রাজনীতি
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুই।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে এ সময় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে, রাষ্ট্র্রদূতের সঙ্গে ছিলেন দূতবাসের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ক্রিশ্চিয়ান বেক।
আরও পড়ুন: জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে দোয়া মাহফিল করবে বিএনপি
বৈঠক শেষে আমীর খসরু সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
‘নির্বাচন, অর্থনৈতিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রদূত আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন; আমরা তা বলেছি।’
৬০৮ দিন আগে
নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধা পাবে, তা দেখার বিষয়: তারেক রহমান
বিএনপি একটি ‘রাজনৈতিক’ দল উল্লেখ করে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা নির্বাচন চাইব, এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। একটি স্বাভাবিক ব্যাপারকে কিছুসংখ্যক লোক কেন অস্বাভাবিক করছেন, সেটি আমাদেরকে চিন্তা করে দেখতে হবে। এখানে অন্য কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য আছে কিনা, সেটি আমাদের ভেবে দেখতে হবে।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউনহল প্রাঙ্গণে আয়োজিত কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের পরিকল্পনাকে যদি সফল করতে হয়, তাহলে সবচাইতে উত্তম পন্থা হচ্ছে, ভোটের মাধ্যমে জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে সেই পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবায়ন করা। রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণের কাছে ভোট চাওয়া ও নির্বাচন করা। কিন্তু আজকে আমরা দেখছি, কিছুসংখ্যক ব্যক্তি, সংগঠন হঠাৎ করে কথায় কথায় বলে ওঠে—বিএনপি শুধু নির্বাচন নির্বাচন চায়; বিএনপি নির্বাচন ছাড়া কিছু বোঝে না।
‘বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। আমরা যেহেতু জনগণের শাসনে বিশ্বাস করি, জনগণের রাজনৈতিক শক্তিতে বিশ্বাস করি; আমরা যেহেতু গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি, স্বাভাবিকভাবে আমরা নির্বাচন চাইব, জনগণের কাছে ভোট চাইব। এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। একটি স্বাভাবিক ব্যাপারকে কিছুসংখ্যক লোক কেন অস্বাভাবিক করছেন, সেটি আমাদের চিন্তা করে দেখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে অন্য কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য আছে কিনা, সেটি আমাদের ভেবে দেখতে হবে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যদি নির্বাচন বিলম্বিত হয়, তাহলে কারা সুবিধাপ্রাপ্ত হবে, কাদের স্বার্থ উদ্ধার হবে, এটি আজকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’
আরও পড়ুন: জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এখন প্রধান কাজ: তারেক
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বিএনপি দেশে আর কোনো অস্থিরতা দেখতে চায় না জানিয়ে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘আজকে আমরা যদি পত্রপত্রিকা খুলি এবং দেশের বিভিন্ন দিকে তাকাই, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে কিছু কিছু অস্থিরতা লক্ষ করছি।... আজকে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছেন, সেই অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জনমনে নানা রকম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকার গঠিত হবার পর থেকে আমরা পরিষ্কারভাবে বলে এসেছি, আমরা এই সরকারকে সমর্থন করতে চাই। আমরা চাই, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সফল হোক। কারণ বাংলদেশের মানুষ মনে করে, জনগণের অধিকার রক্ষা করবার জন্য যা যা দরকার, তা তারা করবেন। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেবে এই অন্তর্বর্তী সরকার, যা পলাতক স্বৈরাচার বহু বছর আগে রাতের আঁধারে অস্ত্রের জোরে লুণ্ঠন করেছিল।’
‘কিন্তু গত কিছুদিন ধরে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের ভেতরের বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন রকম কথা বলছেন। এর ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকম অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।… আমরা দেখছি অর্থনীতিতে অস্থিরতা, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিতে অস্থিরতা, প্রশাসনে বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতা।’
আরও পড়ুন: রাজপথে যাদের দেখা যায়নি, তারাই এখন সংস্কারের কথা বলছে: তারেক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা আবারও পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এই সরকারকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। কারণ এই সরকার যত স্মুথলি, যত সুন্দরভাবে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে পারবে, আগামী দিনে এই দেশ ও দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক যাত্রা তত স্মুথ হবে। আমরা আশা করব, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি মানুষ যে নিরপেক্ষতা প্রত্যাশা করে, সে নিরপেক্ষতা তারা বজায় রাখবে। বিএনপিও দৃঢ়ভাবে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে।’
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন। আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ অনেকে।
৬০৯ দিন আগে
আয়নাঘরের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার করতে হবে: নুরুল হক
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বলেছেন, 'পিলখানা বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও আয়নাঘরের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে যারা জড়িত, তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা দরকার। ইতোমধ্যে তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি বাকিদেরকেও বিচারের মুখোমুখি করার মধ্যদিয়ে সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি হবে।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানীর সামরিক কবরস্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
নূর বলেন, '২০০৯ সালে কথিত বিডিআর বিদ্রোহের নামে যে সমস্ত সেনা অফিসারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।’
স্বজনহারা পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নূরুল হক নূর বলেন 'সরকারকে ধন্যবাদ জানাই, তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে সেনাবাহিনী ভূমিকা পালন করে আসছিল, সেই সেনাবাহিনীকে পঙ্গু করতে পরিকল্পিতভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ণ করার জন্য হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। সেই হত্যাকাণ্ডের তো বিচার বিগত সরকার করেইনি, বরং সেনা সদস্যদের প্রতি নূন্যতম সম্মানও দেখায়নি।
তিনি বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অন্তত ২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এজন্য আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এই পিলখানা হত্যাযজ্ঞের একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হওয়া দরকার। এর পেছনে যে কুশিলবরা জড়িত সেটা জাতির সামনে উন্মোচন করা দরকার।
নুর বলেন, আমরা মনে করি এই ঘটনা শুধু দেশে অভ্যন্তরীণভাবেই ঘটেছে এবং অভ্যন্তরীণ শক্তি জড়িত সেটা না, এর সঙ্গে বহির্শক্তিও জড়িত। আমরা ২০০৯ সাল পরবর্তী সময়ে দেখেছি বিভিন্ন দৃশ্যমান ঘটনাও দেখেছি।
তিনি আরও বলেন 'একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে কিভাবে একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্রের পরিণত করা যায় তার জন্য ২০০৯ সাল থেকে পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে এবং দেশে একটি একদলীয় শাসন কায়েম করে কার্যত বাংলাদেশকে ভিনদেশী করদ রাষ্ট্র পরিণত করেছিল।
নুরুল হক বলেন,'আপনারা লক্ষ্য করেছেন, জাতির ঐতিহাসিক সংকটগুলোতে সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। জনগণের কাতারে এসে শামিল হয়েছে। ১৯৭১ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত কিংবা ৯০ কিংবা সর্বশেষ ২০০১ আপনারা যদি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটগুলো লক্ষ্য করেন, প্রতিটি প্রেক্ষাপটেই দেখবেন যে একটি সাহসী ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি কিছু মহল সেনাবাহিনীকে গণঅভ্যুত্থানের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এটি আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল হবে না। আমরা সে ব্যাপারেও দেশবাসীকে সতর্ক করছি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে জনগণের পাশে এসে দাঁড়ানোর সেনাবাহিনীর সেই সাহসী ভূমিকাকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।
নুর বলেন, ‘আয়না ঘরের মতো বর্বর নিপীড়নের সঙ্গে যারা জড়িতরা সেটা সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তা, সবাই না।'
৬১০ দিন আগে
বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান আর নেই
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় ঢাকার ধানমন্ডির বাসভবনে ইন্তেকাল করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছেন ৮২ বছর।
আব্দুল্লাহ আল নোমানের ব্যাক্তিগত সহকারী নূরুল আজিম হিরু ইউএনবিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সকালে আবদুল্লাহ আল নোমান কিছুটা অসুস্থ বোধ করলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়ার আগেই বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
প্রবীণ এই নেতার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আব্দুল্লাহ নোমানের মৃত্যুতে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঢাকায় জানাজা শেষে তার লাশ চট্টগ্রামে নেওয়া হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
আজ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকার কথা ছিল আবদুল্লাহ আল নোমানের। তবে মৃত্যুর পর সমাবেশটি স্থগিত করা হয়েছে।
অিারও পড়ুন: জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে দোয়া মাহফিল করবে বিএনপি
৬১০ দিন আগে
জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে দোয়া মাহফিল করবে বিএনপি
বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের স্মরণে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া মাহফিলে আয়োজন করবে বিএনপি।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে। এ বছর সরকার জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এই দিবসটি জাতীয়ভাবে পালনের সরকারি ঘোষণাকে বিএনপি সমর্থন করে।’
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে বনানী সেনা কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিল এবং বিকাল সাড়ে ৩টায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা।
সারা দেশে জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানান রিজভী।
বিএনপির এই নেতা বলেন, 'বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে সেনা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি, কিন্তু সে সময়ের প্রতিবেদন থেকে পরিষ্কারভাবে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, ক্ষমতাসীনরা এবং তাদের আন্তর্জাতিক প্রভুরা এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। অনেক প্রমাণ ধ্বংস করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশকে পঙ্গু করতে এবং দেশে গড়ে ওঠা শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই গণহত্যা চালানো হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা শিরিন সুলতানা, হেলেন জেরিন খান, মুনির হোসেন, আমিরুল ইসলাম খান আলীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালিত হবে, তবে তাতে সরকারি ছুটি থাকবে না। দিনটি ‘ক্যাটাগরি সি’ ছুটির দিন হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে। পরিপত্রে এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ফলে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল।
আরও পড়ুন: জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এখন প্রধান কাজ: তারেক
৬১০ দিন আগে
জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এখন প্রধান কাজ: তারেক
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি জয়লাভ করবে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এখন প্রধান কাজ।
তিনি বলেন, ‘এখন প্রয়োজন সর্বত্র গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। একইসঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা—যাতে জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে।’
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জনগণের সুখ ও দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। নেতা-কর্মীদের দায়িত্বশীল ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংসসহ খাদের কিনারায় ফেলে গেছে। এখন সবাই মিলে দেশকে টেনে তুলতে হবে। খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, যোগাযোগ, চিকিৎসাসহ সকল উন্নয়নের জন্য হাতে হাত ধরে কাজ করতে হবে।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছরে দেশের গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না, একইসঙ্গে সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল।‘
আরও পড়ুন: রাজপথে যাদের দেখা যায়নি, তারাই এখন সংস্কারের কথা বলছে: তারেক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য বিএনপির কয়েক লাখ মানুষের নামে গায়েবি মামলা হয়েছে। বিএনপির হাজারও নেতাকর্মীকে খুন ও গুম করা হয়েছে। ২৪’র জুলাই-আগষ্টে প্রায় ২ হাজার ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন। কয়েক হাজার আহত হয়েছেন। এদের রক্তকে মূল্য দিতে হবে।
৬১১ দিন আগে
আজহারকে মুক্তি না দিলে নিজেকে গ্রেপ্তারের আর্জি জামায়াত আমিরের
এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া না হলে নিজেকে গ্রেপ্তারের আর্জি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আজহারুলের মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দেশ পুরোপুরি মুক্তি পাবে না। শুধু একজন মজলুম মুক্তি পাবে। দেশকে মুক্ত করতে হলে যুব সমাজকে আগাতে হবে।’
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে এক পথসভায় এ দাবি জানান ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারকে সরানোর জন্য আন্দোলন করেছি। কিন্তু সেই সমস্ত কষ্ট দুঃখ-যাতনা, জুলুম একত্রিত হয়ে যে শক্তি তৈরি হয়েছিল, আমাদের ছাত্রদের নেতৃত্বে সেই শক্তিতে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে।’
যুবকদের উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সমাজ গড়ার জন্য দায়িত্ব নিতে হলে তোমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। যে সমাজের যুবকেরা এগিয়ে আসে বিপ্লবের জন্য সেই সমাজে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিপ্লব সফল হয়।’
আরও পড়ুন: আজহারের মুক্তি দাবি: কারাবরণের ঘোষণা জামায়াত আমিরের
তিনি বলেন, আমি যুবকদের থেকে দুটি জিনিস চাই— একটি হচ্ছে গভীর দেশপ্রেম ও আরেকটি হচ্ছে আল্লাহর প্রতি ভয়। এই দুইটা জিনিস নিয়ে যদি যুবকের এগিয়ে আসে তারাই হবে সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে হিমালয় পর্বত। এই পর্বত যারাই ভেঙে দিতে আসবে, তার মাথা চুরমার হয়ে যাবে।
জেলার নায়েবে আমির কে এম মকবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, জেলা আমির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুর রব হাশেমী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
৬১১ দিন আগে
ছয় মাসেও ইউনূস সরকারের খাতায় লবডঙ্কা, তাহলে রেখে লাভ কী, প্রশ্ন দুদুর
ক্ষমতায় বসার ছয় মাস চলে গেলেও অন্তর্বর্তী সরকারের খাতায় লবডঙ্গা আখ্যায়িত করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘তাহলে এই সরকারকে রেখে লাভ কী?’
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সাধারণ পাঠাগার মাঠে ‘নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে এবং পতিত ফ্যাসিস্টদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা’ শীর্ষক জেলা বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকার পতনের এতগুলো দিন হয়ে গেলো। আপনি পারেননি চালের দাম কমাতে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কমাতে। লক্ষ লক্ষ মানুষ বেকার হয়ে পড়ে আছে, যাদের কর্মসংস্থানও আপনি করতে পারেননি। অবনতি হয়েছে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলার। এ ৬ মাসে ইউনুস সরকারের খাতায় লবডঙ্কা ছাড়া আর কিছুই নেই, তাহলে রেখে কি লাভ?’
আরও পড়ুন: স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও ফ্যাসিবাদ-সহযোগীর মিলনে গণতন্ত্র পরিপুষ্ট হবে না: দুদু
ছাত্র সমন্বয়কদের সমালোচনা করে দুদু বলেন, ‘আপনারা ছাত্ররাই যে একমাত্র গণঅভ্যুত্থান করেছেন; তা কিন্তু না। ৯০-এ আমরাও গণঅভ্যুত্থান করেছি, সক্রিয় রাজনীতি করার পরও এমপি মন্ত্রী হয়েও আমরা এখনও যে গাড়িতে চড়তে পারিনি, আপনারা তা করছেন। আপনারা ছাত্র সমন্বয়করা কোন চাকরি করেন না, ব্যবসা করেন না, তাহলে দুদিনেই রাজনীতিতে এসে দামি গাড়ি আর রুপায়ন টাওয়ারের ফ্লাট নেওয়ার টাকার উৎস আপনাদের কোথায়?’
তিনি বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন শিক্ষার্থীদের একটা দল থাকা দরকার। তার মানে আপনি শিক্ষার্থীদের পক্ষে এবং আপনি নিরপেক্ষ নন। আপনি শিক্ষার্থীদের হয়ে দুই নম্বরি কারবার করলেও করতে পারেন। আপনার পদত্যাগ কিন্তু বিএনপি এখনো দাবি করেনি। দুই নম্বরি করা কিন্তু একজন নোবেল বিজয়ীর কাজ না। এতে আপনার ও আপনার সরকারের সুনাম নষ্ট হয়ে যাবে।’
জামায়াতসহ অন্যান্য দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশে না, সারা বিশ্বে বিএনপির জনপ্রিয়তা অনেক। নির্বাচনে বিএনপিই ক্ষমতায় আসবে এটা দেখে তাদের সহ্য হচ্ছে না। তবে আপনাদের জন্য বিএনপির দরজা সব সময়ের জন্য খোলা আছে।’
৬১২ দিন আগে
সংস্কার ছাড়া নির্বাচন দিলে ফ্যাসিবাদ ফিরবে: হামিদুর রহমান আযাদ
ফ্যাসিবাদী সরকারের মাধ্যমে সৃষ্ট অচলাবস্থার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া নির্বাচন দিলে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেছন, ‘বর্তমান সরকার যদি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার দিকে ফিরিয়ে নিতে চান, তাহলে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার যে দেশকে অচলাবস্থা করেছিল সেটার প্রয়োজনীয় সংস্কার দরকার। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন দিলে আবারো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে।’
আযাদ বলেন, বাংলাদেশকে গড়তে হলে আমাদেরকে ঔক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টায় ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান বলেন, বিগত ৫৩ বছর বাংলাদেশের মানুষ দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কবলে পড়েছে, বৈষম্যের শিকার হয়েছে। এ জন্যই জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লব ঘটেছে। বুলেটের সামনে দেশের দামাল ছেলেরা বুক পেতে রক্ত দিয়েছে। হাজার হাজার লাশ পড়েছে ও ৩০ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন
অন্তবর্তী সরকারকে উদ্দ্যেশে করে তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে হবে। তারপর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সংসদে সংখ্যানুপাতিক আসন বিন্যাস করতে হবে। নির্বাচন ব্যবস্থার মধ্যে বিগত সরকারের দুর্নীতিবাজদের বিচারের দাবিও জানান আযাদ।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, বর্তমান সরকার এসেছিল বৈষম্য দূর করতে, এখনো বৈষম্যমুক্ত হয়নি দেশ। আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের অধিকার সমান। সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ কার্যকর হয়নি এখনো।
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট গণভবন ঘেরাওয়ের কথা বুঝতে পেরে নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে। ১৫ বছর ছাত্রদের যে ইতিহাস পড়ানো হয়েছিল, ছাত্র-জনতা সেদিন ফুসে উঠে ক্রেন দিয়ে সেগুলো ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত সরকার সম্পদের সঠিক ব্যবহার না করে শুধু লুটপাটে ব্যস্ত ছিল। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে, চর দখলের মতো ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল দখল করে ক্যান্টনম্যান্ট তৈরি করেছিল। যে কারণে মেধাবীরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। শুধু সমদ্রের সম্পদ ব্যবহার করে দেশের ছয় মাসের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল।
হামিদুর রহমান বলেন, যে উদ্দেশ্য এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। দেশে সুশাসন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় পাঁচবার বাংলাদেশ দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিকভাবে গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে। গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিস্টের দোসরদের বিচার করতে হবে। তিনি সর্বশেষে জামায়াত নেতা আজাহারুল ইসলামসহ জেলবন্দি নেতাদের মুক্তির দাবি জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতায় যাওয়া নয়, সুশাসন কায়েম করাই জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য’
ফরিদপুর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ইমারত হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও বোয়ালমারী পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা সৈয়দ নিয়ামুল হাসানের সঞ্চালনায় জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ দেলোয়ার হুসাইন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য শামসুল ইসলাম আল-বরাটী, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ বদরুদ্দীন, সেক্রেটারি আব্দুল ওহাব, ফরিদপুর-১ আসনের জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যা, জেলা নায়েবে আমির আবু হারেস মোল্যা প্রমুখ।
৬১২ দিন আগে
আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না: জয়নুল আবেদীন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ‘কোনো অবস্থাতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। আমরা অবিলম্বে টালবাহানা বন্ধ করে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও দ্রুত সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জামায়াতে ইসলামীর ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের’ দাবির উল্লেখ করে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘একদিকে তারা নির্বাচন পেছানোর কথা বলছে, অন্যদিকে আবার সারা দেশে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা দিচ্ছে। ফ্যাসিবাদি সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল, কিন্তু তাতেও তাদের হুঁশ হয়নি। জামায়াতের কাজই হচ্ছে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা।’
তিনি বলেন, ‘মোদি সরকার এখন শেখ হাসিনার হাত ছেড়ে দিয়েছে। তিনি বাংলাদেশের জনগণের মনোভাব বুঝতে পেরেছেন।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘তারা নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা শুরু করেছে। আমরা অবিলম্বে তাদের এই টালবাহানা বন্ধ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: রাজপথে যাদের দেখা যায়নি, তারাই এখন সংস্কারের কথা বলছে: তারেক
ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও মাহাবুবুল হক নান্নু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেলিন ও জীবা আমিনা আল গাজী, ঝালকাঠি-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইশরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টোসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা।
এদিন সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন দলটির নেতা-কর্মীরা। জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতা কমীর্র উপস্থিতিতে সমাবেশস্থল জনসমূদ্রে পরিণত হয়।
৬১২ দিন আগে