৩০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ৩০ কোটি টাকা খরচ করে বাকি টাকা পাচার করতেন। চোর যদি আপনার দেশ শাসন করে, তাহলে আপনার দেশের উন্নতি হতে পারে না।
খুলনার সভাপতি আইনজীবী মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার। আলোচক ছিলেন খুলনা জেলা শাখার নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক আইনজীবী আব্দুল মজিদ হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন নাগরিক ঐক্য দপ্তর সম্পাদক এস এম মহিদুজ্জামান মহিদ। এছাড়া নাগরিক ঐক্য’র খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রোজিনা ইসলাম ও মান্নার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা হবে: আইন উপদেষ্টা
৫১৪ দিন আগে