রাজনীতি
৬ বছর পর রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন খালেদা
ছয় বছর পর কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামী ২১ ডিসেম্বর জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নিচ্ছেন।
মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত জানান, শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশের আয়োজন করা হবে।
উলফাত বলেন, শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। ‘তিনি রাজি হয়েছেন... তিনি বলেছেন, সুস্থ থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে যোগ দেবেন। আমরা আশা করছি ম্যাডাম এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন।’
আরও পড়ুন: ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিকালে মার্কিন দূতাবাস যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি হোটেলে বিএনপির বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন খালেদা জিয়া। এটিই ছিল তার শেষ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ। এর তিন দিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উলফাত বলেন, ২১ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের সমাবেশে সারাদেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন।
এর আগে ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছয় বছরের মধ্যে প্রথম জনসমক্ষে আসেন এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, হার্ট, ফুসফুস, কিডনি ও চোখের সমস্যাসহ বেশ কয়েকটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া
৫৫১ দিন আগে
জনপ্রশাসন সংস্কারে বিএনপির প্রস্তাব
দেশের জনপ্রশাসন সংস্কারের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবনা পেশ করেছে বিএনপি। এতে কার্যকারিতা ও নিরপেক্ষতা বাড়াতে প্রশাসনিক কাঠামোর ব্যাপক পুনর্গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও দলের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেসুর রহমানের কাছে এ প্রস্তাব জমা দেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুরো প্রশাসনিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিটি নির্বাচনের তিন মাস আগে প্রশাসনের সর্বস্তরে পরিবর্তন আনতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসকের ফিট লিস্ট তৈরির প্রক্রিয়া সংশোধন।’
আরও পড়ুন: বিএনপির লক্ষ্য গণতান্ত্রিক, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়া: তারেক রহমান
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে একই পদে থাকার কারণে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এ কারণে বেশকিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়, সেগুলো সমাধান করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রস্তাবগুলোতে এই জাতীয় ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক স্থানান্তরের বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আগের সরকারের আমলে বেশ কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রশাসন নিশ্চিত করতে, তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তুলে ধরেছে বিএনপি।
আরও পড়ুন: শিগগিরই নির্বাচন হবে বলে আশা বিএনপির
৫৫১ দিন আগে
বিএনপির লক্ষ্য গণতান্ত্রিক, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়া: তারেক রহমান
সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সবার জন্য বাসযোগ্য ও উপভোগযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা বিএনপির লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, 'আসুন আমরা সবাই মিলে বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার সমাজের ভিত্তির ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করি। আপনাদের কল্যাণ এবং সাফল্য আমাদের অগ্রাধিকার।’
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) আগারগাঁও এলজিইডি মিলনায়তনে শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, তার দল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সামাজিক ক্ষমতায়ন ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম সমন্বয় করতে একটি পৃথক পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য একটি মর্যাদাশীল, যোগ্য ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে তার দল বদ্ধপরিকর বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।
তারেক বলেন, ‘আমি এবং আমার দল বিএনপি স্বীকার করছে যে, আপনাদের সমস্যা ও দুর্ভোগ বাস্তব ও গভীর। কিন্তু আপনাদেরকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই লড়াইয়ে আপনি একা নন। আমরা সব সময় আপনাদের পাশে আছি এবং থাকব। আপনাদের প্রতিবন্ধকতাই আমাদের বাধা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের পেছনে ফেলে আমরা কখনো সামনে এগোতে পারব না।’
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধৈর্য ধরতে বলেছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বিএনপি প্রতিবন্ধীসহ সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। ‘আমরা সবাই মিলে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব, তা সবার জন্য সুষ্ঠু, সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, সবার জন্য বাসযোগ্য এবং সবার জন্য উপভোগ্য হবে।’
তিনি বলেন, রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাই, বন্ধু ও অভিভাবক হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে আমি এ ধরনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছি।
রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের প্রতিভা অন্বেষণ ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সহযোগিতা করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।
বিএনপি নেতা উল্লেখ করেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনারা আমাদের সমাজ ও পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনারা দেশকে এগিয়ে নিতে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন।’
তিনি চারজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অনুপ্রেরণামূলক গল্পও তুলে ধরেন। যারা তাদের স্বপ্নগুলো উপলব্ধি করেছিলেন এবং শারীরিক ও অন্যান্য বাধা অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, এই চারজন আমাদের দেখিয়েছেন যে সত্যিকারের ক্ষমতা শরীর দিয়ে পরিমাপ করা হয় না, বরং মনের শক্তি, ইচ্ছাশক্তি এবং কঠোর পরিশ্রম দিয়ে পরিমাপ করা হয়। তাদের গল্পগুলো আমাদের শেখায় যে 'বাধা' কেবল একটি শব্দ যা প্রচেষ্টার মাধ্যমে অতিক্রম করা যায়। আমাদের কর্তব্য তাদের সংগ্রামকে সম্মান করা এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠার এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবেন।’
ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না বা পেছনে পড়ে থাকবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে কাজ করে আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলব, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারবে।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সবার অধিকার নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে তার দল বদ্ধপরিকর।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষদের যেসব সমস্যা রয়েছে তা দূর করা, বর্তমানে তারা যে বৈষম্যের শিকার তা দূর করা এবং তাদের সার্বিক কল্যাণ উন্নয়নে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে।
প্রতিবন্ধী নাগরিক সংগ্রাম পরিষদের (পিএনএসপি) সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে দেড় শতাধিক শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারীরা পারিবারিক ও সামাজিক অসুবিধা থেকে শুরু করে পরিবহন বাধা, সরকারি পরিষেবাগুলো ব্যবহারের সুযোগের অভাব, সীমিত শিক্ষার সুযোগ এবং বিভিন্ন ধরণের বৈষম্যের মতো বিষয়গুলোর মতো অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
তারা তাদের প্রতি নেতিবাচক সামাজিক মনোভাব এবং তারা প্রায়শই যে বর্জনের অভিজ্ঞতা অর্জন করে তাও তুলে ধরেছিল।
এছাড়া বিশেষ ভাতা বৃদ্ধি, মানসম্মত ও ঝামেলামুক্ত শিক্ষা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, সরকারি সেবা ও অফিসে সহজলভ্য প্রবেশাধিকার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী পরিবহন ও সেবা চালু, সরকারি স্বীকৃতি ও ইশারা ভাষার ব্যবহার, তাদের অধিকারের জন্য বিশেষ কমিশন গঠন, 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা আইন-২০১৩' সময়োপযোগী করাসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়।
শারীরিক প্রতিবন্ধীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে তাদের সমস্যা সমাধান, মূল্যবান মানবসম্পদে রূপান্তর এবং বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পদক্ষেপ নিতে হবে।
আরও পড়ুন: আগামীতে বাংলাদেশে জবাবদিহিতার সরকার চান তারেক রহমান
৫৫২ দিন আগে
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলকে জড়িয়ে উপদেষ্টা রিজওয়ানার বক্তব্য 'ভুল ও বিভ্রান্তিকর': রিজভী
রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সংস্কার প্রসঙ্গে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যকে 'ভুল ও বিভ্রান্তিকর' বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী আরও বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য দেশকে বিরাজনীতিকরণের অপচেষ্টার প্রতিফলন।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, 'আমি বলতে চাই, গতকাল (শুক্রবার) সংস্কার নিয়ে একজন উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা। উপদেষ্টার বক্তব্য ভুল ও বিভ্রান্তিকর।’
তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে সমস্ত সংস্কার রাজনীতিবিদদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সংসদে সব সংস্কার করা হয়েছে। ব্রিটেন ও আমেরিকাসহ বিশ্বব্যাপী সংস্কার করেছেন রাজনীতিবিদরা।’
তিনি আরও বলেন, সংস্কারের বিষয়ে বাড়াবাড়ি করা এবং রাজনীতিবিদদের দোষারোপ করা ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতার লক্ষণ।
সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে রিজভী বলেন, প্রতিটি দেশ ও যুগে সমাজের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংস্কার করা হয়।
তিনি বলেন, সমাজের অনিয়ম একদিনে দূর করা যায় না। ‘এজন্য সব পর্যায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
বিএনপির এই নেতা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে যৌক্তিক সময়সীমার মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে তাদের দল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এখন রাজনীতি ও বিরাজনীতিকরণের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করে অপপ্রচার ও ভুল তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আমরা একটি মুক্ত জাতি, আমাদের দেশ স্বাধীন এবং সার্বভৌম। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। তাই এই জাতি কারও হুমকির কাছে মাথা নত করবে না।’
এর আগে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) গত কয়েক দশক আগে রাজনৈতিক সংস্কারে অগ্রগতির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
রাজধানীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা ও চালক পুনঃপ্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, 'রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পৃক্ততা ছাড়া যদি রাজনৈতিক সংস্কার সম্ভব না হয়, তাহলে গত ৫৩ বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি কেন?’
৫৫২ দিন আগে
শিগগিরই নির্বাচন হবে বলে আশা বিএনপির
জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শিগগিরই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময়ই আশাবাদী। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করছি। আশা করি, জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী শিগগিরই একটি নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবে।
ফখরুল বলেন, শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাজিত করে দেশ গড়ার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা বাংলাদেশকে বৈষম্যহীনভাবে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’
দেশের মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বিজয়ের মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগে বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বিজ্ঞানী ও সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অপহরণ করে হত্যা করে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য লড়াই করেছে।
শহীদ বুদ্ধিজীবী ও দেশ স্বাধীন করার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্বনির্ভর নয়াগণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের দল, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মুক্তি ও শান্তি কামনা করছি।’
এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল।
দিবসটি উপলক্ষে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করে বিএনপি।
৫৫২ দিন আগে
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে বিএনপির শ্রদ্ধা
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিএনপি।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা শনিবার সকাল সোয়া ৯টায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী মহান বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিতে হবে।
আরও পড়ুন: শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা
দিবসটি উপলক্ষে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করে বিএনপি।
দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে দলটি।
১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, শিল্পী, শিক্ষকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসররা।
পরে তাদের লাশ রাজধানীর রায়েরবাজার, মিরপুরসহ কয়েকটি বধ্যভূমিতে ফেলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আগামীকাল
৫৫২ দিন আগে
হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বানাতে মোদির প্রতি দুলুর আহ্বান
শেখ হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বানাতে মোদি সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে উৎখাতের পর ভারতের জ্বালা শুরু হয়েছে। এছাড়া তারা জোর করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসাতে চায়।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) নাটোরের কাফুরিয়া ইউনিয়নের চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় বিএনপির জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ নিয়ে ভারত অপপ্রচার করছে জানিয়ে দুলু বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করলে বাংলাদেশের মানুষ ছেড়ে দেবে না।
আরও পড়ুন: ভারত কুটনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে: দুলু
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়ে দেখেন কীভাবে দিনের ভোট রাতে করতে হয়। কীভাবে গুম, খুন হয়।
এছাড়া কীভাবে ক্ষমতায় থাকতে হয় শেখ হাসিনা তাও শিখিয়ে দেবে বলে জানান বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবর আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, দেওয়ান শাহীন প্রমুখ।
৫৫৩ দিন আগে
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তুরস্কের আইনজীবীদের সাক্ষাৎ, বিচার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা
সফররত তুরস্কের ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্ট ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দল বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া দমনমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে প্রতিনিধি দল।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্ট ইউনিয়নের (আইইউজে) ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
বৈঠক শেষে খসরু সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা, গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের কীভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা স্বৈরাচারের পতনের পর এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছি। এ বিষয়ে তুরস্কের অভিজ্ঞতা ও কর্মকাণ্ডের আলোকে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কীভাবে বিচারের আওতায় আনা যায়, তা নিয়েও আমরা কথা বলেছি।’
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দল নিয়ে মন্তব্য, উপদেষ্টা নাহিদের সমালোচনায় বিএনপি
বিএনপি জানায়, গণহত্যা, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালানো এবং অন্যান্য দমনমূলক কর্মকাণ্ডে রাজনীতিবিদ ও স্বৈরাচারী সরকারকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের কীভাবে বিচার করা যায় তাও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
খসরু বলেন, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শাসক ও তার সহযোগীদের ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেছেন তারা। ‘বিচার বিভাগের সংস্কারের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। বিচার ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ না করলে শৃঙ্খলা রক্ষা অসম্ভব।’
খসরু আরও বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের বিরুদ্ধে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ হাজার বিচারক ও কৌঁসুলির মধ্যে চার হাজার জনকে অপসারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এরদোগানকে ক্ষমতাচ্যুত করার ব্যর্থ চেষ্টার পর অনেক রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তা তুরস্ক ছেড়ে পালিয়েছেন। ‘এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য তাসভীর উল ইসলাম, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম ও শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আগরতলা অভিমুখে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের লংমার্চ শুরু
৫৫৩ দিন আগে
রাজনৈতিক দল নিয়ে মন্তব্য প্রত্যাহারে উপদেষ্টা নাহিদকে ফখরুলের আহ্বান
রাজনৈতিক দলগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে খাটো করার চেষ্টা করছে বলে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কেন বা কোন প্রেক্ষাপটে তিনি এ কথা বলেছেন অথবা তিনি এর অর্থ বুঝতে পেরেছেন কিনা। এটি একটি বিপজ্জনক বিবৃতি। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমি মনে করি, তার মন্তব্য প্রত্যাহার করা উচিত।’
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ফখরুল।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধৈর্য ধরতে বলেছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল
তিনি বলেন, 'দয়া করে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিপক্ষ বানাবেন না'
তিনি বলেন, বিএনপিসহ ছাত্র, জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো সকলেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এমন একটি পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব দিয়েছে যেখানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং জনগণের সরকার ও সংসদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
এর আগে বুধবার তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের চেয়ে নির্বাচনকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
সচিবালয়ে ব্রিটিশ গ্লোবাল পার্টনার্স গভর্নেন্সের (জিপিজি) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক দলগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: তারেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে লন্ডন যাচ্ছেন ফখরুল
৫৫৩ দিন আগে
নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করে ২৫ সালে নির্বাচন চান জামায়াত সেক্রেটারি
ডিসেম্বরের পর নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করে ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন শেষ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাষ্ট্রের কিছু সংস্কার প্রয়োজন। পুলিশ, নির্বাচন কমিশন, জুডিসিয়ালসহ ৫-৭টি দপ্তরের সংস্কার করার পর যখন জাতি বুঝবে এখন নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়া প্রয়োজন, তখন নির্বাচন হতে পারে। সেই সময়টা বেশি লাগার কথা নয়।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে জামায়াতের রুকন শিক্ষাশিবিরে যোগদানের আগে এসব কথা বলেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালে দেশের সাধারণ মানুষ কোনো ভোট দিতে পারেনি। ভোট দিতে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগ সাধারণ মানুষদের বলেছে আপনাদের ভোট হয়েছে।
বর্তমান সরকারের বিষয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে কোনো দল ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে না। যারা রাজনীতি চর্চা করেন তাদের মধ্যে একটি সরকারি দল, অপরটি হচ্ছে বিরোধী দল। সাইকেলের যেমন দুটি চাকা না থাকলে সাইকেল চলে না, ঠিক তেমনি সরকার ও বিরোধী দল না থাকলে রাষ্ট্র চলে না। সমালোচনা রাষ্ট্রের একটি সৌন্দর্য।
আরও পড়ুন: আ. লীগের চরিত্র বদলায়নি, দফায় দফায় ষড়যন্ত্র করছে: জামায়াত আমির
তিনি আরও বলেন, আমরাও সরকারকে বলি আপনাদের প্রশাসনের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিদায় করুন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিপ্লবের পরেই বর্তমান সরকারের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ এসেছে। পাল্টা ক্যু, জুডিসিয়াল ক্যু, আনসারকাণ্ড, প্রশাসনের অস্থিরতা, হিন্দু ভাইদের নিয়ে রাজনীতির চেষ্টা হয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে অরাজকতা করছে। সবই সরকার মোকাবিলা করছে। এগুলো সামনে না আসলে সরকার আরও অনেক কিছুই সংস্কার করতে পারত। সরকার যা করছে তাতে আমরা খুশি (হ্যাপি)।
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জতুল্লাহ, জামালপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার, টাঙ্গাইল জেলার সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, জেলা নায়েবে আমির খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
আরও পড়ুন: জামায়াতের সঙ্গে তুরস্কের ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্ট ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
৫৫৩ দিন আগে