রাজনীতি
‘সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে’
সচিবালয়ের অগ্নিকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এর পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) ১২ দলীয় জোটের দেশবিরোধী অপতৎপরতা, সাবেক কাউন্সিলরদের পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘আমাদের ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক সমাজ আজ দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। সময় এসেছে জুলাইয়ের চাইতেও কঠিন ও শক্তিশালী জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, আমরা আপনাদের শত্রু নই, কিন্তু আপনারা যদি জনগনের পালস বুঝতে ব্যর্থ হন, তাহলে ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংগ্রামী চেতনার কোথায় যেন চিড় ধরেছে, বিভ্রান্তি তৈরি করার অপচেষ্টা চলছে। শেখ হাসিনার পতনের পর যে অন্তবর্তীকালীন সরকার তৈরি হয়েছে, সে সরকারকে আমরা দুই হাত তুলে আশীর্বাদ করেছিলাম, এখনও তাদের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। কিন্তু সে সরকার এখন একের পর এক ভুল করে চলেছে, আর তাদের এই ভুল জাতীয় ঐক্যে ফাটল তৈরি করছে।’
আরও পড়ুন: সচিবালয়ের আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১
১২ দলীয় জোট প্রধান বলেন, ‘জুলাই অভ্যুথান-পরবর্তী যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে, তা যদি আমরা ধরে রাখতে না পারি, তাহলে জাতীয় ঐক্যবিরোধী শত্রুরাই সবচাইতে বেশি খুশি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের বর্ডারের (সীমান্ত) চারপাশে যে উদ্ভূত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে যে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে, তা মোকাবিলা করার জন্য আরও সুদৃঢ় ঐক্য তৈরি করতে হবে।’
৫৮৫ দিন আগে
আ. লীগ সাড়ে ১৫ বছর দেশের পরিবর্তে নিজেদেরকে সাজিয়েছে: জামায়াত আমির
বিগত দিনে একটানা সাড়ে ১৫ বছর যারা শাসন করেছেন তারা দেশকে না সাজিয়ে নিজেদেরকে সাজিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আবহমান কাল থেকে আমাদের এই দেশটি সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির। নানা ধর্মের মানুষ আমরা মিলেমিশে বসবাস করি। এমন একটি দেশ দুনিয়ায় কমই আছে। দেশের মানুষের হাতে কাজ তুলে দেওয়ার পরিবর্তে দেশের মানুষের রিযিক তারা তুলে নিয়েছে। লাখো বেকারের মিছিলে জনগণ ছিল পিষ্ঠ। এর জন্য সরকার দায়ী।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল মোড়ে অনুষ্ঠিত জামায়াতের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াত এই পথসভার আয়োজন করে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা ছাত্রদের হাত থেকে কলম কেড়ে নিয়ে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তারা দেশের মানুষের হাড় ভাঙা পরিশ্রমে অর্জিত টাকা বিদেশে পাচার করেছে।’
জামায়াতের আমির আরও বলেন, অনেকে জিজ্ঞেস করেন তারা আবার নির্বাচনে আসবে কি? আমি বলি- যারা গণহত্যা করেছে, গদিতে থাকার জন্য দেশের মানুষের কেনা অস্ত্র দিয়ে দেশের মানুষের বুকে গুলি ছুড়েছে- তারা কী রাজনীতি করার অধিকার রাখে? ‘স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তারা এই সমাজকে, দেশকে অস্থির করার জন্য ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।’
আরও পড়ুন: ২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন দিতে হবে: জামায়াতের নায়েবে আমীর
জামায়াতা প্রধান বলেন, আমরা এ দেশকে ভালবাসি, এদেশকে গড়তে চাই। সমাজে আমাদের মা বোনেরা ইজ্জতের সাথে ঘরে-বাইরে সমস্ত জায়গায় চলতে পারবে। যোগ্যতা অনুযায়ী যুবকরা কাজ পাবে।
তিনি বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য আদালতের দরজায় যেয়ে মানুষকে কাঁদতে হবে না। বরং আদালত দায়িত্ব নিয়ে মানুষকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেবে। ন্যায়বিচারের দিক থেকে একটি দেশ এবং জাতি গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমির মাওলানা শহিদুল ইসলাম মুকুল প্রমুখ।
ডুমুরিয়া উপজেলা আমির মাওলানা মোক্তার হোসাইনের সভাপতিত্বে পথসভা পরিচালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সিরাজুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের: জামায়াত আমির
৫৮৫ দিন আগে
সীমান্ত হত্যা কখনোই মেনে নেওয়ার নয়: মির্জা ফখরুল
সীমান্ত হত্যা কখনোই মেনে নেওয়ার নয় বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি সবসময়ই এই দাবি জানিয়ে আসছে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত সফরে সিলেট গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সিলেট ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতের উচিত সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা। সীমান্ত হত্যা কখনোই মেনে নেওয়ার নয়।’
আরও পড়ুন: সতর্ক থাকুন, দেশকে কেউ যেন বিভক্ত করতে না পারে: মির্জা ফখরুল
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ নতুনভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার। দেশের গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠার জন্যই বিএনপি কাজ করছে।’
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৫৮৬ দিন আগে
ঐক্য ধরে রাখতে অভিন্ন শত্রু চিহ্নিত করুন: সরকারকে ডা. জাহিদ
ষড়যন্ত্র মোকাবিলা ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অভিন্ন শত্রু চিহ্নিত করে তাদের প্রশাসন থেকে সরাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেছেন, ‘স্বৈরাচারের দোসররা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে ঘাপটি মেরে আছে। ফনা তোলার সুযোগ খুঁজছে তারা। তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য চেষ্টা করছে, করবে, করতেই থাকবে। কাজেই তাদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে স্বৈরাচারের দোসরদের চিহ্নিত করুন। তাদের প্রশাসন থেকে এবং আপনাদের আশপাশ থেকে সরিয়ে দিন।’
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (জেটেব) উদ্যোগে ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা : প্রেক্ষিত টেক্সটাইল সেক্টার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘পত্রিকা খুললেই দেখবেন, একটা মামলায় (হত্যা মামলা) তাদের (আওয়ামী লীগের) দুইজন নেতাকে আসামি করা হয়েছিল এবং সেখানে তদন্ত চলছে। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের বাদ দিয়ে অর্থাৎ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য যখন যাচ্ছেন, তখন আবার ওই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেটিকে প্রতিরোধ করছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ইউনূস স্যারের (প্রধান উপদেষ্টা) প্রতি আস্থাশীল, পৃথিবীর মানুষের আস্থা আছে। দেশের মানুষ একদম নিঃস্বার্থভাবে সরকারকে সহযোগিতা করছে। কাজেই তাদের (সরকার) সিদ্ধান্ত নিতে হবে একেবারে বলিষ্ঠ, আরও যুগোপযুগী, আরও দ্রুততার সঙ্গে।’
আরও পড়ুন: গণহত্যায় জড়িতদের কখনোই বিএনপিতে জায়গা হবে না: ফখরুল
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘মানুষের আকাঙ্ক্ষা বোঝার চেষ্টা করুন। মানুষের অধিকার দ্রুততার সঙ্গে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করুন, তাহলেই মানুষ আপনাদের সাধুবাদ জানাবে। ইতিহাস আপনাদের ধারণ করবে।’
‘…দ্রুততার সঙ্গে জনগণকে তার অধিকার আদায়ের সুযোগ দিন। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে দেশ কোন পথে যাবে, আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন শুনি, ৫৩ বছরে সংস্কার হয়নি, তখন আমাদের মনে কষ্ট লাগে। কারণ যিনি বলেন, তার বয়স ৫৩ হয়নি। বাংলাদেশের সংস্কারের যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, তা তিনি জানেন না অথবা স্বীকার করতে চাননি অথবা বুঝতে পারেননি।’
জেটেব সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এবি এম রুহুল আমীন আকন্দ। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক
৫৮৬ দিন আগে
‘ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বলতম সরকার হলো বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার’
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বলতম সরকার আখ্যা দিয়ে ২০২৫ সালের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জিয়া শিশু-কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. রিপন বলেন, ‘একটি দুর্বল সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এগুলো ঠিক করার জন্য একটি নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন। ২০২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশের সব সংকটের কারণ হলো নির্বাচন।’
তিনি বলেন, ‘সরকার সংস্কারের কথা বলে। কিন্তু সরকার ইতোমধ্যে সংস্কারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মিস করেছে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করার ক্ষেত্রে সংস্কারের যে উদ্যোগ সেখানে তারা ভুল করেছে। নির্বাচনের কোনও তারিখ দেননি, কিন্তু নির্বাচন কমিশন গঠন করে বসলেন। অথচ নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত কোনও সংস্কারের প্রতিবেদনই আসেনি। দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়ে আলোচনা হওয়ার প্রথম রিপোর্ট পেশ করার আগেই সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করে বসলেন।’
‘বিচার বিভাগে ২৩ জন বিচারপতি নিয়োগ করে বসলেন। শেখ হাসিনা যে পদ্ধতিতে বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন, ঠিক সেভাবেই এই সরকার বিচারক নিয়োগ দেন। আমরা চেয়েছিলাম সংস্কারের মধ্যে দিয়ে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া তৈরি হবে, কিন্তু সরকার সেটি করেনি।’
আরও পড়ুন: গণহত্যায় জড়িতদের কখনোই বিএনপিতে জায়গা হবে না: ফখরুল
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা দেখতে পেয়েছি, সংস্কারের কথা বলে সংস্কারের প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে তারা হাসিনার পথ অনুসরণ করে বিচারক নিয়োগ করছেন, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করেছেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে লোক নিয়োগ করেছেন। এগুলো সবই হচ্ছে হাসিনার পরিত্যক্ত মডেল। এ সরকার কতটুকু সংস্কার করতে চায় সেটি আমরা জানি না। কিন্তু সংস্কারের নামে বছরের পর বছর তারা যদি ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চায়, এটি বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংকট এখনও শেষ হয়নি। ভীষণ একটি সংকটের মধ্যে আমরা আছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বারবার বলেছেন, আগামী নির্বাচন কঠিন হবে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মানুষের কাছে যেতে হবে এবং আস্থা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেছেন, ৫ আগস্টের আগের রাজনীতি আর ৫ আগস্টের পরের রাজনীতি এক নয়।’
‘রাজনীতি যদি করতে হয় তাহলে জনগণ কী ভাবে সেটি মাথায় রাখতে হবে। এটি মাথায় না রাখলে রাজনীতি ভুল হয়ে যাবে। আমাদের একটি জিনিস খেয়াল রাখতে হবে। আর সেটি হলো, আন্দোলনকে কোনোভাবেই বিভক্ত করা যাবে না; আন্দোলনের স্পিরিটকে কোনোভাবে বিভক্ত করা যাবে না। আন্দোলনকে বিভক্ত করলে পতিত স্বৈরাচার লাভবান হবে। সুতরাং স্বৈরাচারকে লাভবান হতে দেওয়া যাবে না।’
বিএনপির সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাবেক আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন চুন্নুর ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।
জাহিদ হোসেন চুন্নুর স্মৃতিচারণ করে ড. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জাহিদ হোসেন চুন্নু ৮০’র দশকে ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাসাসের সঙ্গে যুক্ত থেকে পুরো আন্দোলনেই আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি খুবই সক্রিয় ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তার মধ্যে অমৃত সম্ভাবনা ছিল। তার অস্বাভাবিক মৃত্যু আমাদের পার্টিকে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’
জিয়া শিশু-কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক
৫৮৬ দিন আগে
৭ জানুয়ারি লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি লন্ডন যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ইউএনবিকে বলেছেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) বিমানযাত্রার জন্য ফিট থাকলে ৭ জানুয়ারি লন্ডন যেতে পারেন।’
এদিকে, কাতার এয়ারওয়েজের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বিএনপি চেয়ারপারসনকে লন্ডনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ এক বিএনপি নেতা।
তিনি বলেন, লন্ডন সফরে খালেদার জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান, কয়েকজন চিকিৎসক, বিএনপি নেতা, তার ব্যক্তিগত সচিব ও দুজন গৃহকর্মীসহ ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল তার সফরসঙ্গী হবে।
বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় ইতোমধ্যে তার সফরসঙ্গীদের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছে বলে জানান এই বিএনপি নেতা।
আরও পড়ুন: ৬ বছর পর রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন খালেদা
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে লন্ডনে পাঠানোর জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে লন্ডনে তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারসহ বসবাস করছেন।
দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন বেগম খালেদা জিয়া। গত বছরের ২৬ অক্টোবর তিন মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বেগম খালেদা জিয়ার পেট ও বুকে জমা পানি এবং লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট বা টিআইপিএস পদ্ধতি নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
২০২১ সালের নভেম্বরে বেগম খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকে চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ওই বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট তার শাস্তি বাড়িয়ে ১০ বছর করে। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি।
কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ২০২০ সালে ২৫ মার্চ গুলশানের বাড়ি ফিরোজায় থাকবেন এবং দেশ ত্যাগ করবেন না- এমন শর্তে একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ৭৭৬ দিন পর বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেয় সরকার।
তবে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আদেশে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলা থেকে খালেদা জিয়াসহ তিনজনকে অব্যাহতি
৫৮৬ দিন আগে
আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের, বৈষম্যহীন। সব ক্ষেত্র থেকে বৈষম্য দূর করতে হবে যেখানে সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘুর মাঝে ভেদাভেদ থাকবে না। সব মানুষই দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচিত হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখার কর্মী সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অফিস-আদালত থেকে ঘুষ-দুর্নীতি নির্মূল করতে হবে। চাঁদাবাজি, দখলদারি বন্ধ করতে হবে। এজন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (সরকারকে) সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’
তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছরে অসংখ্য মায়ের বুক খালি হয়েছে। আয়নাঘরে বন্দি রেখে জঙ্গিবাদের নাটক করা হয়েছে। অসংখ্য মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের নামে বিনা ভোটে এমপিদের পাস করানো হয়েছে, নিশি রাতে ভোট হয়েছে এবং ২০২৪ সালে আমি আর ডামির নির্বাচন হয়েছে। পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার আমাদের দেশপ্রেমিক বিডিআর বাহিনীকে ধ্বংস করে সীমান্ত চৌকিদার বিজিবি করেছে।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বিভাজন করা হবে না। মসজিদ যদি পাহারা দেওয়া না লাগে, তবে মন্দিরও পাহারা দেয়া লাগবে না; সকলেই শান্তিতে সহাবস্থান করবে।’
তিনি এ সময় স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, অত্যাচার, বাড়িঘর লুটপাটের আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেন।
আরও পড়ুন: ২৫ সালের মধ্যেই নির্বাচন দিতে হবে: জামায়াতের নায়েবে আমীর
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কেউ নারীর ইজ্জতকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না, তাদের পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি। বর্তমান সরকারের কাছে তিনি গাইবান্ধায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
জেলা জামায়াতের আমীর মো. আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে কর্মী সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ডা. আব্দুর রহীম সরকার, জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ সরকার, জেলা সেক্রেটারি জহুরুল হক সরকার, সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান, পলাশবাড়ীর পুরোহিত মিলন ভট্টাচার্য প্রমুখ।
এর আগে, সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে সম্মেলনে যোগ দেয় জামায়াতে ইসলামীর হাজারো নেতাকর্মী।
৫৮৭ দিন আগে
গণহত্যায় জড়িতদের কখনোই বিএনপিতে জায়গা হবে না: ফখরুল
আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের কখনোই বিএনপিতে জায়গা হবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীদের নির্দেষ দেওয়া আছে, যারা সন্ত্রাসী ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িত হয়েছিল, তাদের কাউকেই যেন বিএনপিতে না নেওয়া হয়।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবে অসহায়-দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুর্নীতি ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা। আর গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র উপায় সুষ্ঠু নির্বাচন। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত সংসদই হতে পারে একমাত্র গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিষ্ঠান।’
আরও পড়ুন: সতর্ক থাকুন, দেশকে কেউ যেন বিভক্ত করতে না পারে: মির্জা ফখরুল
‘জনগণের শাসনকে স্থাপন করতে হবে। জনগণের নির্বাচিত পার্লামেন্ট দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া আর অন্য কোনো উপায় আছে বলে আমার জানা নেই। আমি জানি, সব প্রতিষ্ঠানে যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায়, তাহলে এটিই হবে সব থেকে বড় রক্ষাকবচ।’
উত্তরবঙ্গের শীতার্ত মানুষদের দ্রুত সহায়তার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপটা বেশি। সরকারিভাবে উত্তরবঙ্গের শীতের বরাদ্দ দ্রুত আসবে- এমনটাই আশা ছিলো। তবে এখনও যেহেতু আসেনি, তাই জেলা বিএনপি নিজস্ব অর্থায়নেই শীতার্তদের মাঝে কিছু কম্বল বিতরণ করছে। আশা করছি, অসহায় এসব মানুষ দ্রুত সরকারি সহযোগিতা পাবে।’
এ সময় জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচনি বক্তব্য হতাশাজনক: ফখরুল
৫৮৭ দিন আগে
নির্বাচন বিলম্বিত করলে জনগণ বিভ্রান্ত হতে পারে: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সরকার যদি নির্বাচন আয়োজনে বেশি সময় নেয় তাহলে শেখ হাসিনা ও বর্তমান প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করবে।
তিনি বলেন, 'কোনো কোনো উপদেষ্টা বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে তা ১৫ বছর বিলম্বিত করেছেন। এর সঙ্গে আরও কয়েক বছর যোগ করলে মানুষ ভাবতে শুরু করবে পার্থক্যটা কী।’
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এক দোয়া মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আজ নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। ‘আমরা বিশ্বাস করি, তারা যাই করুক না কেন, তাতে অবশ্যই শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হবে না।’
আরও পড়ুন: মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন: রিজভী
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলছেন, বিএনপি ক্ষমতায় ফিরতে খুব অস্থির হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বলব, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হলে কে ক্ষমতায় আসবে বলা মুশকিল। এটা বিএনপির একার বিষয় নয়।’
যদ দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের পদক্ষেপ নিলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, বিএনপি গত ১৫ বছর ধরে দেশের জনগণের মালিকানা এবং তাদের সরকার নির্বাচনের অধিকার ফিরিয়ে আনতে লড়াই করছে।
রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেনি। কারণ, কে সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবেন- তা নির্ধারণ করে দিতেন শেখ হাসিনা।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রতিপক্ষকে দমন ও নির্যাত করে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন। ‘আমরা এখন সেই ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ থেকে মুক্ত এবং আমরা অবাধে চলাফেরা করতে পারি।’
আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোম কম: রিজভী
৫৮৮ দিন আগে
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আংশিক কমিটি ঘোষণা
দলকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম জেলার পাঁচ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে বিএনপি।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক
মোস্তাফিজুর রহমানকে (মোস্তফা) আহ্বায়ক ও সোহেল হোসেন কায়কোবাদকে সদস্য সচিব করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া শফিকুল ইসলাম বেবুকে প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, হাসিবুর রহমান হাসিবকে দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও তাসভীর উল ইসলামকে সদস্য করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সতর্ক থাকুন, দেশকে কেউ যেন বিভক্ত করতে না পারে: মির্জা ফখরুল
৫৮৮ দিন আগে