রাজনীতি
শেখ মুজিবের ছবি সরানো উচিত হয়নি: রিজভী
বঙ্গভবনের দরবার হল থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানোর ঘটনাকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মোশতাক আহমেদ বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবের প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেললেও জিয়াউর রহমান পরে তা আবার টাঙিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার(১২ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রিজভী এসব কথা বলেন।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান উপলক্ষে দলটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলার ঘোষণা দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের একটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আপারা এটি করতে পারেন, কিন্তু সময় সবসময় একইভাবে চলে না। সবার অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। তাই আমি মনে করি, তার (মুজিবের) ছবি সরিয়ে ফেলা উচিত হয়নি।’
রিজভী আরও বলেন, জাতীয় জীবনে ব্যক্তির অবদান ইতিহাস শেষ পর্যন্ত বিচার করবে এবং যে কারও অবদান ও অপকর্মের মূল্যায়ন ও পরিমাপ করা জনগণের দায়িত্ব হওয়া উচিত।
বিএনপির এই নেতা বলেন, যেহেতু আমরা আওয়ামী লীগের মতো সংকীর্ণমনা নই, তাই আমরা মনে করি, বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবের ছবি সরানো উচিত হয়নি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সোমবার (১১ নভেম্বর) নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘দরবার হল থেকে ৭১-পরবর্তী শেখ মুজিবুর রহমানের ফ্যাসিবাদী ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে, ৫ আগস্টের পর বঙ্গভবন থেকে আমরা তার ছবি সরাতে পারিনি। ক্ষমাপ্রার্থী। তবে যতদিন মানুষের জুলাই মাসের চেতনা বেঁচে থাকবে ততদিন তাকে কোথাও দেখা যাবে না।’
আরও পড়ুন: বঙ্গভবনের দরবার হল থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরানো হয়েছে: মাহফুজ আলম
৫৩৯ দিন আগে
তারেকের জন্মদিন পালনের কর্মসূচি নেই বিএনপির
আগামী ২০ নভেম্বর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।
ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্তের কথা সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: বিএনপির দুই নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারেক রহমানের জন্মদিন ২০ নভেম্বর বুধবার।
এতে বলা হয়, ‘বিএনপির সব শাখার নেতাকর্মী, সারা দেশের সহযোগী ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে জানানো যাচ্ছে যে, তারেক রহমানের জন্মদিনের ওই দিন তারেক রহমানের জন্মদিন পালনের জন্য কোনো কর্মসূচি পালন করা হবে না।’
কেউ এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।
তারেক রহমান ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং তখন থেকে তিনি সেখানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার মা ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
জামিনে মুক্তি পাওয়ার আট দিন পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান।
২০০৭ সালের ৭ মার্চ গ্রেপ্তার তারেক রহমান ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে বিএনপি নেতা আব্দুর রহমান মারা গেছেন
৫৪০ দিন আগে
আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ঠেকাতে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন: মঈন খান
আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগীদের পুনরুত্থান ঠেকাতে ছাত্র-জনতাকে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের যে ফ্যাসিবাদী চেহারা উন্মোচিত হয়েছে, তা অবশ্যই উন্মোচিত রাখতে হবে। তাদের দোসরদের সরকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা বা পুনরায় উত্থান ঠেকাতে হবে। আওয়ামী লীগের দোসরদেরকে প্রতিহত করতে হলে মুক্তিকামী ছাত্র ও জনতাকে সজাগ থাকতে হবে। এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থাকতে হবে।’
সোমবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান হাসপাতালে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় আহত শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ছাত্র-জনতার অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করবে যুবদল: মঈন খান
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী সরকারের পতনের ক্ষেত্র তৈরিতে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপিসহ অন্যান্য দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, 'পরবর্তীকালে, ছাত্র-জনগণ আন্দোলনে যোগ দেয় এবং এই গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী সরকার শুধু পরাজিতই হয়নি, কাপুরুষের মতো দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন প্রমাণ করেছে সত্য ও ন্যায় শেষ পর্যন্ত অন্যায়, দমন ও নীপিড়নের ওপর জয়ী হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, ছাত্রদের নেতৃত্বে গণআন্দোলনের প্রথম ধাপ ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও তাদের শপথ গ্রহণ।
তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা, যা আমরা এখনো অর্জন করতে পারিনি। বিএনপি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। সেটা অনুষ্ঠিত হলে এবং জনগণের ভোটের মাধ্যমে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরা দেশের শাসনভার নিলে এই আন্দোলনের সফলতা অর্জিত হবে।’
পরে ড. মঈন হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন আহত রোগীদের দেখেন এবং তাদের মধ্যে ৫১ জনকে আর্থিক সহায়তা দেন।
আরও পড়ুন: বর্তমান সরকারের সংস্কার অনুসরণ করে হবে ভবিষ্যৎ সংস্কার: ডা. মঈন খান
৫৪০ দিন আগে
বিএনপির দুই নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ রিংকু এবং কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত ২১ আগস্ট ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের পদ স্থগিত করা হয় দলীয় সিদ্ধান্তে।রবিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দুই নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘গত ২১ আগস্ট ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিএনপির সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। নির্দেশক্রমে সব পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।’
আগের ঘটনার মতো কোনো সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করে এতে আরও বলা হয়, ‘এখন থেকে দলের নীতি, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান হবেন বলে দল আশা রাখে।’
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট ফরিদপুরের নগরকান্দায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের আগমনকে কেন্দ্র করে তার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শামা ওবায়েদপন্থিদের সংঘর্ষ হয়। এতে কবির ভূঁইয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। পরে ২৪ আগস্ট নগরকান্দা থানায় নিহতের স্ত্রী মোনজিলা বেগম (৪৪) বাদী হয়ে শামা ওবায়েদকে এক নম্বর আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
৫৪০ দিন আগে
রাজনীতিতে ফিরতে ট্রাম্পের ছবি ব্যবহার করছে আ.লীগ: বিএনপি
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি ব্যবহারসহ নানা গোপন উপায়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে ফেরার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও হাফিজ উমেদ আহমেদ।
রবিবার রাজধানীতে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে তারা আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক অবস্থান হারিয়েছে বলেই এ ধরনের চক্রান্তে মেতেছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তার পর থেকে দলটির বেশিরভাগ নেতাকর্মী আত্মগোপনে থাকার মাঝে আজ (রবিবার) নূর হোসেন দিবসে কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ।
তবে আওয়ামী লীগকে এই ধরনের কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের ছবিসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালন করবে বিএনপি
এদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার ডেরেক লোর বৈঠক শেষে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
জনগণ দ্বারা দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে শেখ হাসিনা ও তার দল বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মবেশে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন তিনি।
আমীর খসরু বলেন, ‘সমস্যা হচ্ছে যখন দেশের মানুষ আপনাকে বিতাড়িতে করে- এখন আপনি একেক সময় একেক কাভারে আসতে চান। কোনো কোনো সময় হিন্দু-মুসলিম ইস্যুটা নিয়ে আসবেন, কিছু সময় ওই যে হিন্দুদের উপরে নির্যাতনের চিত্র নিয়ে আসবেন। আবার এখন ট্রাম্পের (ডনাল্ড ট্রাম্প) চিত্র আসছে।’
‘আসলে যাদের এখন অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে, তারা কোনো একটা অন্য কোনো বেশে তারা আসতে চাচ্ছে দেশের মধ্যে। এটা হচ্ছে তাদের রাজনৈতিক দৈন্যতা- তারা যে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে, এটাই প্রমাণ করে।’
এক প্রশ্নের জবাবে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘ট্রাম্পের বেশে কেন আসতে হবে, হিন্দুদের অত্যাচারের বেশে কেন আসতে হবে? কেন তারা রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে এই অবস্থায় পৌঁছাল- এটা তারা নিজেরাই প্রমাণ করেছে, তাই না।’
‘আমি বলতে চাই, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মোড়কে আসার চেষ্টা হচ্ছে। যারা রাজনৈতিকভাবে ব্যাংক্রাপট (দেউলিয়া) হয়ে গেছে, তারা বিভিন্ন মোড়কে আসার চেষ্টা করছে- একটা আবহাওয়া সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’
অপর এক আলোচনা সভায় ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন আরেক দেশে বসে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি আশ্রয় করে বাঁচতে চান’ বলে মনে করেন বিএনপি নেতা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
রবিবার (১০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর : শহীদ রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাফিজ বলেন, ‘হাসিনা কত নিষ্ঠুর, কত ছাত্র হত্যা করেছে। রাষ্ট্র ক্ষমতার জন্য কত নির্মম এরা ছিল। আল্লাহর গজব এদের উপর পড়েছে। এখন আরেক দেশে বসে ট্রাম্পের ছবি আশ্রয় করে উনি বাঁচতে চান।’
‘আসেন না বাংলাদেশে, এত বড় বড় কথা বলেন, বাংলাদেশে আসেন। এখন জিয়াউর রহমান নাই, তার দল বিএনপি এখনও আছে। তার বাংলাদেশের জাতীয়বাদ আছে। আমরা সবাই মিলে এই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব।’
জিয়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, পরিষদের মহাসচিব ডক্টর ইন্তাজ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ছলচাতুরী বাদ দিয়ে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন: সরকারকে বিএনপি
৫৪১ দিন আগে
বিদেশে থেকে আ.লীগকে পুনর্গঠন করতে পারবেন না শেখ হাসিনা: ফারুক
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, শেখ হাসিনা বিদায় নিলেও তার প্রেতাত্মাদের দিয়ে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আজ নাকি আওয়ামী লীগ মিছিল নিয়ে বের হবে। কিন্তু দুঃখজনক, বিদেশে বসে ভাঁওতাবাজি করে জনগণকে একত্র করতে পারবেন না। ভুয়া আওয়াজ দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে আর দ্বিধাগ্রস্ত করতে পারবেন না।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রবিবার (১০ নভেম্বর) আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি এ সভার আয়োজন করে।
জনসভায় ফারুক বলেন, শেখ হাসিনার দোসররা ব্যাপক লুটপাটের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। যারা প্রতারণামূলক ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং সেই অর্থ বিদেশে পাঠিয়েছে, আজ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।
‘তারা আর আপনার মাঝে নেই। যারা দেশে থাকবে তারা কোনোদিন রাস্তায় নামার সাহস পাবে না। তাই এ ধরনের ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না।’
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারই জাতীয় সমস্যা সমাধানের চাবিকাঠি: তারেক
এ সময় রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে দ্রুত একটি বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ফারুক।
তিনি বলেন, ‘তাদের উচিত দ্রুত নির্বাচন সংক্রান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা করা এবং সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ না করা। সংস্কার অব্যাহত থাকবে, নির্বাচনের প্রস্তুতিও অব্যাহত থাকবে।’
‘আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের সব ধরনের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত একটি সরকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘বড় বড় কথা বলে যারা ১৬ বছর দেশ শাসন করলেন তারা এখন কোথায়? আওয়ামী লীগ সংবিধান তছনছ করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ দলীয় আড্ডাখানায় পরিণত করেছেন শেখ হাসিনা।’
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। পরে আমরা ছাত্র ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে সক্ষম হই।
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমুসহ আরও অনেকে।
৫৪১ দিন আগে
জিরো পয়েন্টে আ. লীগের সমাবেশ: নেতাকর্মীদের ৮ দফা নির্দেশনা
রবিবার ঢাকার গুলিস্তানে অনুষ্ঠেয় শহীদ নূর হোসেন দিবসের কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীদের জন্য আট দফা নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
গণআন্দোলনের মাধ্যমে ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়া দলটি রবিবার সকালে তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এসব নির্দেশনা শেয়ার করে।
কর্মীদের কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে এবং কোনো ধরনের নাশকতার ফাঁদে পা না দিতে আহ্বান জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়, ‘আমাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি, আমরা কোনো রকম নাশকতার ফাঁদে পা দেব না। কাউকে পুলিশ বা র্যাব বা সেনাবাহিনী আটক করতে গেলেই সমস্বরে জয় বাংলা স্লোগান দেবেন, আশেপাশের সবাই তাকে উদ্ধারের জন্য চলে যাবেন।’
আরও পড়ুন: জিরো পেয়েন্টে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ: ফ্যাসিবাদ বিরোধী স্লোগানে মুখর
মোবাইল ব্যবহার প্রসঙ্গে নির্দেশনায় বলা হয়, ‘কোনো অবস্থাতেই নিজের মোবাইলে কোনো তথ্য রাখবেন না। পরিচিত সহযোদ্ধাদের নাম ভিন্ন নামে মোবাইলে সেইভ করে রাখবেন। সবাই সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং কোড ওয়ার্ডে কথা বলবেন।’
জিরো পয়েন্টে আসার বিষয়ে বলা হয়, ‘যেখানে জমায়েত হওয়ার কথা ছোট ছোট গ্রুপে মুভ করবেন। বাধা এলে পুলিশকে স্মরণ করিয়ে দেবেন তারা কাদের পক্ষ নিচ্ছে! যারা তাদের রাস্তায় ঝুলিয়ে মেরেছে?’
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ‘সেনাবাহিনীর সাথে কোনো তর্ক-বিতর্কে যাবেন না, তারা মিছিল মিটিং এ বাধা দেবে না।’
৫৪১ দিন আগে
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারই জাতীয় সমস্যা সমাধানের চাবিকাঠি: তারেক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সমস্যা সমাধানে এবং জাতির বিরুদ্ধে সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
শনিবার (৯ নভেম্বর) জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও ঘোষণা দেন, ‘তার দল ক্ষমতায় গেলে কৃষকের পানি সংকট নিরসন করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য আমদানি কমানোর লক্ষ্যে সত্তরের দশকের শেষ দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, তা আবার শুরু করা হবে।’
আরও পড়ুন: বিদেশে আসিফ নজরুলকে অসম্মান দেশের মর্যাদার ওপর আঘাত: তারেক রহমান
বিএনপি নেতা বলেন, ‘দেশ, জনগণ ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। গ্রামাঞ্চলসহ জাতীয়তাবাদী শক্তির সবাইকে সতর্ক করতে হবে এবং এই বার্তা দিতে হবে- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না করা পর্যন্ত সব খাতের সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।’
তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে প্রকৃত প্রতিনিধিদের জবাবদিহি না থাকরে বাজার নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট নির্মূল করা সম্ভব হবে না। ‘একইভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছাড়া শিক্ষা থেকে শিল্প পর্যন্ত দেশের কোনো খাতের উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন কিংবা কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে।’
যেকোনো মূল্যে নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে- ইউনিয়ন পর্যায়ের নাগরিকদেরকেও এই বার্তা পৌঁছে দিতে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন,‘ আপনাদেরকে অবশ্যই জনগণকে বলতে হবে, তারা যে দলের রাজনীতিকেই সমর্থন করুক না কেন, কাকে ভোট দিতে চায় না কেন, তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো ভুয়া নির্বাচন বা রাতে ভোটের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, 'দিনের আলোতে ভোট দিতে হবে। আপনার পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা থাকতে হবে এবং নিরাপদে ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা থাকতে হবে। কাউকে বিরক্ত করা বা অন্যকে ভয় দেখানোর সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করতে হবে। ‘আমরা যদি এটা নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে আমরা ধীরে ধীরে দেশ ও জনগণের সমস্যা দূর করতে পারব।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, সব ধরনের চক্রান্ত নস্যাৎ করতে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দ্রব্যমূল্য রাখতে কৃষি খাতের উন্নয়ন, কৃষকের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সব ধরনের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, আগামীতে আরও প্রকৃত কৃষকদের সম্পৃক্ত করে কৃষক দলকে শক্তিশালী করা হবে।
আরও পড়ুন: জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে পদক্ষেপ নিন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তারেক
৫৪২ দিন আগে
নেতিবাচক বক্তব্যে ফ্যাসিস্টরা আবারও মাথা তুলছে: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর নেতিবাচক আলোচনার কারণে ফ্যাসিবাদের দোসররা নতুন করে মাথা উঁচু করছে।
তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় লক্ষণীয় হলো- বিভিন্ন নেতিবাচক বক্তব্য ও আলোচনার কারণে ফ্যাসিস্টরা আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শুরু করেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের কিছু গণমাধ্যম এটা প্রচার করছে, যা কোনোভাবেই মানুষের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’
শনিবার (৯ নভেম্বর) হাইকোর্ট মিলনায়তনে ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন: ফখরুল
তিনি গণমাধ্যমকে নেতিবাচক প্রচারণা চালানোদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। ‘এই প্রবণতা রোধে তরুণদের একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান ফখরুল।’
ফখরুল বলেন, জাতির সামনে যে সংকট রয়েছে তা সমাধানের একমাত্র পন্থা হচ্ছে ধৈর্য। প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার সম্পন্ন এবং একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান।
তিনি বলেন, একটি কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আজ যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তা যেন জাতি হাতছাড়া না করে। ‘এই সুযোগ হাতছাড়া হলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে। আমি এই বিষয়টির ওপর জোর দিতে চাই।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ছাত্র-রাজনীতিবিদসহ সব মহল সমর্থন করেছে। তিনি বলেন, 'গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের সৃষ্ট জঞ্জাল পরিষ্কার করে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে এই প্রত্যাশা থেকেই আমরা তাদের এ দায়িত্ব দিয়েছিলাম। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা তরুণদের আকাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।’
ফখরুল বলেন, আমরা বারবার নির্বাচন নিয়ে কথা বলছি। কারণ, আমরা বিশ্বাস করেন জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সংস্কার উদ্যোগ সফল হতে পারে না। ‘এ ধরনের অংশগ্রহণ কেবল নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে পারলে দেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও চর্চা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের সময় তরুণরা যে স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার জন্য রক্তসহ এত ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা বাস্তবায়ন করা এখন রাজনীতিবিদদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।
ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে এবং ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন তিনি।
সাকি আরও বলেন, দেশকে গণতন্ত্রের সঠিক পথে রাখতে এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
আরও পড়ুন: কেউ যেন মাইনাস-২ ফর্মুলার কথা না ভাবে: ফখরুল
যেকোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিপক্ষে বিএনপি: ফখরুল
৫৪২ দিন আগে
মানুষের আশা-প্রত্যাশা বিগত ৩ মাসে খুব একটা পূরণ হয়নি: দুদু
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত তিন মাসে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিপরিষদ, এমপি, প্রধান বিচারপতি, বায়তুল মোকাররমের প্রধান খতিব পালিয়ে যাওয়ায় দেশে যে শূন্যতা তৈরি হয় তার প্রেক্ষিতে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
আরও পড়ুন: বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু আটক
বিএনপি নেতা বলেন, মানুষের প্রত্যাশা, স্বপ্ন ও আশা ছিল; তার ভেতর সবচেয়ে বড় হচ্ছে দেশের মানুষ দুমুঠো খেয়েপরে বেঁচে থাকবে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের সময় যে সিন্ডিকেট হয়েছিল সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে। কিন্তু এই ৩ মাসে সেটি খুব একটা পূরণ হয়নি।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকালে চুয়াডাঙ্গা শহরে নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বাংলাদেশের মানুষ মনে করেছিল যে তারা ভোটাধিকার ফিরে পাবে। তারা নিজেদের অধিকারের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। কিন্তু সেই নির্বাচন এখনও পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।
বিএনপি দাবি করেছিল রোডম্যাপ এবং যৌক্তিক একটি সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের। সেটিও সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত সরকার উদ্যোগী হয়েছে ও নির্বাচন দেবে বলেছে, কিন্তু সুনির্দিষ্ট তারিখ-মাস ঘোষণা করেনি।
তিনি বলেন, সেটি ঘোষণা করলে আগামী দিনে দেশের মানুষ আরও উৎফুল্ল হবে, আরও সফল হবে। যতক্ষণ ঘোষণা না করছে ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ একটু উদগ্রীব বা হতাশই থাকবে।
এসময় জেলা বিএনপির সদস্য আইনজীবী ওয়াহেদুজ্জামান বুলাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সরকার পদত্যাগের আগে কোনো সংলাপ নয়: শামসুজ্জামান দুদু
৫৪৩ দিন আগে